Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

উল্কাপাত মন জান্নাতুল নাইম জানি, প্রায়ই ছায়াপথ হতে তারা খসে পড়ে। আবার ছায়াপথই (গ্যালাক্সি) ঝুলে থাকে সহস্র কোটি কোটি তারার সম্মেলন ধরে। আমি ছিঁটকে পড়েছি তোমার ছায়াপথ থেকে কিন্তু বুঝি মনস্তত্ত্বিকভাবে আমার অলীক অন্তরভুক্তি, আজো একান্তভাবে তোমাতে। মূলত দূরে এসে কাছে পেয়েছি আরো বেশি করে। বিরহ যেনো এক নেশার ওপিওয়েড ওষুধ যতই ভাবি তোমাকে ততোই গভীরে পাই খুব। করুণা, ভর্ৎসনা, অপমান বিদ্বেষের বন্ধন, স্বাধীনতা পেল বিচ্ছেদ বিরহের ক্রন্দনে, অনিন্দ্য অভিনন্দন! তবু বন্ধ হোক ঋণাত্বক ক্ষোভের কবি আখ্যান! যা ছিল কবিতা মিছিলে নিত্যদিনের বন্ধু উপাখ্যান! বলেছিলাম কাঁদতে পারবো যতদিন, জেনো পাবো তোমাকে আমার ই করে ততোদিন। দয়া করুণার আঁচর নিচে রেখোনা…

আরো পড়ুন

মনচোর র‍ৌনকা আফরুজ সরকার চোর খুঁজতে গিয়েছিলাম চাঁদে চাঁদ আমায় দেখে হেসে হেসে কাঁদে। স্বপ্নে উড়াই স্বপ্নের ছাই সেখানেও আমার মনচোর নাই। জানিনা কখন চুরি হয়ে গেছে মন, দেখেনি গগন, দেখিনি পবন। খুঁজি সকাল দুপুর সময়ের অনুতে রাতভোর কোথাও নাই মনচোর। চোর নেই ঘরের চালে নেই গাছের ডালে, চোর নেই নাওয়ের পালে নেই নৃত্যের তালে। চোর খুঁজি ফাগুনের ফুলে ভ্রমরের রঙিন চুলে, সবাই বলে আসেনিতো এ পথে পথ ভুলে। আকাশের মেঘ জানে না চোরের গতিবেগ চোর দেখেনি সূর্য গেছে বলে রৌদ্র। জলপরী বেয়ে তরী চোর খুঁজতে চলল মহাসাগরেও চোর নেই এইমাত্র খবর দিল। আমি ক্লান্ত আমি পরিশ্রান্ত চোর নেই কোনখানে…

আরো পড়ুন

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আসাদ চৌধুরী হাসপাতালে: কানাডায় অবস্থানরত কবি আসাদ চৌধুরী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। বিভিন্ন শারীরিক জটিল কারণে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) রাতে তাকে টরন্টোর স্থানীয় একটি হাসপাতালের ইমারজেন্সিতে নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তিনি বেশ কিছুদিন ধরে শ্বাসকষ্টসহ নানান জটিল রোগে ভুগছিলেন। এই অবস্থায় তাকে ক্যাথেড্রাল দেয়া হলেও কোনো উন্নতি না হলে বৃহস্পতিবার রাতে দ্রুত ইমারজেন্সিতে নেওয়া হয়। পরদিন শুক্রবার (১৬ জুন) সকাল ৬টার দিকে কবি আসাদ চৌধুরীকে ইন্টেন্সিভ কেয়ার কেবিনে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বরেণ্য এই কবিকে দেখার জন্য হাসপাতালে ছুটে যান স্থানীয় কমিউনিটির নেতারা। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে রয়েছে বলে…

