পাষাণ পৃথিবী ফিরোজ পাটওয়ারী পাষাণ পৃথিবীতে ক্ষণজন্মা হয়ে পেয়েছি অনেক কিছু, বুঝতে পেরেছি আজব জগৎ’টি বড্ড উঁচু-নিচু! এখানে মানুষ ভালবাসা বিকিয়ে দুঃখটাকেই কেনে, প্রয়োজনের তাগিদে আপন হওয়া মানুষদেরকেই চেনে! এখানে মানুষ দুঃখ-দুর্দিনে যাঁদেরকে কাছে পায়, স্বার্থান্বেষী মনগহীণে আবার তাদেরকেই ভুলে যায়! এখানে মানুষ বড়ই নিঠুর রয়না মনে পিছুদিন, তবুও মানুষ তোমাদের তরে রইল আমার অনেক ঋণ! জন্মেছি আমি তোমাদের জন্য লুটে-পুটে খেয়ে নিও, বিনিময় তেমন চাইবনা কিছু কষাঘাত’টা একটু দিও! ক্ষমা করবে জানি নিশ্চিত যদি থাকে অজ্ঞতা কিছু, ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতাসহ অনুরোধ নিয়ে ঘুরছি তব পিছু!
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
একান্তই আমার আমি আয়শা সাথী সব কিছুর উর্ধ্বে, নিজেকে ভালবাস; অযাচিত কামনায় পিষ্টে হৃদাসনটা, যে অন্ধকার অমানিশায় আচ্ছন্ন কর- প্রতি সূর্যজ্বলা দিবস বেলায়, সেথায় আলোর বিচ্ছুরণের অন্বেষণ অনন্তকাল নিজের উপরই অর্পিত হোক! সুপ্রিয়া’র বয়ে আনা আলোক বার্তা, হয়তো নব অনুপ্রেরণায় অনুরক্ত করতো, হয়তো মুছে দিত কলুষিত বিষণ্ণতাগুলো, হয়তো কোন এক প্রত্যাশিত কালিসাঁঝে- কেউ একমুঠো জোনাকি আলোয় রাঙাতে অপেক্ষার প্রহর গুনতো তেপান্তরের ঘাটে! সেটা যখন বিধির লিপিতে দুষ্প্রাপ্য, তবে থাক না লক্ষ-কোটি আলোকবর্ষ দূরে। যা একান্তই নিজের করে পাওয়া হয়নি, তা না হয় না পাওয়াই থাক! তোমার তরে তুমি তো রইলে! তোমার দিগন্ত বিস্তৃত বিরানভূমি, তারকারাজি সজ্জিত অসীম আকাশ, নতুবা জোনাকি…
জলরঙ সাঈদা সানজিদা মেঘে-মেঘে চলো ঢাকি আকাশের রঙ আঁধার গগনে বাঁধি যাপিত জীবন খুব ভোরে ঝুপ করে নামি চলো জলে জলরঙে রাঙা হবো কায়ার কাঁপনে রঙে-রঙে মাখামাখি হয়ে একাকার মায়াবী নেশার ঘোরে জাগে শীৎকার। ঠোঁট আর ললাটের সন্ধি যখন কপোলেও দিও এঁকে তিল চুম্বন। মেঘ হয়ে ভেসে যাও আকাশের গায়! বহে নদী কলকল বৃষ্টির আশায়! নিজেরে বুঝতে তবে এতো কেন দেরি! আকাশ সাজাতে গড়ো মেঘ মঞ্জরি জলরঙে রাঙাও আজ মেঘেদের রঙ রঙের ছটায় দাও তুলির আঁচড়।
