আসছে বাংলা একাডেমি বইমেলা ২০২২। সোনালি সোপান। কিশোর গল্পের বই। প্রচ্ছদ: কাব্য করিম বইয়ের নাম: সোনালি সোপান বইয়ের ধরন: কিশোর গল্প লেখক: বাস্তববাদী কবি আবুল খায়ের প্রকাশকাল: অমর একুশে বইমেলা: ২০২২ চূড়ান্ত নয় (প্রচ্ছদ)….
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
আমি ক্লান্ত। ধারাবাহিক গল্প। পর্ব: ১ম দীর্ঘ আট বছর,, প্রবাসে কাটিয়ে যখন কাউ কে না জানিয়ে বাড়িতে আসি সারপ্রাইজ দিবো বলে,, বাড়িতে এসে আমি সারপ্রাইজ হয়ে যাই কারণ আজকে আমরা ছোট ভাইয়ের বিয়ে অথচ আমাকে কেউ একবার বলেনি,, আমি বাড়িতে আসায় কেউ খুশি হতে পারেনি আমি ভালো বুঝতে পারছিলাম,, কারণ তাদের চেহারায় খুশির চেয়ে বিরক্ত ভাব টা বেশি ছিলো,, সবার সাথে কোশল বিনিময় করে ঘরে যাই,, তখন বাবা আমার পিছন পিছন পিছন আসে,, — কিরে নিলয় হঠাৎ বাড়িতে চলে আসলি যে কোন সমস্যা হইছে — না বাব সমস্যা হয় নাই,, তোমাদের দেখতে মন চাইলো তাই চলে আসলাম,, — ওওও তা…
মুস্তাফা জামান আব্বাসী ও আসমা আব্বাসী’র বিবাহ বার্ষিকী, ষাট দশকের আলোড়িত প্রেম, জসীমউদ্দীনে’র ঘটকালি –সালেম সুলেরী পাত্র >> সঙ্গীতসম্রাট আব্বাসউদ্দীন-পুত্র মুস্তাফা জামান আব্বাসী। কনে >> সুসাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী’র ভাগ্নি আসমা আব্বাসী। ঢাকা-উত্তরবঙ্গ ও বৃহত্তর সিলেটে মহাসংযোগ। ষাট দশকের আলোচিত বিয়েটি সম্পন্ন হয় ২০ জানুয়ারি। এরপর এক সপ্তাহ ধরে চলে অনুষ্ঠানাবলী। উল্লেখ্য, উভয়ের মধ্যে প্রেম ছিলো অনেকটা গোপনীয়তায়। যা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন তৃতীয় পক্ষের একজন। তিনি সুবিখ্যাত পল্লীকবি– জসীমউদ্দীন আহমদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই তরুণ-তরুণী’র ঘটকালি করেছিলেন। আব্বাসী ভাই পারিবারিক সম্পর্কে আমার ফুপাতো সহোদর। আসমা ভাবী আমার চিরশ্রদ্ধার এক মহান অভিভাবক। আমার লেখক জীবনের শ্রেষ্ঠতম অনুপ্রেরণাদাত্রী। আমার একাধিক কবিতা ওনার ঠোঁটস্থ।…
টক বরই আমীন শাহনাজ চন্দনা সেদিন হঠাৎ নিখিলদার সাথে দেখা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে। সাথে আবার এক টোল পড়া সুন্দরী রমণীও আছেন। যার চোখ জোড়া ছুঁয়ে আছে মায়াবী কাজল। হাসলেই চিবুকটা আরও তীক্ষ্ণ হচ্ছে। নিশ্চয়ই নিখিলদা সেই ধারালো চিবুকের তীক্ষ্ণতায় এতক্ষণে ঘায়েল! কিন্তু একটু অবাক হলাম, নিখিল’দার সাথে রমণী! আমার কৌতূহল বলল— যা সন্ধি, যা, তোর অনুসন্ধানী চোখ দিয়ে সার্চ করে আয়। কাছাকাছি যেতেই বললাম, আরে নিখিলদা যে! কেমন আছেন? নিখিলদা একটু কাঁচুমাচু হয়ে, গলাটা খু্খ্ খুখ্ করে পরিষ্কার করে বললেন, এই তো ভালো আছি। তারপর একদম গুটিয়ে নিলেন নিজেকে। সুন্দরী রমণীর সামনেই আমি একটু মৃদু হেসে বললাম, কি হলো, জিজ্ঞেস…
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ প্রাপ্ত সকলকে প্রতিবিম্ব প্রকাশ-এর পক্ষ থেকে অভিবাদন। বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২১ ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার বাংলা একাডেমির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বাংলা একাডেমি নির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে রোববার ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১’ ঘোষণা করা হয়। অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার প্রদান করবেন। বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ প্রাপ্তরা হলেন- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ প্রাপ্তরা হলেন- আসাদ মান্নান, বিমল গুহ (কবিতা), ঝর্না রহমান, বিশ্বজিৎ চৌধুরী (কথাসাহিত্য), হোসেনউদ্দীন হোসেন (প্রবন্ধ/গবেষণা), আমিনুর রহমান, রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী (অনুবাদ), সাধনা আহমেদ (নাটক), রফিকুর রশীদ (শিশুসাহিত্য), পান্না কায়সার (মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক…
