Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

নয়ন-ইতিবৃত্ত আয়শা সাথী নয়নে নয়নে বাঁধি বাসা আবার নয়নেই রাখি জল, তৃষিত মরু দু’নয়নেই ধরি নয়নেই করিলাম ছল! নয়ন মাঝেই দীপ্তি জ্বলে ঐ নয়নেই ওঠে ঝড়, নয়ন মাঝেই বাঁচে কেহ অতল নয়নেই ডুবে অমর! নয়নেই রাখি আপন করি আবার নয়নেই করি পর, নয়ন জোড়া স্বপ্ন বুনি সেই নয়নেই ভাঙি ঘর! নয়নে নয়নে শত কথা নয়নেই লুকাই যত ব্যথা, ধরি নয়নে জোয়ার ভাটা পোড়া নয়ন-জ্বালা যথাতথা! নয়নে নয়নে না হলে মিলন নয়নেই হোক আত্মগোপন, নয়ন মাঝে যা রহিলো নয়নেই ধরি,করিলাম লালন!

আরো পড়ুন

পাচার আফছানা খানম অথৈ আক্কাস ছিল গ্রামের বখাটে ছেলে।সে মেয়েদেরকে খুব ডিস্টার্ব করতো।একদিন মনির মাস্টারের মেয়েকে ইভটিজিং করার দায়ে তার বিরুদ্ধে সরাসরি ম্যাজেট্রেট কোর্টে ইভটিজিং মামলা দায়ের করা হয়।ইভটিজিং আইনের নিয়ম হচ্ছে সরাসরি বাদী-বিবাদী নিয়ে আদালত বসা হয়।আসামী দোষী প্রমাণ হলে সঙ্গে সঙ্গে জেল হাজতে।মামলা দায়ের করার সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজেট্রেট ছুটে আসল গন্তব্য স্থলে।প্রথমে শিক্ষক তারপর উপস্থিত জনগনের কাছ থেকে রিপোর্ট নিলো।সবার এক কথা, স্যার আক্কাস ছেলেটা আসলে বদমায়েশ বখাটে। শুধু মাস্টারের মেয়ে নয়, সব মেয়েকে ডিস্টার্ব দেয়।ওরে ভালো মতে সাজা দেয়া দরকার। ম্যাজেট্রেট সাহেব আর দেরী করলেন না।তাকে ধরে জেলে দিলেন।কয়েক মাস জেল খাটার পর আক্কাস জেল থেকে বের…

আরো পড়ুন

চলে এসো ড. নজরুল ইসলাম খান রাগ-অভিমান আর জীবনের সুখ-সংসার সব ভুলে- জীবন সায়াহ্নে কখনো যদি আমার কথা মনে পড়ে যায়- জীবনের পড়ন্ত বেলায় সবকিছু তুচ্ছ করে আবার যদি ফিরে আসতে চাও পৃথিবীর মোহ-মায়া, আনন্দ-বেদনার তাজমহল যদি আমার বুকেই খুঁজে পাও আমাকে ছাড়া যদি তোমার একটি মুহূর্তও ভালো না লাগে যদি আমার কোলে মাথা রেখে কবিতা পড়ার আগ্রহ জমে, পূর্ণিমা রাতে খোলা আকাশ দেখার যদি শখ হয়- যদি আমার কাছেই পৃথিবীর সুখ-সাগর খুঁজে পাও বাকিটা জীবন যদি হৈ-হুল্লোড় করে ভালোবাসার তল্লাটেই কাটিয়ে দিতে চাও যদি পরাধীনতার শৃংখল ভেঙে স্বাধীনতার আয়েশি সাধ মিটিয়ে নিতে চাও আকাশ বাতাস সাক্ষী রেখে তিলে তিলে…