নিউইয়র্ক-ফেরৎ দার্শনিক ড. সলিমুল্লাহ খানের প্রিয়দিন-জন্মদিনে, সাবেক স্ত্রী তসলিমা মুনে’র কলমে দাম্পত্যের দাগগুলো: সালেম সুলেরী তিনি প্রবল-পান্ডিত্যে মুখর বাংলাদেশের বিরলপ্রজ দার্শনিক। অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান– যিনি স্বনামে সুপরিচিত। প্রকাশনা, টক-শো, স্পষ্টবাদিতা আর যথাস্থানে যথা-কোটেশন প্রদান..। ড. সলিমুল্লাহকে এনে দিয়েছে ‘বিশ্ববাঙালির’ খ্যাতি। জন্ম ১৯৫৮-এর ১৮ আগস্ট, কক্সবাজারের দ্বীপভূমি মহেষখালিতে। সে বিবেচনায় সলিমুল্লাহ খান একজন ‘সমুদ্রসন্তান’ও। আমি জীবনচক্রে বৃহত্তর রংপুর থেকে ঢাকায় থিত হই ১৯৮১-তে। সে বছর দুটো বই বেরোয় সলিমুল্লাহ খানের। প্রথম কাব্যগ্রন্থ : ‘এক আকাশের স্বপ্ন’। প্রবন্ধগ্রন্থ : ‘বাংলাদেশ : স্টেট অব দ্যা নেশন’। এ-নামটি নিয়েছিলেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আব্দুর রাজ্জাকের উদ্ধৃতি থেকে। আলোচনা লিখেছিলেন প্রথাবিরোধী বুদ্ধিজীবী আহমদ ছফা। ড.…
প্রাক্তন ড. নজরুল ইসলাম খান আমারও একজন প্রাক্তন ছিল! প্রাক্তন-এর সাথে সবার কি যোগাযোগ থাকে? আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে-নাকি যোগাযোগ হয় হৃদয়ে হদয়ে! তাকে কি ভুলে থাকা যায়? নাকি সে থাকে পরানে পরানে! তাকে কি চিঠি লেখা যায়? নাকি তাকে নিয়ে কাব্য লেখা হয়! প্রাক্তন কে নিয়ে কেউ আলোচনা করে কেউ বা করে গোপন যাকে ভালোবেসে কবিতা লেখা যায় উপন্যাস রচনা হয় সেই-তো আপন। আমারও একজন প্রাক্তন ছিল! যে থাকে হাজার মাইল দূরে অথচ প্রতিক্ষণ আছে মনের আনাচে-কানাচে কোনো যোগাযোগ নেই তবুও কেন জানি তার সবকিছু জানা থাকে সারাদিন কখন কি করে তাও বলে দেয়া যায়- ঈদ-পার্বনে কি ড্রেস…
তোমাকে ভালোবাসি রুবী শামসুন নাহার আমার সারাটা সকাল আর বিকেলের প্রতীক্ষা তোমাকে ঘিরে, ব্যস্ততা নেই আগের মতো,কাজের চাপও কমে গেছে, তাই হয়তো তোমাকেই ভাবি,এরকমটা নয়, তোমাকে চাই বলেই ভালোবাসার ইষ্টনাম জপা- তোমার পথ চাইতে চাইতে নেমে আসছে দু’চোখে অজানা অমাবস্যা। তোমাকে ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছে মাঝে মাঝেই জাগে, ইচ্ছেগুলো কঠিন বরফের তলে জমিয়ে রাখি। প্রতিদিন ফোন আর ভালোবাসায় ভরে থাকে মেসেনজার, বুক পকেটে একজনকে রেখে আর একজনকে খোঁজা ওদের। বুঝিনা সমাজ, সংষ্কার কি করে বদলে গেলো? কোথায় চলে গেলো নৈতিকতা? আর ভালোবাসার সংজ্ঞা বদলে গেলো কিভাবে কখন? আমি আমার পুরনো পথেই হাটঁতে চাই, পুরনো নিয়মেই থাকতে চাই, ভালোবাসার যে গান হৃদয়…
