Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

জারি রবে কাওয়ালি জগলুল হায়দার শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে বলা যায় আউয়াল-ই খেয়ালের জনক যে এই প্রিয় কাওয়ালি। গানে খোদা নবীপ্রেমে সুফিদের সাওয়ালি কাওয়ালের পথ বেয়ে বেড়ে ওঠা কাওয়ালি। দরগার ফকিরের আনন্দ শাওয়াল-ই ইসলামি ভাবে আসে সুধাময় কাওয়ালি। এ সুধায় মজে তাই ভূপাল ও ভাওয়ালি বাংলার প্রাণে লাগে প্রিয় সুর কাওয়ালি। লাহোর দিল্লি ঢাকা সবই এর হাওয়ালি হিন্দুস্তান জুড়ে এক গান কাওয়ালি। তারানার তোতা পাখি খসরুর* বাওয়ালি ভূভারতে নিয়ে এলো প্রেমগীত কাওয়ালি। নজরুল নিজে হন এর বড় গাওয়ালি উর্দুর ভ্রাতা জানি বাংলার কাওয়ালি। শিল্পের সুষমাকে তাও তোরা ধাওয়ালি অতঃপর প্রতিবাদ; জারি রবে কাওয়ালি। * হিন্দুস্তান তথা ভারতবর্ষে কাওয়ালির জনক কবি আমীর খসরু।…

আরো পড়ুন

হাতে হাত রেখে হাঁটি ( কথোপকথন) (মাহমুদা বেগম সিমু) রওনক : অকৃত্রিম তোমার মিষ্টি হাসি, তোমার চাহনিতে লিখতে চাই আমার জীননের গল্পের শেষ ইতি। যেখানে থাকবে শত ভালোবাসার উপলব্ধি আর থাকবে প্রেম রাশিরাশি! তোমাকে বড্ড ভালোবাসি! সারাজীবন চলবে আমার সাথে? রনিতা : ভালোবাসার স্বপ্ন দেখতে ভীষণ ভয় হয়। যদি স্বপ্ন হঠাৎ কাঁচের মতো ভেঙে যায়? বাস্তবিক জীবনের আঁধারের আনাচে কাঁনাচে যদি কোনোদিন তোমার ভালোবাসাও হারিয়ে যায়? তাই বড্ড ভয় হয়! রওনক : ওগো প্রিয় তুমি যদি চাও এঁকে দিব তোমার প্রতিচ্ছবি, আকাশের নীল নীলিমায় । বুকের সমস্ত ভালোবাসা দিয়ে সাজাবো প্রেমের তাজমহল। হবো তোমার ওই সুন্দর চোখের কাজল। রনিতা: শুনেছি…

আরো পড়ুন

দুঃখের জমিনের দেই সেচ (নাসরিন সিমি) অন্ধকারে বেভুল পথে চলেছি আমরা হাড় পাঁজর সব ছিনিয়ে নিয়েছে কেউ তারপরেও দুঃখের জমিনে দেই সেচ বুকের ভেতরে রাখা অনাবাদী জমিটুকু যেন তাঁর লাঙ্গলের ফলায় চষে চষে ছিন্নভিন্ন করে দিয়ে পলাতক ফেরারী নষ্ট পুরুষ কষ্ট দিয়ে আবাদ করে দুঃখ আমি বসে দুঃখের জমিনে দেই সেচ ফেরারী স্মৃতিগুলো ফাঁস দেয় প্রতিদিন কোন ঠোঁটে আর চুমুর স্বাদ পাইনা বুকের ভেতর জড়িয়ে ধোঁয়া উড়িয়ে ঠোটঁ চেপে ধরে বলেনা ভালবাসি কেবলি অনাহূত সঙ্গমের আহ্বান শুনি বিষে দংশিত জর্জরিত নীল বুকের স্তন আজকে কাদাঁয় আর জর্জরিত করে।

