শিক্ষক সম্মান জায়েদা আনোয়ারী মিনু আমি বাকরুদ্ধ মন অবরুদ্ধ যন্ত্রণার যাতাকলে বিবেক লুণ্ঠিত পৃথিবী বিস্মিত শিষ্টাচার রসাতলে। হায়রে একি শুনি সোনার দেশে! শিক্ষকতা লাঞ্চিত কুণ্ঠিত বেশে। শিক্ষক মোদের জাতির সম্মান আলোকশিখা প্রাণের তাঁদের লাঞ্চনা করিস রে যারা ঘৃণা জানাই তাদের। জন্ম যেথায় হোক না যথাতথা শিক্ষক দেন জীবনে সার্থকতা। শিক্ষক শেখান জীবন আদর্শ সঠিক জীবন দিশা, জ্ঞানের মশাল জ্বালিয়ে ভুবনে জ্ঞানেতে জাগান তৃষা। শিক্ষক মোদের পথ প্রদর্শক মূর্ত প্রতীক সততার শাসক। শ্রদ্ধায় মস্তক করি অবনত অবগুণ্ঠিত হৃদয়ে শিক্ষক সম্মানে সন্ত্রাস দমনে সংগ্রামী হই নির্ভয়ে। ইতিহাস সাক্ষী জনশ্রুতি আছে শিক্ষক সেরা বাদশাহের কাছে। যুগে যুগে তাই জ্ঞানীরা সবাই দেন শিক্ষক সম্মান…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
আজ ০৬/০৮/২২ ইং শনিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত গাঙচিল সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম ফারুক আহমেদ সভাপতি, গাঙচিল উত্তরা শাখা। প্রধান অতিথি: গ্রুপ ক্যাপ্টেন ডক্টর ইদ্রিস আলী মহাসচিব, গাঙচিল কেন্দ্রীয় কমিটি। বিশেষ অতিথি: শিউলি খান মুখ্য সমন্বয়ক, গাঙচিল। শ্রী অমর দাস: কবি ও কথা সাহিত্যিক কোচবিহার, ভারত। সাজিনুর রহমান: কবি ও সংগঠক কোচবিহার, ভারত। আতিক হেলাল: বিশিষ্ট কবি ও ছড়াকার। গাঙচিলের কর্ণধার খান আখতার হোসেনের নির্দেশনায় উপস্থাপনা ও পরিচালনা করেন কবি হারুনুর রশীদ। অনুষ্ঠানে ভারতীয় কবি অমল দাসকে গাঙচিল উত্তরা শাখা থেকে সম্মাননা স্মারক দেয়া হয়। কবি অমল দাস তার স্বরচিত বই সকলের মধ্যে বিলি করেন। অর্থ শতাধিক…
বাবা নাফিসা খান কেবল বস্তুবাদী ভালোবাসার ক্ষয় হয়, এ স্নেহ অধ্যাত্মিক- কিছুটা ইশ্বর বাকি এক অধীশ-কখনও মানব তিনিই ভগবান পক্ষান্তরে ক্রান্তদর্শী। প্রস্তরযুগ পেরিয়ে- আদি মানব কিম্বা আধুনিক- অতি স্বাভাবিক স্রোতে আসে ভাঙন কখনও সখনও প্রজ্জ্বলনের মেঘে জ্বলে ওঠে অভিশাপ বুকে নিয়ে- বাবা তখন আমাদের এক মস্ত বট । টাপুর টুপুর ঘোড়া চলে, বৃষ্টি নামে অনিবার অবিরত, শাকুল বনে ময়ূরী মন দোলে, অঞ্জলিতে ডিম দিয়েছে যাদুর বলে-একটি মেয়ের ছোট্ট কথা শোনায় যখন বাবা হেসে ! আবার এল কারা, পেখম পরে ঘোড়া দলের, হুলুসস্থল উমরগড়- রাক্ষসী রানী ? ধ্রুবজ্যোতির আচ্ছাদনে রাজাপুত্রের আগমন, খুকিও যেন শিশির আধাঁর আলো নক্ষত্রের উদ্দীপকে- বাবা আমার এমন…
