অজ্ঞতার অলস নিদ্রার অবসান চাই (মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ) অজ্ঞতার অলস নিদ্রার অবসান চাই হতে চাই সত্য সুন্দর সুবিজ্ঞ ত্যাগী ভাই। আমি সভ্যতার শরীরে বেশরম পোশাক জ্বালাতে মানবতা বিবর্জিত অভিশপ্ত জ্বলন্ত আগুন নিভাতে। আমি চাই নিষ্ঠুর নির্মম নির্যাতনে জ্বলন্ত শ্মশান আমি চাই নিষ্পেষণ নির্দয় হোক বিদায় ডুবন্ত পাষাণ। দূর হোক জ্ঞনহীন হুজুক প্রবণতার সর্বনাশা মিছিল আমাদের আত্মঘাতী বর্বরতায় পিচাশেরা হাসছে খিলখিল। চারদিকে মেধাহীন মুগুর গ্রুপ-দূর হোক দুর্দিন অস্থির অপেক্ষায় চেয়ে আছি প্রভু দাও শুভদিন।
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
‘প্রতিবিম্ব প্রকাশ’ থেকে আগামী বইমেলায় আসছে আমেরিকা প্রবাসী কবি আমীন শাহনাজ চন্দনা’র একক কাব্যগ্রন্থ ‘চন্দ্রাবতী’। কবি নিজের অনুভূতি প্রকাশের প্রয়াস পেয়েছে তা নিম্নে পাঠকের সামনে তুলে ধরলাম: চন্দ্রাবতী, আমার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ, “অভয়ারণ্য” প্রকাশিত হবার পর আশানুরুপ সাড়া পেয়েছিলাম। তারই অনুপ্রেরণায়,“চন্দ্রাবতী” কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ করার সাহস সঞ্চয় করেছি। শোনো, নীল নয়নের ছেলে, আমার দিবস কাটে, সাঁতার কেটে, তোমার নীল নয়নের জলে। বইয়ের ধরন: কাব্যগ্রন্থ বইয়ের নাম: চন্দ্রাবতী লেখক: আমীন শাহনাজ চন্দনা (আমেরিকা প্রবাসী) বিনিময় মূল্য: ২৫০/- (দেশে), বিদেশে: 10 ডলার। প্রকাশনী: প্রতিবিম্ব প্রকাশ। প্রচ্ছদ: প্রীতিলতা চক্রবর্তী প্রকাশনায়: প্রতিবিম্ব প্রকাশ ঠিকানা (দেশে): (১) বাংলা বাজার, ঢাকা; (২) সেক্টর:…
নিস্তার (মিরা মাহমুদ) করোনার ভয়ানক ছোবলে পরে গেছে সৃষ্টির সকলে বহু যত্নে বানিয়েছ দুনিয়া মানবজাতি পাবে কি তার কিনারা? তুমি বাঁচাও তুমি মারো তুমি বিনে রক্ষাকর্তা নেই কেহ হুকুম করো তুমি হেকিমও কেবলই তুমি তোমারই শর্তহীন ইশারায় নিষ্কৃতি পাবে ইহকাল তোমারই তোরণে তুলিয়া হাত বিশ্বজনীন সবিনয়ে পাবে নিস্তার।
মাহবুবা ফারুক, শিশু-কিশোরদের জন্য গল্পের বই:।সততার গল্প। যখন আবেগকে ভালো করে বুঝিও না ,ভিতরে শুধু অনুরণন হয়, প্রকাশের কোন একটা মাধ্যম খোঁজে ভিতরের আমিটা, কী কেন কীভাবে কিছুই জানিনা। কোনো বিষয় নিয়ে যখন কিছু বলতে ইচ্ছে করে, কোনো ভালো লাগা বা কষ্টের কিছু- অথচ তা ঠিক সে ভাবে বলা যায় না- তখন লিখে রাখতাম । খুব ছোটবেলার কথা বলছি কষ্টেরা আমাকে অন্তর্মুখী করে তুলত । কিছুটা একাকীত্ব আর অসহায়ত্ব বোধ করতাম। যেমন বন্ধুর সাথে খেলতে গিয়ে ঝগড়া? বই পড়তে নিয়ে আর ফেরত দেয়নি? সামনে পরীক্ষা। খুব মন খারাপ হতো। সেসব কাকে বলবো? মা শুনলে আমার দোষ আগে জানতে চাইবেন…