ক্যানাডা ভ্রমণ জান্নাতুল ফেরদৌসী মেহমুদ পর্ব: ০১ আজ একটি স্বপ্নের নীড়ের গল্প বলবো । আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগের কথা । আমরা একই সাথে ঢাকায় একটি হাই স্কুলে পড়তাম । তারপর আমার বাবার অফিস থেকে ট্রান্সফার হওয়ার কারনে ইউরোপের কলেজ থেকে ইউনিভার্সিটি শেষ করি । আর আমার বান্ধবী মিতু ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স করার পর, বিয়ে হয়ে বরের কাছে চলে গেল কানাডা । এদিকে আমার বিয়ের পর আমি চলে আসলাম আমেরিকাতে । প্রবাস জীবনের প্রথম দিকের দিনগুলো সবসময় অনেক কঠিন হয় । নতুন দেশ, নতুন পরিবেশ। সে দেশের কালচার ভাষা সমাজব্যবস্থা সবকিছুর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে বেশ কিছু বছর…
শরৎ এলো দিল আফরোজ রিমা শরৎ এলো পরীর দেশের সাদা ভেলায় ভেসে শরৎ এলো শিউলি ঝড়া মিঠে হাওয়ার দেশে। উদাস দুপুর সুনীল আকাশ দোলে কাশফুল। কলমি ডগায় ভরে উঠে ঝিলের দুটি কূল। মিষ্টি ভোরে শিউলি তুলে গাঁথে ফুলের মালা। শিশিরকণা ভিজিয়ে দেয় সবুজ সজনে ডালা।
সমাজ তুমি কি চাও সুরমা খন্দকার। দীপাবলি হলে প্রেমের স্বরলিপিতে দশ দিগন্ত নড়ে চড়ে তুমি হলে একখানা প্রেম কাব্য শত শত প্রাণে দিলে প্রেমের ঝকঝকে লাল তৃষ্ণা। মগজের নালি বেয়ে সুশীলের বেরোলো স্বচ্ছ পিপাসা পরষ্পরের দৃঢ় তীব্র আলিঙ্গনে নাড়িয়ে দিলে সমাজের হিংস্র নীতিমালা। তুমি প্রেমিক! রক্তের ভেতর লুকোনো ঠাণ্ডা কফিন, যতি বিহীন, অভদ্র, অপাঠ্য প্রেমের ঘটালে প্রস্থান। তুমি নেই, শূন্যতার স্তম্ভে স্তম্ভে আয় ফিরে আয় হয় হত্যা নয়তো আত্মহত্যা… যদি আত্মহত্যা হয় তবে মৃত্যুই শেষ সমাধান নয়। যদি হত্যা হয় তবে জনমন্ডলি মৌলিক ধ্বনিতে কাঁপিয়ে দেয়। সময়ান্তের দুর্ভাবনা আর নয়। এভাবে হত্যা আর নয়।। সমাজ তুমি কি চাও? মুখে মুখে…
আমরাই পারি দিল আরা বেগম সবুজেঘেরা ,ছায়া সুশীতল সুন্দর একটি গ্ৰাম । সেই গ্ৰামে এক প্রান্তে একটি বাড়ি ছিল, বাড়ির পাশেই ছিল একটি নদী । বর্ষাকাল , নদী একদম ভরপুর। নদীতে নৌকা চলে পাল তুলে।মাঝি গান গায় মনের আনন্দে । গোয়ালারা বিশাল নৌকায় বড় বড় বালতি ভর্তি দুধ নিয়ে যায় শহরে বিক্রির জন্য। মুখে ভরা হাসি নিয়ে জোরে জোরে শব্দ করে অনেক জন মিলে নৌকা বেয়ে রায় । নদীর এক ধারে জেলে মাছ ধরে । জাল থেকে মাছ উঠানো সে কি দৃশ্য ! মাছ গুলো যেন চিক চিক করছে। এ যেন প্রতি দিনের দৃশ্য। প্রতিদিনের এ দৃশ্য দেখে দেখে যেন …