আজ ২২শে শ্রাবণ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮১তম প্রয়াণ দিবস: বহু প্রতিভার নিজস্ব এক সত্ত্বার অধিকারী এই কবি তার আপন প্রতিভার আলোয় উদ্ভাসিত করে বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছিলেন বিশ্ব দরবারে। পেয়েছিলেন বিশ্বকবির সম্মান। তিনি বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ কবি।বাংলা সাহিত্যের এই অসামান্য প্রতিভা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১২৬৮ বাংলা সনের ২৫ বৈশাখ (ইংরেজি ১৮৬১ সালের ৭ মে) পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মা সারদাসুন্দরী দেবী। বাংলা ১৩৪৮ সনের ২২ শ্রাবণ কলকাতায় পৈতৃক বাসভবনে ইহলোক ত্যাগ করেন তিনি। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়ান দিবসে অনন্ত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। ১৯২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এ সময় ঢাকা…
বাঁচার ইচ্ছেরা কানিজ সাপি জন্মাবধি তৃপ্তি আর প্রাপ্তির খোঁজে কাকভেজা স্বেতে দুপুর রাত্রি শেষ মৌসুমি সময়ে দেশে যেভাবে মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতা পাচ্ছে হ্রাস নির্বিকার মানচিত্রে ভ্রান্ত কৌশলে কিভাবে যাপিত জীবনে আত্মতুষ্টি মিলবে আজন্মকাল এক জীবনে অমৃত জুটে কিছু জুটেনা অনেকটা ইতিহাস সাক্ষী নির্বোধের আসলে ক্ষুধা মিটে না, মিছেই আত্মসমাহিত পরিনামে দুঃখ বিলাসী মন তৃপ্তির আসক্তি প্রাকপুরানিক কাল হতেই সবাইকে মনস্তাপে পোড়ায় খুব অসহায়ত্বে আবেগের সাগরে মুকুরিত হৃদ, চিরচঞ্চল গতিতে খোঁজ সাতটি অধরা অমরাবতী জীবন হেঁটে চলে আজন্মলালিত উদয়াস্ত উদ্বেগ শঙ্কায় নির্জন সৈকতে বিতর্কিত বর্তমান দ্রব্যমূল্যে চাওয়া পাওয়ার ভবিষ্যৎ অবরুদ্ধ অন্তরিক্ষে জমে যাচ্ছে ভয় বিভীষিকা সম্ভব কিভাবে এক আয়েই তৃপ্তির সন্ধান করা…
অবগাহন তানজারীন ইফফাত শাতি ইচ্ছে আমার আকাশের বুকে তারা হয়ে জ্বলি তারাদের ভীড়ে কেবল আমিই একা, এই রাতে চাঁদ জ্যোৎস্নার মাখামাখিতে আমি শুধু একাই থাকি। ঐ আকাশের একলা গহীনে আমার আর মন ভেজানো হয় না আকাশ-প্রদীপ জ্বেলে। প্রতীক্ষার প্রহরে শূন্যতা আসে, থেকে থেকে বাজে হৃদয়ের বীণা আপন করে আসে সেই অচেনা সুর দেহবল্লরী নেচে নেচে ওঠে, আমি অবগাহন করি আকাশ তোমার নীলিমা ছুঁয়ে।
ঢাকায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গাঙচিলের অনুষ্ঠান: গত ০৫/০৮/২২ ইং শুক্রবার ঢাকার মিরপুরে গাঙচিল সাহিত্য ভবনের মিনি অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন — কবি মোজাইক জহির। আজীবন সদস্য, গাঙচিল। প্রধান অতিথি —- গ্রপ ক্যাপটেন ( অব.) ড. ইদ্রিস আলী। মহাসচিব , গাঙচিল কেন্দ্রীয় কমিটি। উদ্বোধক: জনাব মোঃ হারিস উদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। প্রধান বক্তা — কবি এ টি এম ফারুক আহমেদ, সাবেক পুলিশ সুপার। বিশেষ অতিথি —- মোহাম্মদ মশিউর রহমান, অতিরিক্ত সচিব গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। আওলিয়া খানম তুলতুল, কনসালটেন্ট, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আই এল ও)। কবি শাহী সবুর, সাধারণ সম্পাদক, গাঙচিল ঢাকা…
