কথার কথকতা : চা, তরল পানীয় ও আটা সমাচার (মাইন উদ্দিন আহমেদ) রোববার রাত এখন প্রায় তিনটা। আগামী সংখ্যার জন্য আমার নির্ধারিত কলাম কথার কথকতা-র লেখা এখনো পাঠানো হয়নি। আজ না দিলে লেখাটি এ সংখ্যা পত্রিকায় ধরানো সম্ভব নয়। জ্যাকসন হাইট গিয়েছিলাম একটা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে, আসতে হয়েছে দেরী আর আনুসঙ্গিক কাজকর্ম সেরে ফ্রী হলাম এইমাত্র। ক্লান্তি বোধ করছি কিন্তু লেখাটা শেষ করে ইমেইলে এক্ষুনি পাঠাতে হবে তাই একটু চা বানিয়ে কাপটা সামনে রেখেই ফোনটা হাতে নিয়ে টাইপ শুরু করলাম। বিষয় আগেই ভেবে রেখেছিলাম। আজকের লেখাটার শিরোনাম হতে পারে, ‘চা, তরল পানীয় ও আটা সমাচার’। প্রিয় পাঠক, কি ভাবছেন? জ্বী…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
লেখা দিন। ১৫ জুনের মধ্যে (15-06-2022 তারিখের মধ্যে)। সুধী, কালের প্রতিবিম্ব (ম্যাগাজিন)-এর ঈদুল আযহা সংখ্যার কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। আপনার সেরা লেখাগুলো সমাজ পরিবর্তনে কবিতা গ্রুপে পোস্ট করুন। আমরাই আপনাকে খুঁজে নিবো। সেরা লেখাগুলো যাবে আমাদের ম্যাগাজিনে। অনলাইনেও প্রকাশের সুযোগ থাকছে। লেখা ইমেইল করতে পারেন: khair.hrm@gmail.com মোবাইল নাম্বারসহ পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা, লেখকের নাম, লেখার শিরোনাম ইত্যাদি উল্লেখ করতে হবে। সঠিক বানান ও মানসম্পন্ন লেখা, প্রকাশের অন্যতম শর্ত। শ্রদ্ধান্তে, সম্পাদক কালের প্রতিবিম্ব উত্তরা, ঢাকা। প্রতিবিম্ব প্রকাশ (সৃজনশীল লেখকের ঠিকানা) পুস্তক প্রকাশক ও বিপণন ০১৭১৫৩৬৩০৭৯
তুমি রবে নীরবে [তাহ্ মিনা নিশা] নির্জন দুপুরে বাড়ির সবাই যখন ভাতঘুমে প্রশান্তির আশ্রয়ে। আমি তখন শরৎ রচনা সমগ্র নিয়ে রিডিং টেবিলে। দুপুরের ঘুমটা কেন যেন আমার সহ্য হয় না। কোনোদিন যদি একটু গড়িয়ে নেয়ার ছলে চোখ লেগে যায় তো হলো— ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরটাকে মনে হয় দশ মণ ওজনের হয়ে গেছে। পেট ফেঁপে ঢোল হয়। চোখের নিচে ও উপরের পাতা ফোলা ফোলা ভাব। দেখে মনে হয় যেন একটু আগে কান্না করেছি। অথচ আমার পতিদেব শ্রী ‘সুমন্ত ব্যানার্জি’ এই ছুটির দিনের দুপুরের ঘুমের জন্য পুরো সপ্তাহ অপেক্ষা করে। এই নিয়ে বিয়ের প্রথম দিকে আমার বেশ অভিমান হতো। আমি না…
