শুভ জন্মদিন প্রিয় কথাশিল্পী ও শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। অনেক অনেক শুভ কামনা। সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (জন্ম: ১৮ জানুয়ারি ১৯৫১) বাংলাদেশের একজন কথাসাহিত্যিক ও সাহিত্যসমালোচক। ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে তাকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান করা হয়। মাইকেল মধুসূদন দত্ত, কাজী নজরুল ইসলাম, শামসুর রাহমানেরর উপর তার উল্লেখযোগ্য গবেষণা কর্ম রয়েছে।
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
প্রচ্ছদের রাজা, ধ্রুব এষ-এর জন্মদিন পালিত। যার প্রতিটি তুলির টান কবিতা যার রঙের খেলা উপন্যাস যার ভাবনায় বর্ণমালা বাংলাদেশ জন্ম : ১৯৬৭ মা: লীলা এষ বাবা : ভূপতিরঞ্জন এষ ধ্রুব এষ ১৯৬৭ সালের ৭ জানুয়ারি সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।[৩] তার পিতার নাম ভূপতি রঞ্জন এষ ও মাতার নাম লীলা এষ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। দশ হাজারের বেশি বইয়ের প্রচ্ছদ করেছেন পাশাপাশি লিখছেন। লিখতে পছন্দ করেন রহস্য কাহিনি, আদর্শ মানেন এডগার এলান পাে-কে। এ পর্যন্ত প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪১। যতদিন পারেন প্রচ্ছদ করবেন এবং লিখবেন।
কুমিল্লা বার এসোসিয়েশনের পাঁচবারের সাবেক সভাপতি এডভোকেট ইসমাঈল হোসেন চাচা এখন টক অব দ্যা কান্ট্রি। কোন অপরাধ করেন নি তিনি, নব্বই বছর বয়সে বিয়ে করে দেশব্যাপী আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। কুমিল্লায় পাশাপাশি থাকি একই মহল্লায়, আত্মীয়তা না থাকলেও পারিবারিকভাবে আমরা সম্পৃক্ত। প্রায় ছয় ফিট লম্বা একহারা গড়নের ফর্সা সুন্দর মানুষ তিনি। আইনজীবী হিসেবেও যথেষ্ট প্রথিতযশা। চাচার পাঁচ ছেলে এক মেয়ে এবং নাতি নাতনীরা ঘটকের মাধ্যমে উনাকে বিয়ে দিয়েছেন ঘটা করে। চাচী মারা গেছেন আরো বেশ কিছু বছর আগে, দীর্ঘদিন অসুস্থ্যও ছিলেন। চাচার একাকীত্ব দূর করার জন্য সন্তানদের এই পদক্ষেপটা আমার কাছে অতুলনীয় মনে হয়েছে। নতুন চাচীও বলেছেন তিনি খেদমত করার মানসিকতা…
