আমি আবারও হারিয়ে নিখোঁজ হব শায়লা মোস্তারী রুমানা আমি আবারও হারিয়ে গিয়ে, নিখোঁজ হব অচেনা গ্রহে। জীবনের লেনদেন চুকিয়ে, পারি জমাবো ভিনদেশে। যৌবনের রোদ্দুর যেখানে নীরবে গেছে শুকিয়ে। ঘাসের পায়ে হেঁটে এসে, পরবো বাধা নীল আকাশে বুকে। আকাশের বিসালতায়, হারাতে- হারাতে নক্ষত্রের আলোয়, পথ খুঁজে নেব, থাকব কি দারুণ সুখে! তারার মতো পরবো খসে, গহিন অন্ধকার কোণে নিবিড়- নির্জন বনে। নিজেকে আবারও লুকিয়ে, জোসনার সঙ্গে করব খুনসুটি। কইবো কথা ঝড়ে যাওয়া পাতার সনে শীতল হয়ে থাকব পড়ে, ফোটা ফোটা শিশির এর জল অঙ্গে মাখিয়ে, করব দারুণ লুটোপুটি!
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
আজ ঈদে মিলাদুন্নী (সঃ ): এক নজরে মহানবী (স) এর সংক্ষিপ্ত জীবনালেখ্য নাম: ‘মুহাম্মদ’ (দাদা কর্তৃক প্রদত্ত) ‘আহমদ’ (মাতা কর্তৃক স্বপ্নে প্রাপ্ত) পিতা: আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল মুত্তালিব মাতা: বিবি আমেনা বিনতে ওয়াহাব দাদা: আবদুল মুত্তালিব নানা: ওয়াহাব ইবনে আবদে মানাফ জন্ম তারিখ: ঐতিহাসিক তাবারি, ইবনে খালদুন, ইবনে হিশাম’র মতে ১২ রবিউল আউয়াল, ০৮ জুন ৫৭০ খ্রি. আবুল ফেদা’র মতে রবিউল আউয়াল মাসের ১০ তারিখ। মিশরের প্রখ্যাত জ্যোতির্বিদ পন্ডিত মাহমুদ পাশা ফারুকী গাণিতিক যুক্তির সাহায্যে প্রমাণ করেন যে, ১০ বা ১২ তারিখ কোনটাই ছিল না। তাঁর মতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স) এর জন্ম তারিখ হচ্ছে ০৯ রবিউল আউয়াল, ২০ এপ্রিল ৫৭১…
মিষ্টি সুরে দুষ্টু ভালোবাসা মোহাম্মদ মিজান উদ্দীন ইস্ কী ভালোবাসা,আহ্ এই ভালোবাসা, ভালোবাসায় জন্ম পৃথিবী, অনুভূতির জল্পনা কল্পনা দিয়ে হৃদয়ের, তৃষ্ঞার্ত কতটা দাবি। বেলা অবেলা ঘিরে জীবনের তরে প্রেম, ধীরে ধীরে স্বপ্নের বাগানে, আঙিনার পাঁজরে মিশিয়ে জীবনের ভাব, কেমন ওলোট পালোট ক্ষণে। সত্যের বাগানে মিলনের ফুল ফুটে প্রেমে, এই প্রেম ভালোবাসার মতো, পৃথিবীর সৃষ্টি কুলে মিষ্টি দুষ্টুর খেয়ালেই জোড়া ফুলের বন্ধনে জগৎ। হাসিতে মরি ছলনায় ভারি জীবন এই তো, মিষ্টি সুরে দুষ্টু ভালোবাসা, রঙের ছোঁয়া ঢঙের ধোঁয়া বোঝা তো কঠিন, যতই বেদনা ততই আশা। দুষ্টুমির পরও মিষ্টিমুখের আদর খুঁজে মন, মনের আওয়াজ বিবরণ, যতটা ভেবেছ ততটা কেঁদেছ ভুলে ভুলেই, তবু্ও…
