Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

চিরকুট ড. নজরুল ইসলাম খান চিরকুট- অতি ক্ষুদ্র চিঠি। অতি অবহেলিত অতি অপ্রয়োজনীয় কাগজের টুকরো। নামটি শুনলেই মনটা চিরচির করে একটু একটু ফাটে আর অন্তরটা কুটকুট করে ভালোবাসার ইঁদুরে কাটে। চিরকুট- মনে হলে চিরকুট, আজও কেঁপে ওঠে বুক দূর হয় যত দুখ, ভীড় করে তত সুখ মহূর্তে ভেসে ওঠে প্রিয়ার ঐ রাঙা মুখ। চিরকুট- তোমার কী এক শক্তি অদ্ভুত! তুমি কি জিন-পরি নাকি ভূত? আকারে ছোট্ট হলেও আস তুমি অনাহুত। চিরকুট- মানে না বয়সের সীমানা শোনে না আপত্তি এ যেন প্রেম-ভালোবাসার প্রিয় এক সম্পত্তি। চিরকুট- কাগজের ভগ্নাংশ নাকি জীবনের ভালবাসার, নাকি অতি প্রয়োজনের আপন কর তুমি, পর ভাব নাকো জীবনে…

আরো পড়ুন

রংপুরে আইডিয়া প্রকাশন এর উদ্যোগে নির্বাচিত ছয় বইয়ের লেখককে সম্মাননা হিসেবে রয়্যালটি চেক প্রদান। অনুষ্ঠানে একুশে পদকপ্রাপ্ত আলোকচিত্রী পাভেল রহমান এর ‘আমার মুক্তিযুদ্ধ গণতন্ত্র সংগ্রাম’, রেজাউল করিম মুকুলের ‘গল্পগুলো গণিতের’, সিনথিয়া খানের ‘অপরাজিতার গল্প ‘, সাংবাদিক আফতাব হোসেন এর ‘রোকেয়া পঞ্চানন দুই বাংলার সেতুবন্ধন’, ভাস্কর অনীক রেজার ‘নির্জন হাত’, রানা মাসুদ এর ‘তিস্তার আদ্যোপান্ত’ বইয়ের জন্য প্রত্যেককে দশ হাজার টাকার রয়্যালটি চেক প্রদান করা হয়। সোমবার বিকাল ৫টায় রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষৎ হলরুমের অনুষ্ঠানে সম্মানীত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লেখকগণের হাতে রয়্যালটি প্রতীক চেক প্রদান করেন বীরমুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর মোজাম্মেল হক, বীরমুক্তিযোদ্ধা সুশান্ত চন্দ্র খান, বীরমুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন, অধ্যাপক ড. আকলিমা আরা…

আরো পড়ুন

একটি ঘাসফুল মুসলেমা পারভিন এনে দেবে একটি ঘাসফুল, মাটির গন্ধ জড়িয়ে থাকা একটি ঘাসফুল এনে দিতে পারো তুমি? চাইনি কিছু আমি তোমার কাছে, সোঁদা মাটির গন্ধ বড় ভালোবাসি যদি কোনদিন হলুদ খামে ভরে পাঠিয়ে দিতে, আমার দিনটা অন্যরকম হয়ে যেত। কিংবা একমুঠো জোনাকি সাঁঝবেলায় কেমন উড়তে উড়তে জ্বলে আর নিভে, তেমনি কোন জোনাকি জীবন কোন কবিতার বইতে পুরে দিতেই পারতে পাঠিয়ে আমায়। আমি জোনাকি জীবন ছড়িয়ে দিতাম আমার খোলা ব‍্যালকনিতে। বলিনি কখনও এনে দাও ওই দূর আকাশের চাঁদ, মাখামাখি জ্যোৎস্নায় ভরিয়ে দাও আমার জীবন! তবু যদি কখনও আলগোছে মনে পড়ে আমার মুখ, চুল, চিবুক সেই সুখস্মৃতি ভরে রেখো কোন স্বচ্ছ…