(বাংলাদেশ পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে পুলিশকে নিবেদিত কবিতা) সালাম বাংলাদেশ পুলিশ। মোঃ রাজিব হুমায়ুন। আঁধার রজনী পিচ্ছিল পথ শিশিরে সিক্ত প্রাত- তপ্ত দুপুর কিংবা ভয়াল ঝড় বৃষ্টির রাত- যখনি চেয়েছি তোমার মদদ তুমি যে এসেছো শাত, শান্তির তরে বাড়িয়ে তোমার ভরসার দুটি হাত। সব মহামারি, পূজাপার্বনে, পবিত্র ইদে বাড়ি- তেমন একটা যাওয়া হয় না নিজ দায়িত্ব ছাড়ি। কারণ, তোমার চাকরি ক্ষেত্রে কদাচিৎ মিলে ছুটি, শান্তি রক্ষা দায়িত্ববোধ কিছুতেই নেই ত্রুটি। আব্বা, আম্মা, পুত্র, কন্যা, ভগিনী, স্বজন, ভাই- এই আমাদের প্রিয় পরিবার সবে সুখে থাকা চাই। তোমারো যে আছে প্রিয় পরিবার হৃদয় গহিনে রেশ- তবুও তোমার এ বাংলাদেশ প্রিয় পরিবার বেশ। পচা-গলা…
বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়ক রাজ রাজ্জাকের ৮১তম জন্মদিন আজ (২৩ জানুয়ারি)। ১৯৪২ সালের এই দিনে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। কলকাতার থিয়েটারে অভিনয় করার মাধ্যমে রাজ্জাক তার অভিনয়জীবন শুরু করেন। সিনেমার নায়ক হওয়ার অদম্য স্বপ্ন ও ইচ্ছা নিয়ে রাজ্জাক ১৯৫৯ সালে ভারতের মুম্বাইয়ের ফিল্মালয়ে সিনেমার ওপর পড়াশোনা ও ডিপ্লোমা করেন। এরপর কলকাতায় ফিরে এসে শিলালিপি ও আরও একটি সিনেমায় অভিনয় করেন। তবে ১৯৬৪ সালে কলকাতায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কবলে পড়ে রাজ্জাক তার পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকায় এসে রাজ্জাক ‘উজালা’ সিনেমায় পরিচালক কামাল আহমেদের সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন। ষাটের দশকে সালাউদ্দিন পরিচালিত হাসির সিনেমা ‘তেরো নম্বর ফেকু ওস্তাগার লেন’ এ…
আমাদের সবার প্রিয় সহকর্মী তুষার খান রাজধানীর গ্রীন লাইফ হসপিটালে লাইফ সাপোর্টে আছে, সবাই তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন। মঞ্চ, সিনেমা এবং নাটক তিন মাধ্যমেই সমানতালে অভিনয় করে দর্শক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন অভিনেতা তুষার খান। ১৯৮২ সালে নাট্যদল ‘আরণ্যক’র সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। দলের প্রায় সবগুলো নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ইবলিশ’, ‘ওরা কদম আলী’, ‘সমতট’, ‘ময়ূর সিংহাসন’, ‘জয় জয়ন্তী’, ‘অববাহিকা’ ইত্যাদি।
দায়িত্বের অবসান (তসলিমা হাসান) সেদিন চৈত্রের শেষ সপ্তাহ, তোমার কাছে যাবো যাবো করে আর যাওয়া হলো না। তবুও বোধ হয় তুমি পথ চেয়ে ছিলে? এ দিকে বাড়িতে মস্ত কাজ পড়ে গেছে, ছোট বোনের বিয়ে, মেহমান, বাজার সদাই কত কিসের দায়িত্ব সব আমার কাঁধে। এর মধ্যে তোমার ফোন! পালাবে আমার সাথে! আমি নিয়মের শৃঙ্খলে আজীবন বন্দি আসামীর ভেসে, তোমাকে সোজা বলে দিলাম এ আমাকে দিয়ে হবে না অণু! তুমি বরং বাড়ির কথা মেনে নাও, আমরা না হয় আলাদা, আলাদা ভাবে দুজন দুজনকে মনে রাখবো, ভালোবাসবো! তুমি হঠাৎ নীরব থেকে নিরবতায় চলে গেলে, একটু পরেই ধপাস করে ফোনটা কেটে দিলে। আমিও আর…
কিছু করো, না হয় মরো – এমন একটা অবস্থায় দাঁড়িয়ে ছিলেন কয়েক বছর আগেও। চারুকলা থেকে স্নাতক পাশ করার পরই পরিবার বিয়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু, নিজের আলাদা একটা পরিচয় তো বানাতে হবে, স্বপ্ন তো পূরণ করতে হবে। তাই পরিবারের কাছে এক বছর সময় চাইলেন। চাইলেন বললে ভুল বলা হবে, বলা ভাল ভিক্ষা করে একটা বছর নিলেন। বাকিটা ইতিহাস। পরিশ্রম দিয়ে তিনি এখন সফল। তিনি হলেন সুপ্রিয়া সাবু। কোনো পুঁজি ছিল না, ছিল না ব্যবসায়িক কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা। কেবল, নিজের ভাগ্যটা পরীক্ষা করার আগে বিয়ে হয়ে যাওয়ার ভয় পেতেন। যাত্রা শুরু করেছিলেন মোটে পাঁচ হাজার রুপি নিয়ে, সেখান থেকে বানিয়েছেন ৫০…
