Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

তৃষ্ণার জল দাও মাহমুদা শিরীন কত রঙে কত ঢঙে প্রকাশ করো নিজেকে নিত্য দেখাও কত দেবত্ব। সহিষ্ণুতায় হৃদয় তোমার জাগেনি কখনো, তৃষ্ণার জলটুকু দাওনি সতত ৷ ক্ষণে ভাবি, অভিমানী হয়ে থাকবো চুপটি করে তবু অকারণে নেত্রদ্বয় কেনো হয় সিক্ত! সকাশে এসো… বুক পাঁজরে নিবিড় করে মিশে যাও৷ প্রেম তো একা নয় কারও…. অধিকার আছে আমারও।

আরো পড়ুন

অবিনাশী সাফিকা জহুরা জেসী খুব করে মনে পরছে আজ তোর কথা তোর সেই হাসি মাখা মুখ; দুষ্টুমিতে মাখা! পাঞ্জাবীর পকেটে আজও কি যত্ন করে রাখা… আমার দেয়া রুমালটি… সুন্দর ভাঁজে? কনকনে শীতেও ঘাম মোছার অজুহাতে গালে, কপালে ঠোঁটে ছোঁয়ানোতে, আমিই মুখ লুকাতাম লাজে! খুব করে ভালো বাসতে মন চাইছে আজ তোকে অভিমানে দূরে সরে গেলে, যে আদর সোহাগ দিতি সেই রোদেলা দুপুর, প্রেম ছড়ানো থোকা থোকা জ্যোৎস্নাকে! চুলে ফুল পরানো, রবীন্দ্রগঙ্গীতে ঘুম পাড়ানো চোখের পাতায় উষ্ণ হাওয়ায় চুপটি করে ঘুম ভাঙানো আকাশের মতো পেতে দিতি, মিস করছি সেই বুকটাকে! খুব করে ফিরে পেতে ইচ্ছা হয় তোকে বারেবার তুই যে ছিলি…

আরো পড়ুন

মা, আমার মা। ফরিদা বেগম মাকে নিয়ে ভাবছি আমি, মা ছিল মোর মাথার মণি। মায়ের মনটা ছিল বেজায় নরম, দিত মোদের সোহাগ পরম। মায়ের স্নেহের ছিল না অন্ত, মা ছিল মোদের প্রেরণার মন্ত্র। মায়ের গানের কোনো জুড়ি নেই, সেই সুরের টানে হারিয়েছে খেই। টাকা দিয়ে যায় না কেনা, মায়ের স্নেহ, প্রীতি ভালোবাসা। এখন মা মা বলে ডাকি যখন, মা তো দেখা দেয় না তখন। মা এখন দূর আকাশের তারা সেজে, মিটিমিটি আলো জ্বালায় মনের মাঝে।

আরো পড়ুন

অবুঝ প্রেম নিলুফার জেসমীন রুমা জানি না কখন কী কারণ মনে মনে মন হারালো! রঙে রঙে ফুল-চন্দনে কে আমায় সাজালো? বন ময়ুরী পেখম তুলে আপন মনে নাচে, শরতের মধুঝরা সন্ধ্যায় ঝিকি মিকি তারায় মাধবীলতা দোলে ইশারাতে। গুঞ্জরিয়া উঠে ভ্রমর পুষ্প মঞ্জুরির গায় মাতাল করা সুর ভাসে দক্ষিণা বায়, বাহির পানে হাত বাড়িয়ে ডাকছে কে আমায় চুপিসারে ? বাঁধবো না আর অবুঝ প্রেম বুকের পিঞ্জরে! শিউলি ফুলের মালা গেঁথে তাই খোঁপায় পড়েছি পথ হারাবো বলেই আমি ভালোবেসেছি।।

আরো পড়ুন

“সাধারণ তুমিটাই আমার অসাধারণত্বের ভাণ্ডার” তসলিমা হাসান অসাধারণ কেউ নয় খুব সাধারণই হইও তুমি এমন একজনকেই চাই জীবনে যার পুরো পৃথিবীটাই হবো আমি। টাকা-পয়সা রূপ-যৌবন নয় চাই সুন্দর একটা মন যে মানুষটা আগলে রাখবে আমায় সারাটি ক্ষণ। ভালোবেসে যেমন আগলে রাখবে ভুল করলে তেমন শুধরে দিবে ছেড়ে যাওয়ার বাহানা না খুঁজে আমার ভালো-মন্দ সবটাকে নিজের করে নিবে। সাধারণ তুমিটাই যে আমার অসাধারণত্বের ভাণ্ডার আমি যে তোমাতেই পরিতৃপ্ত হতে চাই তুমিই যে এই জীবনের কান্ডার। “সাধারণ তুমিটাই আমার অসাধারণত্বের ভাণ্ডার” কানাডা,০২-০৯-২০২২

