একটি বার দেখাবার জন্য শারমিন আখতার মনি ভয়ংকর অসুখের নাম কাউকে দেখতে চাওয়া। এর চেয়ে ভয়ংকর রোগ পৃথিবীতে আর কিচ্ছুটি নেই। জীবন থেকে থেমে গেছে প্রিয় মুখটি তৃপ্তি নিয়ে দেখবার জন্যে। জানবে না কোনো দিন অনুভূতি কতটা কঠিন। বুঝতে পারবেও না কোনো দিন বিধ্বস্ত হৃদয়ে বলি ভালো আছি। এক বুক তৃষ্ণা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি সমুদ্রের সামনে। একটি বার দেখার তীব্র আক্ষেপ ফুরিয়ে যাচ্ছি একেকটি বার। অসহ্য অস্হিরতায় কেঁটে যায় দিন বড্ড অবহেলায়।
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
রঙ শিরিন আফরোজ বাহিরপানে চোখ পরতেই মনের অজান্তে চোখ পড়ে তোমাতে, কতশত বছর ধরে তুমি ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছো ছাঁউনি হয়ে এই ধরণির ! অগণিত চোখ তোমাতে চোখ রেখে স্বপ্ন বুনে যায়…. ভালোলাগা, মন্দলাগার নালিশ রাখে তোমাতে জমা! তোমার রঙ নীল সত্য সেটা, মাঝেমাঝে বাহারী সাজে তোমার বুকে রঙেরা ছুটে দিকবিদিক, তোমার রঙের খেলার সাথে জীবনের মিল! কখনো আলো আবার কখনো আঁধার তুমি, কখনো বা এলোমেলো অস্থির জীবনের মতো গরমিল।
কথা দাও মা মোঃ আনোয়ার হোসাইন আসিফ পৃথীবীর সব সৌন্দর্য আমি এনে দিবো তোমার হাতের মুঠোয় কথাদাও তুমি নিবে? আকাশের লাজ রাঙা আবির দিয়ে তোমাকে সাজাবো আপন হাতে কথাদাও তুমি সাজাতে দিবে? স্নিগ্ধ মনোরম আলো আমি ছড়িয়ে দিব কথাদাও তুমি ছড়াতে দিবে? হৃদয়ের সব উষ্ণতা দিয়ে ভালোবাসবো তোমাকে নিস্তব্ধ নিভুতে একান্ত নিজের করে কথাদাও তুমি ভালোবাসতে দিবে? আজ হতে একহাজার বছর পর হলেও আমি তোমারই রব কথাদাও তুমি আঁচল বিছিয়ে রাখবে? যেখানেই থাকি ছুটে আসবো এক বুক ভালোবাসা নিয়ে কথাদাও প্রিয় মা’ তুমি আমাকে আলিঙ্গনে জড়াবে?
