Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

দিবা অধরা আলো দিবাকরের আলো হয়ে আঁধার টাকে দিব সরিয়ে রোজ প্রভাতে। অহ তোমায় রঙ ছড়াবো প্রকৃতির এই হরিৎের রঙ বাহারে। সাগর জলে ডুববো রোজ প্রেম কুঁড়াবো ঝিনুক মাঝে মুক্ত হয়ে, অথৈজলে কাটবো সাঁতার অষ্টপ্রহর তোমায় আলো দিয়ে প্রণয়ডোরে। এই জন্মে মিথ্যা জানি পরের জন্মে তোমার হব, বসন্তেরি পরাগ হয়ে অনুরাগে জড়িয়ে রবো। সুবাস হয়ে মাতাল হাওয়ায় ছুঁয়ে দিব অধর খানি। শ্রাবণের বৃষ্টি হয়ে দেহ মাঝে লেপটে রবো । রাত মোহিনীর জোছনা হয়ে জোনাকির মিটি মিটি আলোয় তোমায় রাঙিয়ে নিব। আঁধার তখন মুখ লুকাবে চুপিসারে অভিমানে। শুকতারারও হিংসে হবে তোমার আমার অভিসারে। বিদ্রঃ- আলো দিয়েই দিবস হয়, দিবস তাই জড়িয়ে…

আরো পড়ুন

ক্ষমা উদার চিত্তে ক্ষমে যেই জন ছড়ায় তাহার গুনের জ‍্যোতি, চাহিলে ক্ষমা করে দেয় মার্জনা দয়ার বলে জগত পতি। তবে কেন রাগ পোষ মনে পাল্টে ফেল তোমার রীতি, সকলই রবে ভবে গ্রাসিলে মরন কৃতকর্ম হবে তোমার সাথি। এতেই মোর সুখ আমি হতে পারিনি ভবে তেমন কারোর প্রিয়জন, তবে অনেকেরই আবার হয়েছি আমি প্রগাঢ় প্রয়োজন। পাওয়া না পাওয়ার বেদনায় কাঁদে না বুক, বিলাই নিজেকে অন‍্যের তরে এতেই মোর সুখ। এটাও নহে কোন অংশে কম পাওয়া বটে? জন্মে নর রূপে মধুময় এই ধরনীর তটে। মরনে যদিও কাঁদিবেনা কেহ স্মৃতির পটে। ফরিয়াদ সনেট কবিতা অমবস‍্যার আঁধারে ঘেরা গতি পথে জরাজীর্ণ জীবনের…

আরো পড়ুন

ফেইক সুরমা খন্দকার। জীর্ণ শীর্ণ বিকেল কি জমকালো হয়। কথার বিশ্বস্ত সাধুতায় চরম সরলতা উপস্থাপন তীব্র প্রেমের উপাখ্যান পুজোর থালার মতোন গোছানো বুকের ভিতর বেনামি ঢেউয়ের তোলপাড়। নাম পরিচয়হীন বলে তা হয়ে গেলো ফেইক! রাতের পর রাত। ভুলে গিয়ে অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ জীবন কে মনে হয় অযাচিত ক্ষণ। পৃথিবীকে চোরাবালির মতো আঁকড়ে ধরে আমি লিখতে চেয়েছিলাম ভালোবাসার নাম। বিচ্ছিরি বিকেলে বুঝে নিলাম তুমি শঠতার উর্ধে শুধুই দাতা। আমার একলা চলা অপেক্ষমান ভরা ছিল কেবল ছল আর শঠতা। যে আবেগ অনুভূতি লুকিয়ে রেখেছিলাম গহীনে তোমার বেনামি বেওয়ারিশ আবেগগুলো, আমায় বদ্ধ বাতাসে উড়িয়েছিল। ভাষার অসীমতা বার বার আমায় ভুলিয়েছে আমি অযোগ্য। আমি…