আরো পড়ুন

মা (সাবেকুন নাহার মুক্তা) মায়ের মধুর স্নেহের ছায়া হেথা হোথা খুঁজি ভাই, মা হারিয়ে জগৎ ফাঁকা মায়ের আদর কোথাও নাই। মায়ের স্নেহ আদর ভরা শাসন গুলো কোথা পাই, মাগো তুমি ফিরে এসো মনে মনে জপে যাই । মায়ের কোলে রাখলে মাথা সুখে ভরে থাকতো মন, চোখের জলে ভাসে স্মৃতি পাবো না আর সেই যে ক্ষণ। জন্ম নিয়ে মায়ের কোলে দেখে ছিলাম প্রিয় মুখ, সুধা ভরা সেই না বদন খুঁজে খুঁজে কাঁদে বুক। ধরার মাঝে নিকষ আঁধার জেঁকে বসে রাতের ফাঁদ, আমার মনে আলোর ধারা মাগো তুমি পূর্ণ চাঁদ।

আরো পড়ুন

জাগতে তো হবেই (ইশতিয়াক রুপু) কবিতায় আলো থাকে জেগে উঠার ডাক স্বচ্ছ জলের নদীর কথা তিন মোহনার বাঁক। শালুক দীঘির কেচ্ছা থাকে সূর্য বিলের গল্প দেহের বাকে স্পষ্ট ছোঁয়া স্পর্শ থাকে স্বল্প। শাপলা ডাটায় পালক ঝরে ডাহুক পাখির ডুব রাতের বেলা টিনের চালে শব্দ টুপ টুপ। আরো থাকে, ডুবো নদীর পাতাল পুরীর গান, তিস্তা বাঁধে হারায় দুকূল নাড়ী ছেড়া মান। কবিতার আলো দেখি জল পদ্মের ঘাটে যাই যেতে চাই আমি সেথা বয়স কুল্লে ষাটে । NY/USA

আরো পড়ুন

অমর একুশে বইমেলা: ২০২২ গল্পের পেছনে যেমন গল্প থাকে তেমনি প্রতিটা কবিতার পেছনেও থাকে টুকরো টুকরো গল্প। যা কিছু ঘটে তার পেছনেও গল্প থাকে।‌ পাঠকের মনোরঞ্জনের জন্য প্রতিটা গল্পকে সত্য-মিথ্যের মিশেলে নানানভাবে সাজাতে হয়। নিজের গল্প বলতে গেলেও হতে হয় কৌশলী। প্রচ্ছদ হাতে পেলেও অসুস্থতার জন্য লিখতে ইচ্ছে হচ্ছিল না। আজ একটু ভালোলাগায় নিজেকে থামাতে পারলাম না। প্রিয় পাঠকবন্ধূদের সুখবর দেয়ার জন্য অস্হির লাগছিল। এটা একান্তই আমার নিজের গল্প।‌ যা বলছিলাম, গল্পের ফাঁকে ফাঁকে কবিতা না লিখলে হাঁসফাঁস লাগে। কবিতার প্রতি সব সময়ই আমার পক্ষপাতিত্ব থাকে।‌ পর পর দু বছর গল্পের বই প্রকাশিত হয়েছে। এবছরও কবিতার সাথে গল্পের পান্ডুলিপিও রেডি…

আরো পড়ুন

বিষয়টা খুব লক্ষনীয় (সাবিনা সিদ্দিকী শিবা) বিষয়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ লক্ষনীয়, সত্যি হলে তোমরা আমার পক্ষ নিও। দেশটা না-কি চলছে এখন ধুঁকে ধুঁকে। মরছে মানুষ হিসেব ছাড়া রোগে-শোকে? এমনি করে লেখাপড়ার হচ্ছে ক্ষতি, আমরা তো আর বুঝতেছিনা মতিগতি। কি হবে আর ছেলে মেয়ের লক্ষ্যটা স্থির, ভেবে ভেবেই মনটা এখন ভীষণ অস্থির। লেখা পড়া ছাড়া কিভাবে কাটবে জীবন? তবুও সবাই ভয়ে আছি রোগের মরণ। থাকে থাকুক সন্তানরা আজ শিক্ষা ছাড়া, তবুও থাকুক দুধে- ভাতে কি আর করা। আসুন সবাই শপথ করি সামলে চলার, সাহস রাখি বুকের মাঝে সত্যি বলার। কথা গুলো আসলেই খুব শিক্ষণীয়, সত্যি বললে তোমরা আমার পক্ষ নিও,,,

