Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

আলমগীর শুভ জন্মদিন পুরো নাম মহিউদ্দিন আহমেদ আলমগীর জন্ম: ৩ এপ্রিল, ১৯৫০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শ্রীরামপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার ছিলেন কলিম উদ্দিন আহম্মেদ ওরফে দুদু মিয়া। যুবক অবস্থায় পড়াশোনা শেষ করে ঢাকায় স্থায়ী হয়েছিলেন তিনি। পরে বিয়ে করে পরিবার নিয়ে ঢাকাতেই বসবাস শুরু করেন দুদু মিয়া। গোপালপুর গ্রামের সন্তান জাইটের গোষ্ঠীর ছেলে দুদু মিয়ার ঘরে ১৯৫০ সালে ৩ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন মহিউদ্দিন আহমেদ আলমগীর। দুদু মিয়া ঠিকাদারির পাশাপাশি করতেন চলচ্চিত্রের প্রযোজনা। বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ এর প্রযোজকও ছিলেন দুদু মিয়া। সেই দুদু মিয়ার সন্তান চলচ্চিত্র থেকে পিছিয়ে থাকবেন তা কি হয়? দুদু মিয়ার প্রথম ছেলে…

আরো পড়ুন

কষ্টের মিছিল [মেশকাতুন নাহার] ৩১/০১/২০২২ এমন কিছু কারণ এসে দেয় যে মনে কষ্ট, ওরে কষ্ট কেন তুই যে এত বড়ো দুষ্ট? মনের ভিতর জবরদস্তি করিস বসত বাড়ি, সেই বাড়িতে বসে রে তুই আগুনে দিস হাড়ি। আড়াল থেকে বিষ মিশিয়ে বক্ষে মারিস ছুরি, জখম নিয়ে ভাঙা পথে একলা আমি ঘুরি, এত কষ্ট অন্তঃপুরে বন্দী হয়ে আছে, জ্বলে পুড়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত বুঝার নেই কেউ কাছে। প্রতি রাতে কষ্টগুলো আমায় ঘিরে রাখে, হরেক রঙে উদ্ভট সাজে আসে লাখেলাখে। মিছিল করে বলে তাঁরা তোমায় ভালোবাসি, পালাবে কই প্রিয় সঙ্গী দেয় যে অট্টহাসি। স্বৈরাচারী প্রেমিক এক যে ছিল স্বৈরাচারী প্রেমিক উন্মত্ত তাঁর আচার, কঙ্কাবতী কে…

আরো পড়ুন

ছোঁয়া [লেসা সুসান] অন্ধকারে নিমজ্জিত হতে হতে হারিয়ে ফেলছি নিজেকে ছুঁতে পারিনি সমুদ্রের জলে যেতে যেতে ঢেউের দোলায় চলেছি দূরে ছুঁতে পারিনি ঘুড়ি ওড়াতে ওড়াতে সুতা কেটে পড়েছি নীচে ছুঁতে পারিনি মৃদঙ্গটা বেজেছে সুরে সুরে ছন্দ কেটেছে অসম লয়ে ছুঁতে পারিনি ছুঁতে পারিনি তোমায় আকাশ কিংবা সমতলে ছুঁতে পারিনি তোমায় অন্তরে কি়ংবা জলে ছুঁতে পারিনি তোমায় মননে কিংবা আপন কোলে ছুঁতে পারিনি তোমায় সুর কিংবা গানের ছলে তবুও এ অপেক্ষা অনন্তকালের। লেসা সুসান ৩১শে মার্চ ২০২২ টরোন্টো, কানাডা।

আরো পড়ুন

প্রকাশিত হলো : কালের প্রতিবিম্ব মার্চ ২০২২ সংখ্যা : প্রতিবিম্ব প্রকাশ (সৃজনশীল লেখকের ঠিকানা) পুস্তক প্রকাশক ও বিপণন ০১৭১৫৩৬৩০৭৯ আপনার কপিটি এখনই অর্ডার করতে পারেন: প্রতিবিম্ব প্রকাশ উত্তরা, ঢাকা। ০১৭১৫৩৬৩০৭৯

