প্রকৃতির সৌন্দর্য রাবেয়া আহমেদ চামেলী প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য সৃষ্টিকর্তার তিনি হচ্ছে এক বিশাল পৃথিবীর নির্মাতা। তার প্রকৃতির সৃষ্টির মাধুর্যতা, সত্যি মন চলে যায় মুগ্ধতায়। তার বিশাল সৌন্দর্যের কীর্তি। প্রকৃতি যেন বহন করে মনোরম স্মৃতি। এখানে মনের নেই কোন দুর্গতি। শুধু আছে ভালবাসার বন্ধনের প্রীতি। সবুজ শ্যামল শান্তিময় প্রকৃতি প্রকৃতিতে নেই কোন নিয়মের রীতি। আমরাই সৃষ্টি করি দুর্গতি। নষ্ট হয়ে যায় জীবন চলার ভাবমূর্তি। প্রকাশ করা উচিত সুন্দর সুন্দর অভিব্যক্তি। মানুষের নেই পরস্পরের প্রতি সহানুভূতি। মহান আল্লাহ তায়ালাকে ভালোবেসে প্রকাশ করো কৃতজ্ঞতা সৃষ্টির প্রতি। তাতে অনুভব করবো শান্তি ও মহা তৃপ্তি। London, UK
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
ভালোবাসার ছাড়পত্র। সুরমা খন্দকার বড় আপার বাসায় যাওয়ার কথা ছিল দুপুরে।শুভ্র সেই কাক ডাকা ভোরে বের হয়েছে। প্রতিদিন সকালটা শুভ্র কে নতুন উদ্যোমে বাঁচিয়ে রাখার স্বপ্ন দেখায়। শুভ্র মনে করে প্রতি টি সকাল কত মিষ্টি বায়ু স্নিগ্ধ আলো নিয়ে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়। প্রত্যেকটি সকাল বেঁচে থাকার কত হাজার উপাদান দিয়ে, রাশি রাশি অক্সিজেন দিয়ে পৃথিবীর মানুষকে কৃতজ্ঞ করছে। ভোরে উঠে শুভ্র প্রাতঃকালীন কাজ কর্ম সেরে হেঁটে হেঁটে উপাসনালয়ে যায়। ভোরের নির্মল বাতাস শীতল করে দেয় শুভ্রর মন প্রাণ। স্রষ্টার প্রতি সীমাহীন কৃতজ্ঞতায় শুভ্র ভরে উঠে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়েছে, শুভ্র এই এলো বলে বড় আফার বাসায়। কি রে এই সময়…
পাথর চাপা কপাল অমি রেজা পাথর চাপা কপাল যেন- সোনা ভেবে হাত বাড়ালে ছাই হয়ে ঝরে পড়ে। পাথর চাপা কপাল কেন? ভালো ভেবে কাছে গেলে মন্দ হয়ে ফিরে তবে। পাথর চাপা কপাল যেন আলো ভেবে ছুঁইতে গেলে অন্ধকারে হারায় যেয়ে। পাথর চাপা কপাল এমন ভালোবাসায় হারাই যখন, মন্দবাসা মিলায় তখন। পাথর চাপা কপাল যেমন সুন্দর পানে তাকাই যখন অসুন্দর ডানা মেলে উড়ে তখন। পাথর চাপা কপাল কেন? সুখের আশা বৃথাই তবে দুঃখ বুকে বাধাই যেন।
আঁধারের প্রহেলিকা জহিরুল হক বিদ্যুৎ চারিদিকে আলো তবু আঁধারের নগ্নতা বিশ্বাসের নাট্যমঞ্চে অবিশ্বাসের নগ্নতা। সভ্যতার কোমর ধরে তা-ধিন তা-ধিন নাচে মদিরার কুটচালে আদিম যুগের নগ্নতা। নির্লজ্জ এ্যানাকোন্ডার চোখে মাংসের ক্ষুধা চেটেপুটে খায় রক্তের শেষ চিহ্নটুকু। অদেখা কুয়াচ্ছন্ন দিগন্তের ওপারে জীবনকে বিরতিহীন টেনে নেয়া যায় না, ওখানে লেখা হয় মানুষের বন্দি ও মুক্তি। মানুষ কী সত্যিই ভুলে গেছে ঘৃণা ও ভালোবাসার মধ্যে তফাৎ কতটুকু? তফাৎ কতটুকু আলো ও আঁধারের মধ্যে? আকাশ ও দিগন্ত মিশে থাকে এক পটে তবু পার্থক্য গড়ে দেয় বিশাল শূন্যতা। যে সময়কে ভালো কিছু উপঢৌকন দেয় সময় তার জন্য লিখে যায় অমর কবিতা।
বিবর্ণ স্বপ্ন। কবিতা। জান্নাত সীমা। প্রতিবিম্ব প্রকাশ। বিবর্ণ স্বপ্ন জান্নাত সীমা যদি পথে হারাই, পথ থেমে যাবে হঠাৎ জমে যাবে সিন্ধুর লোনা জল নির্বাক পাহাড় পাথর হয়ে যাবে সবুজে কঠিন আগ্নেয় শিলা! যদি ডানা মেলি, উড়তে চাই ফিকে হবে মাছরাঙার মখমল শরীর ধোঁয়ায় ধোঁয়ায় ছেয়ে যাবে আকাশ পথ হারাবে মহাকাশগামী মহাযান। দিনের দ্বিভাগে এসে যদি পড়তে চাই পৃথিবীর পুরোনো সেই পান্ডুলিপি, এখানে আলো এসে থেকে যাবে ছাদের শেষ মাথায়, কোনো মধ্যদুপুরে রুপান্তরিত কাক ডানা ঝাপটে বসবে বিবর্ণ রেলিংয়ের ধার ঘেঁষে। এখানে ভালোবাসা প্রাগৈতিহাসিক শ্যাওলায় ঢাকা যেন জীবন্ত ফসিল যুগ যুগ ধরে ল্যাবে বন্দি কষ্টের এসিডে ডোবা নীল লিটমাস পেপার। এখানে…
বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক মোরশেদ মারা গেছেন: বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) দুপুরের পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ২০০৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০০৬ সালের ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল থেকে এসএসসি ও রাজশাহী গভর্নমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস করেন। পরে ভাষাবিজ্ঞানে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন স্কটল্যান্ডের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। আবুল কালাম…