একুশে বইমেলা-২০২২ নতুন বই আমার। কবিতা” কেবল লেখা নয়, সকল হৃদয়ের অভিব্যক্তি! সুখ-দুঃখ, চাওয়া-পাওয়া, হতাশা-সফলতা, সকল জীবনের অনুকূলতা-প্রতিকূলতা, সকল অনুভূতি; কল্পনা-বাস্তবতার বহিঃপ্রকাশ! একটি কাব্যগ্রন্থ সকল অনুভূতির সমন্বয়! একটি স্বপ্ন! একটি সৃষ্টি! আর প্রথম বই যেন প্রথম সন্তান প্রাপ্তির মতো পরমানন্দের! এক বুক আশা নিয়ে তোমাদের সকলের এক সমুদ্র ভালবাসার সাগরে এক আকাশ স্বপ্ন আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ “আমার!” যা কেবল তোমাদের ই ভালবাসার ফসল! তোমাদের একনিষ্ঠ সমর্থনের প্রতিদান! তাইতো উৎসর্গ করলাম এ কাব্যগ্রন্থ ভালবাসার সকল প্রিয় মানুষদের যারা সব সময় পাশে থেকে উৎসাহ অনুপ্রেরণা ও সমর্থন দিয়ে আমাকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। এভাবে ভালোবেসে যেও অনন্তকাল! বাংলাদেশের অলংকার অপরূপা পদ্মা আর…
আবুল আহসান চৌধুরী’র জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি। আবুল আহসান চৌধুরী (১৯৫৩) মূলত গবেষক ও প্রাবন্ধিক, এইটুকু পরিচয়ের সরলবিন্যাসে তাঁর কর্মকাণ্ডকে স্থিতি দিলে, অনেকটা অবিচার করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পি.এইচডি. ডিগ্রি পাওয়ার পর গবেষণা ও লেখালেখির ক্ষেত্রে তিনি থেমে যাননি। সাহিত্যের অধ্যাপনাও করেছেন, তাঁর কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলা একাডেমিসহ ও অন্যান্য পুরস্কার পাওয়ার পরও নিজের সচল ও ধারাবাহিক অবস্থান থেকে দূরবর্তী হননি! তিনি এই সময়ের এমন একজন গবেষক, যাঁর গবেষণার পরিমণ্ডল এখনও প্রসারিত হচ্ছে–দিগন্তে দিগন্তে, থিতু হওয়ার লক্ষণ নেই। যার ফলে তাঁর গবেষণা-আবিষ্কারের ফলাফলের জন্য আমরা এখনো এক ধরনের চঞ্চলতা নিয়ে অপেক্ষা করি। তিনি গবেষক হিসেবে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন, গবেষণার ক্ষেত্রে সচল…
অনন্যা’ এ বছরের শুরুতেই প্রকাশ করেছে আমার প্রিয় লেখক-কথাসাহিত্যিক মাজহারউল মান্নানের স্মৃতিকথা, ‘শিক্ষকতার চুয়ান্ন বছর’। গত সপ্তাহের ৭ তারিখে বইটির পাঠ-উন্মোচন হয়। আমন্ত্রণ পেয়েও আমি কপালপোড়া, সে-অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারিনি। ফলে, লেখক মাজহারউল মান্নান Sir-এর একপশলা বকা খেয়েছি ০৮ তারিখে। ফেসবুকেই এর অধিকাংশ লেখা ধারাবাহিক আকারে পড়া হয়েছে। আমার চেয়ে আরো বেশি নিয়মিত