অধিভুক্ত হই আবারও মুক্তিযুদ্ধে [গোলাম কিবরিয়া পিনু] এই এক দেশ–যেখানে রক্তাক্ত হাইড্রোজেনের ভেতর মেঘজমাট বেঁধে সৃষ্টি হয়েছিল এক চন্দ্রধারা সেই চন্দ্রধারার নামই দেদীপ্যমান মুক্তিযুদ্ধ। সৃষ্টির সময়ে ছিল এক একেকটি আগুনের গোলক যার সমবেত নাম বিদ্রোহী-জনতা যেন এক আগ্নেয়গিরির যাদুঘর টগবগ হয়ে ফুটেছিল–দিগন্তরেখায় উড়ছিল ধোঁয়ার কুণ্ডলি ঘনমেঘ–নীরদপুঞ্জ কুড়ুলে মেঘ-আঁধিঝড় তার মধ্যে থেকে উপচে উঠলো আমাদের স্বপ্নভূমি ! বিস্ময়কর রাসায়নিক মিশ্রণে মরিয়া হয়ে উঠেছিল জনগণ পাথরখণ্ডে সপ্তমুখী জবা ফুটলো অসীম সাহসে একেকটি বরফের চাঁই গলে গলে ফল্গুধারা তৈরি হলো ! রঙের ভিন্নতা ছিল না শরীরের যেকোনো স্থান–মুখমণ্ডল, গলা, কাঁধ হাত, পা, বুক অথবা পিঠে সকল ধমনিতে একই রক্তের ধারা প্রবাহিত হয়েছিল মস্তিষ্কের…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
অপারেশন সার্চলাইট শীরীন আক্তার ২৫/০৩/২০২২ পৃথিবীতে বাঙালি এক বিস্ময়কর জাতি, যোদ্ধা হিসেবে জগৎ জোড়া আছে খ্যাতি। সেই জাতিকেই ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে, ঘুমন্ত অবস্থায় নিমেষেই লাশ হতে হয় পশ্চিমাদের হাতে। অমন জঘন্য নারকীয় ঘটনার নজির এই প্রথম দেশে, নরপশু পাকিস্তানিদের হীনতম তাণ্ডব ইতিহাসে। বিশ্ব বিবেক বিস্ময়ে বিস্মিত ওদের কাণ্ড দেখে, এ করুণ কাহিনীর সৃজনশীলেরা ইতিহাস লেখে। পশ্চিমারা এ দেশটিকে আত্মসাৎ করতে গিয়ে, অবশেষে পালায় সদলবলে অস্ত্রগুলো লুকিয়ে। গণহত্যা দিবস হিসেবে আমরা এ দিনকে পালন করি, কালো রাতকে স্মরণীয় রাখতে মোমবাতি জ্বালি। পৃথিবীতে বাংলাদেশ যতদিন বেঁচে থাকবে, ২৫ মার্চের গণহত্যার রাতে ততদিন আলো জ্বলবে। অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে বাঙালিকে দমন করতে…
যুদ্ধ প্রস্তুতি ফরিদ আহমদ দুলাল (কবিতা আমার প্রতিবাদের ভাষা—সমরাস্ত্র। আজকের কবিতা প্রতিবাদে সোচ্চার হোক অসদাচারের বিরুদ্ধে।) চতুস্পার্শ্বে সারাক্ষণ গণ্ডমূর্খ থাকে কতিপয় অমেরুদণ্ডী অনেক ক্লিব ও কেঁচোর ভিড়ে আসে পরাজয় স্থুল স্বার্থান্ধের জিভে লালা ঝরে পড়ে কাপুরুষেরা মরার আগে জেনো প্রতিদিন মরে; ওদের অনিদ্রা নেই জাগরণে ভয় স্তাবকতা ওসব মানুষরূপী দ্বিপদের বাঁচার আশ্রয়। সততা অপেক্ষা মিথ্যাচারে ওরা নিত্য পক্ষপাতী যুথবদ্ধতার প্রতিপক্ষ নিজের অজান্তে ওরা আত্মঘাতী তোমাকেও পণ্য বানায় কৌশলে করে তেজারতি কণ্ঠনালী-শিরা কাটে প্রয়োজনে করে পুষ্পারতি; পরেছে লেবাস সাহসের সমাবেশে ছদ্ম প্রতিবাদী প্রকাশ্যে বাদীর পক্ষ আসলে বিবাদী। বিচিত্র পোশাক রাখে দেরাজে সঞ্চয় মুখোশও রাখে অগণন আর জানে অভিনয় কখনো বা ভয়…
আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেম মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২০। এতে ২৭টি শাখায় ২৮ জন শিল্পী ও কলাকুশলী পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন। আনোয়ারার ইচ্ছে ছিল আজীবন সম্মাননা পুরস্কারটি সশরীর গ্রহণ করবেন। কিন্তু জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অনুষ্ঠানের আগেই অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী তিনি। ১১ মার্চ স্ট্রোক করে হাসপাতালে যেতে হয় তাঁকে। ১০ দিন পর এখন তিনি বাড়িতে ফিরেছেন, তবে দুই মাস তাঁকে থাকতে হবে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে। অন্যদিকে এই সম্মাননার জন্য মনোনীত আরেক অভিনেতা রাইসুল ইসলাম আসাদ এসেছেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে। এই মুক্তিযোদ্ধা সশরীর উপস্থিত থাকবেন এ আয়োজনে। আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের…
দেশ প্রেমিক [সুরাইয়া সুলতানা] ২৫-০৩-২০২২ বহুদিন ধরে খুঁজছি একজন মানুষকে, যার ডান হাতে ছিল রাইফেল, বামহাত বজ্রমুষ্ঠি। দু’চোখে ছিল বাঁধ ভাঙা স্বপ্ন, দেশকে স্বাধীন করার। কচি সবুজ ঘাসের বুক যখন রক্তে লাল পাকসেনাদের নির্মম হত্যাযজ্ঞে , টগবগে যুবকের রক্তস্রোতে শুরু হয়েছিল তোলপাড়। স্বাধীনতা চাই, স্বাধীন রাষ্ট্র চাই, আমাকে বলেছিল আদ্রকন্ঠে, দেখো-একদিন স্বাধীন হব আমরা। সমস্ত ভবিষ্যৎ স্বপ্ন জলাঞ্জলী দিয়ে, সব বাঁধা উপেক্ষা করে, সেই আশাতেই থাকি। কাটে প্রহর, অশান্ত মন অশান্ত সময় তখন মিলেমিশে একাকার। যুদ্ধে নিজেকে ব্যস্ত রাখে সে, ভয়ার্ত মুহূর্তগুলো তাঁর ভালোবাসায় বিভোর থাকি। অস্ত্রের শব্দ বা কোন আর্তচিৎকার নয়, তাঁর বিশ্বাসগুলো মনের আলপনায় আঁকতে থাকি, দিন যায়,সুন্দর…
প্রেমের কবিতা মূল: কেনি ফ্রাইস অনুবাদ: ইউসুফ রেজা চিকন বিছানা বিভিন্ন বর্ণের আলো ও ছায়ায় তোমার শরীর দেখা যায়। আমি শক্ত করে ধরি তোমার সুগোল মুখ আমার দু হাতে। আমাকে জড়িয়ে ঠোঁট চুষে চুমুর আগে কি রকম তোমার লাগে আনন্দ কী? আমি জানি নিজে আমার অন্য হাত কিভাবে তোমায় জড়িয়েছে। কীভাবে আরেক চোখ, তোমাকে তন্ন তন্ন করে খোঁজে আমি ভাবি। কিভাবে আমাকে তুমি আবেশে জড়াও টের পাচ্ছ কি আমার ত্বকের নিচে মাংসের পেশী?দেখোতো আমার হাড় বেঁকে আসছে না? যখন আমরা দুইই উলঙ্গ হই তুমি কি সমস্ত দেহে চুমু খেতে চাও?সেই ভাবে ছুঁবে যে এই দেহ তোমার দেহ। আমাকে সুন্দর করো।…
২৫তম বিদ্রোহী বউ [সুরমা খন্দকার] শুনেছি তুমি স্থির হতে পারোনি, অপলক তীর্যক দৃষ্টিতে তোমার চাহনির ধার। সফেদ গন্ধরাজ আলো বাতাসে ফুটিয়ে তুমি ২৭বার। বারবার সুখের মতো আপেক্ষিক বিষয় নিয়ে খেলেছো তোমার অন্তর্গতে। নৈঃশব্দে । মধু মিশ্রিত মঞ্জুল কতক ফুলকে স্পর্শ করলে। চোখের পাপড়িতে কাজল মেখে, আবেগের শিহরণ, আলিঙ্গণ, নিবিড় প্রেম। পুরোনো কথায় কন্ঠস্বর চমকে ওঠে। অজস্র চিৎকার, অভিমান,ক্রোধ ধুসর সন্ধ্যা নেমে আসে নিজেদের শিকারি ডাহুক ভেবে। পাথরের টুকরোর মতো না ডুবে, তুমি ‘ ২৫তম বিদ্রোহী বউ ‘। পড়ন্ত দিগন্তে, চেঁচিয়ে ওঠা আতঙ্কে, নড়েচড়ে উঠল পৃথিবী তোমার ডাকে! (২৫ তম স্ত্রীর মামলায় ২৭তম স্ত্রীর বাড়ি থেকে গ্রেফতার স্বামী।)
