Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

অভিনয়শিল্পী সংঘের নির্বাচনে বিজয়ী যারা: অভিনয় শিল্পী সংঘের নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আহসান হাবীব নাসিম, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন রওনক হাসান। প্রধান নির্বাচন কমিশনার খায়রুল আলম সবুজ এই ফল ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, মোট ৭৫২ জন ভোটারের মধ্যে ৬৪২জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে ৫৮টি ভোট বাতিল হয়েছে। নির্বাচনের পরিবেশ আনন্দদায়ক ছিল। কেউ নিয়ম ভাঙার চেষ্টা করেনি বলেও জানান নির্বাচন কমিশনার। এর আগে শিল্পকলা একাডেমিতে শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এবারের নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ৭৪৮ জন। ২১টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪৮ জন। সভাপতি পদে গেল দুই মেয়াদের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব নাসিম পেয়েছেন ৪৯৬ ভোট।…

আরো পড়ুন

চলচিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এবারও নির্বাচনে লড়বেন বর্তমান সমিতির সভাপতি খল অভিনেতা মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান। প্রথমবারের মতো এবার এই নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়বেন একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন তার প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়িকা নিপুণ। এই প্যানেলে যুক্ত হয়েছেন চিত্রনায়ক সাইমন, ইমন, রিয়াজ ও ফেরদৌস। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন অভিনেত্রী নাসরিন। কাঞ্চন-নিপুণ কিংবা মিশা- জায়েদের কোনো প্যানেলের অধীনে তিনি থাকছেন না। এ দুই প্যানেলের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। বুধবার (১২ জানুয়ারি) দুই প্যানেলের প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। তাতে বিভিন্ন প্রজন্মের…

আরো পড়ুন

আমাদের সম্পর্কগুলো [তসলিমা হাসান] একটা মানুষের সাথে আরেকটা মানুষের পরস্পর বিশ্বাস, আর ভালোবাসার বন্ধনে যে সম্পর্কটা তৈরি হয়, তার ভিত্তি টা হওয়া উচিত শক্ত খুঁটির মত। যেন তা হাজারো ঝড় বৃষ্টিতেও,নুয়ে পড়বে না,বা ভেঙ্গে যাবে না। তার জন্য থাকতে হবে প্রগাঢ় বিশ্বাস আর ভালোবাসা। থাকতে হবে একজন আরেকজনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, থাকতে হবে সম্মান। যে সম্পর্গুলোর মাঝে এইসব বিদ্যমান, সেই সম্পর্কে কোনদিন ভাঙ্গন ধরে না। কিন্তুু একটা সম্পর্কের মাঝে কোন একজনের মধ্যে যদি ইগো কাজ করে, তাহলে সেই সম্পর্কের খুঁটি নড়ে যায়। কেননা একটা সম্পর্কের মধ্যে সবকিছু থাকতে পারে, রাগ,দুঃখ,অভিমান সব…. এই সমস্ত কিছু মিলিয়েই দুটি মানুষের মধ্যে, একটা সম্পর্কের ভীত…

আরো পড়ুন

এক মুঠো প্রেম। [তসলিমা হাসান] আত্মহননের প্রবল ইচ্ছা জাগা মুহূর্তে, দেখি প্রেম নামক সোনার হরিণ আমার দুয়ারে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলাম অবাক বিস্ময়ে – তুমি এলে কোত্থেকে? বলল সে মৃদু হেসে – “ছায়া সঙ্গী হয়ে ছিলাম তোমার পাশে দাঁড়িয়ে “। দুঃখের জোয়ারে ভেসে গেছি, দেখিনি তোমাকে। আজ কেন ঠেকাতে এলে মৃত্যুকে? বলল সে গভীর আবেগে – ” ইচ্ছা মৃত্যুতে কী পাবে? কলুষ পৃথিবীটাকে দূরে রেখে, বিশ্বাস ভালোবাসা নিয়ে বুকে, এসো বেঁচে থাকি দু’জনে এক সাথে। হয়তো হৃদয়ের টানে, এক সাথেই মরবো দু’জনে”। তারপর দেখি- হেমন্তের এক পশলা বৃষ্টি ঝরে পড়ল আমার শরীরে, নিমেষে বুকের মধ্যে লাফিয়ে ওঠে, কোস্টারিকার বিলুপ্ত সেই সোনালি…

আরো পড়ুন

আঁধার ছায়া-কীর্ত্তন [মনিরুজ্জামান প্রমউখ] রাতে’র মিশ্রণে, দিনে’র অবশেষে- মধু’র রমণে রমণীয় হয়ে ওঠে বেলা। কী আছে, সন্ধ্যে’র ঘনত্বে- এতো বিনাহারি ? ক্রন্দন রেখে যায়, তবু-কেনো মনাহারি ? সৌন্দর্যে’র রংবাহারে কতো- ফকির মিশে যায়- অনন্ত গাঙোরে! কী বৈষয়িক প্রতিভা- ছড়িয়ে রয়েছে, এ অন্ধ ফলোয়ারে! মানুষ মানবীয় বোধ, নখ, চুমু মেখে দেয়, কেনো- ছায়া’র বিপরীতে ? ভালোবাসা’র ঘর পুড়ে, সময়ে’র নৈতিক অবক্ষয়ে, ফলে যায়- বিবিধ মহামারী ! কিন্তু- এই নিয়ে পৃথিবী’র মায়া তবু- কঙ্কন বিলিয়ে দেয়- অনাগত প্রেম সুবেহে’র!! মনিরুজ্জামান প্রমউখ । হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর, বাংলাদেশ ।

