Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তি গাজী মাজহারুল আনোয়ারে জন্মদিন সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি)। একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য এই গীতিকবি এ বছর নিজের ৭৮তম জন্মদিন উদযাপন করছেন। ১৯৪৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার তালেশ্বর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। ১৯৬৪ সাল থেকে তিনি তৎকালীন রেডিও পাকিস্তানে গান লেখা শুরু করেন। এখন পর্যন্ত তার রচিত গানের সংখ্যা ২০ হাজারেরও বেশি। তার গানে উঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধ, দেশপ্রেম, প্রকৃতি, জীবনবোধ, প্রেম, বিরহ, স্নেহ, অনুভূতির কথা। ১৯৬২-৬৩ সালে মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সময় গাজী মাজহারুল আনোয়ারে লিখেছিলেন প্রথম গান ‘বুঝেছি মনের বনে রং লেগেছে’। গানটির সুর করেছিলেন নাজমূল হুদা বাচ্চু ও শিল্পী ছিলেন ফরিদা ইয়াসমিন। ১৯৬৪ সালে…

আরো পড়ুন

তিনি ১৯৫৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী জন্মগ্রহণ করেন। শিশুসাহিত্যিক, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার খ্যাতি প্রায় তিন দশক-এরও বেশী সময় ধরে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্মলগ্ন থেকেই তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। টিভি অনুষ্ঠান উপস্থাপনার পাশাপাশি তার লেখা বেশ কিছু নাটকও টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে। প্রায় সারা জীবনই তিনি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড, চ্যানেল আই-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেকে লেখালেখিতে সম্পৃক্ত রেখেছেন। ফরিদুর রেজা সাগর মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসাবে একুশে পদক পেয়েছেন ২০১৬ সালে। শিশুসাহিত্যে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন ২০০৪ সালে। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র প্রযোজনার জন্য ৯ বার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। মেরিল প্রথম…

আরো পড়ুন

কাওসার আহমেদ চৌধুরীকে আর ফেরানো যাবে না গীতিকার, জ্যোতিষী কাওসার আহমেদ চৌধুরীর প্রয়াণ ‘আমায় ডেকো না, ফেরানো যাবে না….’। এটি গীতিকার কাওসার আহমেদ চৌধুরীর লেখা কালজয়ী একটি গান। গানের কথার মতোই বাস্তবে অনেক ডাকলেও আর কাওসার আহমেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনা যাবে না। দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে ৭৭ বছর বয়সে আজ মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তিনি মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গীতিকার কাওসার আহমেদ চৌধুরী কালজয়ী অনেক গান রচনা করেছেন। ১৯৯৯ সাল থেকে প্রথম আলোর সাপ্তাহিক ক্রোড়পত্র ছুটির দিনে-তে সাপ্তাহিক রাশিফল ‘আপনার রাশি’ লেখা শুরু করেন। তিনি প্রথাগত কোনো জ্যোতিষী ছিলেন না। নিজের…

আরো পড়ুন

১ ০ ০ লাইনের ছড়া (যাঁদের আত্মত্যাগ এর বিনিময়ে পেলাম বাংলা ভাষা তাঁদেরকে নিবেদন করছি) মাতৃভাষা বাংলা আমার খোদার সেরা দান এই ভাষাতে ব্যক্ত করি জুড়াই নিজের প্রাণ। গল্প লিখি কাব্য লিখি লিখি মনের কথা উজাড় করে লিখি সবই জুড়াই মনের ব্যথা। এই ভাষাতে ভাষণ দিয়ে আনলো স্বাধীনতা একাত্তরে পাক হানাদার পেল অধীনতা। এই ভাষাতে কথা বলেন আমার প্রিয়জন এই ভাষাতে কথা বলে বিশ্ব বিজয়ী হন। আন্তর্জাতিক ভাবে একে স্বীকৃতি দেয় বিশ্ব গর্বিত এক জাতি আমরা নয়কো কভু নি:স্ব। শিশুর মুখে বলতে শুনি আধো আধো ভাষা সবার মুখে সুখের হাসি এবং গরিব চাষা। পাকিস্তানি অসভ্যরা ষড়যন্ত্র করে উর্দুকে চেয়েছিল চাপাতে…

আরো পড়ুন

প্রেমহীন দাম্পত্য [তসলিমা হাসান] একঘেঁয়ে সংসার কারই বা কাম্য? দিনের পর দিন কলুর বলদের মতো উপার্জন করলাম, বাচ্চা লালন পালন করলাম, বছরে একটা বিদেশ ভ্রমণ, নিজের একটা ফ্ল্যাট, গাড়ি করলাম, আর দিন শেষে জৈবিক চাহিদা মিটিয়ে নিলাম, বন্ধুর মতো নিজেদের ভালমন্দ, আয়, চাকরি আর আটপৌরে দু চারটা কথা শেয়ার করলাম! এই মানেই যদি সুখী সংসার হয়, তাহলে আপনি বড্ড সস্তা মস্তিস্কের, সস্তা বুদ্ধিবৃত্তির মানুষ। বয়োঃসন্ধির সময় থেকেই সাধারণত আমাদের সবার মনের ভেতর নিজের গোপন কোঠরে একজন স্বপ্নপুরুষ বা স্বপ্নের নারী থাকে। আমরা কি আসলে সেই স্বপ্নের মানুষ বাস্তবে পাই? কেন একটা সময় গিয়ে আমরা আমাদের দাম্পত্যে আগ্রহ হারিয়ে ফেলি! মনে…