প্রয়াত হলেন অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়: শুটিংয়ে মাঝে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়; সেখান থেকে বাসায় নেওয়ার পর জীবনের ইতি ঘটল তার। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বুধবার রাত ১টা ১০ মিনিটে কলকাতায় নিজের বাসায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা ও নিউজ এইটটিন। অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। খাদ্যে বিষক্রিয়ায় মঙ্গলবার থেকে পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন অভিষেক। বুধবার একটি রিয়েলিটি শো’র শুটিংয়ের মাঝে অসুস্থ হয়ে পড়েন; দুপুরের দিকে বাসায় ফেরার পর রাতেই মৃত্যুর খবর আসে। অভিনেতা ভরত কৌল আনন্দবাজার পত্রিকাকে বলেন, “বুধবার তিনি স্টার জলসার ‘ইসমার্ট জোড়ি’ রিয়েলিটি শোতে শ্যুট করতে আসেন। সেখানেই আচমকা প্রেশার নেমে আসে আশিতে।…
কাগজের সম্পর্ক [সাফিকা জহুরা জেসী] জানি, সব সন্তানেরাই মা বাবার অতি আদরের! কিন্তু, আমি যে সত্যি সত্যিই একটু বেশী আহ্লাদী ছিলাম তাদের! দুনিয়ার বুকে স্বর্গ পেলে, কেউ কি কোথাও যেতে চায়, সে সুখ ফেলে? কিভাবে, কেন, হঠাৎ আকষ্মিক বন্যা এসে, সব ভাসিয়ে নিলো; কোন এক ঘোর, কোন এক মায়াজাল, ভাসিয়ে নিয়ে গেল অতলে; স্বর্গ ফেলে, সকল সুখ ভুলে, গা ভাসালাম অগ্নিকুন্ডের অনলে! হ্যাঁ, শুরুর কয়েকদিন বেশ কেটেছিল সে জীবনে ; নতুন স্পর্শ! নব্য উষ্ণতা! শিহরনে আপ্লুত নশ্বর বাস্তবতা! কখনো ভাবিনি, ভালো লাগার এ মূহুর্তগুলো হতে পারে ক্ষনিকের; ভালোবাসার আড়ালে ভয়ানক কপটতা! ঘর বেঁধেছিস, সংসার পেতেছিস, মন বাঁধতে পারিসনি আজও কেবল…
কাব্যের কারখানা [কৃষিবিদ মীর মোঃ মুনিরুজ্জামান] ২৪/০৩/২০২২ খ্রিঃ প্রথমেই, সবার অসীম শান্তির জন্য চাই প্রভূর করুনা! শ্রদ্ধেয়, প্রিয় গ্রুপবাসী, সাহিত্যপ্রেমী, সমমনা, সবারই অপ্সরী সম অশেষ ভালো মনের ভাবনা! তবে, ভাষার আঁতুর ঘরে ফেলে বাটতে হবে বাটনা, জানতে হবেই সবার “ভাষার ব্যাকরণ”এর সব রটনা! পর্ব মাঝে পংক্তি/লাইন ভাংগা কিছুতেই চলবে না! “শব্দের বানান সঠিকতা”য় হতে হবে অতি সতর্ক মনা! জোরে, ধীরে চলতে লাগবে যথার্থ গতিরোধক টানা! ভাবনার সঠিকতা বুঝে পর্যায়ক্রমে করতে হবে গ্রন্থনা! তবেই, হবে কঠিন প্রয়াসে “আদর্শ কবিতা” রচনা! ধন্যবাদ, প্রিয় গুণী, জ্ঞানী বন্ধু, দূর-কাছের সর্বজনা!!