আরো পড়ুন

খোলা মরণ দ্বার মো. আসাদুল হক একদিকে প্রাসাদ পাহাড়! প্রকোষ্ঠে বীণার ঝঙ্কার! আর একদিকে হাহাকার! উপবাসীর সামনে খোলা মরণ দ্বার! একদিকে উন্নয়ন অপরদিকে ভিজা নয়ন! পেটে লয়ে ক্ষুধার জ্বালা! ক্ষুধাতুর মা’য়ের পথ চলা! যদি জুটে ডাল ভাত- রাত পাড় করে দেখবে, আর একটা প্রভাত। শুরু হবে- ভাত দে- ভাত দে- কম নেই- এমন বলার মানুষ! কতোরা আছে পড়ে দুখের খাদে অবাক চোখে দেখে উন্নয়নের ফানুস। যার আছে ভূরি ভূরি; সে করছে দিবস রাতি চুরি! সাহেবের কষ্ট হয় দিতে; শ্রমিকের মজুরি! করে কালোবাজারি, বড়দের সাথে মিতালী গড়ি শহরে করে স্বর্ণকমল বাড়ী বাকি অর্থ করে ভিন দেশে পাচার! আহারে- চক্ষু বন্ধ করে…

আরো পড়ুন

ক্লান্ত একটি নদী জেবুন্নেছা সুইটি পাহাড়ের কান্নায়… ঝর্ণা ছুটে নদীর বুকে। পাহাড়ি জলপ্রবাহ… ভিজিয়ে দেয় নদীকে! সাগরের বুকে উথাল পাথাল! ঢেউয়ের পরে ঢেউ! নদীকে অসহায় রেখে, সাগর ছুটে চলে! সাগরের উতলা ঢেউ নদীকে কাঁদায়। কতো রকম খেলা এই পৃথিবীর বুকে? কখনও পাহাড়ি জলপ্রবাহ বৃষ্টির সান্নিধ্যে স্নানে মাতাল! কখনও পিপাসায় নদী কাতর! কখনও আবার পাহাড়ি পথ ফসলি জমি ফেটে চৌচির! আমি ও প্রকৃতির মতোই উষ্ণতায় সাগরের সন্ধানে ব্যাকুল.. পথ হারা ক্লান্ত নদী। সাগরের দিকে চেয়ে থাকি পিপাসায় কাতর শুকিয়ে থাকা আধ মরা নদী।

আরো পড়ুন

হে পাহাড় তসলিমা হাসান আমি একখণ্ড মেঘ বলছি দিনের শুরুতে ফুরফুরে মেজাজেই আছি তোমার চূড়াতে ও দেখছি বরফ কুচির শ্বেত শুভ্র হাসি তাই এখনই কিছু কঠিন কথা তোমাকে বলতে এসেছি হে পাহাড় আমি এই পানিচক্র জীবনটাকে বড় ভালোবাসি তুমি তো ঝরনা ও নদীর উৎপত্তিস্থল এরা খুব বেগবান হয় তাও আমি জানি। আমার উৎপত্তি ও তোমার গিরিখাতে আমার কোন বেগ নেই , আছে কিছু আবেগ বরফ বিগলিত যে পানিটুকু থাকে তার বাষ্পীভূত আবর্ত নেই সৃষ্ট শুভ্র একখণ্ড মেঘ আমি তোমার আশেপাশেই থাকি। ও দূরে ভ্রাম্যমান কিছু মেঘ করছে দলাদলি হয়তো সঙ্গবদ্ধ হবে আবার দ্বিধা বিভক্ত ও হবে ঠিক তখনই হবে ধনাত্মক…

আরো পড়ুন

দাম বেড়েছে রিয়াজুল হক সাগর। কিনতে গেলাম এই বাজারে একটি সাধের পণ্য, দাম শুনে হায় প্রাণটা যায় জীবন আমার ধন্য। আগে ছিলো সস্তা দামে এখন ভীষণ চড়া বড় বাবুর মন ভালো নেই মনটা যে তাই কড়া। বাজার দরে দাম বেড়েছে বাড়তি টাকার খেল হটাৎ করে পড়লো মাথায় গাছের পাকাঁ বেল। দামের চোটে বুক ফেটে যায় মন টিকে না কাজে অসৎপথে চিন্তা করে কাজটা যে হায় বাজে।

