Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

একান্তে [ সুচেতনা] দিগন্ত জুড়ে আজ উথালপাথাল মন, বলতে চাইছে উন্মুক্ত হস্ত উৎসারিত করে… বাঁধা নাই আজ পাগল হবার কারণ অন্বেষণে, তড়িৎ প্রবাহের দাপটেও আজ মানছে না মন। রুদ্ধশ্বাসে কিছু বলার অবকাশে তোমাকে… আজ সকল সুপ্ত বাসনার অবকাশে, চাইছে হৃদয় কিছু বলতে, …..একান্তে ধু ধু মাঠ যেথায় জন মানবশূন্য, তথাপি যেন সেথায় হারিয়ে যাওয়ার ইচ্ছার প্রকাশ হাহাকারের নিরবতা বলছে কিছু কথা, আকাশজুড়ে মেঘের মাঝে বুঝি প্রেমের আনাগোনা… লুকোচুরি খেলবে তারা মেঘ বৃষ্টির আড়ালে, মুখের ভেতরেও আরেক মুখ বলছে শুধু তোমাকে …..একান্তে চলন্ত ট্রেনের সম্মুখে দাঁড়িয়ে, দূর হতে দেখি শুধু মনের ভেতর তোমায়। বলতে গিয়েও কিছু কথা ওষ্ঠের মারপ্যাচে, জড়িয়ে ধরলো…

আরো পড়ুন

মানুষ মানুষের জন্য [সুপ্রিয়া বিশ্বাস] ৫/৪/২০২২ পিঁপড়ের সারির মত দলবেঁধে একসাথে অভাবেরা আসে ছুটে গরীবের দুয়ারে, চাল আছে ডাল নাই ডাল আছে চাল নাই তেল আছে নুন নাই নুন আছে তেল নাই অভাবের তাড়নায় নাভিশ্বাস সংসারে। আগুনের তাপও তো হার মেনে যায় নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোঁয়া হায়!! প্রতিদিন প্রতিক্ষণ কত কিছু ঘটে যায় ভাইরালও হয়ে যায় নেটের দুনিয়ায় কৃষকের ঘরে যে তিনদিন ভাত নাই ধানক্ষেতে সেচ নাই বুক ভাসে কান্নায় ভবিষ্যতের ভাবনায় আবেগের বন্যায় বিষপানে মরে যায় হতভাগা বাংলায়। আমি তুমি কেউ তো তাঁদের পাশে নাই। অনুভূতি অনুভূতি খেলাতে মত্ত মানুষ হওয়ার ইচ্ছে করিনাতো রপ্ত। দিনরাত করি মোরা হিংসার চাষবাস হোক…

আরো পড়ুন

অজান্তেই থেমে যাবে [হাসিনা হারভীয়া] আহত রক্তাক্ত ডানা ভাঙা পাখির মত হয়তো একদিন অজান্তেই থেমে যাবে জীবনের সব আয়োজন, শুধু স্মৃতিগুলো পড়ে রবে শূন্যে পাতার ভাঁজে ভাঁজে। মুগ্ধকর প্রকৃতির বুকে লুটে পড়ে রবে শুধুই স্মৃতি হয়ে। অজান্তেই থেমে যাবে নির্বাক নিষ্ঠুর নিয়তির খেলা, অগোছালো এলোমেলো জীবনের প্রতিটি শিরোনাম। নীরবেই নিশ্চুপ হয়ে পড়ে রবে, ওই আকাশের হাজার তারার মেলায়। এভাবেই একদিন শেষ হবে জীবনের সব আয়োজন। নিমেষে নিভে যাবে জেগে থাকা দুটো চোখ, অন্ধকারে বন্ধ হবে। মাতাল বাতাসে বিলিন হবে সেদিন আমার লাশের গন্ধ, জীবনের চাওয়া পাওয়ার দাফন হবে কাফনে মুড়িয়ে! অজান্তেই থেমে যাবে জীবনের সব আয়োজন।

