Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

শুভ জন্মদিন কবি সমুদ্র গুপ্ত কবি সমুদ্র গুপ্ত ২৩ জুন ১৯৪৬ সালে সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। সমুদ্র গুপ্ত তার ছদ্মনাম; তিনি ষাটের দশকের মাঝামাঝি থেকে এই ছদ্মনামে কবিতা, গল্প, সমালোচনা প্রবন্ধ, নিবন্ধ, কলাম ইত্যাদি লিখে আসছেন। তার প্রকৃত পারিবারিক নাম আব্দুল মান্নান বাদশা। পিতা মহসিন আলি মিঞা এবং মাতা রেহানা আলি। তিনি পারিবারিক কারণে বগুড়ার ধুনেটে এসে ধুনেট এন ইউ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে মাধ্যমিক এবং ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। অনেক পরে ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে প্রাইভেটে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক হন। কাজের জন্য স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। নানা পত্র পত্রিকায় কখনো সম্পাদক, কখনো রিপোর্টার কখনো অনুবাদকের…

আরো পড়ুন

আশ্রয়ের জগত (নাসরিন ফেরদৌসি) ওই বিষাদ শান্ত চিত্তে হতে চাই পূর্ণিমা তিথি, তোমার নিস্তব্ধ ছায়ালোক হতে চাই অনিমেষ নেত্র পল্লব! তোমার বিজন পথে হতে চাই নিরঙ্কুশ হাসি। তুমি কঠিন, ভাঙতে চাই তোমায় কোমল ছোঁয়ায়! তোমার নির্বাক চাহনি বাড়ায় মমত্ববোধ তোমার বিজন মহত্ব হৃদয়ে আছে আশ্রয়ের জগত, সেখানে নীড় তৈরী হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তোমার স্বার্থহীন চাওয়ার উন্মেষ ঘটাতে ক্লান্তিহীন প্রচেষ্টা যতো! প্রতি মুহুর্তে ওই হৃদস্পন্দন শুনতে বুকের পাজর ভাঙে প্রবল দুঃসাহস। ওই মন সমুদ্রে সর্বদা এ মন করে নির্বিঘ্নে অবগাহন, অব্যাহতি চেয়ো না! চাই ও মনের ছত্র ছায়ায় একাকীত্বের অভিঘাত থেকে মুক্তি, থাকতে চাই হয়ে এক বীর্যবান হৃদয়ের প্রতীকী! নাসরিন ফেরদৌসি Dhaka…

আরো পড়ুন

তুঁ কাঁহা হ্যায় বদি কাকু? ও দেবু দা, বদ্দা… (লুৎফর রহমান রিটন) তুঁ কাঁহা হ্যায় বদি কাকু? ও দেবু দা, বদ্দা… ঐ দেখা যায় পদ্মা সেতু ওই দেখা যায় পদ্মা… দেখতি পাচ্ছো? মনটা খারাপ? মন বিষণ্ণ? মনটা– যখন তখন কেন্দে ওঠে? উদ্বোধনের ক্ষণটা আইসা গ্যালো!! শ্যাখের বেটি করলো কেমুন কামটা! সুশীল সাইজা মুখ ব্যাঁকাইয়া দেখাইলা মুখ ঝামটা মধ্য রাতের টকশোগুলায় হাপুস হুপুস সাঁতরে– পুটুর পুটুর নিন্দা নূপুর বাজাইছো রোজ রাত্রে (একেকটা য্যান যাত্রাপালার বিবেক জ্যঁ পল সাঁর্ত্রে…!!) শ্যামচাচা আর খাল্‌দাজিয়ার পাঞ্জাবি-স্যুট পিন্দা কোমড় বাইন্ধা করতেছিলা শ্যাখের বেটির নিন্দা! কিন্তু একি! শ্যাখের বেটি করলোটা কি! হায় রে ইনুচ চাচার প্যাঁচ লাগাইন্না…