আরো পড়ুন

ঈদ আহ্লাদে বিজন বেপারী খোকা খুকির ঈদ মানেই সুখ আহ্লাদে ভাসা, খেলার সাথী ভাই বোনেতে দাদুর গল্পে হাসা। রঙিন জামা পড়বে খুকি জুতো ছোট্ট পায়ে, লিপিস্টিক আর মাথায় বেনী সাজায় খুকির মায়ে। ঈদ সেলামী জনে জনে খোকার ভরে হাত, মাংস পোলাও দধি মিষ্টি আজকে নাহি ভাত। ঈদের খুশি আর‌ও জমে ঘুরলে নানার সাথে, জ্বলে যখন শহর পাড়ায় টুনিবাতি রাতে। ______________ বিজন বেপারী ঝালকাঠি, বরিশাল।

আরো পড়ুন

রাখালী জসীম উদ্‌দীন এই গাঁয়েতে একটি মেয়ে চুলগুলি তার কালো কালো, মাঝে সোনার মুখটি হাসে আঁধারেতে চাঁদের আলো। রানতে বসে জল আনতে সকল কাজেই হাসি যে তার, এই নিয়ে সে অনেক বারই মায়ের কাছে খেয়েছে মার।  সান করিয়া ভিজে চুলে কাঁখে ভরা ঘড়ার ভারে মুখের হাসি দ্বিগুণ ছোটে কোনমতেই থামতে নারে। এই মেয়েটি এমনি ছিল, যাহার সাথেই হত দেখা, তাহার মুখেই এক নিমেষে ছড়িয়ে যেত হাসির রেখা মা বলিত, বড়ুরে তুই, মিছেমিছি হাসিস্ বড়, এ শুনেও সারা গা তার হাসির চোটে নড় নড়! মুখখানি তার কাঁচা কাঁচা, না সে সোনার, না সে আবীর, না সে ঈষৎ ঊষার ঠোঁটে আধ-আলো রঙিন…

আরো পড়ুন

১) বন্ধুও নই শত্রুও নই আমি কারো বন্ধুও নই শত্রুও নই শুভাকাঙ্খী বটে! সবারই আমি মঙ্গল চাই বুদ্ধি-শুদ্ধি নাইবা থাকুক ঘটে। দিবা রাত্রির পার্থক্যটা একটু হলেও বুঝি; মায়া মমতায় জড়িয়ে পড়লেও আত্ম সম্মান খুঁজি! দুইয়ে দুইয়ে যোগ গুণনে পাঁচ বলি না বলি সদা চার; তবুও কিন্তু ভাগ্যচক্রে মানতে হয় অনেক সময় হার। ০৯.০৪.২১ইং ২) মনের দুয়ার খোলা আছে কখনো যদি হৃদয় পুড়ে তখনই না হয় যাবে ঘুরে। বলবে না সে এখনই এসো গা ঘেঁষে তার একটু বসো। মনের দুয়ার খোলা আছে এলেই কিন্তু পাবে কাছে। বাঁধা নিষেধ মোটেও নাই ভাবতে পারো আপন তাই। মানুষ কিন্তু খারাপ নয়, ভালোবাসায় যে উন্মুখ…

আরো পড়ুন

লাইনচ্যুত রেলগাড়ি সোহরাব হোসেন ক্যা বারে ওই যে বহু উচু কেমন কালো কালো দেখা যাচ্ছে, ওটা কি পাহাড়? না কি কালছে বর্ণে আকাশের গায়ে দাগ বুঝাও তো আমায়। গাঁয়ের আঁকাবাকা মেঠো পথে তালগাছের উপর দিয়ে– মাঝে মধ্যেই সাদা বক উড়ছে না কি পথিক হেঁটে চলছে? বুঝাও তো আমায়। কি আর বুঝাইমু চাচা আমিই তো হতভম্ব হয়ে যাচ্ছি? আচ্ছা,- এতক্ষণ হলে ওরকম উল্টা পাল্টা বকতেছ কেন? বয়স হয়নি বারে, তাই বুঝতেছ না— কোনটা আসার সময় আর কোনটা ছেড়ে যাওয়ার। পুবাকাশে মেঘের ভাঁজে ভাঁজে ফুটেছে কেমন ফুল! ক্যা বারে, ওগুলো কি আসলে ফুল, না কি আমার চোখের শক্তি হারিয়ে দেখছি হঠাৎ ভুল।…

