Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

বসে বসে আজ কলা খেতে পারেন বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফল কোনটি? অর্থাৎ সবচেয়ে বেশি খাওয়া হয় কোন ফল? গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বলছে, কলা। যুক্তরাষ্ট্রে এক বছরে একজন মানুষ অন্তত এক শ কলা খান। আমাদের দেশেও সংখ্যাটি কম হবে না। তবে কলা যেখানে যেভাবেই খান, সচেতন নাগরিক হিসেবে খোসাটা কিন্তু নিরাপদ স্থানে ফেলবেন। নইলে কেউ হয়তো কলার খোসায় আঁতকা চিৎপটাং। ফল হিসেবে কলা পুষ্টিগুণে অনন্য। কলা দিয়ে চিপস, কেক, স্মুদিসহ হরেক রকমের খাবারও হয়। কাঁচা কলা, কলার মোচা, কলা গাছের ভেতরের অংশ সবজি হিসেবে খুব জনপ্রিয়। অনিন্দ্যসুন্দর কলাপাতার কথাইবা বাদ রাখি কেন! বাতাসে দুলতে থাকা কলাপাতার নৃত্য এক অপূর্ব দৃশ্য। সেই…

আরো পড়ুন

স্বার্থ ও শপথ পারও বটে মেঘদের জোছনায় ভিজাও বৃষ্টিকে পোড়াও জীবন ও মরণের কাছাকাছি হারাও মৃত্যু ক্ষুধা বাড়াও কষ্টও দুখে কৌলিন্যে লালন কর জলাঞ্জলি যেন সুখে। পাথর চোখে ছন্দেমোড়ানো দূর পহাড়ের চওড়া বুকে। জাহানে হয়না ঠাঁই বিশেষ দু’ইঞ্চিতে বিরাজ অনিমেষ! নোনাজল জনমের পরিবেশ কারো আনন্দের নেই শেষ। কারো দেও পোড়াবাশি কারো কেড়ে নেও রাশি রাশি। কেউ সব পেয়েও অখুশি কেউ সব হারিয়ে মুখে হাসি! কাউরে নবাবজাদী কারোকারো ললাট লিখন চিরদাসী। কেউ উপবাসী কেউ পরবাসী,কারো আবার মরণ ফাঁসি কেউ গায় বারমাসি কখনো কখনো আবার হয় সর্বগ্রাসী চলছে খেলা হরধম একদিন শেষ ধম এভাবে দিবানিশি। কেউ মরে কেউ মরার উপর চরে ভবে…

আরো পড়ুন

একটু ছোঁয়া তসলিমা হাসান ঝুম বৃষ্টিতে ভিজেছি, তাই শরীর ভরে জ্বর এনেছি! বকা দেবে? দাও! প্রিয়, মন চায়, তোমার হাতে হাত রেখে সাগরের সৈকতে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখবো! অসীমতায় হারিয়ে যাব! তোমার সাথে সাগর দেখবো,সূর্যাস্ত দেখবো! আমি ব্যাকুল! অস্হির! এইটুকুই তো চাওয়া বল? হবে না পূরণ! হবে না? বল? ধু ধু সমুদ্র পথ অতিক্রম করে, ভূখন্ডে দাঁড়িয়ে শ্বাস নেয়ার প্রতীক্ষায় যেমন নাবিক, তোমার প্রতীক্ষায় তেমনি আমি! যদিও আসবে না তুমি, নিয়মের মালা ছিঁড়ে, মুক্তির আনন্দে মূক্তো ঝরা ফাগুনের বিকেলে! প্রিয়-পাশে একটু বসবে!তোমার সুঘ্রাণ পেতে চাই! কপালে ছুঁয়ে দেখ, কত জ্বর! তোমার স্পর্শ পেতে চাই! তসলিমা হাসান কানাডা: ১০-০৮-২০২২

