Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

জন্মদিন। তানভীর আজীমি (বাস্তববাদী কবি আবুল খায়ের-এর জন্মদিনে উৎসর্গকৃত) রাত শেষে শারদ প্রভাতের রক্তিম সূর্য হাসে বুকের ভিতরে অসীম উষ্ণতা নিয়ে, জন্মদিনের অঢেল শুভেচ্ছা ও শুভ কামনার ডালি নিয়ে হাতে। মাতা পিতা আপন শত স্বজন, বন্ধু বান্ধব পরিচিত জন, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা দিয়ে বুঝিয়ে দিলো জীবনের সুরভিত পুঞ্জিভূত ক্ষণ। জীবনের এই সুন্দর দিবসের উদযাপনে, আমাদের ভালোবাসা দোয়া ও শুভ কামনা অভিনন্দনে ভরে থাকুক উত্তীর্ণতায় ভবিষ্যতের উঠোনে, সুখ সমৃদ্ধি, স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে মঙ্গলময় হোক….দীর্ঘায়ু হোক জীবন, অনাবিল আনন্দে পরিপূর্ণ হয়ে উঠুক প্রতিটি মুহুর্ত মায়ের স্নেহ বাবার আদর প্রেয়সীর ভালোবাসায়, ভাই বোনদের শ্রদ্ধা ভক্তি আগামীর সব আশায়। জীবনের এই চলার পথে সুখ সাগরে…

আরো পড়ুন

ফুটপাতে ভাগ্যের টিয়াপাখি প্রিন্স আশরাফ শ্যামলী শিশুমেলার টিকেট কাউন্টারের ঠিক সামনের জায়গাটা থেকে একটু সরে গুড়োদুধের বিজ্ঞাপনের বিশাল ছাতার সূর্য আড়াল করা রোদের ছায়ায় ফুটপাতে টিয়াপাখি নিয়ে বসল জ্যোতিষী সামাদ। জ্যোতিষীর কাজের মধ্যে কাজ ছাতার ছায়ায় চুপটি করে বসে থাকা। ফুটপাতের এই জায়গাটুকু যেমন কিনে নিতে হয়েছে, তেমনি ছায়াটুকুও। ছাতার ছায়ার জন্য শিশুমেলার দারোয়ান মজিদকে মাসোহারা দিতে হয়। এই শহরে কিছুই মাগনা নয়, এমনকি ছায়াও! সকাল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত বেশিরভাগ সময় বসে বসে ঝিম ধরে পড়ে থাকতে হয়। পথ দিয়ে ¯্রােতের মতো এগিয়ে যায় মানুষ, ফুটপাতের ভাগ্যের টিয়াপাািখর দিকে নজর দেওয়ার সময় কোথায়? তারপরেও ভাগ্যবিড়ম্বিত দ্এুকজন নি¤œ আয়ের মানুষ সেই…

আরো পড়ুন

ভ্রান্ত পথিক সুলেখা আক্তার শান্তা সারাদিন ঘুরে ফিরে দিন কাটে নাহিদের। কারো কথা শুনেনা সে। মা মর্জিনা ছেলেকে কাজের কথা বললে, সে চেঁচামেচি করে উঠে। মা আমার কাজ করতে ভালো লাগেনা। কাজ করবি না খাবি কি? রোজ রোজ তোমার একই কথা, কাজ করবি না খাবি কি? শুনতে আর ভালো লাগেনা। তুই সংসারের বড় ছেলে, তোর তো সংসারের প্রতি দায়িত্ববোধ থাকা উচিত। তুমি এবার থামো। দেখি একটা কাজ জুটিয়ে নিব। দলবল নিয়ে দুরন্তপনায় নাহিদের দিন কাটতে থাকে। একদিন সকালে মর্জিনা ঘুম ভাঙ্গে লোকজনের চেঁচামেচির শব্দে। তাড়াতাড়ি উঠে দেখে সবাই রাস্তা দিয়ে একই দিকে ছুটছে। লতিফ বলে, আরে চাচি আপনি এখনো এখানে…