আরো পড়ুন

মেঘের ডানায় ওড়ানো আবেগ মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান কবেকার কোন ভাদ্রের এমন রৌদ্রদহন দীঘল দিনে সুখের বদলে কিনেছিলাম বকের মতো সাদা সাদা মেঘ উড়ন্ত মেঘের ডানায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়েছিলাম অন্তরের অসীম আবেগ। আবেগগুলো আকাশময় ঘুরে ঘুরে ওড়ে প্রগাঢ় নীলের প্রস্থে লীন হয়, দিন হয়, রাত্রি হয় রাত্রির রূপালী বুকে জোছনার কোমল কাঁচুলি হয় কখনো কখনো বৃষ্টির নূপুর হয়। ছন্দে ও আনন্দে – পাহাড়ের চূড়া ছোঁয়, পুষ্পের – বৃক্ষের প্রজাপতি বুক ছোঁয় তারপর খুঁজে পায় মাটির বুকের শীতল আশ্রয় কেন জানি আজো পারেনি তোমাকে ছুঁতে অনিন্দিতা। তুমি কোথায় লুকিয়ে আছো অনিন্দিতা? চুকিয়ে দাও ভাদ্রের দিনে পোয়াতি ভদ্রার জলস্পর্শে করতলে চিরকাল মিশে থাকবার অলিখিত…

আরো পড়ুন

কুহকিনী সামিয়া আফরিন (অর্পা) এইখানে একটা ঘর ছিল, সমান্তরাল জমিতে মাটির কুড়েঘর। সেই ঘর ভর্তি কিছু স্বপ্ন ছিল সাথে অনুভব করা ভালোলাগার খুচরো স্মৃতি। ছিল ঘরের কোণে মারগলা ভাতের বুদবুদ সিকে তোলা দধির ধবধবে সাদা মাখন কলসি ভর্তি কুয়ার জমা আয়না জল। ছিল উঠান জুড়ে কবুতরের ডানা ঝাপটানো বাতাস মোরগ সমেত হাঁস- মুরগীর যুক্তিবিদ্যার লড়াই। ছিল বিলের জলে টলতে থাকা পদ্ম ফুলের গল্প বাতাসে ভেসে আসা রাখালের বাঁশির সুর আর ক্ষেত থেকে আসা পাকা ধানের মৌ মৌ সুবাস। এইখানেই একটা ঘর ছিল, ছিল ঘরের কোণে জ্বলতে থাকা সন্ধ্যা কুপি উত্তরের জানালার ফাকে জোনাক পোকার আলো ছাতিম গাছের ডালে বসা লক্ষ্মীপেঁচার…

আরো পড়ুন

শিহরিত ক্ষণ সালমা আক্তার মুন, কি? ভাবছো হাত বাড়াবে না? মন ছুঁতে হাত মেলে ধরতে হয় কে বলেছে? মন ছুঁতে কোন এক শিহরিত ক্ষণ যথেষ্ট, তরুণ আপ্লুত ক্ষণ নীল জ্যোৎস্নার মতই, অতি সহজে মনের আঙিনায় গলে গলে পড়ে, চুপসে নেয় ভালোলাগা, ছুঁয়ে থাকে, যুগ যুগ ধরে! কী? ভাবছো বড্ড ব্যস্ত তুমি? দেখার গন্ধ যখন নেশার মতন টানে, তখনও কি বলবে প্রেমের চেয়ে বড় নেশা ধরনীতে দ্বিতীয়টা আছে? নেশার টানে হৃদয় ভুলেই যায় ব্যস্ততা, হ্যাঁ, এবার শোন সত্য, তুমি ভালোই বাসো না, মোহের কাছে হেরেছো, তাই তো প্রেমের নেশা বোঝ না, অতৃপ্ত হৃদয়টা কি চায় তাই খোঁজ না, এরচেয়ে বড় অভাগা…

আরো পড়ুন

“আমার মা” অনুপ্রভা বড়ুয়া লীনা আমি যত দূরেই যাই চলে, আমি বুঝব না কিছুই, তবু, তুমি তোমার নাড়ির টান তো পাবে টের। সে যন্ত্রনাতে ছটফটিয়ে মরলেও তুমি বুঝতে দেবে না! জানি, অভিশাপও বেরবে না ঠোঁট থেকে… কত বেলা লুকিয়ে লুকিয়ে ছিল মেঘের আড়ালে, না সেজে-সেজেই তোমার সাদা হয়ে এল চুল… তোমায় এখন কব্জা করেছে ব্যাধি, প্রতারনা করে দৃষ্টি… তবু তোমার হিসেবে – আমার বয়স বাড়েনি এতটুকু! কত জ্বরের জলপট্টির হিসেব কি আমার মনে আছে? পরীক্ষার ঘুমহীন রাতের পর মুখে খাবার যোগানো সকাল… নিজের সুখের বদলে আমার নতুন জামা, বা প্রতিদিন জোরজবস্তি আর একটু বেশি ভাত! এসবের হিসেব লিখে রাখিনি আমি,…

আরো পড়ুন

ক্ষমা আমি চাই মোঃ আলমগীর হোসেন মানুষ হইয়া অমানুষ হইলে কেনো তুমি নিজে সম্পদ ঘরে নিলে অন্যের সম্পদ কাড়ি। ধনে মানে গুণে ভাবছো বড় হইছো তুমি তোমার সম্পদ লোটে পুটে খাবে অন্যে যানি। যে কাজ করছো তুমি স্মৃতি হবে ভাই মরে গেলে খালি হাতে একা যাবে তাই। গরিব লোকের সম্পদ নিলে চালাকি করে কি জবাব দিবে তুমি দয়ালের কাছে গিয়ে। অসৎ পথে কামাই করে সম্পদ করা যায় সেই সম্পদে মান সম্মান সব নিয়া যায় এপারে সেপারে তোমার চলা হবে দায়। জ্ঞনের বিচার শক্তির বিচার করবেন মালিক সাঁই। ভয় করে কি জবাব দেবো দয়ালের ঠাঁই আমি যে মহা পাপি খুঁজে তাহা…

আরো পড়ুন