। ছোটগল্প । বিড়ালিনী। নাজনীন নিশা। প্রথম পর্ব : বিড়ালিনী কোল ঘেষে চুপটি করে বসে আছে পৌষীর পাশে, আর পৌষী living room এর বন্ধ কাঁচের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে ঝিরঝির করে নিস্সব্দে ভেসে পড়া স্নো দেখছে সেই সকাল থেকে। বিড়ালিনীও পৌষীর সংঙ্গে বাইরে তাকিয়ে snowing দেখছে। কি আনন্দ দুজনের !! অনেকগুলো বছর ধরেই বিড়ালিনীটা এ বাড়িতে। পৌষী নিজের নামের সঙ্গে মিল করে ওর নাম দিয়েছিলো পুষ্পিতা। কিন্তু কেন যেন পুষ্পিতা নামে ওকে ডাকা হয়নি কোনদিন। শুধু এনিম্যাল ক্লিনিক এর ফাইলে পুষ্পিতা নামটি দেয়া হয়েছিল। পৌষী সেই প্রথম দিন থেকেই বিড়ালিনী বলে ডেকে আসছে। আর এ নামটিতে বিড়ালিনীও যেন অভস্ত্য হয়ে…
দ্বিধা শায়লা মোস্তারী রুমানা চেনা মানুষের অচেনা রূপ দেখে আমি বড্ড ক্লান্ত, বড্ড শ্রান্ত। মুখ ও মুখোশের আড়ালে আবডালে নিজেকে লুকিয়ে রাখি মুক্তো যেমন শুক্তির বুকে লুকিয়ে থাকে ঠিক তেমন। ধীরে -ধীরে হচ্ছি আমি খোলাসবন্দি শামুকের মতো। তলিয়ে যাচ্ছি চোরাবালির অতল গহব্বরে। ঢাকা পড়ছি নীল আবরণের চৈতি চাদরে। চারিদিকে বিষাক্ত অসুখের ছড়াছড়ি। এটা নিয়ে ওটা নিয়ে চলে তুমুল কাড়াকাড়ি! মানুষের আদলে তৈরি মানুষগুলো আসলে মানুষ নয়। পেরোচ্ছে দিন এমনি করেই… এক একটা দিন বড় বিভীষিকাময়।
কথাসাহিত্যিক মো. রেজাউল করিম-এর ঊনষাটতম জন্মদিন আজ, নিরন্তর শুভেচ্ছা। জন্ম: ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪ ইং। কুষ্টিয়া শহরে জন্মগ্রহণকারী এই লেখক ১৯৮৮ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে প্রথম শ্রেণি নিয়ে স্নাতকোত্তর পর্ব শেষ করেন। পেশাগত জীবন: ১৯৮৯-এ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কর্মজীবন শুরু করেন। ২০১৩ সালের শেষার্ধে পঞ্চাশ বছর বয়সে নিয়মিত চাকুরি থেকে অবসর নেন। বর্তমানে তিনি উন্নয়ন-বিষয়ক পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন। লেখালেখি: প্রাক-যৌবনেই লেখালেখিতে তাঁর হাতেখড়ি। কর্মজীবনে তিনি উন্নয়ন-বিষয়ক লেখালেখিই করেছেন। উন্নয়ন-বিষয়ক তাঁর বেশ কিছু লেখা জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। এ সময়ে তাঁর লেখা বেশ কয়েকটি উন্নয়ন বিষয়ক অ্যাকাডেমিক বইও প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৩ থেকে ’২৩ এ সময়কালে…
|| দার্জিলিং থেকে খান আখতার হোসেন || আজ ২৪/৯/২৩ রাতে দার্জিলিং মল রোডে কালিকা হোটেল অডিটোরিয়ামে বাঙালি কৃষ্টি ও সংস্কৃতি কেন্দ্র ঢাকা ও জাতীয় কবিতা পরিষদ কলকাতা আয়োজিত দার্জিলিং কবিতা উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভারতীয় কবি অরুণ কুমার চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভারত থেকে