দেশ বরেণ্য নাট্য অভিনেতা এবং রবীন্দ্র গবেষক আতাউর রহমান আর নেই ….. বাংলা নাট্যাঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র, স্বাধীনতা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেতা, নাট্যকার ও রবীন্দ্র গবেষক সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব আতাউর রহমান আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা রওনক হাসান ও অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু । রওনক হাসান গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘না ফেরার দেশে চলে গেলেন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, মঞ্চের প্রেরণাদায়ী সারথি আতাউর রহমান। আমরা তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি।’…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
1) দ্বীপ আলেয়া ইসলাম আলো চোখের বাসায় না বুঝলে মনের ভাষা বুঝবে কি করে অন্তর চোখ খোল নতুবা প্রেম যাবে মরে । বাড়তি আলাপ পাগলের প্রলাপ চুপটিকরে বসো দিগন্তি রাখা গোধূলির সংলাপ শুনেছে পাখি শ শ বুকের চরা চর ভয়ের পাথর, কে আপন কে পর পাখা মেলে ভাবনার যোগফল দশে যায় বিচ্ছেদের দেয়াল, বিশ্বাসের টোপর নির্বাক আঙ্গিনা প্রেমের ফসল পরে যদি মুছে দাও বিরহের বলিরেখা এঁকে দাও গোলাপ লাল টিপ সমুদ্রের দোলনচাঁপা যদি না দেয় দেখা সমাধিতে জেলে দিও বিদায়ের দিপ। 2) বৃষ্টিভেজা দিন আলেয়া ইসলাম আলো বাদল দিনে শীতে হাওয়া রিমঝিম বৃষ্টির ছন্দ টিনের চালে সুর উঠেছে গরম…
মা লায়ন মো. গনি মিয়া বাবুল দশ মাস দশদিন করেছে গর্ভে ধারণ ছিন্ন হবার নয় তার বত্রিশ নাড়ির বাঁধন, তাইতো তিনি সুখ-দুঃখে ভাগী, সমব্যথী তিনি যে সহমর্মী, মা, জননী, জন্মদাত্রী। ভালোবাসায় পরিপূর্ণ তার হৃদয় ভেতর বাহির সন্তানের সুখ চায় যদিও হয় সে কাহিল, মায়ের স্নেহ মমতায় রয়েছে পৃথিবী চলমান মা শুধু চায় সন্তানের সুখ শান্তি ও সম্মান। সন্তানের বেহেশত মায়ের পদতলে নবীজির উক্তি আজীবন মায়ের সেবা, মনতুষ্টি সন্তানের মুক্তি, সকল সুখ শান্তি লাভের সোপান মাতৃভক্তি মহান আল্লাহর কাছে চায় সে সুযোগ ও শক্তি। লেখক পরিচিত: লায়ন মো. গনি মিয়া বাবুল (শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ…
স্বপ্নচারী বনলক্ষী আলমগীর এ জীবনে আমি এক স্বপ্নচারী প্রতিনিয়ত, নিজের মাঝে বুনে যাই স্বপ্নের বীজ। আমি ব্রতচারী এ ধরায় ব্রত নিয়েছি জীবনের অভিষ্টলক্ষ্যে পৌঁছাতে। বাস্তব কল্পনার চেয়ে ও অবিশ্বাস্য হয় মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়ো। স্বপ্ন মানেই গন্তব্য, যার মাঝে স্বপ্ন নেই সে সফলতার মুখ দেখতে পায় না জীবনে। আমি পারবো, আমাকে পারতেই হবে- এই অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে শ্রম, নিষ্ঠা- আর আন্তরিকতার সমষ্টিত গুণ যার আছে যেকোনো কাজ অন্তরে ধারণ করে জীবন কে জয় করতে হয়। স্বপ্নের বাস্তবায়নে কাজের প্রতি একনিষ্ঠ মনোনিবেশ করে যারা সেই স্বপ্ন বাজ মানুষেরা হয় স্বপ্নচারী-স্বপ্নচাষী। পৃথিবীর পরে এসেছেন যত গুণী জ্ঞানী পৌঁছেছেন তার জীবনের সফলতার…
মে দিবসের জাগরণ তসলিমা হাসান মে দিবস, মে দিবস— শ্রমের মর্যাদা, অধিকারের ফুলে ফুলে ভরে যায় মন কোণে কোণে জাগে জয়ধ্বনি। হাতের শ্রম, মনের জোর বদলে দেয় ইতিহাসের ঘোর, চাকা ঘোরে, ফসল ফলে শ্রমিকের ঘামে স্বপ্ন মেলে। শহরে শহরে, গ্রামে গ্রামে কোণে কোণে জাগে এক নামে— মে দিবস, শ্রমিক দিবস অধিকারের জয়গান। মুক্তির আলো, সমতার বাণী নতুন দিনের সূর্য আনে জানি, শ্রমের মর্যাদা, অধিকারের । মে দিবস, তোমারই জয় হোক । তোমার ঘামে ভিজেছে মাটি তোমার শ্রমে গড়া এই জগৎ তোমার হাতেই গড়বো ভবিষ্যত মে দিবস, তোমারই জয় হোক। টরেন্টো ১/৫/২৬