আরো পড়ুন

‘প্রতিবিম্ব প্রকাশ’ পরিবারের পক্ষ থেকে এই গুণী কবিকে শুভেচ্ছা। লেখক পরিচিতি: কবি জেবুন্নেছা জোৎস্না জন্ম: ২রা এপ্রিল, ১৯৭৬। বেড়ে ওঠা যশোর, বর্তমান স্থায়ী নিবাস ঢাকা। মাইক্রোবায়োলোজীতে মাষ্টার্স শেষে ২০০৩ সাল থেকে নিউইর্য়ক প্রবাসী। দশ বছর ফুল টাইম মা এবং গৃহিনী থাকার পর প্রবাসে সম্মানজনক পজিশনে প্রতিষ্ঠীত হওয়ার লক্ষ্যে শুরু হয় জীবনের নতুন এক অধ্যায়। পার্ট টাইম জবের পাশাপাশি আমেরিকার শিক্ষা ব্যবস্থায় হাই স্কুল পাশের শেষে ডায়াগনষ্টিক মেডিকেল সনোগ্রাফীতে ব্যাচেলর ডিগ্রি নেন নিউইর্য়কের লং আইল্যান্ড ইউনিভার্সিটি থেকে। অষ্টম/নবম শ্রেণী থেকে লেখালেখি, ছবি আঁকা, স্পোর্টস এবং বাগান করার শখ থাকলেও থাকলেও প্রবাসের একাকী সংসার জীবনে দূরে সরে যান সব কিছু থেকে।…

আরো পড়ুন

আমার ছড়াকার হওয়ার জার্নিটায় দাদাভাই ইত্তেফাক এবং পিওন দারোয়ানদের মমতা [লুৎফর রহমান রিটন] জন্মেছিলাম পুরোন ঢাকায়। খুব মামুলি মধ্যবিত্ত একটা পরিবারে অনেকগুলো ভাইবোনের কিলবিলে সংসারে কেটেছে আমার ছেলেবেলাটা। আমার শৈশব বিকশিত হয়েছে ওয়ারিতে। পুরোন ঢাকার সবচে অভিজাত এলাকা হিশেবে ওয়ারির খ্যাতি ছিলো। ওয়ারিতে আরো অসংখ্য শিশুকিশোরদের মতোই বেড়ে উঠছিলাম আমি। খুবই শাদামাটা ভাবে। ঝাঁকের কৈ হিশেবে। কিন্তু আমাকে খুব সহজেই সেই ঝাঁকের কৈ-এর ডালা থেকে আলাদা করে সুন্দর একটা স্বপ্নের ভেতরে সুন্দর স্বপ্নময় একটা ভুবনের ভেতরে নিয়ে এসেছিলো শিশু সংগঠন কচি-কাঁচার মেলা। বাবা কিংবা বড়ভাই কিংবা মা অথবা বড়বোন আমাকে সেই ‘স্বপ্নময় জগতে’র সন্ধান দেননি। রঙিন সেই ভুবনের বর্ণাঢ্য দরোজার…

আরো পড়ুন

নিষিদ্ধ পল্লি [জেসমিন জেসি] বাবা একজন পুরুষ ছিলেন তাই আমরা ছিলাম নারী তিনি যদি মানুষ হতেন আমরাও পেতাম বাড়ি জন্ম দাত্রীর সাথে তার সম্পর্ক ছিল নাড়ির তবু সে গৃহপালিত আদমির। যুগযুগ ধরে ভুরি ভুরি গ্রন্থ হয়েছে রচনা যেখানে নারীর একেবারেই বাইরে যাওয়া মানা নারী থাকবে গৃহবন্দী অধীনস্থ পরজীবী পুরুষ হবে মালিক প্রভু পরম বুদ্ধিজীবী। সেই পিতার দিলে এখন আমরা কেবল বোঝা শুরু হলো ভ্রুণ ঘেঁটে ওয়ারিশ পুরুষ খোঁজা। জন্ম আমার নয়ানাভিরাম শ্যামল সবুজ গাঁয়ে প্রকৃতি হেথাই মনোরম মানুষের প্রয়োজনে প্রকৃতি হেথাই কখনো খাদ্য কখনো উপভোগ্য নারীর তুলনা প্রকৃতির সাথে তারা প্রকৃতির সমতুল্য। নারীও সৃষ্টি প্রকৃতির মতই তাদেরই মনোরঞ্জনে কাল্পনিক ওসব…