আরো পড়ুন

জলরঙের কালচার তসলিমা হাসান কবিকে কখনও বিশ্বাস কোরো না বিশ্বাস কোরো না কবির হাসি কিংবা দুঃখকে। সবটাই নিয়মভাঙা জলরঙের কালচার। কবিকে কেবল ক্ষয়ে যেতে দাও অবিশ্বাসী পৃথিবী কবির জন্য নয় কবি কেবলই এক দ্বিখন্ডিত ‘বিভ্রম’! অথবা তৃষ্ণার্তর চোখে দেখা অপরাহ্ণের মরীচিকা। কবিকে কখনও বিশ্বাস কোরো না বিশ্বাস কোরো না কবির যুক্তি কিংবা সন্ধিকে। কবিকে কেবল মরে যেতে দাও ছদ্মবেশী পৃথিবী কবির জন্য নয় কবি কেবলই এক অনাদিকালের ‘অপভ্রংশ’! অথবা শিলালিপির বুকের শুকনো জমাট ক্ষত। কবিকে কখনও বিশ্বাস কোরো না বিশ্বাস কোরো না কবির হাসি কিংবা দুঃখকে। কবিকে কেবল জন্ম নিতে দাও অপবিত্র পৃথিবী কবির জন্য নয় কবি কেবলই এক অমীমাংসিত…

আরো পড়ুন

ইচ্ছে ইচ্ছে হলেই হারিয়ে যায় ইচ্ছে হলেই ফেরে ইচ্ছে হলেই চোখের তারায় স্বপ্ন একে চলে। ইচ্ছে তার এলোমেলো মানতে চায়না বাধ তাইতো সে হারিয়ে যায় আপন মনের সাধ। ইচ্ছে তার পাগলা ঘোড়া ছুটছে অবিরাম পথের বাঁকে হারিয়ে খোঁজে হারিয়ে ফেলা নাম। হারিয়ে ফেলা স্বপ্নগুলো আবার যদি পায় খুঁজে তাইতো এতো ছুটেচলা আশা নিয়ে ঘরে ফেরা পথের বাঁকে স্বপ্ন বোনা স্বপ্ন একে চলা। ইচ্ছে হলেই হারিয়ে যাওয়া ইচ্ছে হলেই ফেরা নিজের ঘরে ফেরা॥ আনাড়ি মন ইচ্ছে হয় যদি নতুন একটা জীবন পেতাম এক জীবনের ভুল গুলি সব শুধরে নিতাম। কিন্তু ভুলের খাতা বেজায় ভারী, ভুল গুলো সব আনাড়ি ভুল, শাসন…

আরো পড়ুন

জীবন বোধ নিলুফার জেসমীন রুমা নিদ্রাহীন রাতে যখন যাপিত জীবনের অসংখ্য ছোট বড় গল্প এসে ভিড় করে, ধুমকেতু হয়ে ঝরে পড়া স্বপ্নগুলো তখন মনের অলিগলি পেরিয়ে মস্তিকের ভাঁজে ভাঁজে সুর তাল লয় হারিয়ে কেবলই অচেনা রাস্তা খোঁজে… কখনো আবার দ্বিধা-দ্বন্দ্বের চোরাবালিতে ডুব দিয়ে বিশ্বাসের নি:শ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। ছোট বেলায় মা’ বলতেন, আগে বড় হ’ তখন বুঝবি জীবন কী? সাঁতচল্লিশটি বছর পেরিয়ে গেলো তবুও বুঝিনি, জীবনের রঙ আসলে কী? আজকাল অনেক মেয়েকেই দেখি সমাজ সংসারকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে নিক্কনের ঝংকারে ছন্দ তুলে দিব্বি উপভোগ করে বর্ণাঢ্য জীবনের স্বাদ ! আর ছেলেদের বেলায় অর্থ, পেশিশক্তি আর ক্ষমতা থাকলে সবটাতেই তাদের সাতখুন…

আরো পড়ুন

অন্য মনে তুমি ফারজানা লুবনা তুমি আমার শ্রাবন দিনের গান। তুমি আমার মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা অন্য আরেক প্রাণ। তুমি আমার রোদ পড়া দিন। একটুকরো একলা আকাশ। তুমি আমার উদাস মনের ভীরু কলতান। তুমি আমার নাবলার কথার সব বলে ফেলার হাসি। তুমি আমার স্বপ্নে বাঁচা মনের ঘরের আশা। তুমি আমার এক টুকরো জীবনের হাতছানি। তোমায় নিয়ে তাইতো আমি আপন মনে বাঁচি।

