Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

শীতের দিনে ফারিহা ইয়াসমিন এমন শীতে কাঁপছে আকাশ কাঁপছে ভিটে মাটি, কোথায় পাবো কাঁথা কম্বল তোষক, মাদুর, পাটি। নেই সোয়েটার, গরম কাপড় ছেঁড়া জামা শাড়ি, পথের ধারে রেলের পাড়ে মোদের বসত বাড়ি। তোমরা যখন তৃপ্তি খুঁজো উষ্ণ চায়ের কাপে, আমরা তখন অশ্রু মুছি হাজার রকম চাপে। তোমরা থাকো আরাম করে গায়ে চাদর মুড়ে, আমরা বেড়াই ক্ষুদার জ্বালায় পথে ঘাটে ঘুরে। হয়না পুরণ কভু মোদের মনের স্বপ্ন আশা , পাইনা খুঁজে ধরার মাঝে স্নেহ ভালোবাসা। যদিও মোরা শ্রমিক কৃষক গরীব মজুর চাষি, বুকের ভিতর কষ্ট চেপে হৃদয় খুলে হাসি। অভাব দুঃখী মানুষ মোরা পথের ধুলোয় হাটি, দুঃখ কষ্টে গড়া জীবন নয়তো…

আরো পড়ুন

০১) প্রাগৈতিহাসিক নারী ঝাউ বনের আলো ছায়ায় যেদিন তোমাকে প্রথম দেখেছিলাম আবিস্কার করেছিলাম বুদ্ধের সৌম্য মুখের সেই হাসিমাখা মুখখানি; আমার হৃদয়ে বপন হয়েছিল ভালবাসা নামক এক স্বর্গীয় অনুভূতি, তুমি যেনো প্রাগৈতিহাসিক সেই নারী হৃদয়ে খোঁদাই হয়ে গেছে যে মুখ। ০২) কোথাও যাব না না কোথাও যাব না হাত বাড়ালেই যেখানে পাই তোমার স্পর্শ রয়ে যাবো সেখানেই। সংগোপনে আসা যাওয়া নিরব চোখে কথা বলা, তুমিময় অনন্ত সন্ধ্যা। নক্ষত্রের মেলা চাঁদের মায়াবী জোছনায় পাতা ঝরার মর্মর শব্দ, আলো আঁধারিতে মুখোমুখি দুজন তাই স্বেচ্ছায় মেনে নিলাম তোমার দেয়া আজীবন এ কারাদণ্ড।

আরো পড়ুন

প্রত‍্যাদেশ খায়রুল ইসলাম মামুন এমন আকাশ দেখাও- যেখানে কখনো মেঘ জমেনি, এমন নদী আছে কি কোনখানে- যার কখনো কূল ভাঙেনি? একটা সাগর খুঁজি চল একসাথে যার বুকে নেই ঢেউয়ের ক্রন্দন, একটা বিশাল পাহাড় দেখাও- যার বুকে নেই জলের নিঃসরণ। এমন তরু আছে কি কোথাও যার কখনো ঝরেনি পাতা? এমন মরু দেখেছ কি কভু যার বুকে উঠেনি বাত‍্যা? পাহাড় নদী মরুর মতো মানব হৃদয় মাঝে, জমবে মেঘ, উঠবে তুফান সকাল-সন্ধ‍্যা-সাঁঝে। তাই বলে কভু হটো না পিছু- সম্মুখে হও আগুয়ান, আঁধার কালো রাত পেরোলেই স্নিগ্ধ সুকুমার পাখি ডাকা বিহান।

আরো পড়ুন

নরসিংদী প্রতিনিধ: সাহিত্য ও সামাজিক “বিদ্যাবাড়ি” সংগঠনের আহবায়ক কমিটি গঠন: বিশুদ্ধ জ্ঞানে, সমৃদ্ধ জাতি এই স্লোগান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে “বিদ্যাবাড়ি” সংগঠনের নবগঠিত নয় সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। বিদ্যাবাড়ি আহবায়ক কমিটিতে যারা রয়েছেন- ১. বেলাল আহমেদ, আহবায়ক ও প্রভাষক হাজী আবেদ আলী কলেজ, নরসিংদী, ২. মোঃ নুরুল হক, যুগ্ম আহবায়ক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক ৩. জনাব মারুফ হোসেন, সদস্যসচিব ও প্রভাষক বাবুরহাট গ্রিনফিল্ড কলেজ, ৪. জনাব কামরুজ্জামান সরকার, যুগ্ম সদস্যসচিব প্রশিক্ষক, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আহবায়ক কমিটির অন্যান্য সদস্য যথাক্রমে ৫. সাথী সাহা টুপুর, সহকারী অধ্যাপক, ওএম স্টার্লিং গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি এবং…

