তুমি-২ বেদুইন পথিক তুমি কেমন যেন তোমাকে ঠিক বুঝতে পারিনা আজও। যে তোমাকে ভালোবাসার ছলে তোমার কপালে চুনকালি মাখে, তবুও তুমি তাকেই ভালোবাস। আর আহ্লাদে বলো, “এত্ত সুন্দর টিপ!” আমিতো চেয়েছিলাম তোমার নিদাগ ললাটের জমিন জুড়ে উষ্ণ চুম্বনে চুম্বনে বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম চিত্রকলার সাধনা করতে। তোমার গলায় বয়ে বেড়াচ্ছ যে মালা, জানো ওটা কি? ওটা একটা আধুনিক শিকল। সীমান্তের কাঁটাতারের মতো অমানবিক। অথচ ওটাকেই কিনা সৌন্দর্য্যবর্ধক বলছো তুমি! যে পরাবে ওটা, তুমি হবে তার (অবশ্য হতেই হবে) গৃহপালিত প্রাণী কিংবা অনুগ্রহে আশ্রিত কৃতদাসী। তোমার স্বাধীনতার চেতনাগুলো ওতে ঝুলবে নিষ্প্রাণ ফেলানির মত । তুমি যে কেমন? দেখনা আমায়? আমি তোমার হৃদয়ের কাঁটাতারে…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
পুরুষ কভু নয়কো বেহুঁশ [ পুষ্পেন রায় ] তারিখ: ২৭.১২.২০২২ বলতে পারো – যে মানুষটা মাথার ছাতা সে-যে হলো পুরুষ তবুও কেন দাম নাই তার নারীর চোখে বেহুঁশ? পরিবারের অন্ন যোগায় সেও যে হলো পুরুষ উঠতে-বসতে তাকেই নিন্দা সহিবে কোন মানুষ? নিজের কষ্ট নিজেই সহে সেও যে হলো পুরুষ ঘরের নারীর প্যানপ্যানানি বানায় তাকেই বেহুঁশ। কভু তার কান্না পেলে অন্যের কাছে লুকিয়ে যায় শ্রেষ্ঠ মানুষ তাকেই বলে সর্বজনেও পুরুষ কয়। এই সমাজে এমন পুরুষ আছেও ভুরিভুরি লোকলজ্জার ভয়ে যে তারা চলে চুরি-চুরি। নির্যাতিত হয়ও তারা ঘরের নারীর কাছে তবুও তারা মুখ খোলে না নারী অবুঝ বুঝে। তাইতো বলি – নারী-পুরুষ…
প্রিয় আজ সন্ধ্যায় জান্নাতুল ফেরদৌস 27 12 2022 আজ সন্ধ্যায় আমি তোমার অপেক্ষায় ছিলাম তুমি আসবে বলে। আজ ঝিরিঝির হিমেল হাওয়ায় বাতাসে লাল শাড়িতে অপেক্ষায়। তুমি নীল শার্টে আসবে জানো আজ নীল আকাশে। দুটি তারা উজ্জ্বল হয়ে জ্বলছে আর বারবার তোমায় মনে পড়ছে। কেন মনে হয় তুমি বলছো আমায় ভালোবাসো। ভালোবাসা ভালোবাসা হৃদয়ে জীবন জুয়ারে ভাসছে। আজ সন্ধ্যায় আমি তোমার অপেক্ষায় তুমি আমি কাছাকাছি। কেন দূরে যাও তোমায় ছেড়ে যাবো না আমি। আমি তোমার হৃদয়ের রঙিন হতে চাই। রঙিন ঘুড়ি উড়াবো বলে রোজ অপেক্ষা। আজ চলো না সুখেরই সাগরে ভেসে ভেসে দুজনই একাকার হয়। নীল আকাশে ভেসে ভেসে এক হতে…
বাঙালির অর্জন মেহেদী সালাউদ্দীন (২৭/১২/২২) যুদ্ধের ন’টা মাস বীভৎস সে গল্প অনেক ছড়া কবিতায় উঠে এলো অল্প। স্বাধীনতা স্বাধীনতা আহা! কত সুখ সুখ! এক পতাকার মাঝে লুকানো যে কত মুখ! স্বাধীনতা বাঙালির অনেক বড় অর্জন, অন্যায়ে থেমে থাকা নয় ছাড়তে হবে গর্জন। স্বাধীনতার সুফল পেতে অন্যায় করো বর্জন।
সুপ্রভাত এই গল্পের কাহিনিকাল ও চরিত্রসমূহ গত শতাব্দীর আশির দশকের। ট্রেনটি যখন লাহিড়ী মোহনপুর এসে পৌঁছে তখন শেষ বিকাল। একটুপর সূর্য ডুবে যাবে। আশ্বিন মাস। তখনও বন্যার পানি মাঠে খালে বিলে নদীতে থৈথৈ করছে। বাড়িতে যাওয়ার অন্য কোন পথ নেই। মতিন স্টেশনের অদূরে ঘাট থেকে একটি ছোট নৌকায় করে তার গ্রামের বাড়ি কৈবর্তগাঁতী রওনা হলেন। আবদুল মতিন চাকরি করে ঢাকার লালবাগে একটি এ্যালুমেনিয়াম কারখানায়। সে ঐ কারখানার একজন ফোরম্যান । ছুটিছাটা খুব কম পায়। বছরে এক দুইবার বাড়ি আসে। এবার সে বাড়ি আসছে তার স্ত্রীর অসুখের খবর পেয়ে। শেষ বিকালের আবছা আলোয় নৌকাটি চলতে থাকে ছলাৎছলাৎ করে। ভরা জলের মাঠ…
তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়? শিল্পী -আব্দুল জব্বার কথা -ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান সুর – সত্য সাহা ******************** তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়? দুঃখের দহনে, করুন রোদনে, তিলে তিলে তার ক্ষয়। আমি তো দেখেছি কত যে স্বপ্ন মুকুলেই ঝরে যায়। শুকনো পাতার মর্মরে বাজে কত সুর বেদনায়। আকাশে বাতাসে নিষ্ফল আশা হাহাকার হয়ে রয়। প্রতিদিন কত খবর আসে যে কাগজের পাতা ভরে, জীবন পাতার অনেক খবর রয়ে যায় অগোচরে। কেউ তো জানে না প্রাণের আকুতি বারে বারে সে কি চায়। স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়। ধরণীর বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।
স্বাধীনতায় শহীদদের ঋণ ।এস এম শহীদুল্লাহ সরকার। এই বাংলার স্বাধীনতায় একদিন, দিয়েছে যারা প্রাণ, ইতিহাসে তারা স্মরণীয় আজ, গাই তাহাদের গান। এই বাংলার স্বাধীনতায় গেছে, হাজার মায়ের ছেলে, দেশের জন্যে দিয়েছে জীবন, ফিরে নাই মায়ের কোলে। স্বাধীনতার তরে হয়েছে শহীদ, করে নাই কভু ভয়, আত্ম ত্যাগের বিনিময়ে তারা, স্বাধীনতার করে জয়। এই বাংলা স্বাধীনতায় যায় ; লাখো বাঙালির প্রাণ, পরাধীন দেশ করেছে স্বাধীন, এনেছে দেশের মান। এই বাংলার আকাশে বাতাসে , স্বাধীন পতাকা উড়ে, স্বাধীন বাংলার স্বাধীনতার সুখ, বাংলার ঘরে ঘরে। ঐ বাংলার আকাশে বাতাসে, নেই হাহাকার ধ্বনি, ঐ বাংলার স্বাধীনতায় মোরা, জয়ের ধ্বনি শোনি। স্বাধীন বাংলার মুক্তাকাশে, রাঙা রবি…
নাজিম হেলাল প্রাণ সঁপেছি তারে গোলাপ জানে না তার গাঁয়ে কত কাঁটা প্রেমিক জানে কি তার মনে কত জ্বালা সবাই তো জানতে চায় ভালোবাসার কালার জানে তো সেজন হায় হৃদয় পুড়েছে যাহার!! প্রেম পাখি উড়ে যায় শূন্যে নিয়ে চিঠি তাপ মগ্ন হলে প্রেম অনলে যায় পুড়ি বুঝি না প্রেমের ভাষা অনাড়ী ধরণ মনির খোঁজে মিলে কি সর্পের দংশন!! প্রেমে সুখ নাহি মিলে বিরহতে দহন মেঘে কান্না জমে থাকে বুকেতে রোদন পাহাড় কেঁদে চৌচির হয় ঝর্ণা হয়ে নামে তার বুকেতে অশ্রু মোর বৃষ্টি হয়ে ঝরে!! অন্ধ আমি তার প্রেমেতে দেখেও দেখি না তার ছোঁয়াতে ফাগুন আসে ফুটে পুষ্প বিছানা এই পৃথিবীর…
ধর্মের নামে রাজনীতি এস কে বান্টি ইবলিশের মাথায় রুমাল সাজিয়ে, আজকে শান্তি পাবে না মুসলমান। রামের বেসে থাকলেও নেতা, ধরা পড়বে ঠিকই রাবন। রাজনীতির ওই পাশা খেলায়, ইঁদুর বিড়ালের চলছে খেলা। নেতা মিশে ধর্মান্ধদের সাথে, সাধারণ মানুষের কাটছে গলা। কর্ম-সংস্থানের কথা ছেড়ে, নেতা, ধর্মস্থানে করে মামলা। দেশে সাম্প্রদায়িকের গোল বাঁধিয়ে, গদি, মিডিয়াকে বলে, তোরা সামলা। ভাতা-জীবিদের ভাতার হয়েছে, আজকে মহান দেশের সরকার। বেতনভুক্ত গুন্ডা,পুষে দাঙ্গা বাঁধায়, দেশের জনগণের শান্তির নেই দরকার। অনেক হয়েছে এবার থামাও, দেশে রাম রহিমের লড়াইটা। কবিরা আজকে সজাগ হয়েছে, কলম নিয়ে, দেশে ফিরাবে ঐক্যটা। _______________ Sk Banty, Kolkata 25/12/2022
ডিমের তেভাগা। । শিরীন আকতার বানী । একদিন দেখো ঠিকই আমি আস্ত ডিমের ভাজা, খাবোই খাবো তারিয়ে তারিয়ে করে সেইরকম মজা। ভায়ের সাথে ভাগ হবে না কোনো সেদিন ডিমের পেটে চলবে না আর মায়ের হাতের খুন্তি ছুরি। আমি খাবো মন ভরে, পুরোই একটা ভাজা ডিম। ভাবছো তুমি কি আর এমন ডিম খাওয়া কি আছে বারণ? নয়কো বারণ কোনো। শুধু ভাগে ভাগে তেভাগাতে ছোটো থেকে ছোট্ট যে হয় হিসাব, আমিই দেখো বড় হয়ে খাবোই খাবো একটা ডিমের পুরো, মা তো আর আসবে না আবার করতে ভাগ, কেন যে মা একটা ডিমের করতো তেভাগা! বড় হয়ে বুঝলাম শেষে আসল হিসাব মায়ের মনে ডিমের…