শাকিল আহমেদ ও বাংলাদেশ থেকে লুৎফর চৌধুরী। সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ঔপন্যাসিক অধ্যক্ষ খান আখতার হোসেন, নাফে নজরুল, ড. শামীম আরা, ড. শাহনাজ পারভীন, কবি আনোয়ার কামাল, ছড়াকার মঈন মুরসালিন, কবি আতিকুল ইসলাম জাকারিয়া, কবি জাহাঙ্গীর আলম ফকির, নৃত্যশিল্পী সুলতানা রাজিয়া, উপস্থাপিকা দিলরুবা খানম ছুটি, কবি লুৎফর চৌধুরী, ভারতীয় কোয়েলী বসু, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শফিকুল কবির,…
গীতিকারঃ আবু হেনা মোস্তফা কামাল সুরকারঃ সুবল দাস ছায়াছবিঃ দর্পচূর্ণ মূল শিল্পীঃ মাহমুদুন্নবী ও সাবিনা ইয়াসমিন —————————— তুমি যে আমার কবিতা আমার বাঁশীর রাগিনী আমার স্বপন আধ-জাগরণ চিরদিন তোমারে চিনি।। আমি কে তোমার যদি জানতে তবে কি আমায় কাছে টানতে হয়ত সুদূরে যেতে গো সরে না, না নয়নের নীলে তুমি যে ছিলে।। চিরদিন তোমারে চিনি।। তুমি এলে তাই স্বপ্ন এলো ইন্দ্রধনুর লগ্ন এলো। এ মধুর প্রহর হোক না অমর ওগো মোর পল্লবীনি।। যদি এ লগন আঁধারে ঢাকে যদি নেভে দ্বীপ পথের বাঁকে তুমি যে আমার বলব আবার চিরদিন তোমারে চিনি।।
স্বপ্ন ও দুঃস্বপ্ন – হুমায়ূন আহমেদ দুঃস্বপ্ন নিয়ে লেখা সাইকোলজির একটা বই পড়ছিলাম, Nightmare You Hate. মানুষ কী কী দুঃস্বপ্ন দেখে, কেন দেখে–তা-ই ব্যাখ্যা করে লেখা। আমি আমার দুঃস্বপ্নগুলি বইয়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে চাচ্ছিলাম। বই পড়ে জানলাম, মানুষ সবচেয়ে বেশি যে দুঃস্বপ্ন দেখে তা হচ্ছে উঁচু জায়গা থেকে পতন। এই পতনের শেষ নেই। একসময় সে আতঙ্কে জেগে ওঠে। এই বিশেষ দুঃস্বপ্ন আমি যৌবনকালে দেখতাম। এখন আর দেখি না। বইয়ে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে–এই দুঃস্বপ্ন অসহায়ত্বের প্রতীক। কেউ যদি অসহায় বোধ করে তখনই এই দুঃস্বপ্ন দেখে। হয়তো যৌবনে আমি অসহায় বোধ করতাম। দ্বিতীয় দুঃস্বপ্ন যা মানুষ প্রায়ই দেখে তা হচ্ছে, জনসমাবেশে নিজেকে…
প্রেম জড়ানো সুখ ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ ভালোবাসার পঙক্তি ওড়ে হদয়-বনের ছায়ায় স্বপ্নগুলো সবুজ হল ভালোবাসার মায়ায় প্রেম দুয়ারে কাজল কালো আঁখি বসত গড়ে হলদে মায়ার পাখি পাখির চোখে শাপলা ফোটা ঝিল পদ্মপাতার সাথেও ভীষণ মিল ঝিলের সাথে মিলের সাথে রাতের তারা হাসে শিউলি ভোরের আভাস দেখি শরৎফোটার মাসে মেঘ মাখানো আকাশটাকে রাখবো বুকে মাঝে পিউ পাপিয়া ডাকবো দুজন সকাল দুপুর সাঝে বুকের সাথে মিলাও তোমার মুখ মাখবো মজায় প্রেম জড়ানো সুখ।
