অর্বাচীন রেজাউদ্দিন স্টালিন দিনকে তিনি রাত্রি বলেন রাতকে বলেন দিন, ভারতকে কন আমেরিকা রাশিয়াকে চিন। পাথর নাকি পানি এবং বালির ফেনা বায়ু, পিঁপড়া খেলে মানুষ পাবে কচ্ছপের আায়ু। চাঁদকে বলেন বৃক্ষ এবং সূর্যকে কন ছাতা, আকাশ নাকি কাব্য লেখার মস্ত বড় খাতা। তারাগুলো কাদামাটি ধূমকেতু বাজপাখি, বজ্রপাতের গুহায় করে সিংহ ডাকাডাকি। বৃষ্টি নাকি চোখের পানি ব্যাঙের ছোটো নাতি, শিল পড়লে বুঝতে হবে থুথু ফেলছে হাতি। সাগর নাকি মৌমাছিদের গুপ্তধনের গুহা, ভূমিকম্প হনুমানের হুঙ্কার এবং হুহা। স্বর্গ নরক কোথায় থাকে অন্য কোথাও নাই, এসব নাকি বাড়ির পাশে দিগন্তে জন্মায়। বলেন তিনি যুদ্ধ করে ধূর্ত রাসপুটিন, এসব শুনে কানাঘুষা লোকটা অর্বাচীন।
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
হে প্রভু! দাও ক্ষমা করি সুরাইয়া নাসরিন ০৩|০৪|২০২৩ইং আমার এ দেহ তৈরী মাটি আর জলে, আমি ভুলিলাম তাহা দুনিয়ার মোহে। মৃত্যু সুনিশ্চিত জেনেও, করি যতসব বাহাদুরী। তুমি দিলে বিশাল আকাশ, মাথার ছাউনি করে; আমি বোকা , থাকি ইট, বালি পাথরের দেয়ালের আড়ালে। তুমি দিয়েছো অপার প্রকৃতি; তাতে ভরপুর ফুল, ফল , দিলে অগাধ খাদ্য সামগ্রী। আমি কি বুঝিয়া করি মজুদ, তোমার দেয়া আহার; রাখি অন্যেরে অনাহারী, প্রভু তুমি দাও মাফ করি। তোমায় ভুলে হলাম পাপাচারী, আমি হয়েছি অত্যাচারী। তুমি দয়ালু, ক্ষমাশীল প্রভু; আমার যতসব অবুঝ পাগলামি, ভুল-ভ্রান্তি ; তুমি দাও মোর সব পাপ ক্ষমা করি। আমি বার বার যায় ভুলি;…
দুঃস্বপ্ন – লিয়া শারমিন হক রাত তিনটা৷ শম্পার ঘুম ভেঙে গিয়েছে৷ তারপর থেকেই অস্থির লাগছে৷ শুয়ে থাকতে পারছেনা৷ কে যেন ওর গলা চিপে ধরে আছে? ও দেখতে পাচ্ছে।কালো লিকলিকে দুটি হাত।ঝাঁটার কাঠির মতন সরু নখ।শম্পার গলার মাংসে ঢুকিয়ে দিয়েছে।শম্পা কথা বলতে পারছেনা।গলা থেকে শুধু গোঁ গোঁ আওয়াজ করছে।এপাশ ওপাশ করে ছাড়ানোর চেষ্টা করলো কিন্তু কিছুতেই পারছে না।ওর চোখ জবা ফুলের মতন লাল হয়ে গিয়েছে।জিহ্বাও বেরিয়ে গিয়েছে দু আঙ্গুল। আরেকটু হলেই জান টা বেরিয়ে যাবে।এমন অবস্থা।হঠাৎ শম্পার মনে হলো হাত দুটি মিলিয়ে যাচ্ছে।হু হু করে কাঁদছে।তারপর ঝাপসা হতে হতে মিলিয়ে গেলো।খাটের পেছনে তারপর জানালা দিয়ে।ও দিকে একটি পুরনো কাঁঠাল গাছ আছে।আর…
