কবি নূরুল ইসলাম নূরচান’র কাব্যগ্রন্থ: অবশেষে বইয়ের ধরন: কাব্যগ্রন্থ বইয়ের নাম: অবশেষে লেখকের নাম: নূরুল ইসলাম নূরচান প্রকাশকাল: একুশে বইমেলা ২০২৪ প্রকাশক: প্রতিবিম্ব প্রকাশ প্রচ্ছদ: এ কে লাডু আইএসবিএন: 978-984-97826-6-7 প্রতিবিম্ব প্রকাশ (সৃজনশীল লেখকের ঠিকানা) অফিস: বাড়ি: ০১ (চতুর্থ তলা), সড়ক: ১৪/বি, সেক্টর: ০৪, উত্তরা, ঢাকা ফোন: ০১৭১৫৩৬৩০৭৯ ইমেইল: khair.hrm@gmail.com ওয়েব: https://protibimboprokash.com/ পেজ: https://www.facebook.com/protibimboprokash
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
আপনজন শীরীন আক্তার নাইবা পেলে পার্থিব সুখ কী-ই বা তাতে যায়-আসে অপরের তরে তুচ্ছ জীবন উচ্চে তোল নির্বিশেষে। ওতেই শান্তি, ওখানেই সুখ আমরা বুঝিনা কভু কেউ, শুধু অকারণ ছুটি সেখানে, যেখানে মিথ্যে আর ছলনার ঢেউ। এসো বন্ধু – স্বজন হাত লাগাই আজ আর্ত মানবতার সেবায়, আত্ম বৃত্তে আটকে না থেকে পা রাখি বৃহৎ জগতের আঙিনায়। এই জীবন তো জীবন নয় গুহার অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকা, কোন বন্ধু পাবে না সেথায় ধুঁকে ধুঁকে মরবে নিতান্ত একা। ওই যে কাঁদে পানি বন্দী হাজারো মানুষ বন্যা কবলিত অঞ্চলে, তুমি বসে আছো উচ্চ অট্টালিকার এসি রুমে ওদের ভুলে ; যাদের শ্রমে ঘামে তৈরি তোমার প্রাসাদের…
অতঃপর তসলিমা হাসান ভাঙা-ছেঁড়া স্বপ্ন যোগ অস্থিরতায়: অসুস্থ-ঘুম ভাঙছিল বারবার ৷ অচেনা নোনা জলে অসহায় চোখ আর দশ দিক জুড়ে রাত ৩:২৯ এর অপরিমেয় দুঃখী অন্ধকার৷ কি হল শরীরে আমার? মন চাইছে বরফ? শিশির? পানি? ভালো লাগবে তো ? কি জানি আবার ঘুম-স্বপ্ন-জেগে যাওয়া জীবন তরীর পালে অবাধ্য হাওয়া। হাত পা জ্বলছে, চামড়ার নিচে যেন তরল আগুন ছুটে চলছে ৷ ভাবছি! কি হলো? বাঁচবো কি? ঠাই নিবে কি নিরবতা? যদি না, এই খারাপ শরীরে তবে কেমনে দিব পাড়ি দিনের বাস্তবতা? দেহটাকে বিছানায় রেখে কেমন করে যেন দিলাম পারি নভোমন্ডল, খুলে গেল আকাশের দরজা৷ প্রশান্ত হল আত্মা, শরীর, মন ৷ অতঃপর…
কবি জেবুন্নেছা জেবু’র উপন্যাস: মায়াবৃত্ত বইয়ের ধরন: উপন্যাস বইয়ের নাম: মায়াবৃত্ত লেখকের নাম: জেবুন্নেছা জেবু প্রকাশকাল: একুশে বইমেলা ২০২৪ প্রকাশক: প্রতিবিম্ব প্রকাশ প্রচ্ছদ: আল নোমান আইএসবিএন: 978-984-97826-8-1 প্রতিবিম্ব প্রকাশ (সৃজনশীল লেখকের ঠিকানা) অফিস: বাড়ি: ০১ (চতুর্থ তলা), সড়ক: ১৪/বি, সেক্টর: ০৪, উত্তরা, ঢাকা ফোন: ০১৭১৫৩৬৩০৭৯ ইমেইল: khair.hrm@gmail.com ওয়েব: https://protibimboprokash.com/ পেজ: https://www.facebook.com/protibimboprokash
সবাক নক্ষত্র শিরীনা ইয়াসমিন অদৃশ্য মায়া বেঁধে রাখে পৃথিবীকে করে তোলে প্রেমময়। নির্বাক প্রেমের দেহটাকে সবাক প্রেম জড়িয়ে রাখে না ছাড়ার তীব্র অঙ্গিকার তার মনে দুটি বুকের হৃৎস্পন্দন বাড়তে থাকে নিস্তেজ নক্ষত্রও জ্বলে উঠতে চায় চায় সমস্ত অপূর্ণতাকে পূর্ণ করে দিতে। দুটি হৃদয়ের সরব স্পন্দন একই লয়ে বাড়তে থাকে কিন্তু সংযমের পাহাড় টলে না। না খোলার অঙ্গিকারে বন্ধ দুয়ারে আঘাত করতে থাকে অতৃপ্ত হৃদয়ের স্বর্ণ কুঠার। দূর্নিবার প্রেম মিলায় শীতল নীরবতায়। সবাক প্রেম কুসুম কুসুম ভালোবাসার ছোঁয়া দেয় সংযমের পাহাড় টলে অধরে অধর ভেঙে মিলিয়ে যায়। নরম তুলতুলে কুসুম প্রেম জেগে রয় বুকে এক আলোকবর্ষ দূরত্ব দুটি নক্ষত্রের মাঝে তবুও…
