মায়া জেসমিন খান সোপা (লাবণ্য) যদি তুমি কবিতা হও তবে মিথ্যে অহমিকার সাজ, পল্লবে রাখো লিখে! পৃথিবীর কাছে নত হয়েছে যারা- বিদগ্ধ শহরের দেয়ালে প্রশান্ত সবুজের অবয়ব- তারাই স্নিগ্ধ করে যাপিত জীবন, যার- মৌনতার আড়ালে শৈল্পিক অবগুণ্ঠন। এখানে আসে যায়-কবিদের উপমা, অথচ-কথারা কেবল ভাষায় থেকে যায়- মস্তিস্কের অচল বৈদভ্যে ! স্বপ্নের বাড়িতে দেয়ালে শ্যাওলা জন্মায়, তবুও ভুলা হয় না তাকে! সে কোথাও কোনো একটা নামে বর্ষার কান্নার মতো কদমের মায়ায় ছায়া পাল্টায়!
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
মাটির দেহ আব্দুল অদুদ চৌধুরী, সৌদি আরব মক্কাহ পুষলাম যারে খুব যতনে মনের পিঞ্জিরায়, বাঁধলাম যারে মনের ডোরে সে ভুলিল আমায়। সাধের পঙ্খি উড়াল দেবে সময় যখন হবে, অতি মায়ার দেহ খানি শূন্য পড়ে রবে। দেহ খাঁচার মালিক মোদের পরম বিধাতা, তার হুকুমেই দেহ গাড়ি শূন্যে চলে সদা। আদর করে পুষি যারে আপন নয়’কো সে, তোমায় একদিন ফাঁকি দেবে রাখো যত ভালবেসে। কোন দেশে যায় রে পাখি ফিরে না’তো আর, মাটির দেহ মাটি হবে যত কর অহংকার।
ডিজিটাল নথিতে যুক্ত হলো আরও ১০ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়: পেপারলেস অফিস প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে দ্বিতীয় ধাপে ডি-নথির (ডিজিটাল নথি) সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দেশের আরও ১০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এ নিয়ে মোট ১৮টি উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাগজবিহীন কার্যক্রম শুরু হলো। রোববার এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি-নথি কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম ধাপে দেশের আটটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল নথির মাধ্যমে যে কোনো স্থান থেকে ফাইল নিষ্পত্তি করা যায়। ফলে কোনো ফাইল আটকে থাকছে না, বাড়ছে কাজের গতি। এতে দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সংস্কৃতি তৈরি হচ্ছে এবং দুর্নীতির সুযোগ কমে যাচ্ছে। ধাপে ধাপে…
রাজনীতি ও জনদূর্ভোগ মোঃ মুজিবর রহমান বকুল রাজনীতি ও জনদুর্ভোগ হাঁটছে পাশাপাশি চারিদিকে বিষন্নতা হারিয়ে গেছে হাসি। রাজনীতি বলতেই এখন বুঝায় দুর্ভোগ রাজনীতি এখন টাকা কামানোর বিশেষ রোগ। গুটিকয়েক নেতা দ্রুত বনে যায় বিত্তশালী অন্যদিকে অধিকাংশের পকেট থাকে খালি। এভাবে জনজীবনে তৈরি হয় অচলাবস্থা এসমাজে কারো উপর কারো নেই কোন আস্থা। জনজীবনে দুর্ভোগ বেড়ে চলছে দিনে দিনে রাজনীতি ভীতি ছড়াচ্ছে এখন সবার মনে। নিরীহজনে রাজনীতি থেকে থাকছে বহুদূরে দুর্বৃত্তায়ন ছড়িয়ে পড়ছে প্রতিটি ঘরে। রাজনীতি দিনে দিনে হয়ে পড়ছে যে কলুষিত সমাজ হচ্ছে যে বাধাগ্রস্ত হতে বিকশিত। গণতন্ত্রের চর্চা হচ্ছে যে বাধাগ্ৰস্ত। এ সমাজ আর জাতি হচ্ছে শুধু ক্ষতিগ্রস্ত। রাজনীতি থেকে…
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গাঙচিলের পুষ্পাঞ্জলি শ্রদ্ধা অর্পণ: জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আজ ১৫/৮/২৩ ভোরে বাংলাদেশ বেতার খুলনা চত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষ্কর্যে ফুল দিয়ে বিনম্র শ্রদ্ধা জানায় গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ। শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পনের সময় উপস্থিত ছিলেন গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ খুলনা বিভাগের নির্বাহী সভাপতি কবি শেখ ইকবাল হোসেন, সহ সভাপতি ইব্রাহিম মনির, গাঙচিল খানজাহান আলী শাখার সভাপতি এস এম আবদুর রহমান, গাঙচিলের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ খান আখতার হোসেন, নতুন তারা সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাইফুর মীনা, খুসাস সভাপতি মিথুন, দক্ষিণ বাংলা লেখক ফোরাম খুলনা বিভাগের সভাপতি শেখ আবু আসলাম বাবু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মহীউদ্দীন আহমেদ, নাট্যকার ইলিয়াস আলী,…