আরো পড়ুন

অনিন্দ্যসুন্দর নিঝুমদ্বীপ ফিরোজ পাটোয়ারী মেঘমুক্তাকাশে নিচে কী দেখিলাম আজ জীবনে যেন প্রথম দেখা অদ্ভুত তরঙ্গরাজ। নিঝুমদ্বীপের অপারলীলা দেখতে চাইলে কেউ, বোনাস হয়ে দেবে দেখা নীল সাগরের ঢেউ। হাতছানীতে ডাকছে তোমায় স্বপ্নীল দ্বীপের হাওয়া, এমন বিস্ময় কোথাও খুঁজে যাবে না’কো পাওয়া! রাত-বিহাণে পাখ-পাখালীর মধুর কুহুতান, হুক্কা-হুয়া শেয়াল ডাকে ভরে যাবে প্রাণ। ঝাঁকে ঝাঁকে ছুঁটছে হরিণ কেঁওড়া বনের ফাঁকে, মধুমিতা গুঞ্জণ করে রসাল মধুর চাকে।

আরো পড়ুন

মা পাখিটি শিরিন আফরোজ গাছের ডালে পাখির বাসা কিচিরমিচির ডাকে মা পাখিটি খাবার আনে দুই ঠোঁটের ফাঁকে। বাসার ভেতর একটি ছানা মা পাখিটির জান অনেকগুলো ডিম পাড়লেও সবায় পায়নি প্রাণ। তিড়িং বিড়িং লেজ নেড়ে মা পাখিটি ছোটে পাহারা দিয়ে আগলে রাখে বাচ্চা ছানাটাকে। আকাশজুড়ে মেঘ দেখলে মা পাখিটির ভয় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামলে কেমন করে রয়। অনেক মায়া মা পাখিটির ছানা আগলায় ডানা যতই বৃষ্টি যতই ঝড় তবুও মায়ের বুকে ছানা।

আরো পড়ুন

উন্নয়নের হাওয়া বি এম মোহসীন সূর্যোদয়ের রাঙ্গা ভোরের পলাশ রাঙ্গা সকাল অস্তাচলে লাল গোধূলির এখন বড্ড আকাল। শাপলা ফোটা দিঘির জলে হয়না শাপলা ফুল কেমন জানি সব কিছুতে অনেক অনেক ভুল। পুকুর ঘাটে যায়না দেখা গোসল করতে বউ আড়াল থেকে পুকুর ঘাটে নজর দেয়না কেউ। হাটের দিনে হাট বসেনা দুইবার বসে রোজ সেদিনটিতে কেউ করেনা নিকটজনের খোঁজ। শস্য বুনে লোকসান গুনে কৃষক হারায় পুঁজি কিষাণ বধুর মিষ্টি হাঁসি এখন কোথায় খুঁজি । হারিয়ে যাচ্ছে অমাবস্যায় আঁধার রাতের কালো পুর্ণিমাতে চাঁদনি রাতের জোসনায় ভরা আলো। গ্রাম এখন নেইতো গ্রাম সারাটি দেশ শহর গ্রামে গ্রামে চলছে এখন অটো গাড়ির বহর। ব্যস্ত মানুষ…

আরো পড়ুন

উত্তমকুমারকে নিয়ে প্রথম টিভি সিরিয়াল সিদ্ধার্থ সিংহ অনিরুদ্ধদা বললেন, কাল তোর কী কাজ আছে রে? আমি বললাম, না না, তেমন কোনও কাজ নেই। কেন? তিনি বললেন, তা হলে একটু দেবনারায়ণ গুপ্তের বাড়ি যাবি? আমি বললাম, যাব। কথাটা বললাম ঠিকই, তবে তার পরেই ভাবতে লাগলাম, হঠাৎ দেবনারায়ণ গুপ্ত!‌ সানন্দায় তখন যে সংখ্যার কাজ চলছিল, সেখানে ‘পক্ষে-বিপক্ষে’ বা ‘বিতর্ক’তে যে বিষয় আগে থেকে ঠিক করে রাখা আছে, সেটার সঙ্গে তো দেবনারায়ণ গুপ্তের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে কি শেষ মুহূর্তে বিষয় চেঞ্জ হল, নাকি উনি কোনও পুরস্কার-টুরস্কার পেলেন! ‘বাবু-বিবি-সংবাদ’ হবে! হতে পারে! কিন্তু ওটা তো শঙ্করদা দেখেন। শঙ্করদা মানে শঙ্করলাল ভট্টাচার্য। তিনি তখন…

