Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

নোঙরে সাজাই ফুল [মলি সিদ্দিকা] চরম নিষ্ঠুর নিয়তির কাছেও জিতে যাই যখন একমাত্র চেষ্টাও বিফলে আবেগে মনকে দড়ি দিয়ে বেঁধে বসে এনে আবার ছেড়ে দেওয়া বোকা মন রয় বিশ্বাসে নোঙরে সাজাই ফুল দেই বেড়ি বাঁধ সাজাই পূজার ডালা সাধ করে পায়ে আঁকি আলতা ঠোঁটে লাল রং, আর কাজলে রাঙা চোখ হাতে করা বাহারি পিঠা, আর গুড়ের পায়েস চরম নিষ্ঠুর নিয়তির কাছেও জিতে যাই জিতে যাই ক্ষমার ঢাল তলোয়ারে, উপেক্ষার যুদ্ধে জিতে যাই চরম দুর্ব্যবহারে স্থির থেকে জিতে যাই সময়ের হাতে সমর্পণে অসহ্য অপমানে যখন চোখ-কান সব বরফ চাইনি কারো কৃপা দীর্ঘ ট্রমায় অনেকটা বধির আর স্মৃতিশূন্য বলিনি তবু কিছু একদিন…

আরো পড়ুন

চন্দ্রাবতী কাব্যগ্রন্থটি পাওয়া যাবে অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২২ এ: Stall # 702 / 573 বইয়ের ধরন: কাব্যগ্রন্থ বইয়ের নাম: চন্দ্রাবতী লেখক: আমীন শাহনাজ চন্দনা প্রকাশনী: প্রতিবিম্ব প্রকাশ পরিবেশক: পাতা প্রকাশনী প্রকাশকাল: গ্রন্থমেলা ২০২২ প্রচ্ছদ: প্রীতিলতা চক্রবর্তী ISBN: 987-984-95989-1-6 চন্দ্রাবতী কাব্যগ্রন্থটি প্রসঙ্গে আমার কিছু কথা। অনেক ত্যাগ তিতিক্ষার পর, সকল বৈরিতার সাঁকো পাড়ি দিয়ে, আমার চন্দ্রাবতী আসছে, জলতরঙ্গের নূপুর পরে, কবিতার ছন্দে ছন্দে, পাঠকের মন দোলাতে। চন্দ্রাবতী, আমার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ, “অভয়ারণ্য” প্রকাশিত হবার পর আশানুরুপ সাড়া পেয়েছিলাম। তারই অনুপ্রেরণায়, “চন্দ্রাবতী” কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ করার সাহস সঞ্চয় করেছি। চন্দ্রাবতী কাব্যগ্রন্থটি সমসাময়িক বিভিন্ন প্রেক্ষাপট নিয়ে লেখা। তবে এদের মধ্যে প্রাধান্য পেয়েছে…

আরো পড়ুন

বিশ্বাসঘাতক [সানজানা টিনা] হয়তো তুমি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়তো কোনো সুখের স্বপ্নে বিভোর। তোমার চোখে আজ সব রঙ্গিন। স্মৃতির পাতায় হয়তো সব আছে শুধু আমার অস্তিত্ব কোথাও নেই। ভুলে থাকতে চাইলে ই কি সব কিছু ভুলে থাকা যায়? বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দাড়িয়ে হাতে কিছু গোলাপ নিয়ে বলেছিলে তোমাকে ভালোবাসি। আমার সে কি লজ্জাস্নাত মুখ। তুমি তা দেখে হেসেই চলছিলে। চোখে চোখ রেখে ঠোঁটে দুষ্ট হাসি নিয়ে। তোমাকে সারাক্ষণ চোখে হারাতাম। একমুহূর্ত না দেখলে আমার চোখ সারাটা বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে বেড়াতো তোমায়। তুমি খেতে ভালোবাসতে তাই বাড়ি থেকে নানা অজুহাত খাবার বানিয়ে নিয়ে আসতাম। হঠাৎ কোনো এক অজানা কারণ তোমাকে আমার কাছ থেকে…

আরো পড়ুন

প্রেমহীন দাম্পত্য [তসলিমা হাসান] একঘেঁয়ে সংসার কারই বা কাম্য? দিনের পর দিন কলুর বলদের মতো উপার্জন করলাম, বাচ্চা লালন পালন করলাম, বছরে একটা বিদেশ ভ্রমণ, নিজের একটা ফ্ল্যাট, গাড়ি করলাম, আর দিন শেষে জৈবিক চাহিদা মিটিয়ে নিলাম, বন্ধুর মতো নিজেদের ভালমন্দ, আয়, চাকরি আর আটপৌরে দু চারটা কথা শেয়ার করলাম! এই মানেই যদি সুখী সংসার হয়, তাহলে আপনি বড্ড সস্তা মস্তিস্কের, সস্তা বুদ্ধিবৃত্তির মানুষ। বয়োঃসন্ধির সময় থেকেই সাধারণত আমাদের সবার মনের ভেতর নিজের গোপন কোঠরে একজন স্বপ্নপুরুষ বা স্বপ্নের নারী থাকে। আমরা কি আসলে সেই স্বপ্নের মানুষ বাস্তবে পাই? কেন একটা সময় গিয়ে আমরা আমাদের দাম্পত্যে আগ্রহ হারিয়ে ফেলি! মনে…