আরো পড়ুন

এক টুকরো গরুর মাংস [লুৎফর রহমান রিটন] গরুর মাংস আমার খুবই প্রিয়। ডাক্তারের বারণ সত্বেও যে দু’টো নিষিদ্ধ খাবার আমি ছাড়তে পারি না বা ছাড়ি না, তার একটি হচ্ছে গরুর মাংস আর দ্বিতীয়টি মিষ্টি। এই বিষয়ে আমার নিজস্ব থিয়োরি হচ্ছে–যে জীবনে রসগোল্লা বা মিষ্টি আর গরুর মাংস নেই সেই জীবন লইয়া আমি কী করিবো? পৃথিবীতে গরুর মাংসের সেরা রান্নাটা করতেন আমার মা। মায়ের হাতের রান্নায় গরুর মাংস খাই না আজ প্রায় তেত্রিশ বছর। এখনো, প্রতি বছর ঈদের সকালে মায়ের হাতের পোলাও আর গরুর মাংসের স্মৃতি আমাকে ব্যাকুল করে তোলে। গরুর মাংস রান্নায় মা আমার চ্যাম্পিয়ন হলেও রানার্স আপ হচ্ছে শার্লি।…

আরো পড়ুন

গজব আসবে (আসাদ বিন হাফিজ) ঘরবাড়ি সব ভেসে গেছে সর্বনাশা বন্যায় ভাসেনি তো লোভ লালসা, ঘৃণা বিদ্বেষ, অন্যায়। গরুর পিঠে বুড়ি ভাসে, চালের ওপর ছুড়ি সর্বনাশা বন্যায় ভাসে হিজল গাছেরগুড়ি। ডেগের ভিতর শিশুবাচ্চা ভাসে বানের জলে ফসলাদি, ছাগল গরু সবই পানির তলে। সর্বনাশা বন্যায় ভাসে স্বপ্ন আশা সব তাদের কষ্ট কয়টা মানুষ করে অনুভব। একদল যায় রিলিফ নিয়ে অন্যে করে চিট সে রিলিফও লুট করে খায় মানুষ নামের কীট। নৌকা চড়ে ডাকাত আসে নৌকা চড়ে যায় ক্ষুধার্তদের রিলিফ নৌকা কেড়ে কেড়ে খায়। স্বভাবটাকে ভালো করো নইলে গজব আসবে আগুন লাগবে, পুড়বে মানুষ বানের জলে ভাসবে।

আরো পড়ুন

সিলেট সে তো পুণ্যভূমি (মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ) রহম এবং রক্ষা করো সিলেট পুণ্যভূমি শাহজালাল ও শাহপরান আছেন তাঁরা ঘুমি। ঘুমিয়ে আছেন পীর আউলিয়া আছেন ভক্তগণ ভালোবাসা ও ভক্তি শ্রদ্ধা করেন সর্বজন। সেই ভূমিতে বন্যা প্লাবন দয়াল তুমি চাও? “কুন ফায়াকুন”তোমার কালাম জারি করে দাও। লাখে লাখে শিশু- বৃদ্ধ করছে আহাজারি দূর করে দাও বন্যা বৃষ্টি অতি তাড়াতাড়ি। পারছি না তো সইতে আমরা আজাব গজব কেউ আর চাই না আমরা অধম পানির স্রোত ঢেউ! উজান বেয়ে পানির স্রোত কেমনে ঠেকাই বলো বুকের ভিতর চাপা কান্না নয়ন টলমল। কেউ দেখেনি এত্ত পানি এবং জলের ধারা শিশুর মুখে কান্না-করুন সবাই পাগলপারা। “রাত পোহাবার…

আরো পড়ুন

বসন্তের একদিন [রোকেয়া ইসলাম] কাজল যখন খালেক পেট্রোল পাম্পে পৌছালো তখন সকাল পৌনে নটা,  ততোক্ষণে  গাড়ি ছেড়ে দিয়ে।  জায়গাটা খুঁজতে দশ মিনিট, আর দশ মিনিট মোড় নেবার জন্য ব্যায় হলো । কুড়ি মিনিট আর যানজটে পঁচিশ মিনিট,  মোট পয়তাল্লিশ মিনিটের ধাক্কা। পয়তাল্লিশ মিনিটে গাড়ি খুব বেশি দূর যেতে পারেনি,  এই বাহনটা দ্রুত চালিয়ে আর যাত্রী ভর্তি গাড়িটা ধীর গতিতে চললে ধরাটা কঠিন নয়,  সমস্যা হলো কঠিন যানজটের কবলে পড়লে সামনের গাড়ির যাত্রীরা খুব বিরক্ত হবে,  এক জ্যামেই যদি পনর মিনিট কেটে যায়  তাহলেই তো খবর হয়ে যাবে। দুটো বড়সড় জ্যামে আঁটকে যাবার সম্ভবনা আছে। থাক ওরা চলে যাক, ফেসবুক গ্রুপ…