আরো পড়ুন

অবেলার ডাক। (সুরমা খন্দকার) আমার মর্মপীড়া, লুকোনো অসুখ স্মৃতিভাবাতুর নষ্ট সময়, দৈনন্দিন মালিন্য ঝরা দুঃখ-বিষাদ, অযত্নে পড়ে থাকা আমার নিরস্র জীবন একা। শূন্যতার ব’ দ্বীপে দাঁড়িয়ে তোমার উপেক্ষিত প্রেমকে আভিবাদন জানিয়ে সহাস্যে, শূন্যতার’ যে অমার্জিত প্রতিনিধি পেয়েছি, সে কোনো তুচ্ছ ঘটনা নয়। আমার পোড় খাওয়া পরাস্ত জীবন – তোমার কাছে কোনো কিছুই উন্মোচিত নয়। দাঁড়িয়ে থাকে দন্ডায়মান আমার নির্ঘুম রাত। অশ্রু সজল চোখ ধ্যানমগ্ন। তুমি কড়া নাড়ছ অবেলায় আমার আঙিনায়। নিরস্ত্র শূন্য জীবনের বিপরীতে তোমার প্রেম। তোমার অরাধ্য প্রেমকে মলিন করতে পারে, এমন স্পর্ধা কি আছে কারো? সে প্রেম চলছে অনিবার।।

আরো পড়ুন

কোমলতা (লিজা চৌধুরী) আমি তার প্রতিটি পাপড়ি ছু্ঁয়ে ছু্ঁয়ে দেখি- যেন ভ্রমরের গুঞ্জরনে সে কেঁপে ওঠে অকস্মাৎ মাতাল প্রেমে কোথায় আর এত অনুভব শক্তি! যখন হৃদয়ের গভীরতায় থাকে পরম নির্ভরতা— সেই অনুভব কি পেয়েছো তার! তুমি কি শোননি ঝর্ণার কলতান? ওতো নয় চঞ্চল, গতিহীন বয়ে চলা। ওর ছন্দের ভঙ্গিতে লজ্জাবতীর নুয়ে পড়া। এক আনন্দময় উচ্ছ্বাসে নির্মল কাতরতা— বুঝেছো কি সে আবেগময়তা! অসহিষ্ণুতায় আকাশ কখনো তার ভার আমাদের উপর ছেড়ে দিয়ে প্রশান্তি পেতে চায়— মায়াবী চন্দ্রালোক আর গোধূলির আবীরতা, তার নির্মল নিষ্পাপ হাসি দিয়ে জানিয়ে দেয় আমাদের জীবনে প্রয়োজন এক সুনিশ্চিত কোমলতা।

আরো পড়ুন

অযথা বিত্তবাসনা (নীপা আকন্দ) পাতার পর পাতায় স্মৃতিবন্দি থাকে অতীত ধুলোট স্মৃতির মেঘে জমে মাকড়ের ঝুল জানালার কাচে পর্দায় ছায়া হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে কালচে রঙের একরোখা বিষাদমাখা রোদ- হৃদয়ের ঘুলঘুলি জুড়ে মনচাপা দীর্ঘশ্বাস! কঠিন ব্যস্ততা ঘিরে রাখে দিনরাতের চৌহদ্দি বাঁচার পথ খোঁজে অযুত নিযুত আলোজোনাকি হোক সে অলীক অথবা সত্য, স্বপ্ন থাকে, থাকবেই- হৃদয়মেঘের তুলো তুলো কষ্টের ভাঁজে ভাঁজে অতৃপ্তির ঢেকুর আর অসংখ্য অব্যক্ত হাহাকার – ক্ষয়ে যাওয়া দেহকোষের মতো পৃথিবীরও যেন রোজ একটু একটু করে পলেস্তারা খসে পড়ে পাতাঝরা কৃশ বৃক্ষের মতো পৃথিবীও যেন রোজ একটু একটু করে লাবণ্যহীন হতে থাকে- জীবন সলতের প্রান্তভাগে নিভু নিভু আলো প্রিয় পরিজন…

আরো পড়ুন