যন্ত্রণা অনিতা দাস কুয়াশা ঘেরা ভোরের বুকে জেগে দেখি সাদা পায়রারা উড়ে যায় সূর্যটার দেখা মেলা ভার। বুকের ভেতর দীর্ঘশ্বাসটা বেরিয়ে পুড়ে ছাই করে দিতে চায় সব কিছু, পাষাণ শহরে ভালোবাসার নেই কোন ঠায় জল রং এ আঁকা মুখ অস্পষ্ট হয়, ঝলমলে স্মৃতিরা তাড়িয়ে বেড়ায়। বুকের মরুভূমিতে স্বপ্ন ভাঙার দুর্দিনে তোমা হতে কেন দূরে নিয়ে যায়? তুমি তো জানতে আমার হাসি আনন্দের উৎস তুমি, বেঁচে থাকার নির্যাস তুমি, তোমাতেই অদৃশ্য বাঁধন আমার। রূপে নয় মোহে নয় আত্মা দিয়ে ভেতরের অন্তর আত্মা তোমাকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়। আকুলতা ব্যকুলতা সব তোমাকে ঘিরে এক ফালি অখণ্ড ভালোবাসায়, বিশ্বাসে আবেগে দূর্বলতায় তোমাকে হৃদয় খুঁজে…
তাল পাপ। বিপ্লব মৈত্র। ভাদ্র মাসের তাল। নাম শুনেই জিহবাতো জল আসে। ছোট বেলার কথা মনে পড়ে। সে সময় ঠাকুমা, মা, এর হাতের নারকেল মিশিয়ে তৈরি তাল খির, তালের রুটি, তালের বড়া তা আবার রসে ভেজানো- আহাঃ এখনো মনে আসতেই স্বাদটা চলে আসে।সে সময় বাড়িতে পাকা তাল আনা মানে এক উৎসবের সূচনা করা। যদিও খাতকের মনে আনন্দ, যারা এটা প্রসেজ করে তাদের মনে হয় অতোটা হয় না।কারণ তাল ছাড়ানো,পিঁড়িতে পেটানো,কাঠের তৈরি তাল ডলুনিতে ডলা, এরপর গামছায় পেঁচিয়ে সারারাত ঝুলিয়ে রাখা, পরদিন ঝুনো নারকেল ছুলে, কুড়িয়ে,কখনো মিহি করে বেঁটে তালের সাথে মেশানো, পরিমান মত আখের গুড় মেশানো, অল্প আঁচে জাল দেয়া,তাতে…
শূন্যতায় অতসী চক্রবর্তী ঠাকুর কোন হাওয়ায় মিশে যায় সত্যের মিমাংসাটা! ডানামেলা উত্তরে জন্ম নেয় যত বিশ্বাস ঘাতক বিজ্ঞাপনের লড়াই আর রং করা রোদ্দুর দিয়ে শিল্পের কার্পেট কালচার মাটির তলায় গড়াগড়ি যায় বিনোদনের সুতো রুক্ষতার পেশীবহুল স্পর্ধা আর বেলেল্লাপনা-ই সম্পূর্ণ ক্রেডিট বাতাসের চোখ যেন নারীর হাসি ঘন অন্ধকারে বিস্তর চ্যাঁচামেচি অঙ্ক শাস্ত্রে প্রাণের অধিক অপারগতা আমজনতা শুধু ভাবে আর ঘুমায় সত্যের দিকে পৌঁছানো যায় না…
আলোর কিরণ আব্দুছ ছালাম চৌধুরী তিনটে বাজে বাঙলো যে ঘুম তারপর এলো ভাবনা, চারটে অব্দি গড়াগড়ি নির্ঘুম থাকার যাতনা। সাড়ে চারটায় মনস্থ করলাম রান্নাঘরে যাবো, কফি পানে লিখবো কিছু যা পাবো তা খাবো। পৌনে পাঁচটায় মনে হলো ঘুরি গ্রুপে গ্রপে, হঠাৎ দেখি হাঁটছে শেয়াল বাঁশ বাগানের ঝোপে। পাঁচটা হতেই চোখ যে আবার ঘুমো ঘোরে আচ্ছন্ন, কবিতার এই ছন্দ বুনে মনটা হলো প্রসন্ন। শুয়ে-বসে এই কথাটি লিখলাম নিজের নোটে, চেয়ে দেখি পূর্বাকাশে আলোর কিরণ ফুটে। ইংল্যান্ড
শুনতে কি পাও অমি রেজা শুনতে কি পাও? পাতা ঝরার নিস্বন ঝরা বকুলের কান্না আর রাতের নীরবতা। শুনতে কি পাও? হৃদয়ের ধকধক শব্দ নদীর বুকে বয়ে চলা নৌকার ছলছল কলরব। শুনতে কি পাও? প্রিয়তমার গভীর দীর্ঘশ্বাস সুঢৌল বুকজুড়ে শুধু কামনার আকুল নিনাদ। শুনতে কি পাও? হেমন্তের সোনাঝরা সকালে সোনালী ধানের শীষের সাথে মাতাল সমীরণের হিল্লোল। শুনতে কি পাও? পাহাড়ের আর্তনাদ ভালোবেসে মেঘকে না পাওয়ার যন্ত্রনা তার বুক চিরে শত ঝর্ণা হয়ে ঝরা। শুনতে কি পাও? সবুজ ঘাসের বুকে শিশিরের কান্না হারানো প্রেম ফিরে ফিরে ডাকে আহত পাখি শুধু ডানা ঝাপটায় শুনতে কি পাও ?