কেউ নেই আজ পাশে ৷। সুরমা খন্দকার।। এক রাস্তায় হাঁটছিলাম তুমি, আমি, আমরা, অনুজরা। শেষ লোকটা চলে যাবার পর আর কেউ নেই আমাদের দেখার। কাঁদছি, হাসছি, একই গ্রহে, সবই আছে তবু কী যেন নেই একা হাঁটছি একা…. লোকটি যাবার পর রাস্তা ভীষণ ফাঁকা। এক পারলৌকিক স্তব্ধতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছে অনাবৃত হতে, উপেক্ষা করতে, অনাদৃত করতে আমাদের একে অপরকে। আমরা নিস্তরঙ্গ নদীর মতো, পিছনের আকর্ষণ ভুলে আমরা ক্ষিপ্ত হই, অতীত ভালোবাসা আমাদের পায়ের কাছে দম খিছে পড়ে থাকে- অর্থহীন সমস্ত কথামালা আমরা গুছিয়ে রাখি দুরারোগ্য দুঃখ ভেবে। বিমূর্ত অনিয়ন্ত্রিত শব্দাবলী আমাদের অতি প্রাকৃত দূঃখে নিমজ্জিত আকাশ। মিথ্যের সাজানো সুচারুতায় আমাদের আত্মার…
আমারও অভিমান হয়। গল্প। [ফারজানা ইয়াসমিন] দুই দিন ধরে অসুস্থ। মা কল করে বলে, বাচ্চারা কেমন আছে? ঠিক মতো খাওয়াই কিনা? ওরা দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে। একদম খেয়াল রাখি না।কী করি সারাদিন? আরও দশজনের বাচ্চার উদাহরণ দিয়ে বসে।মাথা নষ্ট হয়ে যায়। সেদিন শরীর মন দুটোই চরম খারাপ ছিল। তাই বললাম, মা আমিও একটা মানুষ। কতদিন জিজ্ঞেস করো না আমার কথা? হাজার দোষ ধরো সবাই। একবার ভেবে দেখেছো আমিও ক্লান্ত হই?সব মানুষ এক হয় না।আমি হয়তো একটু বেশি অকেজো মানুষ। বলে ফোন রেখে দিলাম। মা ফোন দিল আবারও। আমি বন্ধ করে রাখলাম। এখন আদর, স্নেহ, মায়া, মমতার কাঙ্গাল হয়ে যাচ্ছি। এগুলো…
বন্ধনে মায়া এই ফুলটারে ভুল করে খোঁপায় পরিস না তুইতো জানিসরে মেয়ে ওটা শুকিয়ে যাবে কিম্বা মারিয়ে দিবি শুয়ে-বসে। বরং ওটা লুকিয়ে রাখ সযত্নে বইয়ের ভাঁজে মনের ভেতর মায়া নিয়ে। তুইতো জানিসরে মেয়ে প্রেমের ভাঁজে লুকিয়ে থাকে শিল্পীর কারুকাজ – ভালবাসা! সময়ের স্রোতে ভেসে যায় ভালবাসা আর প্রেমের অমোঘ টান। সংগোপনে মায়ার টানে ফিরে পায় তার স্থান। ছায়া আহ্বান কে যেন ডাকে শুভ উল্লাসে হৃদয় তারে বিরহের তানে বাজায় অহর্নিশি। ফিরার পথে ফিরায় না তারে বসত তার অন্তরের ঘরে । তার ঘরের আড়ালে মরে পিরিতে ভরা সুর মূর্ছনা! আলো-আঁধার ভুলতে ভুলতে ভুলেই গেছি তবু ভুলের মাঝেই বেঁচে আছি।…
মানবতার জয় [মোঃ হেদায়েতুল ইসলাম] আমি স্বপ্নবাজ তাই মানবতার স্বপ্ন দেখি, ছন্দে ছন্দে কিছু মানবিক স্বপ্ন যাই লিখি। আলসেমি করে স্বপ্ন কভু দেখো না, উদ্যমী হতে কভু ভয় পেয়ো না। সুনীতি যার নাই তার সাথে মিশো না, অত্যাচারীকে কভু ছাড় দিও না। সময়ের অপচয় যে করে সে চরম বোকা, ঠকে যাবে ঠেকে যাবে খাবে সে ধোঁকা। জ্ঞানী-গুণী যারে দাও তারে ভালোবাসা, অন্ন-বস্ত্রহীনকে দাও অন্নবস্ত্র পূরণ হোক এ আশা। যার নাই গৃহ তারে দ্রুত গৃহদান করো, আমরন দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রাণপণে লড়ো। চিকিৎসা যার নেই তারে সেবা দাও, এতিম,অসহায়দের বুকে টেনে নাও। সবার জন্য শিক্ষা বাস্তবায়ন করা চাই, মানবতার জয় হোক এসো…