উল্কাপিণ্ড নীপা খান এসেছিলে আলো হঠাৎ করে ব্যবধান যে শুধু কয়েক ঘণ্টার মনে হলো যেন স্বপনের মতো, ঘুম ভাঙলেই সব মিলে যাবে। হলো দেখা, গল্প আড্ডায়, সময় গেল মাতোয়ারায়। ছন্দের তালে, হৃদয় ভাঁজে, কথাগুলোর অনুরণন ভাসে। কল্পনার ওই গল্পগাথা সুরের তথা ঐ মূর্ছনা, কাব্যলোকে ভাবুক মাথা। বাক্যের অম্লতা যথাতথা দেখুক সবাই দেখুক মর্ত্যলোক।
অতৃপ্ত ভালো থাকার ধরন আরজু আরা এমনি বেলায় শুধাতে মন চায়, তোমার আঁখি পানে নিজ আঁখি রেখে ঠাঁই। বলিব যে বুলি, কন্ঠের গোলিতে বাক্ এসে দেয় বাঁধা। এপার ওপার দুইভাবে বসা তবুও একই পারে চেয়ে আছি দু’জনা। সন্ধ্যার গোধূলিতে একাকী বিহগ যায় তার নীড়ে! স্তব্ধতা কাটাই বেশক্ষণে, উড়ে যাওয়া বিহগের কষ্ট বহন দেখে। আমরা তো দু’জনেই আছি, তবুও এত ব্যথাতুর হৃদয় ভেঙে উপচে পড়ছে দুই নয়নের বারি ! হায় ! এ ধারার নিয়মনীতি এত নিষ্ঠুরতা আবদ্ধ যেন, হত্যাকারীর শেষ আশ্রয় জেলারের হুকুমে একটুকরো রশির ! কোন বাঁধনই বাঁধনে মেলে না ভার। তোমার আমার এই ধরণীর বুকে তুমি পারি দিলে বহুদেশ…
০১) বালুকাময় সামান্য সম্ভোগ আর অলসতা মোহময়ী নদীর কাছে বন্ধক রেখে যাপন বোধহয় রাত্রিমেদ পুড়ে যাওয়া চর এই অচেনা বালুর জীবন ভেতরে বিনম্র শ্যাওলার স্তর কতবার মৃত্যু হলে একেকটা ভোর হয় রুমালে লেখা নাম মুছে যায় চোখ মুছতে মুছতে চলে যাওয়া ভোর কলঙ্কিনী রাতের চুড়ি আর লক্ষ্মীর সরা পড়ে থাকে দ্রোহজলে যাকে ভাগ্য বলে লোকে তার আশেপাশে কোনো বাতাস থাকে না গাছপালা মাঠঘাট কিছুই থাকেনা নদী কেমন ঠোঁট উল্টে শুয়ে থাকে আমার পরান যাহা চায় তুমি তাই বলে ০২) তদুপরি রোদের চামচিকারা ঝুলে পড়ছে বেয়ারা রঙের কার্নিশে চামড়ার হিমশিম ঘামা শব্দের ব্যুৎপত্তি ফেটে বেরুচ্ছে ঘিঞ্জি গলির দামী পোশাকের শখ…
০১) আমি জেনেছি সেকথা আমি জেনেছি সেকথা বলেছো যেদিন তুমি প্রয়োজন ফুরিয়েগেছে আমাকে তোমার, বুঝিনি আগে তা বলবে তুমি হঠাৎ করে এমনি কথা অবাক হইনি শুনে তোমার কথায় গুনে গুনে রেখেছি সে শব্দ মালা। আবার আসিবে সময় ডাকিবে তুমি আমায় বারে বারে কাঁদিবে নয়ন পাবে না খোঁজে আমায়, দেখিবে নয়ন মেলে তুমি চারি পাশে নেইতো কেও পুরনো সে অতীতে ফিরবে জানি হবে নিঃস্ব জীবনে। দেখিবো চেয়ে চেয়ে তোমারি দুঃসময় পারবে কি তাকাতে নয়নে নয়ন মিলিয়ে? তখন পারবে ফিরতে আমারি কাছে সেদিন বেদনা ভরা লাজুক তোমার সেই মুখ নিয়ে? আমি শব্দে লড়ি বজ্রে লড়ি না, বড্ড ভয় হয় তাই নিরব কান্না…
আমি আর অন্ধকার তসলিমা হাসান ঘুমের ভিতরে অথবা ঘুমিয়ে হাঁটি, স্বপ্নের ছাদে বসি, ছুঁয়ে থাকি অপার শূন্যতা। সেখানেও আকাশ থাকে, আমার নিজস্ব আকাশ, অন্তহীন কিছু এলোমেলো ছেঁড়ামেঘ, ঠিকানাবিহীন। চিন্তারা ছোটে পাঁচের ভেতরে এক হৃদয়ে উদ্দাম কথাঝড়, প্রশান্ত আবেগ। বাতাসে ওড়ে রোদশুকনো জামাকাপড় রঙিন চেকার্ড সার্ট, বিছানার চাদর কার্নিশে চঞ্চল চড়ুইপাখির যাওয়া আসা শব্দহীন আমি; কুড়াই যাদুময় অনন্তের ভাষা। সময় ঘনিয়ে এলে ক্লান্ত সূর্য মুখ রাখে পশ্চিমে কোনো নদির বুকে ব্যস্ত পাখিগুলো ফিরে যায় ঘরে; ঘরে ফেরার সুখে। চেনা পৃথিবীতে অচেনা সন্ধ্যা নামে, দেখি না কোথাও কারও মায়াবী ছায়া স্মৃতিজুড়ে বাজে বেহায়া বেহালা এই পৃথিবীতে আমাকে চেনে না কেউ আমিও চিনি…