আরো পড়ুন

শিক্ষা: বৈদিক যুগ থেকে বৌদ্ধ যুগ . বৈদিক শিক্ষা প্রণালী ছিল গুরুমুখী। গুরুর বাড়িতে গিয়ে ছাত্ররা শিক্ষাগ্রহণ করত, গুরুর বাড়িতে কাজকর্ম করত এবং গুরুর বাড়িতেই থাকত। ছাত্রদের সকল ভরণপোষণের দায়িত্ব বহন করতেন গুরুদেব নিজেই। বালক বয়সে গুরুগৃহে আসার পর ছাত্ররা আচার্যের কাছে সন্তানের মতই বড় হত। সে যুগে পশুপালন বিশেষত গো-পালন ছিল জীবীকার মুখ্য অবলম্বন। দানের গরুতে অনেক আচার্যের গোয়াল ভরা থাকত। ছাত্ররা আচার্যদেবের সেই গরুবাছুর চড়াত। ব্রাহ্মণ, পন্ডিত, মুনি, ঋষি, আচার্য অর্থাৎ গুরুরা মুখ্যত ভিক্ষাজীবী ছিলেন। গুরুর সঙ্গে ছাত্ররাও গেরস্তদের ঘরে গিয়ে ভিক্ষা করতেন। ছাত্রদের এই জীবনটার ব্রহ্মচর্য জীবন। ব্রাহ্মণ গুরুদের গেরস্তরা দয়া করে দান করতেন না; শ্রদ্ধার সাথে…

আরো পড়ুন

কি নামে ডাকি। (শিখা নাহার) কি নামে ডাকি তোমায়? তাই নাম হাতে নিয়ে বসে আছি। চেয়ে আছি চোখ মেলে। তোমার চোখে চোখ রাখব বলে। কি নামে ডাকি তোমায় বল? মনে মনে কত নামে ডাকি… উড়ে যায় কত ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি। ওদের দিকে চেয়ে থাকি… আর ভাবি… তোমায় কি নামে ডাকি? অবশেষে বেলাশেষে ভাবি। নামে কি বা আসে যায় । যে নামে ডাকি তোমায়। তুমি রবে আমার মনের কোণায়। আবার পরকীয়া প্রেম সেতো না ডাকিতেই আসে। তাই নামে কি বা আসে যায় ।

আরো পড়ুন

তুষার (লেসা সুসান) মেঘ ভেঙে আকাশ থেকে তুই আমাকে রোদ্রদিবি তখন আমি গাঁথব মালা শিউলি দিয়ে তা তুই নিবি। মেঘ থেকে তুই তুষার দিলি উষ্ণতাটা কেড়ে নিলি সাদায় সাদায় ভরলি ভুবন দিনটা যেন যেমন তেমন ডুবিয়ে দিলি নিঃস্ব এ মন। দিনভর এ বন্দি জীবন হাটাচলায় বাঁধা নিয়ম একটু খানি পিছলে গেলে যেতে হবে হাসপাতালে। তুই নিশ্চই বুঝবি সবই সূর্যটাকে ফিরিয়ে দিবি সিঁদুর রাঙা সন্ধ্যা পাবো তাতেই আমি সুখ লুকাবো। লেসা সুসান ২৪ জানুয়ারি ২০২২ টরোন্টো, কানাডা।

আরো পড়ুন

একপেট ভাতের আশায় (হাসান ওয়াহিদ) ২৬ জানুয়ারি ২০২২ তোমরা একপেট ভাত দেবে, এই আশায় বিষজলে গা ধুয়ে বুক পেতে শুয়ে থাকা নারী আমার বোন, আমার মা। শৈশব থেকে গভীর কেঁদে উঠতে চাওয়া এখনও ঝাপসা করে দেয় মাঘের কুয়াশা, জানি না কবে ঘুচবে এই মন্বন্তর! শ্রাবণের লালিত বৃষ্টির মতো বেভুল বনানী-বারিধারা-গুলশানে কেঁপে ওঠে অচেতন রমণী-ভুবন। পটুয়া কামরুল হাসানের সুচারু শিল্প হয়ে নারীরা ভেসে যায় মাটির পাত্রের মতো বিচূর্ণ। একপেট ভাতের আশায় বিষজলে গা ধুয়ে বুক পেতে শুয়ে থাকা নারী যোনি পেতে শুয়ে থাকা নারী আমার বোন, আমার মা। (পটুয়া কামরুল হাসানের একটি চিত্রকর্ম)

আরো পড়ুন

আমার পৃথিবীর ছবি (ড. পিনাকী বসু) আর কিছুদিন পরেই, একটা নতুন পৃথিবীর ছবি আঁকব। যেখানে সবুজ টিয়ারঙের ‘লালপাতা’ হবে- ছবিটায় পৃথিবীর একটা ঘর থাকবে , একটা মুখের পাশে থাকবে, আরও কিছু রেখামুখ। অবুঝ মনের কাজল গন্ধেরা, অগোছালো ডাকনামটা ছুঁয়ে যাবে। অনেক পাতার আড়াল সরিয়ে, যেমন,বিশল্যকরণী চিনে নিতে হয়, তেমনই, ছবিটা দেখলেই মনে পড়বে, বাঁশিটায় একপুরু ধূলো জমেছে, -কতদিন হাত পড়েনি। কেউ ছুঁলেই বাঁশিটা শরীর হবে। ছবিটার কোন নাম দেবো না, ছবিটা, নিজেই ভালোবাসার গল্প বলবে।।

আরো পড়ুন