কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন বাংলা একাডেমির নতুন সভাপতি; শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন। বাংলা একাডেমির নতুন সভাপতি নিয়োগ পেয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন। তিন বছরের জন্য এই নিয়োগ দিয়ে বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ‘বাংলা একাডেমি আইন, ২০১৩’ এর ধারা-৬(১) এবং ৬(৩) অনুযায়ী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে সেলিনা হোসেন এই নিয়োগ পেয়েছেন।
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
অসীমের মাঝে অনন্ত তুমি [মোহাম্মদ্ আবদুল কাইয়ুম] ০৪.০১.২০২২ খ্রীঃ হে আসমান জমিনের মালিক আলোর জ্যোতি, বিশাল জলরাশির একচ্ছত্র অধিপতি হাশর মিজান দিনের অধিশ্বর, তুমি ছাড়া সবই নশ্বর। বিচার দিবসের রাজা ধিরাজ, হে ওহেদুল কাহার হে মহারাজ, সবই তোমার নুরের তাজ্জালির বাহার, হে জগৎপতি রহমানুর রাহিম দয়াল প্রভু আমার, করুণা চাই দয়া মাগি হে দয়ার সাগর তোমার । তোমা ছাড়া নাই গতি সৃষ্টি সবার মোদের পুণ্যে দাও মতি হে করুণার অাধার! ভুলিনি ভুলবনা ভুলতে পারব না, নিঃশ্বাসে,বিশ্বাসে আছো মিশে হে সাধের সাধনা, পুরাও মনের যত কামনা,বাসনা, ওগো দয়াময় প্রভু তুলনাহীনা দুর করে দাও মনের যত যাতনা, এক নিমিষে বিদায় কর যত…
পাপ [কামরুন্নাহার বর্ষা] কর্মের ফলন দৃঢ় করে পাওয়া জীবন্ত না হয় মৃত, সৃষ্টির সেরা মানব স্রষ্টার কৃতজ্ঞ আর অকৃতজ্ঞ। হিত যার পূর্ণের পাল্লা কদর্য তারও মহল, হেয় জ্ঞান জব্দ করে অহংকার আর পতনকে দখল। অন্ধ মোহে পুড়বে দহন হও অন্ধকারের বাসি, চক্ষু চাহিয়া দেখো পাপ বিশ্বে উঠিয়াছে মাতি। কামরুন্নাহার বর্ষা নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা নাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ ছাত্রী অনার্স তৃতীয় বর্ষ (হিসাব বিজ্ঞান)
মন্দ প্রেমিকা [আরেফা রাববী মিলি] ইচ্ছে হলে চলেই যাবি, জানি তা জানি, তবু মিথ্যে করে না হয়- হাত বাড়িয়ে দিস। তোর কাছে যে ইচ্ছে- গুলো আছে জমা, আর একটি বার- ছুঁয়ে দেখতে দিস। একটু না হয় শান্ত জলে- ভিজিয়ে দিবি তুই? অবাধ্য সেই মৌন- জলের ঘুর্নি বাটে। ভালোবাসে যেমনি- করে রোজ বিকেলে, প্রেমিক ছেলে সেই- আঙুল ছুঁয়ে হাঁটে। চোর-পুলিশ খেলা- খেলতে পারিস তুই, জানি বলবি তখন- এটাই আমার দোষ। লাটাই সুতো টান- পরলে হঠাৎ করেই- পারবি কি বলতে? আগের মতই বলিস! “তুইও কিন্তু মন্দ প্রেমিকা নোস”।
ভানুমতীর খেল [রহিমা আক্তার লিলি] ০১-০২-২০২২ আমিতো ভাই সারাজীবন চুপটি করে রই। যাচ্ছে যাক না বেখেয়ালে নিয়মনীতি খালেবিলে, কানের পাশে আগুন লাগে কোনো কথা না কই। চোখে কালো পট্টি বাঁধা অন্ধ আমি নই। নিয়মনীতির আতুর ঘরে ঘুণপোকারা নড়েচড়ে, অনিয়মের দুষ্টচক্রে পাপের বোঝা বই। তেলাপোকায় আতর মাখে পিপড়ে মাখে ঘি। চোখ থাকিতে অন্ধকানা কোনো কিছু বলতে মানা, যাচ্ছে সবই রসাতলে আমার তাতে কি! দুর্নীতিরই তবলা বাজায় যেন তুফান মেইল। দিন চলে যায় গোলেমালে গরীব মরে যাঁতাকলে, রুই কাতলা গভীর জলে চুনোপুঁটির জেল। তেলের মাথায় ঢালো তেল ন্যাড়া মাথায় বেল। আমি যে এক বোবাকালা আমার আবার কিসের জ্বালা! চক্ষু বুজে জাবর কাটি…