আরো পড়ুন

কেমন আছিস রেজাউল করিম রোমেল বন্ধু, কেমন আছিস? কি খবর তোর? অনেকদিন হোলো তোর কোনো খবর জানি না। তুই তো ছিলি ছাত্র রাজনীতির একজন সক্রিয় সদস্য, দলের চেতনায় উদ্বুদ্ধ সংগ্রামী মানুষ। মিছিলে-মিছিলে স্লোগানে-স্লোগানে কত না সংগ্রাম করেছিস ন্যায্য দাবি আদায়ের। রাজপথ কাঁপানো বজ্রকন্ঠের সেই স্লোগান, তোর স্লোগানে মুখোর হোতো রাজপথ। মনে পড়ে… তোর আগুন ঝরানো বক্তৃতায় মুগ্ধ হোতো মানুষ। কলেজের শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীরা বলতো- শুভো একদিন বড় নেতা হবে, অবদান রাখবে দেশ ও জাতীর উন্নয়নে। বন্ধু শুভো, কেমন আছিস তুই? কতদিন হল তোকে দেখি না! সেদিনের সেই মিছিলে গোলাগুলির এক পর্যায়ে একটি বন্দুকেরগুলি তোর পায়ে এসে লাগল। তোকে হাসপাতালে নেওয়া হল।…

আরো পড়ুন

সাম্যের বাণী সাগর রায় পড়ি সাম্যের বাণী, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সকলে মোরা ভাই ভাই, হিংসা, বিদ্বেষ নাহি কবু মানি। শুনি সাম্যের কথা, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ একতা। একই মায়ের চরণে লুটায়, ভিন্ন নদীর স্রোতধারায়। বিপদে মোরা রুখে দাঁড়াই। ভয়কে নাহি কবু ডরাই। গাহি সাম্যের গান, আমার কাছে হিন্দু বৌদ্ধ সকলই সমান। কবুও নাহি করি ধর্ম ভেদে অসন্মান। চলি সাম্যের পথে, যে পথ মাড়িয়াছে নজরুল সে পথে নেই যে কোন ভূল। দিতে হবে নাকো মাশুল আমি সাম্যের কবি, সাম্যের গান গাই। সাম্যবাদী চেতনা বুকে ধরি, অসাম্যের বুকে ছুড়ে মারি বাণ, বাংলা আামার মাতৃভূমি বাংলা মায়ের চরণ চুমি। সাম্য, একতার এক লীলাভূমি।…

আরো পড়ুন

অস্তিত্বের কথকতা সোমা তাহেরা চৌধুরী এককালে তাঁরাও একদা ছিলো এইখানে বিচরণ করতো এই নীলাভ পৃথিবীতে, নিঃশ্বাস নিতো এই বায়ুমন্ডলে। তাঁরাও জন্ম নিতো মাতৃজঠরে, তাঁদেরও ছিলো বংশানুক্রম, পিতৃপুরুষ। তারাও অপেক্ষা করতো প্রিয়জনের জন্য, প্রিয়ক্ষণের জন্য। প্রিয় মানুষটির মুখে হাসি ফোটাতে তাঁরাও সাথে নিতো কাঁচের চুড়ি, আলতা, নূপুর, কানের দুল, নাকছাবি। বার বার গন্ধ শুঁকতো সাদা রুমালটির -যার এক কোণে সূচিকর্মে লেখা, ‘ভুলো না আমায়।’ প্রিয়জনের সুখে আর আনন্দে তাঁরাও পুলকিত হতো। প্রিয়ক্ষণে প্রিয়জনকে কাছে পেলে তাঁদেরও পাওয়া হয়ে যেত গোটা পৃথিবীর তাবদ রত্নভান্ডার। খুব কষ্ট পেলে জমাট বাঁধা কান্না তাঁদেরও বুকে বিঁধতো শেলের মতোই। হাল্কা হতে হয়তো বা তাঁরাও দৃষ্টি প্রসারিত…

আরো পড়ুন