আরো পড়ুন

দেশীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক মাসুদ পারভেজ ওরফে সোহেল রানার ৭৪তম জন্মদিন আজ রোববার (২১ ফেব্রুয়ারি)। ১৯৪৭ সালের এদিনেই তিনি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষা জীবনে একজন তুখোড় ছাত্রনেতা ছিলেন মাসুদ পারভেজ। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। তার জন্ম ঢাকাতে হলেও পৈতৃক নিবাস বরিশাল জেলায়। শুরুতে প্রযোজক হিসেবে চলচ্চিত্র জগতে পদার্পণ করেন তিনি। তার আসল নাম মাসুদ পারভেজ হলেও ‘সোহেল রানা’ নামেই তিনি সমধিক পরিচিত। মূলত চলচ্চিত্রে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে সোহেল রানা নাম ধারণ করেছিলেন তিনি। ১৯৭২ সালে মাসুদ পারভেজ ফিল্মস নামে চলচ্চিত্র প্রযোজনা সংস্থা গড়েন তিনি। অন্তত ৩০টি চলচ্চিত্র তিনি প্রযোজনা করেছেন এই ব্যানারে।…

আরো পড়ুন

জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা’র শুভ জন্মদিন।: জন্ম:২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯ জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী।  টিভি নাটকের মাধ্যমে তিনি তার অভিনয় জীবন শুরু করেন।  তবে গান দিয়েই শুরু হয়েছিল তিশার পথচলা।  খুব অল্প সময়ের মধ্যে তিনি সকল শ্রেণীর দর্শকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। তিনি বিভিন্ন টিভি বিজ্ঞাপন ও নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছেন।  পাশাপাশি কিছু চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রসমূহ হল নাট্যধর্মী থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার (২০০৯), টেলিভিশন (২০১২), ক্রীড়া নাট্যধর্মী অস্তিত্ব (২০১৬), নাট্যধর্মী ডুব (২০১৭) এবং হালদা (২০১৭)। অস্তিত্ব চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তিনি ১০টি মেরিল-প্রথম আলো…

আরো পড়ুন

[ভাষা শহীদ ও ভাষা সৈনিকদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা…] হে একুশের কৃষ্ণচূড়া, তুমি এখনো লালে লাল হয়ে আছো কেন? কেন তোমার বুকে এত রক্ত ক্ষরণ? কোথা হতে তুমি এলে? কোথায় তোমার জন্মভূমি? সেদিনও বসন্তের আগমনে ফুটেছিল অজস্র ফুল পাপড়ি মেলেছিল শিমুল পলাশ, কৃষ্ণচূড়া ডালে-ডালে। রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই ধ্বনিত স্লোগানে রাজপথ কাঁপে, পুলিশের ধরপাকড়, লাঠিচার্জ ও কাঁদুনে গ্যাস চলে, অবশেষে; পাকসেনারা মিছিল পানে নির্বিচারে গুলি ছোঁড়ে, ঝাঁঝরা হলো কারো বুক, উড়ল কারো মাথার খুলি; লুটিয়ে পড়ে রফিক,বরকত, সালাম, মায়ের ভাষার দাবিতে। শহিদের রক্তে রঞ্জিত হলো মহান একুশে ফেব্রুয়ারি। বাংলার দামাল ছেলেরা অপদস্ত হতে দেয়নি ভাষার, করেনি তারা ইতিহাস ম্লান। এখন আমরা প্রভাতফেরির…

আরো পড়ুন

একুশ মানে [আজিজুন নাহারা আঁখি] (ভাষা শহীদদের স্মরণে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা রাখতে আমার ছোট্ট নিবেদন) ২১/০২/২০২২ একুশ মানে রক্তে রাঙা রাজপথের অলিগলি, মনের যতো আবেগ অনুভূতি বাংলা ভাষায় বলি। একুশ মানে সবার মুখে অ,আ,ক,খ, বোল, রফিক,শফিক, ছালাম,বরকত,জব্বার বাজিয়েছিলো যুদ্ধের ঢাকঢোল। একুশ মানে পলাশ শিমুলের রঙে রাঙানো চারিদিক, মাতৃভাষার সম্মান রাখতে বীরদের ছুটেচলা দিগবিদিক। একুশ মানে ভাষার জন্যে ছাত্রদের জীবন উৎসর্গ করা, ভাষা শহীদের মর্যাদা রাখতে তাদের অনুসরণে জীবন গড়া। একুশ মানে বাংলা ভাষার মর্যাদা রাখতে এগিয়ে চলা, সকল কাজে মায়ের ভাষায় অবিরাম কথা বলা। একুশ মানে ভোরের সূর্য্যের হাতছানিতে ঘুম থেকে জাগা, শিশির ভেজা পথ পেরিয়ে শহীদ মিনারে…

আরো পড়ুন