আগুনেই পরাজয় মোহাম্মদ শাহানুর ইসলাম স্বরবৃত্ত (৪+৪+৪+১/২) ০৬.০৬.২২ আগুন জ্বলে ডিপোয়-ডিপোয় আগুন দোকানপাটে আগুন জ্বলে কারখানাতে আগুন নদীর ঘাটে। ভূমিদস্যু-জলদস্যু একেক অগ্নিগোলা আগুন নিয়ে করছে খেলা যায় ক্যামনে ভোলা! বাজার জুড়ে আগুন জ্বলে আগুনে পাঠশালা শিক্ষাঙ্গনের প্রধান হলেন রাজনীতিকের শালা। রাজনীতিতে আগুন জ্বলে আগুন বউয়ের বুকে পুরো দেশটা আগ্নেগিরি– শিয়াল গর্তে ঢুকে। আগুন জ্বলে বনের ভেতর আগুন ব্যাংকিং খাতে আগুন জ্বলে মনের ভেতর সকাল-বিকাল-রাতে। আগুন জ্বলে মাছের বাজার আগুন ধানের খেতে আগুন দেখি ঢাকাই ফিল্মে, রিয়েলিটি শো’তে। আগুন জ্বলে মেয়ের বাবার পুরো মাথা জুড়ে শ্যামের বাঁশি কে যে বাজায় এতো করুণ সুরে! আগুন গর্ভে স্বর্ণ বাজার মায়ের গর্ভে ছেলে হাসপাতালে…
“আমাদের পাঠাগার” এর স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত: গত ২৬ মার্চ ২০২৩ রবিবার বাদ আসর নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের খেঁজুরগাছ তলা/তেমুহনীতে অবস্থিত “আমাদের পাঠাগার” এর কার্যালয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বেশ কিছু লেখক, পাঠক ও সাহিত্য অনুরাগী। মোহাম্মদ খোয়াজ আহমেদ এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন: ইলিয়াস আহমেদ, বাহার মিয়া, আলমগীর, সুজন, কবি ও কলামিস্ট আবুল খায়ের ও আরো অনেকে। “আমাদের পাঠাগার” এর প্রতিষ্ঠাতা বাস্তববাদী কবি আবুল খায়ের বলেন: এখন থেকে এলাকার গণ মানুষের সব ধরণের উন্নয়নে আমাদের পাঠাগার ভূমিকা রাখবে। গরিব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যে থাকবে “মেধা…
আমি কবি নই লাভলী হোম আমি কবি নই আমি জল ভরা মেঘ আমি ভিনদেশী হাওয়ায় ভেসে আসা বৃষ্টি। আমি কবি নই আমি বাকহীন বধির মুখ যেন হাজার কথা জমা আমার হৃদয়ে। আমি কবি নই আমার কলম লেখে শত যুদ্ধের কথা ক্লান্ত হয়ে বসে পড়ে তবু লেখে। আমি কবি নই আমার ছোট্ট মগজে হাজার প্রশ্ন বের হয়ে আসে মাঝে মাঝে অনুমতিহীন। পৃথিবীর সমস্ত দায়িত্ব যেন আমার- কারো চালচুলা নেই প্রেমিক মন কারো কারো উদাসী অবেলায় যুদ্ধ দামামা অথবা সীমাহীন ঝড়ো হাওয়ায় ঘর ভাঙা.. কত আর লিখবো আমি কলমেরও যেন নেই বিরতি। আমি কি তবে কবি? তাই কি আজও তোমাদের এই মঞ্চে…