নিজেকে সীমাবদ্ধতায় রাখো মিথ্যে এই দুনিয়ায়– কারোর কাছে সম্পুর্নভাবে নিজেকে উম্মুক্ত করো না, কাউকে সম্পুর্ন ভাবে বিশ্বাস করো না, সবার থেকে ভালোটা শেখো, নিজের গোপন।… যা কিছু ব্যক্তিগত… তা সম্পূর্ণ নিজের মধ্যে রেখো। স্বেচ্ছায় ছোটবড় সবাইকে যখন বেশি প্রাধান্য দিবে, দেখবে, অবহেলাটা বাড়বে দিগুন। মিথ্যে এই শহরে– যখন তোমার গোপন সব কিছু জেনে যায়, তখন তোমার প্রতি ঘৃণা বাড়বে দিগুন, নাম শুনলেই – তোমার প্রতি বাড়বে সন্দেহ, বুঝতেই পারবে না তুমি- তাদের কাছে পঁচে গেছো এমন!! নিজেকে নিয়ে করিও না অতিরঞ্জিতা, জানো না সৃষ্টিকর্তা পছন করে না- অতি বাড়াবাড়িতা, তাই নিজের মধ্যে রাখো সীমাবদ্ধতা, তাহলেই থাকবে সব কিছুর সখ্যতা!! …
একবিংশ শতাব্দীর বউ মোঃ ইসহাক মিয়া ০৩/০৮/২০২২ খ্রিষ্টাব্দ বাড়ছে শিক্ষা, হ্রাস হচ্ছে মনুষ্যত্ব, নীতি আর্দশের ধার ধারে না। শ্রদ্ধা, ভক্তি, প্রীতি, হয়েছে বিলুপ্ত, স্বামীর হুকুম বউ মানে না। শ্বশুর শ্বাশুড়ি, দেবর ননদী নিয়ে একসাথে বউ, থাকিতে চায় না। সকাল বিকাল করে নিত্য ক্যাচাল, শুধুই, সংসার ভাঙার বাহানা। বিয়ে করে, সাজিয়ে নতুন সংসার, অসার জীবন, গোপন যাতনায়। জীবন অঙ্গার, মেটাতে আবদার, বউয়ের, নিত্য নতুন ধরা বায়না। ননদী নয় তো, যেন কেনা দাসি, শ্বাশুড়ি, চাকরানীর মানও পায় না। তবু, বউ বাজায় ভাঙা রেকর্ড, ভাল্লাগে না তার, এত যন্ত্রণা। অঝোরে ঝরে বোনের চোখের পানি, ভাই হয়েও তা, চেয়ে দেখে না। আঁচলে লুকিয়ে মুখ,…
ফেরার কথা নাসিমা হক মুক্তা মনের ভিতর জুৎ করে বসে আছে নাগর এক্কেবারে কোটরে- খুব শান্তভাবে আমিও হজম করছি- মস্তকে ঠুকে ঠুকে উল্লাস করছি – সুখের আল পথ থেকে শিল্পের সম্মুখে। সুখগুজরানো অদৃষ্ট বাঁকে শুধুই বাউল মূর্ছনা গানের চূড়ায় আছড়ে পড়ে; ভালো লাগার শুঁড়শুঁড়ি- শরীর থেকে ছন্দ ছুঁয়ে যায় তালশিখরে.. পরস্পর আঁকড়ে ধরে স্বর্গের জমিটুকু! লাজ- শরমের ভারী পর্দা টুকরো টুকরো করে জড়াতে গিয়ে ভুলে যায় ফেরার কথা….
ফের জন্মে চখাচখি হবো তাহ্ মিনা নিশা শুধু বলতে চেয়েছিলাম… তুই আমারই থাকিস। কেন যেনো সেটা আর বলা হয়নি তুইও আমার চোখের ভাষা বুঝিসনি সেই সময় আর আমিও লজ্জা সংকোচ ঘুচিয়ে বলতে পারিনি। আজ এতোগুলো বসন্ত পেরিয়ে তাই তুমুল আফসোসের মাথা খুঁটে খাই। নাহ্ শুধু আমি একা নই, তুইও একটু সাহস করে যদি বলে দিতাম! একটু যদি তুই আমার মনের কথা বুঝতি! তবে আমাদের অন্যরকম একটা ইতিহাস হতো সেই গল্পে… “অতপরঃ রাজা-রাণী সুখে রহিলেন” —এই সাইনবোর্ড লেগে….নোটে গাছটি মুড়োতো। যা কেবল গল্প কাহিনীর সমাপ্তিতেই দেখি তা, আমাদের জীবন গল্পেও হতে পারতো। মনে কর, আমরা দুজন যদি হতাম চখাচখি! তবে ডানা…