আরো পড়ুন

গুরুত্ব জান্নাতুল মেহেকা মুন্নি  আচ্ছা আবার যদি দাঙ্গা বাঁধতো, ইংরেজরা এদেশ শাসন করতো। শেখ মুজিবের মত এমন নেতা, এ বাঙালির যদি আবার প্রয়োজন হতো। তবে কি নিন্দা করা বাঙালিগুলো জাতির পিতার মর্ম বুঝতো? সত্যিই যদি যুদ্ধ হতো, হারিয়ে যাওয়া ঐক্য ফিরিয়ে আনতে। বঙ্গবন্ধুর এবারের সংগ্রাম,স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম ,মুক্তির সংগ্রাম। তেজে ভরা সেই মহান ভাষণ প্রয়োজন হতো। আচ্ছা নিন্দা করা মানুষগুলো কি বঙ্গবন্ধুর গুরুত্ব বুঝতো ? যুদ্ধ করার উৎসাহ দেওয়ায় কারো নামে যদি মামলা হতো, ইংরেজদের কারাগারে যদি কাউকে যাবজ্জীবন থাকা লাগতো। তখন যদি স্বার্থপর এই বাঙালি জাতি , স্বার্থের টানে পালিয়ে যেত। আচ্ছা নিন্দা করা মানুষগুলো কি তখন বঙ্গবন্ধুর…

আরো পড়ুন

হৃদয় মন যদি হয় সহজ সরল [ মোঃ মাহবুবুল আলম মহববত ] হৃদয় মন যদি হয় সহজ সরল সংসার জীবনে, সুখের অভাব নাহি হয় খুদ্র পাওয়ার মাঝেও এ ভুবনে। ভালোবাসে যে ছোট কি বড় নাহি করি ভেদাভেদ, সেইতো প্রেমিক সেই তো বড় ভাগ‍্যবান স্রষ্টার আবেদ। সে তো নিরঅহংকার এক মানব এ জগৎ সংসারে, সবাই বাসে ভালো অন্তরের নিগুড় মমতা দিয়ে তারে। তবে এ যে বড় কঠিন কর্ম হওয়া নিরঅহংকারী, সম্ভব তবুও যদি হয় মন নিঃস্বার্থ পরোপকারী। যদি থাকে স্বার্থের বিনিময়ে স্বার্থ পাওয়ার আশা, সেখানে থাকেনা কখনও প্রকৃত পরম ভালোবাসা। দুদিনের এ ভৃবন মাঝে সকাল দুপুর সাঝে, সহসা হৃদয় মাঝে কোন…

আরো পড়ুন

জারুল গাছের ছায়া (আখতার জাহান শেলী) মাথার ওপর ভাদ্রের নীল আকাশটা সাদা সাদা বিশাল তুলোর ডাই ভাসা নীল জমিন নিয়ে মনের মধ্যে অনন্ত মুগ্ধতা ছড়ায়। ষাটোর্ধ মিথিলা রহমানের সারা অবয়বে প্রশান্তির ছাপ। ফিনফিনে হাওয়ার মোলায়েম আঁচল চোখেমুখে যেন জননীর আদরের স্পর্শ রাখে। জননীর আদর? একটা প্রশ্ন উচ্চকিত হয় মনের মধ্যে। জননীর আদর সুলভ, বিশাল স্বার্থগন্ধহীন। জন্মসূত্রে চারপাশে অবস্থিত পরিবেশ প্রতিবেশ থেকে শুনেছেন, জেনেছেন, দেখেছেন। নাড়িছেঁড়া আত্মজের কাছে সবচেয়ে স্বার্থগন্ধ হীন প্রত্যাশাহীন বেহেশতী চিজ জননীর স্নেহ। যেটা তাঁর নিজের কাছে অপর্যাপ্ত পরিমানে বহমান তাঁর দুই কন্যা, তিনপুত্রের জন্য। আস্তে আস্তে সিঁড়ি ভেঙ্গে উঠতে থাকেন দোতলার দিকে। যেতে যেতেই চোখে পড়ে একতলার…

আরো পড়ুন