ইচ্ছে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতেও— বেঁচে থাকবার ইচ্ছে! গলিত লাভায়— এক এক করে কতকিছু ঢেকে যাচ্ছে! আমি ভস্মস্তুপে—কূপে একা পড়ে আছি এমন সময়ে মুখ ভেংচায় এক মাছি! পর্বতমালাও ধ্বসে যাচ্ছে! যেন জীবাশ্ম হবার আগে— আবারও আমি—ব্রহ্মপুত্রের পলিবিধৌত অববাহিকায় পায়ে কাদা মেখে—ফসল ফলাতে পারি, সেই ইচ্ছে জাগে! শৈবলিনী শৈবলিনী— তোমার কাকচক্ষুর মতন নির্মল জল জলবিহারে এসে খুঁজি —জলমগ্ন হই। আমি তো দূরের দরিয়ার কাছে যেতে পারবো না— তোমারই কাছে ফিরে ফিরে আসি। বালুবেলা— তটপথ পার হয়ে আসি। তোমারই কুললগ্ন আমি তোমারই জলকল্লোল চিনি তোমারই তরঙ্গতাড়নে তরঙ্গায়িত হই। জলকাদা মেখে আসি বর্ষাভেজা হয়ে আসি কালিঝুলি অবস্থা থাকে না— অভিলাষ আমি তো অনেক আগে আমার…
প্রিয় অভিমান ফারহানা তাছমিন হ্যাপি দুরত্ব কতোটা তীব্র হলে তাকে যোজন যোজন দুরত্ব মনে হয়? বলতে পারো কষ্টকে, কখন মনে রাখে মানুষ? কষ্টকে ভুলে যেতে চাই সবাই আমি বলি অক্ষুন্ন থাকুক , অমলিন থাকুক। একরাশ কান্নার জগতে বাঁচতে দিয়ে চলে গেল যে মানুষ টা তোমায় আমি অভিশাপ দিলাম তোমার ফেরার পথে শুষে নিক তোমার মন মন ফুরানোর গল্প নিয়ে আর কোন গল্প না থাকুক। বিপ্লবি আমি তোমায় ভালোবেসে এখন অভিমানের জয় জয়কার। ভুল করে কখনো কখনো শেষ রাতে চাঁদের সাথে আলো মাখামাখি তুমিময় জুড়ে। চাঁদ খান খান করে ভেঙে ফেলি তীব্র অভিমানে ভাঙা চাঁদ হেসে উঠে জিগ্গেস করে ভালোবাসিস? আমি…
ভুল রথে ছুটছি মোরা কাজী নাজরিন ভুল রথে ছুটছি মোরা সত্যি বুঝতে বেমালুম অন্যায়কে ন্যায় ভেবে দিব্যি দিচ্ছি সুখের ঘুম। মানুষ হচ্ছি মনুষ্যত্ব ছাড়া ন্যায় অন্যায় বুঝি না অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে নিজের দোষ খুঁজি না। উচ্চতর ডিগ্রি আছে নয়তো মোরা মানবিক আচার আচরণে সেটা প্রকাশ পায় অমানবিক। যাচ্ছি মোরা দেশ বিদেশে ঘুরছি কতো আনন্দে অন্যায়কে ন্যায় ভেবে বেজায় খুশি সানন্দে। দামী দামী গাড়ি বাড়ির নেশায় আমরা অবিরাম বিলাসবহুল রেস্তোরায় বিল পে করি হরদম। বেড়ে ওঠার মূল কদর করে আজকাল ক’জনা? সেইসব নিয়ে লাট সাহেবরা এখন যে আর ভাবে না। সেইসব জায়গায় জটিল হিসেব অন্যসবে আহলাদ অন্যায় কে ন্যায় ভেবে…