বৃষ্টিতে ভিজবো বলে [তসলিমা হাসান] বৃষ্টির দিনে তোমার সাথে একদিন ইচ্ছেমত ভিজবো, আমি তোমায় উপহার দিব কদমফুল। আমি বলবো শহরের বুকে বৃষ্টি নেমেছে, চলো ভিজি; কেউ কিছু ভাববে,তারা ভাবুক! মধ্যরাতে একদিন জানালার ওপাশে রাস্তায় দাঁড়িয়ে, চিৎকারের সুরে ডাকবো তোমায়, আমি তোমাকে উপহার দিবো একটা রাত। আমি বলবো চলো শহরে দু’জনে ঘুরি— দেয়াল থেকে মন খারাপের কারণগুলো মুছে দেই; কেউ-কেউ পাগল ভাববে,তারা ভাবুক! যেদিন শহর কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাবে, সেদিন আমি আসবো ‘ভালোবাসা’ উপহার নিয়ে। আমি বলবো যা কিছু হোক,আমায় ভালোবাসবে তো? লোকে বারণ করবে, বাঁধা দিবে; যে যা বলবে, তারা বলুক। তবুও, সারাজীবন আমায় ভালোবাসবে তো? কানাডা: ০৩-০৫-২০২২
নিয়তি [উম্মুল খায়ের] আমি তো মরেছি মরার আগেই রঙিন হতাশা ডাকছে আদেশে আঁধার জগতে আশার ঠিকানা কোথায় লুকায় নিবাস থাকতে? টুকরো পাথর বুকের ভেতর সেঁধিয়ে যাচ্ছে কেবল টানছে অচেনা কষ্ট; কান্না পাচ্ছে আমি তো ছুটেছি পুরোনো ছন্দের পেছনে শুধুই এমনি করেই চলে যাব দূরে সুরে সুরে ঠিক ভুলে যাব পথ, ভুলে যাব সব থেমে যাবে জানি, জীবন বাজনা, মধু-কলরব নীরবে নিভৃতে স্বপ্নের পাপড়ি ঝরে যায় কিছু ঘুমের ভেতর মায়ার রহস্য থাকে পিছু পিছু গোপন নিয়তি টেনে নিবে তবু দূরে- বহুদূরে।
জুম্মাবার নামায জুম্মাবার নামায গরীবের হজ্জ জুম্মাবারের নামায নামাযের বস, জুম্মাবারের নামাযে নেকির নেই অন্ত জুম্মাবার নামায নামাযে আনে বসন্ত। জুম্মাবার নামায করো না ক্বাযা জুম্মাবার নামায ক্বাযা হলে পাবে অনেক সাজা জুম্মাবার নামায পাওয়া কপাল জুম্মাবার নামায শান্তির পাল। জুম্মাবার নামাযে গরীব- ধনী আসে সমতায় জুম্মাবার নামাযে কেউ থাকে না একক ক্ষমতায়, জুম্মাবার নামাযে পাবে সম্প্রীতির স্বাদ জুম্মাবার নামায না পড়লে পরকাল বরবাদ। তোমার ইঞ্জিনিয়ার স্বামী তোমার ইঞ্জিনিয়ার স্বামী তোমার স্বামীর শরীরের কল- কব্জায় টাকা করে বাস! আমি দুই টাকার কবি আমার থেকে টাকা পাবে না পাবে শুধু হতাশ। তোমার ইঞ্জিনিয়ার স্বামীর টাকার নেই অভাব, আর আমি…