আরো পড়ুন

মাত্র ২৭ বছর বয়সে অস্ট্রেলিয়ার সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন ফাতিমা পেমান। তিনি অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে তৃতীয় কনিষ্ঠতম সিনেটর। ২৭ বছর ফাতিমাই হতে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার সিনেটে প্রথম হিজাবধারী মুসলিম নারী। তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে। জুলাইয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া থেকে নির্বাচিত এ সিনেটর। ফাতিমা বলেন, ‘সোমবার চূড়ান্ত ফল আসার পর ফাতিমা বলেন, আমি আফগান ও মুসলিম। তবে সেই পরিচয়ের আগে আমি একজন অস্ট্রেলিয়ান লেবার সিনেটর। আমি বিশ্বাস, সাংস্কৃতিক পরিচয়, লিঙ্গ, বয়স ইত্যাদি পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সব অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকের প্রতিনিধিত্ব করছি।’ হিজাব পরার বিষয়টিকে অস্ট্রেলিয়ার সংস্কৃতিতে স্বাভাবিক করতেও কাজ করতে চান ফাতিমা। তিনি…

আরো পড়ুন

একার শাম্পান মুহম্মদ নূরুল হুদা (মুনূহু) ২২-২৩.০৬.২০২২ নিজেকে দেখার আগে বহুবার দেখেছি তোমাকে, তোমাকে দেখার পরে একবারও নিজেকে দেখিনি। চেনা অচেনার সাঁকো নিরাপদ দূরত্বের বাঁকে, যে আছে সুরক্ষা ব্যুহে, তাকে আর কখনো খুঁজিনি। তোমার দর্পণে আমি আমাকেই দেখেছি যেদিন, শর্তহীন উড়ে গেছি সীমান্তের এপারওপার। মায়াহীন মনডানা কোনো মানা মানেনি সেদিন, নিজের ভিতরে নিজে পুড়ে পুড়ে চিতাভস্মসার। বৃহস্পতি বলয়ের নীড়ে যতবার হয়ে যায় দেখা, ততবার আঁকিবুকি শেখা, একার ভেতরে একা একা। শর্তহীন সমর্পণ কার? নিশ্বাসে বিশ্বাস আছে যার। নিজে যদি নিজের করাত, বুঝে নাও নিজের আকার। উদিত সূর্যের দিকে চোখ রেখে উদয়াস্ত যাও এঁকেবেঁকে; অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রত্ন ব্যবহার শিখে শিখে সাজাও সংসার।…

আরো পড়ুন

অনুভূতি কষ্টগুলো কেন এমন হয়? শুধু দিবানিশি নয়ন ভেজায়। হৃদয়কে করে দহন, নয়নকে করে অচল, শুধু কষ্টগুলো থাকে সচল। পুরে অঙ্গার হয় দেহ ও মন, শুধু কষ্ট গুলোতে লাগে না আগুন। ফাগুন ও আসে নির্জলা দুপুরে পেঁজা তুলোর মতো, উড়িয়ে নিয়ে যায় সুক্ষ অনুভূতি গুলো। তবুও কষ্টগুলো নষ্ট হয় না করে না জায়গা বদল… বুকের বাঁ পাশটা নিয়েছে যবর দখলে, যেন তার চিরদিনের কেনা। পড়েনা ঝরে মরমরে শুকনো পাতার মতো হয় না পিষ্ট কোন অযত্নে… এ কেমন গড়ন? আঘাতের পরে আঘাত তারপরও কষ্টের যন্ত্রণা কমে না, বরং ধরে আর ও কঠিন পাথরের রূপে বরণ, আজো খুঁজে পাই না কষ্টের ধরণ।…

আরো পড়ুন