আরো পড়ুন

বৃষ্টির ফোঁটায় দৃষ্টি নাচে মোহাম্মদ মিজান উদ্দীন সুন্দর শ্রাবণে হৃদয়ের তপ্তে, ঝিরিঝিরি শব্দে বৃষ্টি, অপলক তাকিয়ে বৃষ্টির গতি, ছন্দে নাচেরে দৃষ্টি। মেঘাচ্ছন্ন হাওয়া হৃদয়ে ফুটে, ভিরভির শব্দ সুর, শীতল বাতাসে অম্লান স্রোতে, মন চলছে বহুদূর। জানালার আড়ালে স্বপ্ন নীড়ে, কোটি ভাবনা গায়, আয়রে বৃষ্টি অতি আপন সৃষ্টি, অনন্য কাননে তাকায়। টুপটুপ ঝরছে বৃষ্টির ছন্দসুর, নীরবে চলছে ঢেউ, কথনে নিজের খেয়ালে রাগ, অনুরাগ জানে না কেউ। রুপে রুপানিত্ব প্রকৃতির অনুভব, টানছে ভীষণ কাছে, কেমন কিছু জাগিয়ে উঠে অথৈ, বৃষ্টির ফোঁটায় দৃষ্টি নাচে।

আরো পড়ুন

হারিয়ে যাওয়া এক বিখ্যাত পেশা- ভিস্তিওয়ালা : ইতিহাসে ভিস্তিওয়ালারা সুপরিচিত হয়ে আছে মুঘল সম্রাটের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন সেই সময় থেকে । চৌসার যুদ্ধে শের শাহের আক্রমণে ডুবতে বসা সম্রাট হুমায়ূনকে বাঁচিয়েছিল নাজিম নামের এক ভিস্তিওয়ালা, তখন সে সম্রাটকে চিনতে পারেনি, সম্রাট হুমায়ুন কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে ভিস্তিওয়ালকে ওয়াদা করেছিল তিনি ফিরে গিয়ে তাকে একদিনের সম্রাট বানাবেন । পরে সম্রাট ফিরে গিয়ে সত্যিই ভিস্তিওয়ালা নাজিমকে ডেকে ওয়াদা অনুসারে একদিনের জন্য ভারতবর্ষের সম্রাট করেন । বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত ঢাকার রাস্তায় ভিস্তিদের আনাগোনা ছিল । ঊনবিংশ শতাব্দীর ঢাকা শহরে ছিল সুপেয় পানীর বেশ অভাব । ভারতবর্ষের অন্য অঞ্চলের মতোই ঢাকায়ও খাবার পানির জন্য নির্ভর করতে…

আরো পড়ুন

গোধূলি বেলা রায়হানা আক্তার অনন্তের ত্রিসমাহারে বন্দি আমি, সেজেছে শূণ্য নতুনরূপে। তাহার গুণে আমি গুণান্বিত, তাইতো বলি আমি তাকে বহুরূপী। অনন্ত রাঙিয়ে আমায় হাসিয়ে আদিত্য হচ্ছে আড়াল দিনের হাসিল করতে। আমি মুগ্ধ হই রোজ মনের প্রশান্তি খুঁজতে দেখি অনন্তরই রূপ ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছে ভীষণ হতাম যদি পাখি। ঘুরে ঘুরে দেখেই যেতাম মায়াবী ওই আকাশপুরি। গগন তোমার বিশালতার হবে নাকো শেষ, একাকিত্বের অনুভূতিটা, লাগছে ভীষণ বেশ। মেঘগুলো সব যায় যে ভেসে, ইচ্ছে ছুঁয়ে দেখবো সুদূর পাহাড়ে গেলে জানি, মেঘের ছোঁয়া পাবো।

