সাম্যের ডাক খায়রুল ইসলাম মামুন আজ ভিজে যায় ডায়রির পাতা ঝরে পড়া আাঁখি জলে। এ যেন মৃত্যূর প্রতিযোগিতা এক অথবা বেঁচে যাওয়া ভাগ্যবলে। এখানে ওখানে লাশ আর লাশ আধমরা মানব দেহ। হাশরের মাঠ পৃথিবী আজিকে মনে হয় কারো নয় কেহ। মানবতা যখন ডুকরে কেঁদেছে চেয়েছে পরিত্রাণ উপহাস করে তাড়িয়ে দিয়েছো দুয়ারের ভগবান। কেন তবে আজ তাহার কাছে ক্ষমা চাও অহর্নিশ? কেনইবা তারে বিরক্ত কর অযথা করিয়া কুর্ণিশ। যাও ফিরে যাও মানুষের কাছে যাহারা গরীব দ্বীন। ফিরিয়ে দাও তাদের অধিকার শোধ করে দাও যত ঋণ। এসেছে ‘করোনা’ আসিবে আরো ঠেকাবে কী দিয়ে? তোমাদের দীপ অতি দূর্বল নেভাবে শ’তান ফুঁ দিয়ে। মন্দিরে…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ ৭১, রংপুর জেলা কমিটি গঠন: সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ ৭১, রংপুর জেলা শাখা কমিটি গঠিত। সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহাদাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মুকুল। কমিটির অন্য সদস্যগণ- সহসভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোজাফ্ফর হোসেন চাঁদ, বীরমুক্তিযোদ্ধা সুশান্ত চন্দ্র খান, মনোয়ারা বেগম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. শাহ সুলতান তালুকদার, মোতাব্বের হোসেন টমাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা সাকিল, কোষাধ্যক্ষ এএসএম হাবিবুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক বীথি রানী সরকার, আইন বিষয়ক সম্পাদক সাহিনা সুলতানা, প্রচার সম্পাদক রেজাউল করিম জীবন, সহপ্রচার সম্পাদক লাবনী ইয়াসমীন লুনি, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হাসনা চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রেজিনা সাফরিন, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক রবীন জাকারিয়া, সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক নীল…
ভালোবাসার গহীনে তসলিমা হাসান তুমি- আমি অভিন্ন সত্তা মতের মিল কিংবা অমিল সেটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া! অহেতুক উপচে পড়া জলেই যতই হোক অনাসৃষ্টি। বন্যার আশঙ্কায় ক্রমশ জল বৃদ্ধি! কুলহারা মানুষগুলো আশ্রয় খোঁজে নিরাপদ আধারে। আমিও তেমনি আশ্রয় খুঁজি তোমার ভালোবাসার গহীনে! যা আমার বসত ভিটা। তসলিমা হাসান কানাডা, ০১-০৪-২০২৩
ভাবনাটা কি বাড়াবাড়ি রহিমা আক্তার লিলি কি যেন এক আশঙ্কাতে হৃদয় পোড়ে মিছেমিছি। তুমি আছো,আমি আছি, তারপরেও কী যেন নেই! কাছাকাছি। প্রেম আছেতো! যেমন ছিল পাশাপাশি? ভালোবাসা! তবে কেনো চোখের কোণে বৃষ্টি নামে হরহামেশা! অন্ধকারে বসে থাকি শুধু শুধু মুখোমুখি, হয় কি দেখা! হৃদয় খুলে চোখোচুখি! ঘুণ পোকাটা মাথার ভেতর করছে কি যে কাটাকাটি, রাতারাতি বাড়ছে কেমন ভিন্ন পথে হাঁটাহাঁটি। দূরত্বটা বাড়লো নাকি তাড়াতাড়ি! ভাবনাটা কি বড্ড বেশি বাড়াবাড়ি?