“মনের যন্ত্রণা” রাবেয়া আহমেদ চামেলী একাকীত্ব হচ্ছে জীবনের চলমান নির্জনতা। যারা এই কষ্টের মধ্যে নিজেেকে অতি বাহিত করছে। তারাই শুধু মনের গহিনে অশ্রু ঝড়াচ্ছে নিঃসঙ্গতা মনকে ব্যথার সাগরে ঘুরাচ্ছে। বলে দাও আমরা কোথায় গেলে শান্তি পাবো তুমি আমি সবাই একই অনুভবের সাক্ষী যন্ত্রনা, কষ্ট, সহিষ্ণুতা সবই যেন আমাদের অনুভবে পথের যাত্রী। এই ভাবনায় কেউ নেই সাথী তাই তো জীবনের আলো নিভে যাচ্ছে। মনের গহিনে এক কষ্টের ঝড় বইছে। সব সময় কিভাবে মনটায় বাঁধনে রাখছে। ছিন্ন বিনা কি আজ ও বেজে উঠছে। অনেকের জীবনের যবনিকাপাত হওয়ার আগেই মন থেকে দূরে হারিয়ে যাচ্ছে। তবুও বলবো মনের নিঃসঙ্গতা, নীরবতা কাটিয়ে চলমান গতিধারার পথে…
সময়ের কাটা মোসাঃ উম্মে জহুরা সময়ের কাটা টা বড্ড বেদনার কখনো কাদায়,কখনো হাসায় কখনো পরম আনন্দে কাটায়। কখনো ভাবায়, কখনো অন্তর ফাটায়। কাটার খোচায় খচ খচ করে শব্দ ফাটায় অবিরাম।। নিয়ম নীতি করে চলমান জীবন যাপন হয়না কখনো চলা তবুওতো জীবন থেমে থাকে না কারোর জন্য কাটার মতো চলতে থাকে….. থেমে থেমে চলা এ বড়ো বেদনাদায়ক কষ্ট দায়ক, সব কথা হয় না বলা তবুও জীবন কাটার মতো চলা।। জীবন খাতার শূন্য হিসাব টুকু আর নাইবা হলো করা। থাকনা এভাবেই চলুক না। হঠাৎ থমকে যাবে জীবনের কাটা তাতে কার বা কি আসে যাবে।।
সুবাসিত চন্দন কাঠের আদর্শ। ।। শেখর সিরাজ।। কোথায় গেলে পাইবো ভাতের নিশ্চয়তা? কোথায় গেলে পাওয়া যাইবে পাখিদের মতো ঘুমের অভয়ারণ্য? ভাতের নিশ্চয়তা আর ঘুমের নিরাপত্তা আমার মতো ছাপোষা গরীব মানুষের ব্যাংক ব্যালেন্স। পাখি হইয়া জন্মাইলে চিন্তা ছিল না ভাত ও ঘুমের। মানুষ হইয়া জন্মাইয়া পড়ছি বিপাকে, চার আঙ্গুলের কপালে খালি পড়ে চিন্তার ভাঁজ। দিন যায় শরীর চামড়ার বলিরেখা স্বচ্ছ জলের মতো স্পষ্ট হতে থাকে। স্পষ্ট হতে থাকে ফাল্গুন মাসের আগুন জ্বালানো বাজার দরের উত্তাপ। সবজি, আলু, পটলের দামের সাথে মিলাইতে পারি না পকেটের হিসাব, মিলে নাই কোনোদিন তেল আর জলের দ্রবণ- পানকৌড়ি পাখির মতো ডুব সাঁতার দিয়ে শূন্য হাতে ফিরে…
সময়ের খেয়া যুথিকা বড়ুয়া ভোরে শিশির স্নানে মগ্ন থাকে পাতা মানুষ থাকে অশ্রুস্নানে লয়ে হ্রদয়ের যতো ব্যথা। রোদ এসে ঢেলে দ্যায় অখন্ড মায়া কোনোখানে জ্বলে আলো আর কোনোখানে ছায়া। হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির মাঝে রঙ্গীন স্বপ্নগুলো আজও চোখে ভাসে খুঁজি ফিরি চাহিবারে তারে গভীর রাতে যখন নিঝুম নীরবতা আমার কাছে আসে থাকলে কাছে অনাদর ও অবহেলা একটু দূরে গেলেই যতো হৈ চৈ আবার জোকের মতোও কামড়ে ধরার মানুষ অনেক কিন্তু স্নেহ দিয়ে বুকে আগলে রাখার মানুষ কোথাও নেই। দিন আসে দিন চলে যায় সময়ের স্রোতে কত কিছু যে হারায় শুধু রয়ে যায় তার স্মৃতি গেথে রয় হ্রদয় নামক ফ্রেমে তার অনুভূতি…