আরো পড়ুন

আজও যদি [ফারজানা ইয়াসমিন] আজও যদি নয়ন ভেজে আমার কথা ভেবে, মনে রেখ আজও কিছু বলার আছে বাকি। আজও যদি আনমে পড়ে মনে আমার মুখের হাসি, মনে রেখ আজও জমা আছে কিছু অনুভূতি। আজও যদি ভুলতে গিয়ে বারবার মনে হয়, মনে রেখ আজও পাও আমাকে হারানোর ভয়। আজও যদি পুরনো আঘাতের চিহ্ন বুকে জেগে থাকে, মনে রেখ আজও আমাকেই যত্নে রেখেছো তুলে। আজও যদি চেনা পথে অচেনা হওয়ার ভান করে হেঁটে যাও, মনে রেখ স্মৃতি গুলো আজও তোমার মনে নাড়া দিয়ে যায়। আজও যদি আমার প্রতি তোমার থাকে সীমাহীন অভিমান, মনে রেখ ভালোবাসা না থাকলে থাকে না কোন অধিকার। আজও…

আরো পড়ুন

একদিনের ভ্রমণে যাওয়ার সুযোগ খোঁজেন অনেকেই। তাদের জন্য সেরা এক গন্তব্য হলো ‘মুছাপুর ক্লোজার’ । কর্মব্যস্ত জীবনে একটু ফুরসত মিলতেই অবসর কাটানোর জন্য নিরিবিলি স্থানের খোঁজ করেন সবাই। এজন্য আশপাশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে একদিনের ভ্রমণে যাওয়ার সুযোগ খোঁজেন অনেকেই। তাদের জন্য সেরা এক গন্তব্য হলো ‘মুছাপুর ক্লোজার’। মুছাপুর ক্লোজার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। প্রথম দেখাতে মনে হবে এটি একটি সৈকত। আসলে সেখানে গেলেই আপনি উপভোগ করতে পারবেন নদীপাড়ে সাগরের আবহ। এ কারণে একে ‘মিনি কক্সবাজারও’ বলা হয়। আবার অনেকে মুছাপুর সমুদ্র সৈকত হিসেবেও চেনেন স্থানটি। ফেনী নদীর তীরে অবস্থিত মুছাপুর ক্লোজার। মুছাপুর নদীর তীরে ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে…

আরো পড়ুন

অসীমের পথে দুঃস্বপ্নরা স্বপ্নের কাছাকাছি ভীড় করে স্বপ্নভঙ্গের রঙিন ফানুসের আকার নেয়। নির্বিকার স্বপ্নভঙ্গের খেলোয়াড়রা অসীম শূণ্যতায় হেসে লুকায় স্বপ্নভাজ পালোয়ান। হারাবে কে বা কারা হারাতে হারাতে শুরুটা কাঁদছে হাঁটছে সমাপ্তির সাথে। এলোমেলো হলেও জীবনতো একটাই চলছে চলুক হিসেবের বাইরে না পাওয়াদের ভীড়ে পড়ুক না হয় আরো দু’টি পায়ের ব্যর্থ অলস সমাপ্তির চিহ্ন। বৈপরীত্যে দৃশ্যমান পৌষে ছিলে না মাঘে এলে কেন? ভালবাসায় ছিলে না মায়ায় বাঁধলে কেন? চাঁদকে চিনলে না চাঁদের আলোয় ভাসলে কেন? গোধূলির রহস্যটাকে জানলে না এই লগ্নের রূপটাকে নিলে কেন? বিকেলের কোলাহলে ছিলে না চায়ের আড্ডার স্বাদ নিতে চাইলে কেন? স্রোতের সাথে নদীর গভীরতাটাকে জানলে না…

আরো পড়ুন