প্রকাশিতব্য উপন্যাস ‘ কানফুল ‘। পান্ডুলিপি পড়ে আলোচনা করেছেন খ্যাতিমান কবি ও কথাসাহিত্যিক ড. শাহেদ ইকবাল। আগ্রহী হলে আপনিও তাঁর আলোচনা/মতামত পড়ে দেখতে পারেন। পড়তে সময় লাগবে মাত্র ৩মিঃ৩৭ সেকেন্ড! “বাস থেকে নেমে জিন্নত আলী রাস্তা পার হয়। কিছুক্ষণ পরে সন্ধ্যা হবে। ওখান থেকে বাসা পর্যন্ত সে রাস্তাটুকু হেঁটে যেতে চায়। রাজ্যের চিন্তা তার মাথায়। নিচের দিকে তাকিয়ে সে হাঁটছে। হঠাৎ তার ধ্যানভঙ্গ হয় একটা ডাকে। ও ভাই, ভাইজান, ও ভাইজান, একটু হুনেন। ও ভাই একটু হুনেন না। আরে, ও ভাই। জিন্নত আলী স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছে মেয়ে কণ্ঠের ডাক। গলির ভেতর থেকে ডাকটা আসছে। তাকে ডাকছে। জিন্নত আলী আরো দ্রুতবেগে…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
তুমি কি আমায় ফিরিয়ে দেবে [সুরাইয়া তাসনিম সিনথিয়া] এই কোলাহল মুক্ত রাতে প্রকৃতি তার নিস্তব্ধতার খেলায় যখন মেতে উঠবে, জোনাকিরা মিটমিট করে জ্বলবে। এই মধ্যরাতে, উষ্ণতার চাদর হয়ে শীতের ঝরা পাতার মতো যদি আমি হঠাৎ করে এসে তোমাকে আরেকটিবার ভালোবাসার আবদার করি তুমি কি আমায় ফিরিয়ে দেবে? একসময় রাতের ট্রেনটাও চলে যাবে তার নিজস্ব গন্তব্যে, ইস্টেশন মাস্টার তার নড়বড়ে টেবিলে বসে ঘুমের সাথে লড়াই করবে। এমন নিস্তব্ধ রাতে উষ্ণতা ছোঁয়াতে যদি আমি হঠাৎ ফিরে আসি! তুমি কি আমায় ফিরিয়ে দেবে? নাকি তুমিও এক আকাশ নীরবতা নিয়ে পাশে এসে বসবে এবং দীর্ঘশ্বাস ফেলে ধীরে ধীরে বলবে, চলো না আরেকটিবার ফেলে আসা…
পোড়া চোখে দেখছি সর্বনাশ ।।মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম।। বরফ গলা জলে ভিজে একাকার বিমুর্ত রাতের শরীর, এই ফাগুনে ও অর্বাচীন জরাজীর্ণতা হৃদয়ে ক্ষত পরীর। হাজার বছরের ক্লান্তি ফুরায় না হিমালয়ের পাথর চোখ বাসনার পাখায় দিয়ে বুক খুঁজে শান্তির নীড়ে প্রিয় মুখ। বিছিন্ন দ্বীপে চাঁদের বসবাস বিট্রে করে পিঙ্গল আকাশ হারুপার্টি নিরবে করে দুঃখ বিলাস নির্মমতায় সহবাস। নগর নন্দিনীর খোলা চুলে প্রমত্ত উল্লাস প্রেম নদীর তীরে গড়েছে নিগুঢ় আবাস, বানের জলে ভাসায়ে চাওয়া পাওয়ার মৃত অভিলাষ। কাকে মিশে কোকিলের মনন ম্রিয়মান প্রাণের স্পন্দন, খোয়া গেছে চন্দন মনবাতায়নে পলাশের নিরব ক্রন্দন। প্রদীপ জ্বেলে বিবাগীর প্রতীক্ষা অনুরাগী কালের বাহাস করে হাসপাস বারো মাস গোপনে…
প্রেম (ড. নজরুল ইসলাম খান) যার চোখে প্রেম, মুখে প্রেম, ঠোঁটে প্রেম, যার সারা দেহে প্রেম, তার দেহ কর তল্লাশি প্রেম খুঁজে বেড়াও তার মধ্যে। কোথায় পেল এতো প্রেম কোথায় রাখে এতো প্রেম জিজ্ঞেস কর তাকে। তোমার সারাদেহ প্রেম, যেখানেই তাকাই সেখানেই রোমান্টিকতা উপচে পড়ে- আশ্চর্য! এ এক প্রেমের ফেরিওয়ালা। খুঁজে চল তাকে, জীবনের বাঁকে বাঁকে। জীবনের লাল কার্পেটে যে হেঁটে হেঁটে প্রেম ফেরি করে বেড়ায় তার মধ্যে তুমি প্রেম খুঁজে বেড়াও অনায়াসে। জীবনের পথচলায় যে প্রেমকে সাথী করেছে তার মধ্যে প্রেম খুঁজে নাও, তুমি প্রেম খুঁজে বেড়াও! আমি বেশ অবাক হই তোমার এই খোঁজাখুঁজির অভ্যেসটা দেখে! কোথা থেকে খরিদ…
মা তুমি কেমন আছো [মোঃ আব্দুল হামিদ সরকার] মা তুমি কেমন আছো ? এখনও কি তোমার নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় ? হার্টবিটে কি অস্থির থাকে তোমার চিত্ত। মা তুমি কেমন আছো? এখনও কি মিষ্টি ভাষায় বয়ান কর নানা বাড়ির কেচ্ছা, ক্ষয়ে যাওয়া স্মৃতি সাতঁরিয়ে তোমার কুশলাদি জানার বড্ড ইচ্ছা। মা তুমি কেমন আছো ? এখনও কি রাত জেগে অবলোকন কর; পুত্রদের বাড়ি ফেরার দৃশ্য, আঙিনার এপাশ-ওপাশ ঘুরে বলো – ডাহা অন্ধকার দেখা যায় না কিচ্ছু, না- জানি বাছাধনদের কামড়াবে সাপ, পোকা আর বিচছু। মা তুমি কেমন আছো ? এখনও কি সবুজ রঙের সোয়েটার গায়ে জড়িয়ে, দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলো- হায় আল্লাহ্,…