ইউরোপের মানুষের উচিত একবার হলেও বাংলাদেশে আসা: বেলারুশের মেয়ে নাতালিয়া শ্বশুরের দেশে এসে সালোয়ার–কামিজ পরেছেন নাতালিয়া। তিনি মুগ্ধ এ দেশের মানুষের আতিথেয়েতায়। মজেছেন এ দেশের জাতীয় মাছ ইলিশেও… পূর্ব ইউরোপের দেশ বেলারুশের মেয়ে নাতালিয়া নাতাশা। কখনো কি ভেবেছিলেন তার পাতে উঠবে বাংলাদেশের নদ-নদীর মাছ? গায়ে মাখবেন এ দেশের সবুজ-শ্যামলিমার হৃদয় শীতল করা হাওয়া। বৈবাহিক সূত্রে নাতালিয়া এখন বাংলাদেশে। খাচ্ছেন ইলিশ ভাজা। ঘুরছেন কাঁচাবাজার থেকে শুরু করে অলি-গলি। ভাসছেন শ্বশুরের দেশের মানুষের শুভেচ্ছায়। নাতালিয়াকে চিনতে এতদিনে কারও বাকি নেই। বাংলাদেশের লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের ছেলে হাবিবুর রহমানের স্ত্রী তিনি। তাদের ইউটিউব চ্যানেল ‘নাতালিয়া অ্যান্ড হাবিব: দ্য মিক্সম্যাচ ফ্যামিলি’ ও ফেসবুক পেজ ‘নাতালিয়া অ্যান্ড…
সকল মানুষ ভাই ভাই জগলুল হায়দার আদম থেকে আদমি এলো এক সে উৎস লেখা তাই হোক না যতো বর্ণ জাতি সকল মানুষ ভাই ভাই। দয়াল নবীর ইখুয়ানে মানবতায় ভেদ নাই কিতাব খুলে তাই তো জানি সকল মানুষ ভাই ভাই। শুদ্র দলিত বর্ণপ্রথার আগের মতো বেল নাই রক্ত যখন লালই তখন সকল মানুষ ভাই ভাই। ধর্ম জাতি দেশ পরিচয় নয় তো টাটা বাই বাই এই পরিচয় পন্থা নিয়াও সকল মানুষ ভাই ভাই।
অনুসন্ধিৎসু মন (মুহা্ম্মাদ কিবরিয়া বাদল) মূর্খতা মোর পায়ের বেড়ী শক্ত শেকলে বাঁধা ভাঙতে গেলে বেজায় লাগে মনে ভীষণ ব্যাথা। জন্মেছিলাম গোলাম রূপেই ইলাহ্ ছিলো আল্লাহ্ আনুগত্যে ছিলো না খাঁদ প্রকৃতি জাঝা কাল্লাহ্। পারিপার্শ্বিক অবস্থাটা পরিবেশ যারে কয় ধীরে ধীরে এ-মনটারে করে নিলো জয়। চারপাশটায় ছিলো যারা শিখিয়ে তুললো তারা তাতেই আমি তেমন হলাম তাঁদের মতোই সারা। সত্য মিথ্যা সঠিক বেঠিক তাঁদের নির্দেশনা তাঁদের জ্ঞানের হলাম বাহন নিয়ম ভাঙা যায় না! একটু একটু বোধের বিকাশ বেয়াড়া হয় যে মনটা সত্য-মিথ্যার ফারাক খুঁজি চলছি খুঁজে ঠিকটা।
আমি’র অন্বেষণে -জুয়েনা ইয়াছমিন একটি অন্তর পেতাম যদি যেখানটায় বাস করলে সমুদ্র পাওয়া যায়। একটি মাঠ পেতাম যদি যেখানটায় হেঁটে গেলে গাছেদের ছায়ায় লুকানো যায়। একটি দৃষ্টি পেতাম যদি যেখানটায় স্পর্শ করলে আকাশের নীল ছোঁয়া যায়। একটি মন পেতাম যদি যা নিয়ে রূপকথার কথামালায় স্বপ্ন সাজানো যায়। একটি প্রেমিক পেতাম যদি যার নিশ্বাসে দেশের মাটির ঘ্রাণ পাওয়া যায়। একটি হৃদয় পেতাম যদি যেটায় কষ্ট পেলেও নতুনের গান শোনা যায়। একটি স্বপ্ন পেতাম যদি যেটাতে হেরে গেলেও আশায় প্রাণ বাঁধা যায়। একটি গল্প পেতাম যদি যেটার শেষটা না পড়েও পুরোটা বোঝা যায়। একটি জীবন পেতাম যদি যেটায় হেরে গেলেও নতুন করে…