পড়েছেন লেখকের বন্ধুপক্ষে ডা, মফিজুল ইসলাম মান্টু; আর বিপক্ষের অনেকজন। তাঁরা তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে এ-বইটির জীবনঘনিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গীকে প্রতিষ্ঠিত করার কাজটি সম্পন্ন করেছেন। শিক্ষক তিনি সারাজীবন, যেমন বিদ্রোহী ছিলেন সারাজীবন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে উত্তরবঙ্গের নূরলদীন। জনাব মাজহারউল মান্নান মসৃণ মোজাইকে নরম পা ফেলে ফেলে শিক্ষকতার কাজ…
তোমাকে করবো বরণ হাসি দিয়ে জাহান আরা খাঁন কোহিনূর কত ব্যাথা আছে হৃদয় মন্দিরে দাউ দাউ করে জ্বলে থাকা আগুন নিভিয়েছি আমি হাসি দিয়ে সংগোপনে কত কণ্টকময় পথ ঘাট অতিক্রম করেছি তাও হাসিমুখে। এই হাসিটুকু একাকীত্বের অন্ধকারে সঙ্গি হয়েছে আমার দিনে রাতে এই হাসিমুখ সঠিক পথে রাখে মোরে এই হাসি মানুষের প্রতি মানুষের মমত্ববোধ জাগ্রত করে। নতুন বছরে বিধাতার কাছে চাওয়া হাসি যেন অম্লান থাকে মোর রোগে শোকে সব হাসিতে থাকেনা প্রাণ সব ছবি বলেনা কথা কত রক্তক্ষরণ এই হাসিতে আবার হাসিতে হাসিতে কখনও কখনও প্রাণ যায় খুলে তাই তো আমি হেসে যাই সবার সনে সবাই হেসে যাও প্রাণ খুলে…
ভালোবাসার রেণুদি (আহাম্মদ কবীর হিমেল) রোজ সকালে তুমি যখন পূজার ফুল তোল গুনগুনা গুন গান গেয়ে ছন্দ নিয়ে চলো, আড়াল থেকে তোমায় দেখে কেউ একজন পুড়ে দেখতে যদি তুমি আছো তার হৃদয় খানা জুড়ে। তার মন্দিরে তোমায় পূজে সকাল দুপুর সাঁঝে, সাহস করে কয়না কভু ভয়ে মরে লাজে। তুমি হলে তার রেণুদি বলো কেমন করে বলে! তুমি ছাড়া মরণ আমার যেয়ো না কো চলে। ভালোবাসার বিনে সুতায় মালা গেঁথে রোজ পূজার ছলে কাছে এসে নেয় যে তোমার খোঁজ। তুমি যখন আদর করে চিবুক টেনে চুলে দাও বিলি ভালোবাসার উষ্ণ ছোঁয়ায় চমকে উঠে পিলি। আলতা চরণ কাজল চোখে কি অপরূপ লাগে…
দুঃখ রাখি ঢেকে (রিতুনুর) ১৩/০১/২০২২ ইংরেজি দুঃখ রাখি ঢেকে হাসি আনি ডেকে তোমার হাসির আড়ালে এক মহাসাগর দুঃখ লুকিয়ে নিরবে নিভৃতে কাঁদবেই। রাত যতোই ঘুটঘুটে হোক না আঁধার শেষে ভোর এসে দরোজায় কড়া নারবেই। গাছপালা ম্রিয়মাণ থাকে কখনো কখনো…. আবার ফাগুনে নতুনের ছোঁয়া পায়, সবুজে ছেয়ে যায় গাছে গাছে। ফুটে বনে লাল পলাশ শিমুল নদীর ও আছে জাত কূল, জোয়ার ভাটা! জীবন চলার পথে আছে পরোতে পরোতে ভুল। তবু বাঁচতে হয় সাজতে হয় হাসতে হয় হাসির আড়ালে লুকাতে হয় দুঃখ। পৃথিবীকে সুখী করতে আকাশটা যেমন হয় বহুরূপী কখনো আলো কখনো কালো মানুষের জীবন ও তেমনি ধুপছায়ার মতো বহুরূপী তাইতো দুঃখ…