আরো পড়ুন

সুদর্শন তসলিমা হাসান কান্নারা ভীষণ ছোঁয়াচে সুদর্শন তারা কখনো সময় অসময় মানে না নির্জনতার উপেক্ষাকে জয় করে সে মহাকালের অবিমৃষ্যকারীর মতো হানা দেয় কখনো হৃদয়খুঁড়ে কখনো বা নয়ন জুড়ে ! তাই তুমি আজ বড্ডো বেশি বেদনার এখন আর আসো নাকো কৈশোরের বিষ্ময়রূপে কানামাছি কিংবা কুমির কুমির খেলায় অথবা যৌবনের দীপ্তমান পৌরুষরূপে যার তেজস্বী বাক্যবানে বানডাকে হৃদয়ে ! সুদর্শন আজ তুমি চলে গেছো বহুদূরে ব্রম্মপুত্রের বুকে পালতোলা নৌকোর মতো , যেখানে ভালোবাসা ম্লান হয়ে রূপান্তরিত হয় কখনো মাতৃত্বের হাহাকারে কখনোবা স্রষ্টাকে পাবার আকাঙ্খায় !! তবুও মন নামক এক যন্ত্রদানব মাঝে মাঝে স্টেনগানের গুলির মতো গুলি ছুড়ে জীবনের গভীরতা মেপে দেখে তুমি…

আরো পড়ুন

পাওনি তুমি একশোই একশো বেবী মন্ডল (মহারানী) মানুষ আমি সব মানুষের মানবধর্ম এটাই পরিচয়, সব সম্প্রদায় একক ভাবি কোন বিশেষ একটি নয়। নাই বা পেলে একশোই একশো … পাওনি তুমি একশোই একশো, তাতে কি যায় আসে একটু না হয় কম পেয়েছো তাতে ক্ষতির কি আছে একশোই একশো মানে সব কিছুতেই রাজা, এমন ভাবার কারন কি? কারণ, তার ভিতরেও লুকিয়ে থাকে অনেক অজানা এ পৃথিবীতে সব তাতেই একশোই একশো পেতেই হবে তার কি মানে আছে? সন্তুষ্টি আর আনন্দই যে জীবনের চাবিকাঠি। এ দুটি যার নেই সে তো অস্থিরতার সুনামিতে ভাসতে থাকে … আর তার সাথে হারাতে থাকে, জীবনকে উপভোগ করার অনাবিল…

আরো পড়ুন

ছড়াকারের দাম নাই ইমরান পরশ ছড়া লিখে হবেটা কী ছড়াকারের দাম নাই! এত্ত মানুষ ছড়া লেখে কজন চেনে নাম নাই! ছড়া লেখেন আসলাম সানী রিটন ও আমীরুল রফিকুল হক, আনজীর লিটন সুজন, আনিসুল! ছড়া লিখে পাননি তো নাম হননি খ্যাতিমান? এসব কথার জবাব দিলেন রোমেন রায়হান। ছড়া লেখেন ফারুক হোসেন সচিব এখন তিনি কিশোরগঞ্জে জাহান আছেন আমরা তাকে চিনি। চট্টগ্রামে রাশেদ রউফ মোদাচ্ছের, উৎপল লম্বা নামের লিষ্টিখানা ছন্দ ছলাৎছল। সুকুমার রায়, বড়ুয়া আর অন্নদাকে চিনি ছড়া লিখে এই আমাদের করে গেছেন ঋণী। অনেক উদাহরণ দিতে পারব ভুরিভুরি ছড়া লিখি ছড়া লিখব বাজিয়ে হাতে তুড়ি।

আরো পড়ুন