প্রতীক নীপা খান সেদিন দাঁড়িয়েছিলাম পথের বাঁকে। হঠাৎ তোমার হেঁটে আসা দেখলাম দূর থেকে। বয়সের ভারে কেমন জানি ন্যুব্জ তুমি। শেষ বিকেলের আলোয় পাখিরা ঘরে ফিরছিল, রাখাল গরুর পালের তদারকিতে ব্যস্ত। আর আমি ন্যস্ত ছিলাম তোমার চোখের ভাষা পড়ায়। জিজ্ঞেস করলে না কেমন আছি? কেমন করে চলছে তুমিহীনা জীবন! জানি বুক ফাটবে তবুও বলবে না——! একসময় তুমিই যে বলতে, আমি অভিমানে সেরা। বাহ্যিক চাকচিক্যময় পৃথিবীর আহ্বানে নতুন স্পন্দনের তুমুল আগ্রাসনে সেই যে দাঁড় করিয়ে রেখেছিলে! আজও আমি দাঁড়িয়ে আছি তীব্রতর অশ্রুবিসর্জনে। আমার ভাবনাগুলোর ডানা, ডালপালায় বিস্তৃত শাখা মেলে দূর দিগন্তে মিশে যায়। ফেরারি সেই অনুভুতির শিহরণ জাগানো অতীতটাকে মাটিচাপা দিতে…
১০ মহরম’র তাৎপর্য ও কারবালার শিক্ষা: আশুরা অর্থ ১০ মহরম। ইসলামি পরিভাষায় মহররম মাসের ১০ তারিখকে আশুরা নামে অভিহিত করা হয়। সৃষ্টির আদি থেকে ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে আশুরার তাৎপর্য স্বীকৃত। হিজরি সনের প্রবর্তন মহররম মাসকে আরও বেশি স্মরণীয় করেছে। কারবালার হৃদয়বিদারক মর্মান্তিক ঘটনা আশুরা ও মহররমের ইতিহাসে নবচেতনার উন্মেষ ঘটিয়েছে এবং মহররম ও আশুরাকে আরও বেশি মহিমান্বিত ও অবিস্মরণীয় করে রেখেছে। আশুরার উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলির মধ্যে রয়েছে—হজরত আদম (আ.)-এর সৃষ্টি, স্থিতি, উত্থান ও পৃথিবীতে অবতরণ ইত্যাদি। হজরত নূহ (আ.)-এর নৌযানের যাত্রারম্ভ এবং বন্যা অবস্থার সমাপ্তি ছিল আশুরাকেন্দ্রিক। হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর নমরুদের অগ্নিকুণ্ড থেকে মুক্তি পাওয়া, হজরত ইউনুছ (আ.)-এর মাছের পেট থেকে…
হিজরি নববর্ষের গুরুত্ব ও মহররম মাসের তাৎপর্য: শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী ইসলামের বিধিবিধান হিজরি সন ও চান্দ্র তারিখের সঙ্গে সম্পর্কিত। ধর্মীয় আচার–অনুষ্ঠান, আনন্দ উৎসবসহ সব ক্ষেত্রেই মুসলিম উম্মাহ হিজরি সনের ওপর নির্ভরশীল। মানুষের প্রয়োজনে ব্যবহারোপযোগী করে আল্লাহ তাআলা সময়কে প্রাকৃতিকভাবে বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত করেছেন। যেমন দিন, রাত, মাস, বছর ইত্যাদি। বছরকে আমরা সাল বা সন বলি। সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর আবর্তনের সময়কালকে সৌরবর্ষ এবং পৃথিবীর চারদিকে চাঁদের আবর্তনের সময়কালকে চান্দ্রবর্ষ বলা হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর সূর্য ও চন্দ্র হিসাব নিমিত্তে।’ (সুরা-৫৫ রহমান, আয়াত: ৫) মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর হিজরতের বছরকে ইসলামি সন গণনার প্রথম বছর ধরা হয়েছে বলে এটি হিজরি…
আজ আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ৮৪তম জন্মদিন। জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ শুভ জন্মদিন জন্ম: ২৫ জুলাই, ১৯৩৯ তাঁকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন, তারই এক সময়ের ছাত্র রাশিদ মোহাম্মদ। ১৯৮৩ সালে আমি ঢাকা কলেজে পড়ার সময় সরসরি উনার ছাত্র ছিলাম। বাংলাদেশের একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক। তিনি ষাটের দশকে একজন প্রতিশ্রুতিশীল কবি হিসেবে পরিচিতি পান। সে সময়ে সমালোচক এবং সাহিত্য-সম্পাদক হিসাবেও তিনি অবদান রেখেছিলেন। তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কীর্তি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, যা চল্লিশ বছর ধরে বাংলাদেশে ‘আলোকিত মানুষ’ তৈরির কাজে নিয়োজিত রয়েছে। ২০০৪ সালে তিনি রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন। বাংলাদেশে অ-প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বিস্তারে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ২০০৫ সালে দেশের…