আরও এক নতুন বৈশাখ ড. প্রিয়াংকা নিয়োগী সনি সূর্য নতুনভাবে সাজছে প্রকৃতি হাসছে, হাসছে পথ ঘাট আশার বায়ু অন্তরে, রোদেলা সকাল বলছে কথা স্ব জোরে। আসবে নতুন কিছু নতুন প্রত্যয়ে। রেখে যাবে মলিন স্মৃতি সময়ের ফাঁকে। এক সন্ধ্যে নেমে আসে নতুন দিন বরণে, হলুদ লাল সাদায় মোরা দিনটি রাখুক প্রবাহে। নবনিযুক্ত সময়ে আরামের পালকে, বৈশাখী বরণে নতুন আমেজে। মুখে হাসি মনে হাসি চির বিরাজমানে, পহেলা বৈশাখের পড়ন্ত বিকেলে, উদীয়মান নিহারিকা জেগে ওঠে প্রাণে। India
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুথানের অন্যতম লড়াকু সৈনিক কবি, গবেষক ইতিহাসবিদ সামসুদোহা না ফেরার দেশে। আমি যখন উত্তরার সেক্টর ৬ এর ৩ নম্বর সড়কে ১১ নম্বর বাড়িতে অফিস নিলাম; প্রথম যিনি মিষ্টির প্যাকেট নিয়ে আমার অফিসে এসে হাজির, তিনি আর কেহ নন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুথানের অন্যতম লড়াকু নায়ক কবি, গবেষক ইতিহাসবিদ সামসুদোহা ভাই আর আমাদের মাঝে নেই। আজ দুপুর ১২.০০ টায় উত্তরার নিজ বাসায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না এলাহি রাজেউন। যা উনার ছেলের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছি। মৃত্যুকালে তিনি স্রী, এক ছেলে, নাতি ও অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি। আগামী দিন বাদ জোহর (তাঁর…
তেল শঙ্কায় তেলেসমাতি আব্দুর রাজ্জাক রঞ্জু আহা বাপ! কি যে পাপ, করলো যে ট্রাম্পে, তেল নিয়ে হাহাকার দেশে-দেশে পাম্পে। নেই নেই, তেল নেই যা আছে তা অল্প, চাপাবাজি তবু চলে থামে না তো গল্প। রাতেদিনে নেতা বলে নেই তেলে ঘাটতি, বাস্তবে সংকটে তেলে খরা কাটতি। তেল পেতে দেখি সব কিলো-কিলো লাইনে, রোদে পোড়ে কত লোক বামে কিবা ডাইনে। ব্যবহারে বিধি কত সরকারি আইনে, কোথাও যে কাটছাট কারো কারো মাইনে। সংকট উতরাতে নানা রূপ চেষ্টা, কমছে না হাহুতাশ ভেতরের তেষ্টা। এর মাঝে তেল চুরি পাচারও যে চলছে, দরে-দামে হিসাবেতে নয় ছয় বলছে। মুনাফার লোভে কেউ তেল পোঁতে মাটিতে, তেল পেতে ছুটেছুটি…
অচেনা আয়নার কারিগর ও রক্তে ভেজা মানচিত্র আমিনুল ইসলাম ১. যেখানে থমকে ছিল কালো ছায়া, পাথুরে দেয়াল— আমরা ভেঙেছি তারে, চুরমার হলো সব মায়া। তলোয়ারে ধার দিয়ে যারা ভেবেছিল রাজত্ব অক্ষয়, তাদের মুকুট আজ ধূলিসাৎ, নেই কোনো ভয়। ভেবেছিলাম ভোর হবে, ঘুচবে আঁধার— রক্তের দামে কেনা এই মুক্তি, বড় হাহাকার! ২. শহীদের চোখের মণি ধ্রুবতারা হয়ে জ্বলে ছিল, পঙ্গু হাতের শিরায় কি তবে বিষাদ কেবলই ছিল? বিধবার সাদা শাড়ি প্রশ্ন করে এই মাঝরাতে— নতুন জহুরি কি তবে পুরনো বিষই রাখে হাতে? আমরা চেয়েছি এক মুক্ত আকাশ, পাখির ডানার গান, বিনিময়ে কেন তবে শুনি আজ শৃঙ্খলেরই ঘ্রাণ? ৩. ফ্যাসিস্টের প্রেতাত্মা কি…
বাংলাদেশের বরণ্য কন্ঠশিল্পী, প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’র গায়িকা, একুশে পদকপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার ২৬ শে মার্চ সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মাহবুবা রহমান পঞ্চাশ ও সত্তর দশকের রেডিও এবং চলচ্চিত্রের অসংখ্য কালজয়ী গানের শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম। তিনি মূলত পল্লিগীতি ও আধুনিক গানের শিল্পী। ১৯৪৭ সালে অল ইন্ডিয়া রেডিওর ঢাকা কেন্দ্র থেকে সর্বপ্রথম তার গান প্রচার হয়। নিজেদের পছন্দে তার প্রথম বিয়ে হয়েছিল ১৯৫০…