বই পড়া আবদুল খালেক বই পড়া শুরু আমার ছোটো বেলা হতে ছাড়তে পারিনি তা আজও কোনোমতে। পাঠ্যবই ফেলে রেখে পড়তাম গল্পের বই রাগ করেনি কেউ, কারণ ক্লাসে প্রথম হই। উপন্যাস পড়া শুরু সেই ছোটো বেলায় পাঠ্যবই পড়া শেষ করতাম অবহেলায়। হাই স্কুলে উঠে পড়ি বিশ্ব সাহিত্যের বই পথের পাঁচালী পড়ে বইয়ের ভক্ত হই। আরণ্যক, দৃষ্টি প্রদীপ, আরও কত পড়া মাসুদ রানাও বাদ যায়নি পড়ে শেষ করা। চোখের বালি, দত্তা, মহাযুদ্ধের ঘোড়া মানিক, আশুতোষ, নিমাই, থোড়া থোড়া। নন্দিত নরকে পড়ে হুমায়ূন আহমেদ শুরু তিনি তখন ছিলেন আমার ভার্সিটির গুরু। হিমু ও মিসির আলি পড়ে শেষ করি তারপর পড়া ছেড়ে লেখায় কলম…
ফিরে আসা জেরিন বিনতে জয়নাল আমি চাতকের ন্যায় অপেক্ষায় ছিলাম, তুমি বৃষ্টি হয়ে ভিজিয়ে দিলে। আমি গান শোনানোর আবদার করলাম তুমি টিনের চালে সুর তুললে। আধারের মাঝে উজ্জ্বল আকাশ দেখতে চাইলাম তুমি বজ্র হয়ে জ্বলে উঠলে। আমি বিষন্ন হয়ে বসেছিলাম, তুমি প্রকৃতিকে জাগিয়ে তুললে। আমি শহুরে কোলাহলে বিরক্ত তুমি সেই কোলাহল থামিয়ে দিলে। আমি কিছুক্ষণ একা থাকতে চেয়েছিলাম তুমি সব হতাশাকে দূরে ঠেলে দিলে। আমি ক্লান্ত চোখে আকাশ পানে চাইলাম তুমি স্নিগ্ধ পবনে ক্লান্তি দূর করলে। আমি এক মুঠো ভালোবাসার কথা বললাম তুমি মুচকি হেসে অন্য পথে চললে। পিছন ফিরে আমায় তুমি বললে, ভয় নেই, ফিরে আসবো আবার মনে পড়লে।
মাগো আমার মন বসে না মনির চৌধুরী মাগো আমার মন বসে না পাঠশালার ঐ পাঠে, মন ছুটে যায় সবুজ-শ্যামল ধান কাউনের মাঠে। গাছ-গাছালি তরুলতার শীতল ছায়ার আড়ে, সাদা সাদা কাশফুলের ঐ ভৈরব নদীর পাড়ে। ইচ্ছে করে বানের জলে ভাসায় কলার ভেলা, খেলার ছলে নদীর বুকে কাটিয়ে দিই বেলা। স্বপ্ন ঘুড়ির পাখায় চড়ে দেশ-বিদেশে ঘুরি, পাখির মত ডানা মেলে নীল আকাশে উড়ি। বিলে-ঝিলে রাশি রাশি শাপলা হয়ে ফুটি, মৌ-পাপিয়ার মতো করে ফুলের মধু লুটি। বাউল বেশে সুরকে ধরি সবুজ বনের বাঁকে, কোকিল হয়ে লুকিয়ে থাকি সবুজ পাতার ফাঁকে। ঠিকানাঃ দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা
“তোমার সাথে” (ফারজানা আহমেদ) (১) এক বিকেলে তোমার কাছে,মাটির ভাড়ের চায়ের সাথে নিবিড় চোখে হেসে গেয়ে ভালোবেসে মাটির পথে ছায়া ঘেরা সবুজ গাঁয়ের, ছোট্ট নদীর পাড়টি ধরে রঙ বেরঙের ফুলের সাথে, ফাল্গুনের হাওয়া দোলে। (২) আমি তোমার বন্ধু হবো এক বিকেলে চা খাওয়াবো নিঝুম রাতে গল্প বলে তোমার সাথে চাঁদের আলোয় স্বপ্ন বুনে,তাঁরা গুণে কাঠিয়ে দেবো। (৩) তোমার সাথে হেসে খেলে তোমার সাথে দুঃখ কষ্টে জীবন যদি তোমার সাথেই কাটিয়ে দিতে ইচ্ছে জাগে। (৪) নিবিড় চোখে স্বপ্ন দেখে তোমার গালের টোলের সাথে মিশে আছি উর্বর ভূমির কাছে স্বপ্ন দেখি তোমার সাথে। ______________ “তোমার সাথে ” ফারজানা আহমেদ ৩০/০৩/২৩
শেষ সম্বল মনির চৌধুরী ঋতুরাজ বসন্ত রূপসী বাংলায় ফিরে আসলে আবিরের মনটা যেন ভীষণ খারাপ হয়ে যায়। প্রকৃতি যখন কৃষ্ণচূড়া ফুল আর সবুজ পাতার রঙে সাজে, তখন বাবা-মা আজ কোথায়? আবিরের মনে বাববার এই প্রশ্ন জানান দেয়। কেননা, ফাল্গুনের প্রথম সপ্তাহে তার বাবা-মাকে চিরতরে হারাতে হয়েছিল। যার কারণে সেদিন থেকে বাবা-মায়ের অবর্তমানে তার জীবনে সবকিছু যেন ওলোটপালোট হয়ে গেছে। উচ্চ ডিগ্রী অর্জন করার যে স্বপ্ন আবির দেখেছিল, তার সেই স্বপ্ন অভাবের তাড়নায় মাটি হয়ে গেছে। অষ্টম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়ার পরপরই চিরদিনের জন্য শেষ হয়ে গেছে তার শিক্ষাজীবন। এ-ছাড়া বাবার রেখে যাওয়া মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসাবে একখণ্ড ভিটে জমি ছিল, তাও…
কাল বৈশাখী বিজন বেপারী ঈশান কোণে কালো মেঘে যেই দিয়েছে ডাক, ছুটছে সবে আপন নীড়ে উড়ছে পাতিকাক। দমকা হাওয়ায় ধুলোবালি উড়িয়ে নিয়ে যায়, খোকা-খুকি ভয়ে ভয়ে বাহির পানে চায়। হালের বলদ কাঁদছে মাঠে ছুটছে চাষী ভাই, হাঁটুরে এক ছুটছে সেও কোথায় পাবে ঠাঁই? কাল বৈশাখী ঝড় তুফানে আসে বিপদ ডেকে, তাইতো বলি ধৈর্য রাখি সাবধানে ভাই থেকে।