আরো পড়ুন

সুখের বারতা নিপা খান নৈঃশব্দ্যের লীলাভূমিতে পাতা ঝরার শব্দে চকিত হরিণীর মতো চাহনিতে যে মাদকতা ধরা পড়ল, তা ছিল নিতান্তই অপ্রকাশ্য। তোমার হতবিহ্বল হাতছানিতে ইচ্ছে হলো নিজেকে নিঃশেষ করে দিতে। পারোনি তখন, গ্রহণ করোনি আমার অর্ঘ্য। অস্তমিত সূর্যটার লাল আভার পরতে পরতে লেখা আছে আমার যত কবিতা, সব তোমাকে নিয়ে, তোমার অবিসংবাদিত বারতা পাওয়া আমার কাছে ছিল দুঃসাধ্য। তবুও মনটা ছিল খুব অবাধ্য। আমার একান্ত ধ্যান, জ্ঞান, মন সবই ছিল তোমার জন্য। একটু স্পর্শ, একটু নিবিড়তা একটু সাহচর্য ছিল আমার দিনমান আরাধ্য। তবুও তোমাকে চাই, তোমার চার অক্ষরের মধ্যে লুকিয়ে আছে স্বর্ণপ্রভা তুমিই যে আমার ভালোবাসা।

আরো পড়ুন

জলপ্রপাত সাবিনা সিদ্দিকী শিবা তোমার নামে সকাল আসে, তোমার নামেই রাত। পাহাড়ের বুকে ঝর্ণার স্রোতে, হয় যে জলপ্রপাত। তোমার নামে আকাশের কোনে জমে থাকে মেঘ। মেঘ বালিকা আকাশ থেকে, ঢালে তার আবেগ। তোমার নামে খরস্রোতা নদীতে, উথলে উঠে ঢেউ। আকাশ হতে বৃষ্টি নামে চোখে, বুঝে না তবুও কেউ। তোমার নামেই সাগরের বুকে, কত স্মৃতি ভীড়ে। এখন ও খুঁজি তোমার ছায়া, স্বপ্ন লোকের নীড়ে…

আরো পড়ুন

তিলোত্তমা তিলোত্তমা তুমি আমার মন নিয়েছো কেড়ে জীবন হতে তুমি ছাড়া সব ফেলেছি ঝেড়ে। রোজ বিকেলে তোমার পরশ আমায় শীতল করে তোমার মৃদু হাসির ঝিলিক আমায় আঁকড়ে ধরে। তোমার হাতের আলতো ছোঁয়ায় আমি নুয়ে পড়ি ইচ্ছে জাগে তোমায় নিয়ে সুখের জীবন গড়ি। হুটহাট প্রেম ফেসবুকে জানাশোনা ভাব বিনিময় আবেগের ছলনায় কতো অনুনয়। যাচাই-বাছাই ছাড়া কথা ভাগাভাগি একটুকু কম হলে চলে রাগারাগি। অডিও ভিডিও কলে কতো কতো আলাপ ঘুমঘোরে কেউ কেউ করে সেই প্রলাপ। কতো কতো প্রেমিকা ঘর বাড়ি ছাড়ে অবশেষে টের পায় সেটা হাড়ে হাড়ে। কেউ কেউ দেশ ছেড়ে বিদেশে ও যায় হুটহাট প্রেমের সাজা অনেকেই পায়। কারো কারো…

আরো পড়ুন

ছেলেবেলার বন্ধু জাকিয়া সুলতানা থাকি যখন একা একা পড়ে যায় মনে ছোটবেলার সাথীরা আছে কে কোনখানে? লুকোচুরি ;কানামাছি আর খেলতাম পুতুল খেলা মায়ের ভয়ে চুপিচুপি ফিরতাম সন্ধ্যাবেলা। কখনও বা ভাবি বসে হাসি একা একা ফিরে যদি পেতাম আমি সেই বন্ধুদের দেখা। ফেরত দিতাম তাদের দেয়া মিষ্টি মধুর ধোকাঁ খুনঁসুটি আর দুষ্টুমি করে বানাত যারা বোকা। কেউ কেউ এখন ঘর সামলায় কেউ বা বড় পদে আরাম আয়েশ করে তারা দেশ বিদেশ ঘুরে। ফেসবুকের কল‍্যাণে কারো কারো সাথে যোগাযোগ হয় যাপিত জীবনে ব‍্যস্ত তারা দূরে দূরে রয়। মন চায় সবাই মিলে আড্ডায় মেতে উঠি বনভোজনে ঘুরে আসি নিয়ে সকল সহপাঠী। যেদিন চলে…