আরো পড়ুন

তুমিও নির্ভুল মুহম্মদ নূরুল হুদা (মুনূহু) পাতার আড়াল ছেড়ে ফুলের আড়ালে অনন্তর অন্তরীক্ষে নীলের আড়ালে, যেখানে হারাও তুৃমি যেখানেই যাও, অঙ্গের অনঙ্গ স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে যাও; পাখি হও আঁখি হও, হও হরিয়াল কোকিলের কুহু হও, হও কবিয়াল, সিংহের কেশর হও, হও ডানকানা — মাটির আদর ছেড়ে দূরে যেতে মানা; আমাকে একাকি রেখে দূরে যাবে তুমি? ত্রিভুবনে আমি আছি আলম্ব-আভূৃমি। সাক্ষী আছে কাকপক্ষী, সাক্ষী গ্রহতারা, জন্মে জন্মে অস্তিত্বের বিজয়ী নাকাড়া; পাতার আড়ালে মনে ফোটে যত ফুল, সব ফুলে ফুটে আছো তুমিও নির্ভুল।

আরো পড়ুন

শয়তান গিয়েছে এবার স্বেচ্ছাবসরে [এবিএম সোহেল রশিদ] শয়তান গিয়েছে এবার স্বেচ্ছাবসরে শুয়ে-বসে, মানুষের শয়তানি দেখে হিজাব আর জিন্স, মানুষের চোখ চড়কগাছ বোরখায় শরীর কতটুকু গেছে বেঁকে? শয়তান এখন এসব দিব্য চোখে দেখে। কার কপালে কতটা টিপ, কার ভারী হিপ কার গায়ে কী পোশাক, কেন হলাম সবাক লিখি এক কলম, মাখি চেতনার মলম সাম্প্রদায়িকতা উস্কে, হই হতবাক। শয়তান ভাবে, আমার আর নেই কোনো দরকার শিষ্যরা উল্টেপাল্টে দিচ্ছে সভ্যতা মানুষে ঘাপটি মেরে আছে কুলাঙ্গার তারাই তৈরি করছে নিত্য জটিলতা।

আরো পড়ুন

কমলার দীঘি [আফছানা খানম অথৈ] সুলায়মান রহমান ছিলেন অজয়পুর রাজ্যের রাজা।তিনি ছিলেন উদার ও মহানুবভতার প্রতীক।প্রজাদের সুখ দু:খ নিয়ে তিনি সর্বদা ভাবতেন।একদা রাজ্যে পানির খুব সংকট দেখা দেয়।পানির অভাবে রাজ্যে প্রজাদের মাঝে হাহাকার শুরু হয়।প্রতিদিন রাজ দরবারে পানি সংকট কিভাবে দূর করা যায় তা নিয়ে প্রজারা উপস্থিত হয়।রাজা কোন সমাধান দিতে পারছেন না।এদিকে পানি শূন্যতার কারণে ডায়রিয়ার মতো কিছু সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ে।আজ এখানে কাল ওখানে মানুষ মরছে অনায়াসে। রাজা পড়লেন মহাচিন্তায় কিভাবে পানি সংকট দূর করবেন।অনেক জল্পনা-কল্পনার পর তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন একটা বড় দীঘি খনন করার।রাজ্যের প্রজাদের ডেকে তিনি বললেন, প্রজাগন আমি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রজাগন একবাক্যে বলল, জ্বী…