এই রঙিন দুনিয়ায় আব্দুল অদুদ চৌধুরী (সৌদি আরব মক্কাহ) ১৪/৬/২০২১ আমার মন সাধন হইলো না জীবন গেলো কার লাগিয়া; আমার সময় যায় বইয়া বন্ধুয়ার লাগিয়া ভাবিয়া। এই জীবন শূণ্যের উপরে কিছুই বুঝিলাম না ; খাইলাম আর ঘুমাইলাম গভীর মনে চিন্তা করিলামনা। কোথায় আমরা ছিলাম কোথায় যে আইলাম ভাবনা না করিয়া; জীবনে কতো কিছু পাইলাম কতো কিছু হারাইলাম। আবার কোথায় যাব চলে সেবিষয়ে জ্ঞান রাখলাম না; এই দুনিয়া ধ্বংস হবে চিরদিন থাকতে পারব না। বিফলে আমার জীবন খুয়াইলাম এই রঙ্গীন দুনিয়ায়; ফেঁসে খেলিলাম পরে রইলাম অদুদ তুমি ভাবিলেনা।
বইপড়ুন দীর্ঘশ্বাসের মতো দীর্ঘ কবিতা এক। ঢাকা শহরের বিচিত্র চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে একটি প্রজন্মের শৈশব-কৈশোর-যৌবন প্রতিবিম্বিত হয়েছে। ব্যক্তিগত দুঃখবেদনা, ভালোবাসা, স্বপ্ন আর স্মৃতি-বিস্মৃতির বর্ণনা যেন ক্ষয়িষ্ণু সমাজের প্রতিনিধি। ১৯৪৭ সালের পর থেকে এই শহরের পথে-ঘাটে-দোকানে-ছাপাখানায়-নাট্যশালায়-রেস্তোঁরায়-ময়দানে পদচিহ্ন রেখে গেছেন বাংলার শ্রেষ্ঠ মানুষেরা, এই কবিতা তারই দলিল। এই কবিতা তাঁদের স্মরণ করা, তাঁদের অভাবকে জাগিয়ে তোলা আর সবশেষে ভবিষ্যৎ-সম্ভাবনার দিকে উন্মুখ চোখে তাকানোর রেশ টানা। কবিতার ধূসর অবয়বে সংগীতে-শিল্পে-সৃজনে-প্রেমে-প্রতিবাদে মুখর শহরটির স্মৃতি থেকে তার কংক্রিটের জঙ্গল হয়ে পড়বার কাহিনি। এ কী স্মৃতিময় গল্প, নাকি রূঢ়-বাস্তব তথ্যে ঠাসা প্রবন্ধ, নাকি আবেগে বিহ্বল হওয়া কবিতা, পড়তে পড়তে ধন্দ লাগে। শিল্পের বিচিত্রতার সীমারেখা অগ্রাহ্য…
বইপড়ুন যারা ইতিহাস পড়তে ভালোবাসেন, এবং গল্পও– এই দুইয়ের মিলন পাবেন এই বইয়ে। ইতিহাসটি যেন গল্প, কিংবা গল্পটাই ইতিহাস। লেখক একজন প্রথিতযশা ঐতিহাসিক, অথচ এই বইয়ে তিনি ইতিহাস-বিশ্লেষণী গল্পকার। ইতিহাসের জটিল বিষয়কে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিতে সহজ ভাষায় গল্পের মতো করে সাজিয়েছেন। তবে কল্পনাপ্রসূত একটি বাক্যও নয়, বরং বাঙালি সমাজ, অর্থনীতি, জাতিসত্তা, প্রভৃতির উপরে একের পর এক ইতিহাসভিত্তিক বিশ্লেষণধর্মী প্রবন্ধ সাজানো। প্রবন্ধগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয় ক্ষেত্রবিশেষে পরস্পর সম্পর্কহীন, আকারেও ভিন্ন, তবে চিন্তায় গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ। নোটবুক বা ব্যক্তিগত গদ্যের আদলে লেখা, ইতিহাসকে যেমন কায়দায় লিখতেন আইজ্যাক আসিমভ। এই বই পড়লে প্রথমেই চিন্তায় আসবে, একটি ইতিহাসকে এতদিন যেভাবে জানা হয়েছিল, তা ছাড়াও আরেকভাবে তাকে…