আরো পড়ুন

জীবন বড়ো বেশি ছোট সুরমা খন্দকার। বেশ কটা দিন গেছে আলগোছে তুমি চাঁদ ও দেখতে না বৃষ্টির ঝুম ঝুম শব্দে বারান্দায় দাঁড়িয়ে বৃষ্টির অনুরাগও বুঝতে না। অমানিশা ঘোর রাত বেড়ে যায় চুপিসারে। আমার তোমাকে মনে পড়ে বারে বারে। শেকলের বেলাজালে তোমার সংকুচিত হাত। ধরা ছোয়ার বাইরে তোমার ভিতর জুড়ে অদ্ভুত তফাৎ! ভীষণ অভিমান রাত জেগে নিশাচর হয়ে। অদ্ভুতুড়ে আবছা মনে পথ গুনে রই পথ পানে। ভুলাও আসন করে বসে সংগোপনে সেযে অবলীলায় বেঁচে রয় নিজ গুনে। যেন বহুদূর থেকে শোনা মিষ্টি আহবান, যেন বইয়ের পাতার ভাজে আবছা স্মৃতি গোলপের যেন ম্লান পাপড়ি। তবু কিছু থেকে যায় না থাকার আধিক জুড়ে।…

আরো পড়ুন

আলোর মিছিল খান জান্নাতুল ফেরদৌস আলাপী (অপরাজিতা) পৃথিবী আমার আসল ঠিকানা নয় একদিন মৃত্যু এসে নিয়ে যাবে পৃথিবী থেকে সেই অনন্ত জীবনে,আমার মাটির ঘরে আর আমার ঠিকানাই।একথা যদি প্রতিটা মানুষ ভাবত এখানে কোন মানুষই আর অপরাধি হতো না শয়তানও ধোকা দিতে পারত না, অথচ মানুষ যে কত বড় অপরাধী তাদের অপরাধ হিসাব করলে শয়তানও হার মেনে যায়।একজন কে আমি চিনি, তার কাজই হচ্ছে নারী পটানো, নারীদের সাথে ছলনা করা প্রেমের অভিনয় করে মিথ্যে ভালোবাসা দিয়ে তাকে জয় করা,তারপর তাকে ছেড়ে আবার নতুন নারী শিকার করা।আচ্ছা ভালোবাসাতে কি অভিনয় হয়? এর উত্তর আমি আজও পায়নি তবে যারা বেশ্যা বৃত্তি করে, তাদের…

আরো পড়ুন

দেশটা গরিব, খেলছে জরিপ সালেম সুলেরী কোথায় ঘোড়া কোথায় টাঙা, গরুর গাড়ি ডাকো, জ্বালানি তেল আকাশছৌঁয়া, দাম হেঁকেছে, হাঁকো। মোটর ছেড়ে সাইকেলে ভর– কমছে যাওয়া আসা, ‘পদ্মা সেতু’র যাত্রী কমায় হতাশ কি প্রত্যাশা? রসুইঘরে রান্না কাবু, তেলের বোতল খালি, তরকারিতে স্বাদ বাড়ে না, রাঁধুনি খায় গালি। তেলের ওপর ভাসছিলো দেশ- ‘খেল-‘এর ওপর ভাসছে, ভয় লাগে ভাই– শ্রীলঙ্কা ক্যান দেশটা দেখে হাসছে! দেশের পুঁজি হতাশাতে, রপ্তানি ব্যয় ঢের, বিপ্লবী-বাঘ বাংলাদেশের ভয় কি জখমের? ভিন-মিডিয়ায় নতুন জরিপ, কি তার ফলাফল, সব নাগরিক ঐক্যে বাড়াও– দেশ-দেহটির বল। গরিব দেশের ওপর জরিপ, চলছে টানাটানি, বাংলাদেশের মানুষ জানে টানতে নিজের ঘানি। স্বরবৃত্ত # নিউইয়র্ক, আগস্ট…

আরো পড়ুন