আরো পড়ুন

এই মোহ, এই মায়া যেন বৃক্ষের বন্দনা নাসিমা হক মুক্তা মানুষ তার শ্যামের কুলে অবুঝ শিশুর মতো বুকে জেগে থাকে নিজেকে ক্ষয়ে ক্ষয়ে রোজই পৃথিবীর পথে যদি কখনো বেলা হাসে সেই সময়ে যেন একটি বার আলো জ্বলার আশায় সময় বাঁধে জীবন ফ্রেমে। মনে পড়ে কত বেলার গহনে কোথায় যেন এক বাঁক জল বয়ে গেছে নোনতার বন্দরে জীবন কথা বলে দুঃখের, নিঃসঙ্গতার তবুও; জীবন কে আপন লাগে মানুষের এই মোহ, এই মায়া যেন হৃদয়ের ভিতরে অনন্ত বৃক্ষের বন্দনা।

আরো পড়ুন

নতুন জীবন আলী আকবর বাবুল সোনালি সিন্ধ রোদেলা দুপুরে আসর পেতেছে অনেক অতিথি আনন্দ আবহ ছড়িয়ে। পুষ্প কাননের ফুলে হলে তুমি ফুলেশ্বরী তোমাকে দেখে হাসছে অনেক পাখি তুমি বধূ, তুমি কোন এক কল্পনার রাজ্যের রানী, তোমাকে সানাইয়ে সুরে প্রেমের আকুল আবেদন জানায়! তুমি তার বাগানের সৌরভের হাসি দূর নীলাকাশ থেকে পেখম তুলে মন ময়ুরী, শত শত পাখি। তার ঘরের সমুখে দাড়িয়ে আছে বৃদ্ধ মা-বাবা চারটি আঁখি। সবার মাঝে বহে উল্লাসের সমীরণ তুমি কখনো করো না মনের অমিলন। নব বধূ বলে করে তোমায় বরণ! সোনালি অতীত ভুলে গিয়ে বরণ কর তোমার নতুন জীবন, জানাই তোমায় অভিনন্দন।

আরো পড়ুন

জীবন সে তো পদ্ম পাতা নয় আফরিন মৌ জীবন শুধুই কি পদ্মপাতা জীবন সে তো শুধু পদ্মপাতা নয় কেন জানি এত ছুটাছুটি! জীবনের মানে কি কখনও খুঁজে পেয়েছি! পাইনি! অবিশ্রান্ত চিন্তিত মনে শুধুই সারাক্ষণে ভেবেছি অনেক দেখেছি কাছে শুধুই ছুটে চলেছি অবিরত ছুটেচলা অদম্য ছুটে চলা, রানারের মত ছুটেচলা জীবন সে তো এক পদ্ম পাতা নয়। কিসের মোহে আমরা জীবন যুদ্ধে পদ্ম তো জলের ই শোভা পায়। তবুও তার নেই কোন অহংকার মানুষে মানুষে কেন এত সুরাসুর বিশাল জলরাশির বুকে দাঁড়িয়ে লতানো দেহখানি দুলিয়ে অনন্তকাল চলছে তার নিয়মেই স্থলে ও জলে দাঁড়িয়ে বিস্তৃত হয়ে বিস্তৃত জলরাশির যে প্রানের স্পন্দনে শোভা…

আরো পড়ুন