আগুন ফুল-২ (মা দিবস কে নিবেদিত কবিতা) মা ।।এবিএম সোহেল রশিদ।। অনিয়ম’ পাহাড় ছাড়িয়ে আকাশ ছুঁয়েছে দংশনের অপেক্ষায়, ফণা তোলা দুঃসময়! রক্তে কেনা মৃত্তিকায় অশান্তির বীজ বপন ধেয়ে আসছে প্রলয়, গুড়িয়ে দেবে বলয়। ‘মা’, আকাশটাও বন্দি, কোথাও আলো নেই পতাকা কামড়ে ধরেছে দলছুট শকুন তেলের বোতলে চৈতালি দুপুরের রোদ চাল বাজারে অপরিনামদর্শী আগুন কতোদিন মুক্ত কণ্ঠে কথা বলি না মুখবন্ধ করে আর কত প্রহর গুনব চোখনদীর লোনা স্রোতে ভেসে যায় সাহস চোখ মুছ ‘মা’! স্বৈরতন্ত্রের দেয়াল ভাঙব। শিমুলের ডালে ডালে রক্তের হাতছানি মাটির হৃৎপিণ্ডে সমবেত জনতা গুম হওয়া ‘দেশপ্রেমিক-আত্মা’ সহযাত্রী গণ-মানুষের ঢল, ভাঙবে নির্জনতা। বুকের তপ্ত উঠোন লাশ বইবার গোরস্থান…
ঈদের খুশির উতল হাওয়া। । সুরমা খন্দকার । মন খারাপের মেঘগুলো আজ যাক না উড়ে দূরে। ধনী গরীব সবার মন প্রাণ যেন খুশির হিল্লোলে যায় ভরে। উৎসবের এই মিলন মেলায় আমরা যেন এক হয়ে রই। সার্বজনীন সম্প্রতির গান গাই যেন আজ সবাই। ধর্মের ও যেন হয় না ভেদ ঈদ হোক মিলন চেতনার। শান্তিপূর্ণ সমঝোতা হোক যেন উঁচু নিচু সব একাকার। ঈদের খুশির উতল হাওয়া ছুটে চলে দিগ্বিদিক। খুশির জোয়ার বইতে থাক দুঃখরা সব মূর্ছা যাক।।
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মনে করেন, বুদ্ধিজীবীকে কখনও সুবিধাবাদী হতে পারেন না৷ বুদ্ধিজীবীর কাজ হচ্ছে পরিবর্তনের পক্ষে থাকা৷ অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মনে করেন, বুদ্ধিজীবীকে কখনও সুবিধাবাদী হতে পারেন না৷ বুদ্ধিজীবীর কাজ হচ্ছে পরিবর্তনের পক্ষে থাকা৷ জেলখানায় আটকাবস্থায় লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর পর শাহবাগে একজন প্রতিবাদকারী৷ ডয়চে ভেলের সঙ্গে আলাপকালে বুদ্ধিজীবী নিয়ে এমন ব্যাখা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ইমেরিটাস অধ্যাপক৷ তার মতে, ‘‘এখানে নানা ধরনের অসুবিধা আছে৷ আমাদের দেশে একটা ভয়ের সংস্কৃতি বিরাজ করে৷ সেই ভয়টা হল, আমি যদি আমার মত প্রকাশ করি এবং সেই মত অন্যের কাছে নিয়ে যেতে চাই তাহলে আমার বিপদ হতে পারে৷ নানান রকমের বিপদ হতে…
গীতিকার, সাংবাদিক ও কলামিস্ট কে জি মোস্তফা আর নেই। রবিবার রাত ৮টার দিকে আজিমপুরে নিজ বাসায় অসুস্থবোধ করলে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কে জি মোস্তফার ছেলে মাহমুদুল হাসান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ভুগছিলেন। আগামীকাল সোমবার (৯ মে) বাদ যোহর সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কে জি মোস্তফার মরদেহ জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে আনা হবে। সেখানে তার জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে। জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসান হাফিজ জানান, ‘তোমারে লেগেছে এতো যে ভালো চাঁদ বুঝি তা জানে’…
ঈদের দিন [রেহনুমা কবির] ————— আমি দেখি ঈদের দিন মানুষ কতই আনন্দে উদযাপন করে। আমিও করি আনন্দ, আমারও ঈদ উদযাপন ভালো লাগে খুব। মুসলমানদের দুইটি ঈদের নাম হলো, ঈদ-উল-ফিতর ঈদ-উল-আযহা। ঈদের খুশিতে সব শিশু উৎসবে মেতে উঠে। গরিব দুঃখীর মুখে হাসি ফুটে। ——— রেহনুমা কবির বয়স ৮ শ্রেণি তৃতীয় রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ চট্টগ্রাম।