আরো পড়ুন

ওদের দেশে? ️০১ প্রতিক্রিয়া —————– জওহরলালও টুপি পরেন, সুভাষ পরেন টুপি.. রবি ঠাকুর পরতে টুপি করেননি কার্চুপি। মোদির মাথায় টুপি দেখে কেউ ধরে না ছুতো করিম মিয়া পরলে টুপি তোমরা মারো গুঁতো। দাড়ির ঠাকুর রবি ঠাকুর বিশ্বজুড়ে চেনা তলস্তয়ের দাড়ি তো নয় বাজার থেকে কেনা দাড়ির গুণেই হোচিমিনের বিপ্লবী ভাব ফোটে আবুর দাড়ি দেখলে তোমার শয়তানি জোশ ওঠে। তোমরা করো হরে হরে বাজিয়ে ঢোলক বাঁশি বলির নামে ফূর্তি করে দেদার কাটো খাসি যখন গরু কুরবানি দেয় খোদার নামে মশু.. তোমরা তখন রামদা হাতে হিংস্র নরপশু। তোমরা দেবীর পূজা করো মন্দিরে শাঁখ ফুঁকে পুজোর শেষে প্রসাদ খেয়ে দিব্যি থাকো সুখে কিন্তু…

আরো পড়ুন

ছন্নছাড়া [শাহ কামাল সবুজ] এ কবিতা ছন্নছাড়া বড় অসময়ে এর লিখন ভুলতে বসেছে মানুষ এখন বাবা মায়ের ত্যাগের কথা উঠে যাচ্ছে মায়ার বাধন। বিশ্ব জুড়ে আজ হতাশা মনবতা এখন লুপ্ত প্রায় ভাবছে সবাই নিজেকে নিয়ে স্বার্থপরের এই দুনিয়ায় মানুষ চেনা বড় দায়। ধর্মে ধর্মে বিরোধ তুঙ্গে তুচ্ছ কারনে খুনোখুনি হর হামেশা হচ্ছে রোজ, নিরাপত্তাহীন মাতৃ জাত বাড়ছে প্রচুর শ্লীলতাহানি

আরো পড়ুন

এলো রমজান [রবিউল ইসলাম] বছর ঘুরে এলো আবার পবিত্র এক রমজান, সেই খুশিতে হাসে মুমিন কাদেরে সয়তান। দিনের বেলায় বন্ধ হবে সকল পানাহার। শেষ রাত্রিতে সেহরি আর সূর্যাস্তে ইফতার। সকল মুমিন থাকবে সদায় এবাদতে মশগুল, প্রভুর কাছে, চাই বে ক্ষমা করেছে যতো ভুল। রমজান মাস অনেক দামী আছে যে রহমত। রমজানেই হয় আত্মশুদ্ধি বাড়ে যে বরকত। রমজানের শেষ দশকে ভরা আছে মাগফিরাত। মুমিন বান্দা এবাদতে তাই কাটাই সারা রাত। কোরআন নাজিল রমজানের লাইলাতুল কদর, হাজার রাতের চেয়েও দামী ইবাদতের প্রহর। রাখবো রোজা নারী পুরুষ সকল মুসলমান গুনাহ মাফের মাস এলো পবিত্র এই রমজান।।

আরো পড়ুন

বড়লোক [রেবিন চৌধুরী] মানুষের মনে মানবতা নেই ধনীরা শুধু বাড়াচ্ছে ধন, বিবেকহীনেরা বড়লোক হয়েছে সমাজে বেড়েছে কৃপণ জীবনের জন্য জীবন নাকি শোষণের জন্যই জীবন, তোমাদের কেন এতো প্রয়োজন ভাবছ নাকি কখন? বিত্তশালীর ভাবনায় শুধু কি সম্পদ গড়ার পণ, একবারও কি আসেনা মনে মরণ কথার স্মরণ? মানুষ হলো মানুষের ভাই হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিষ্টান, অভুক্তরা খেতে পায়না দিচ্ছো কি দান অনুদান। দেশ বিদেশে অট্রালিকা গড়ো নেতাগিরি করে, শাসক হয়েও শোষণ করো লজ্জাও নেই কি রে? হাসরের দিন দাঁড়াতে হবেই মালিকের দরবারে, আল্লাহ যখন জিজ্ঞাসিবেন কি জবাব দিবে ওরে? তোমাদের যাকাতটাও যায় সরকারি কোষাগারে, লোক দেখিয়ে লম্বাচেক দাও সুনাম অর্জনের তরে। চারদিকে…

আরো পড়ুন