অন্তর্ধানের ৫০ বছর : উদ্ধার নাটকীয়তায় চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের জীবনে ‘বেহুলা-সুচন্দা বনাম মনসা-সুমিতা’র অভিশাপ! # কবিতার আরশিতে অন্তর্ধানে’র কলঙ্ক… সালেম সুলেরী ১৯৮৬ সালে আমার সাক্ষাৎকার নিলো দু’জন প্রতিশ্রতিশীল তরুণ। অথচ আমি নিজেই তখন এক তরুণ লেখক-সাংবাদিক। সাপ্তাহিক পরিবর্তন-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক। যাঁরা সাক্ষাৎকার নিলো তাঁদের এড়াতে পারিনি। কারণ তাঁদের বাবা কিংবদন্তী ব্যক্তিত্ব জহির রায়হান। তাঁদের মা খ্যাতিমান চিত্রনায়িকা সুমিতা দেবী। আর তাঁরা দু’জন হলো– অনল রায়হান, বিপুল রায়হান। ‘মিডিয়ায় তারুণ্যের শক্তি’ বিষয়ক প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করছিলো। তাঁরা দু’জন তখন একটি মুূ্দ্রণ-মিডিয়ায় জড়িত। জানালো– মিনার মাহমুদ ও আমার সাক্ষাৎকার নিচ্ছে। মিনার তখন সাপ্তাহিক বিচিন্তা’র সম্পাদক-প্রকাশক। তসলিমা নাসরিনের তৃতীয় স্বামী তখনও হয়নি। আর…
বাংলাদেশ [জগলুল হায়দার] ডাকে বাংলাদেশ আঁকে বাংলাদেশ ফাঁকে বাংলাদেশ রাখে বাংলাদেশ হাঁকে বাংলাদেশ থাকে বাংলাদেশ অন্তরে। শ্বাসে বাংলাদেশ বাসে বাংলাদেশ ঘাসে বাংলাদেশ হাসে বাংলাদেশ আসে বাংলাদেশ ভাসে বাংলাদেশ মন্তরে। নীদে বাংলাদেশ হৃদে বাংলাদেশ জিদে বাংলাদেশ খিদে বাংলাদেশ ঈদে বাংলাদেশ অন্তরে। মাঘে বাংলাদেশ বাঘে বাংলাদেশ রাগে বাংলাদেশ লাগে বাংলাদেশ জাগে বাংলাদেশ মন্তরে।
ভাষার মাসটা এলে [চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু] কত যে ছড়া লিখে যাই শুধু ভাষার মাসটা এলে, মনের ভেতরে বাংলা ভাষার ছন্দটা যায় খেলে। কৃষ্ণচুড়ার রক্তে ভেজা থোকা থোকা ফুলগুলি, ফাগুন এসেছে আগুন ছড়াতে আমরা কি আজও ভুলি শহীদ মিনার তখন সাজে বর্ণমালা দিয়ে, শ্রদ্ধা জানাই মাথা নত করে লাল লাল ফুল নিয়ে। আমার ভাষাকে আমরা এনেছি হৃদয়ের মাঝে সুখ, নতুন করে শপথ নিতে গর্বে ভরে বুক।
বই ও মানুষ [শামসুন নাহার] দিন যায়, মানুষ বদলায়, বইয়ের পাতা উল্টায়, মানুষের চিন্তা পাল্টায়, যেদিক থেকে আলো আসে, মানুষ সেদিক পানে দৌড়ায়। কত বই আলো ছড়ায়, কত মানব জ্যোতি বিলায়, আলোকজ্যোতি যে বই ছড়ায়, উত্তরমেরু থেকে দক্ষিণ মেরুতে খবর যায়, যে মানুষ দেখার তা দেখতে পায়। বই মানুষকে পড়তে শেখায়, বই মানুষকে বলতে শেখায়, বই হাসায়, বই কাঁদায়, বই বেঁচে থাকার সাহস যোগায়, বই মানুষকে ভাবতে শেখায়। বই স্বপ্ন দেখায়, বই স্বপ্ন জয়ের গল্প শোনায়, বই সত্য দেখায়, বই রাস্তা দেখায়, বই প্রেরণা যোগায়, বই বাঁচতে শেখায়। বই বুদ্ধি বাড়ায়, বই অজানাকে জানায়, বই যুক্তি শেখায়, বই যুক্তি দিয়ে…
সে যেন আমার চেয়ে বেশিদিন বাঁচে [ নির্মলেন্দু গুণ ] ৩১ জানু ২০২২। সাবানে জড়ানো দীর্ঘ কালো চুল তুমি ভুল করে রেখে গিয়েছিলে। খুলতে গিয়েও আমি তা খুলিনি। এই হোক বিহঙ্গের শেষ-আলিঙ্গন। বাথটাবে জলপদ্ম ভাসে। বুঝি ওটা জলপদ্ম নয়–, তোমার অবর্তমানে তোমার প্রণয়চিহ্ন হাসে। পুরুষের চোখে জল আসে! দেখি বেসিনে ফুলের মতো তোমার হারানো মুখ ফুটে আছে লাল টুথব্রাশে। কতো কী যে মনে পড়ে। কতো স্মৃতি, কতো চুম্বন, তোমার রক্তিম মাঢ়ী, বিবসনা ওষ্ঠ মনে আসে। এগুলো সামান্য বলে জানি, তবু কেন জানি মাঝে-মাঝে খুব অসামান্য বলে মনে হয়। কেন যে এমন মনে হয়? প্রেম তবে ছিলো? হয়তোবা ছিলো। এসব প্রশ্নের…