আরো পড়ুন

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তি গাজী মাজহারুল আনোয়ারে জন্মদিন সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি)। একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য এই গীতিকবি এ বছর নিজের ৭৮তম জন্মদিন উদযাপন করছেন। ১৯৪৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার তালেশ্বর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। ১৯৬৪ সাল থেকে তিনি তৎকালীন রেডিও পাকিস্তানে গান লেখা শুরু করেন। এখন পর্যন্ত তার রচিত গানের সংখ্যা ২০ হাজারেরও বেশি। তার গানে উঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধ, দেশপ্রেম, প্রকৃতি, জীবনবোধ, প্রেম, বিরহ, স্নেহ, অনুভূতির কথা। ১৯৬২-৬৩ সালে মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সময় গাজী মাজহারুল আনোয়ারে লিখেছিলেন প্রথম গান ‘বুঝেছি মনের বনে রং লেগেছে’। গানটির সুর করেছিলেন নাজমূল হুদা বাচ্চু ও শিল্পী ছিলেন ফরিদা ইয়াসমিন। ১৯৬৪ সালে…

আরো পড়ুন

তিনি ১৯৫৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী জন্মগ্রহণ করেন। শিশুসাহিত্যিক, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার খ্যাতি প্রায় তিন দশক-এরও বেশী সময় ধরে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্মলগ্ন থেকেই তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। টিভি অনুষ্ঠান উপস্থাপনার পাশাপাশি তার লেখা বেশ কিছু নাটকও টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে। প্রায় সারা জীবনই তিনি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড, চ্যানেল আই-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেকে লেখালেখিতে সম্পৃক্ত রেখেছেন। ফরিদুর রেজা সাগর মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসাবে একুশে পদক পেয়েছেন ২০১৬ সালে। শিশুসাহিত্যে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন ২০০৪ সালে। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র প্রযোজনার জন্য ৯ বার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। মেরিল প্রথম…

আরো পড়ুন

কাওসার আহমেদ চৌধুরীকে আর ফেরানো যাবে না গীতিকার, জ্যোতিষী কাওসার আহমেদ চৌধুরীর প্রয়াণ ‘আমায় ডেকো না, ফেরানো যাবে না….’। এটি গীতিকার কাওসার আহমেদ চৌধুরীর লেখা কালজয়ী একটি গান। গানের কথার মতোই বাস্তবে অনেক ডাকলেও আর কাওসার আহমেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনা যাবে না। দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে ৭৭ বছর বয়সে আজ মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তিনি মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গীতিকার কাওসার আহমেদ চৌধুরী কালজয়ী অনেক গান রচনা করেছেন। ১৯৯৯ সাল থেকে প্রথম আলোর সাপ্তাহিক ক্রোড়পত্র ছুটির দিনে-তে সাপ্তাহিক রাশিফল ‘আপনার রাশি’ লেখা শুরু করেন। তিনি প্রথাগত কোনো জ্যোতিষী ছিলেন না। নিজের…

আরো পড়ুন

১ ০ ০ লাইনের ছড়া (যাঁদের আত্মত্যাগ এর বিনিময়ে পেলাম বাংলা ভাষা তাঁদেরকে নিবেদন করছি) মাতৃভাষা বাংলা আমার খোদার সেরা দান এই ভাষাতে ব্যক্ত করি জুড়াই নিজের প্রাণ। গল্প লিখি কাব্য লিখি লিখি মনের কথা উজাড় করে লিখি সবই জুড়াই মনের ব্যথা। এই ভাষাতে ভাষণ দিয়ে আনলো স্বাধীনতা একাত্তরে পাক হানাদার পেল অধীনতা। এই ভাষাতে কথা বলেন আমার প্রিয়জন এই ভাষাতে কথা বলে বিশ্ব বিজয়ী হন। আন্তর্জাতিক ভাবে একে স্বীকৃতি দেয় বিশ্ব গর্বিত এক জাতি আমরা নয়কো কভু নি:স্ব। শিশুর মুখে বলতে শুনি আধো আধো ভাষা সবার মুখে সুখের হাসি এবং গরিব চাষা। পাকিস্তানি অসভ্যরা ষড়যন্ত্র করে উর্দুকে চেয়েছিল চাপাতে…

আরো পড়ুন

প্রেমহীন দাম্পত্য [তসলিমা হাসান] একঘেঁয়ে সংসার কারই বা কাম্য? দিনের পর দিন কলুর বলদের মতো উপার্জন করলাম, বাচ্চা লালন পালন করলাম, বছরে একটা বিদেশ ভ্রমণ, নিজের একটা ফ্ল্যাট, গাড়ি করলাম, আর দিন শেষে জৈবিক চাহিদা মিটিয়ে নিলাম, বন্ধুর মতো নিজেদের ভালমন্দ, আয়, চাকরি আর আটপৌরে দু চারটা কথা শেয়ার করলাম! এই মানেই যদি সুখী সংসার হয়, তাহলে আপনি বড্ড সস্তা মস্তিস্কের, সস্তা বুদ্ধিবৃত্তির মানুষ। বয়োঃসন্ধির সময় থেকেই সাধারণত আমাদের সবার মনের ভেতর নিজের গোপন কোঠরে একজন স্বপ্নপুরুষ বা স্বপ্নের নারী থাকে। আমরা কি আসলে সেই স্বপ্নের মানুষ বাস্তবে পাই? কেন একটা সময় গিয়ে আমরা আমাদের দাম্পত্যে আগ্রহ হারিয়ে ফেলি! মনে…

আরো পড়ুন