আরো পড়ুন

শব্দ সৈনিকের করুণ  অপেক্ষা দিলু রোকিবা ১০জুলাই,১৯৭১ সন। বর্ষায় সব কিছু পানিতে ভিজে গেছে, কিন্তু জীবন থেমে থাকার না। মনে মনে বুঝতে পারছে কমল সে সত্যিকার অর্থেই একজন প্রতিবাদী লড়াকু সৈনিক হয়ে উঠছে মনের অজান্তেই  সীমান্তের ওপারে পৌঁছানোর ঠিক শেষ মুহূর্তে কমল কেন যেন ফিরে আসতে চাইলো!! মনে কু ডেকে উঠছে কেন জানি! হঠাৎ মমতাময়ী  মার আকুতি ভরা  অনুরোধ এই পথে আসার বাঁধা ছিল ঐ মুহূর্তে। বড়ো আপুর শক্ত দুটি হাত দিয়ে কমলের দূটি হাত ধরে রেখেছিল,তুই যাসনে কমল। এমনিতেই বাবাকে হারানোর আতঙ্ক ও ভয়  ওকে প্রতিনিয়ত তাড়িত করছে। এই অদৃশ্য ভয়কে কমল আর বাড়িয়ে তুলতে চায়না কখনোই। একমাত্র ছোট্ট…

আরো পড়ুন

অনুভূতি ও আবেগের কথা তাসরীনা শিখা। আপনি কি কাউকে খুঁজছেন হৃদয়ে জমে থাকা আপনার আবেগ, অনুভূতি , ভালোলাগা- মন্দলাগা, ফেলে আসা জীবনের মধুর স্মৃতিগুলো মন উজাড় করে বলতে। বলতে বলতে ভারী মনটাকে হালকা করে তুলতে? পেয়েছেন কাউকে? না পাননি। পাবেনও না। কাকে বলবেন আপনার মনে জমে থাকা কথাগুলো ? ছেলে মেয়েকে? যাদের আপনি আদর যত্ন, ভালোবাসা দিয়ে বড় করেছেন। যাদের আবদার- সখ আহালাদ পুরন করেছেন খুশী মনে। অসুস্থ হলে সারারাত জেগে কাটিয়েছেন তাদের পাশে। যাদের বিভিন্ন পরীক্ষার সময় আপনি জায়নামাজ নিয়ে বসেছেন তাদের পরীক্ষা যেনো ভালো হয় সে দোয়া চেয়ে। যাদের পড়াশুনা শিখিয়ে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করেছেন নিজেদের অনেক…

আরো পড়ুন

কবিতার রঙমহল সাঈদা আজিজ চৌধুরী সৃজন আনন্দ জলদ মৃদঙ্গ প্রাণের তরুণ অরুণ রস আমার আগমন কবিতার রঙমহলে অনন্য শুভাশিস সন্চারিত সুরের বৈভব মহামৌনী অলৌকিক দৈবলোক উষ্ণ হৃদয় শব্দের তরঙ্গ উচ্ছ্বাস সৃজনের দিবালোক। ঝড়ের ঝাপটার মতো ঝন্জাবায়ূ শিল্পস্রষ্টা অনুজীব বনজ পুষ্প পল্লবে শৌখিন হরিণী কবিতার তৃষ্ণা অনুভব মহানন্দ কাব্যস্রোত সৃজন প্রলয় অনন্য কানন অলৌকিক প্রেমের ধাবমান চমক বাঙ্ময় অম্লান। শব্দের উল্লাসে প্রাগৈতিহাসিক আদি প্রেমের জয়গান কাব্যের দেহে ছন্দের নূপুর নৃত্যকলা পার্বত্য রমণী যেনো পরম আনন্দে পাহাড়ের গায় জুম চাষী নিটোল হরিণী রবীন্দ্র নজরুল জীবানন্দ জসীম উদ্দিন কবিতার তীর্থ ভূমি। চির যৌবনা গ্রন্থাবলী পূর্ণিমার শীতল স্রোতস্বিনী ওয়ার্ডস ওয়ার্থ মিল্টন বায়রন কীটস নীল…

আরো পড়ুন