ছাগলশুমারি জগলুল হায়দার বর্মি যাওয়া কর্মীগুলা পেনশন নিছে কবে তথাপি বোর্ড সেই লিগেসি দেয়নি আজো জবে’। বড় সাহেব সেও তো বুড়া নাতির ছাতি ধরে রোজ সকালে নাতির সাথে ইশকুল ডিউটি করে। নুতুন মেলা বড় সাহেব আজো আছে পদে যদিও পানি শুকাইছে খুব দেশের নদী নদে। তাদের দেয়া নিয়োগ নিয়ে ঢুকছে আরো চ্যালা আগের মতোই শুমারিতে চলছে তো সেই খ্যালা। হিসাব সোজা ঐকিক নিয়ম থাম্ব রুলে সব ফেলে ছাগল করে শুমারি তাই পুরানা চাল চেলে। বাড়ি বাড়ি না গেলেও তো বর্মী গেছে আগে এখন তো সব ডিজিটাল, আর তাও কী যাওয়া লাগে? প্রসেস এখন হইছে ইজি অই কোভিডের নামে ঘরে বসেই…
ঘূর্ণিপাক সময় কানিজ সাপি খুব বিস্মিত মগ্নচৈতন্য ধূমায়িত রিক্ত মন নির্বিকার ভ্রান্ত সর্বনাশ সময়ের কাছে নতজানু অন্ধকার বন্ধ দ্বারে ঘন নিঃশ্বাসে মুখ গুঁজে আছে মানুষ অগ্নি স্ফুলিঙ্গ যাত্রা শুরু হবে কবে কোথায় কখন অজানা এটা নতুন পৃথিবী নীতির যুদ্ধে মরীচিকা নীল নির্মম ভাঙা পথ অবচেতনার তল হতে বহু কষ্টে অতিক্রম আশার বিজ্ঞাপনগুলোয় সম্ভাবনার সংকেত আবার অমানুষের ছোবলে কালাকালের কাছে পরাজিত নির্বাক ক্ষয়ে ক্ষয়ে বিরাট আত্মপরিচয়গুলোতে ভ্রান্তির ঘূর্ণিপাকে প্রেতের আত্মপ্রকাশ বিবেক অবিবেকের বিকর্ষণ এরপর আবার চলবে সগৌরবে অবিবেকের শাসন যে গলির রাস্তাটায় রাজ্যের অন্ধকার বাঁচার শ্লোগানের উদ্বেল বিক্ষোভ হয় খুব হাজার হাজার ডানা ভাঙা দাঁড়কাক ক্লান্ত করাঘাতে শেষমেশ উড়তে পারে না…
ডুবন্ত জোছনা এবিএম সোহেল রশিদ সর্বভুক এই শহরে হতে পারিনি কখনো আপন। তোমার কাছে লম্পট, অন্যদের কাছে বখাটে বন্ধুরা নীচু স্বরে বলে, ব্যর্থমানুষ হোস না খ্যাপাটে ল্যাম্পপোস্টে লেগে আছে অপেক্ষার রক্তক্ষরণ। ঘোরপ্যাঁচযুক্ত পথ মাড়িয়ে রয়ে গেলে অধরা ক্ষতচিহ্ন ভেদ করে ফুটেছে লাল কৃষ্ণচূড়া— ছিলাম তোমাতে ব্যস্ত, দেখেনি আদ্যপ্রান্ত কী করে পালায় প্রজাপতি, সম্ভাবনার বুক চিরে কত ফোঁটা কান্না ঝুলে ঘাসে, বাজলে তানপুরা। দেখা হয়নি রাতের শহর, ময়ুরের পেখম নৃত্য। ওয়ান ওয়ে ফ্লাইওভারে হেঁটে হেঁটে চাঁদের দূরত্ব মাপি ভাবি নির্বাসিত সময়, কী করে পুড়ে পেঁচার ঠোঁটে সড়কদ্বীপের ঝরণায়, লেখে ডুবন্ত জোছনা ইতিবৃত্ত। বাতাসে কান পেতে শুনি প্রত্যাখানের পাণ্ডুলিপি ব্যবধান অঙ্কের যোগফল,…