আরো পড়ুন

আমার গল্প অল্প আমি ছোট বেলা থেকে লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। কখনো কবিতা বা গল্প। চারিপাশে দেখা বিষয় নিয়ে কখনো বা প্রকৃতি নিয়ে,কল্পনা বাস্তবতার মেলবন্ধনে। আবার কখনো নিজেদের পারিবারিক ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, স্মৃতিচারণ মূলক চরিত্র বা ঘটনা নানাবিধ বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেছি। আমার স্কুলের বাংলা টিচার শ্রদ্ধেয় চিত্ত রঞ্জন স্যারের কাছে কবিতা আবৃত্তি শেখা শুরু হয় আমার সেই ছোট বেলার স্কুল জীবনে। এবং তাঁর হাত ধরে বরিশালের স্থানীয়, ‘ চন্দ্রদ্বীপ’ মাসিক পত্রিকায় আমার লেখা কবিতা ছাপা হলো প্রথমে। চন্দ্রদ্বীপ পত্রিকার একটা লেখক সমাবেশ হতো সেসময়। সেখানে কবি সাহিত্যকদের নিয়ে সমাবেশে আলোচনা সমালোচনাও হতো নতুন লেখকদের লেখা নিয়ে। কারণ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন…

আরো পড়ুন

শহর দেখতে গিয়ে হুমায়ূন কবীর ঢালী ব্যাঙা আর ব্যাঙি। দুই ব্যাঙ। দুই বন্ধু। ব্যাঙা নাদুস-নুদুস। ব্যাঙি হালকাপাতলা। ওরা বাস করে মিয়াবাড়ির পূবপাশের একটা ডোবার কাছে। ডোবার পশ্চিম পাড়ে বড়ো একটা বাঁশঝাড়। বাঁশঝাড়ের একটি গর্তে ওদের বাসা। মাঝেমধ্যে দরকার হলে বাসা থেকে বের হয়। ডোবায় নেমে গোসল করে। অন্য ব্যাঙের সাথে পানিতে ডুবসাঁতার খেলে। হইচই, ফূর্তি করে। ফের উঠে আসে নিজেদের বাসায়। একরকম সুখে-শান্তিতেই দিনযাপন করছে ওরা। একদিন ওদের মনে শহর দেখার শখ জাগল। কী করে শহরে যাওয়া যায়? গ্রাম থেকে তিন কিলোমিটার দূরে শহর। দুই কিলোমিটার পথ একদিনে পেরুনো সম্ভব। তবে কী করে, কোন পথে যাবে, এই নিয়ে দুইব্যাঙ কয়েকদিন…

আরো পড়ুন

 স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার লেখক: দেবাশীষ দাস তারিখ: ২০/০১/২২ ইং তৃতীয় শ্রেণীতে ওঠার পর কুলদীপ ছাত্রজীবন উপভোগ করতে শুরু করেছিল। পাড়ার এক ঝাঁক ছাত্র-ছাত্রীর সাথে খুব মজা করে স্কুলে যাওয়া-আসা করত। পিসতুত ভাই পঙ্কজ, পিসতুত বোন শ্রাবন্তী, প্রতিবেশী বিকাশ কামিনী অদ্রিকা অরুনিতা তুলকা কবীর ওরা সবাই কুলদীপের সহপাঠী ছিল। ওদের সবার সাথে কুলদীপের বন্ধুত্ব ছিল। ক্লাসে কুলদীপের সবচেয়ে ভাল বন্ধু ছিল অরিন্দম। অরিন্দম সঞ্জয়ের পিসতুত ভাই। সে দূর গ্রাম থেকে পড়াশোনা করার জন্য সঞ্জয়ের বাড়িতে এসেছিল। সঞ্জয়ের সাথে বন্ধুত্বের সূত্রেই অরিন্দমের সাথে কুলদীপের বন্ধুত্ব হয়েছিল। কুলদীপ ক্লাসে অরিন্দমের সাথে এক বেঞ্চে বসত। দুই বন্ধু মিলে একটু আধটু দুষ্টুমি করত। কুলদীপ…

আরো পড়ুন

পাষাণ অরণ্য ….আরেফিন শিমুল কিছু অভিমান, কিছু কষ্ট, কিছু অবহেলা, কিছু না পাওয়া এক ভয়ানক নির্জনতা… বুকের গহিনে আবদ্ধ পাষাণ অরণ্য। কিন্তু এখনো খুঁজি হারিয়ে যাওয়া ফাগুনের সেই আগুন… যেখানে তুমি প্রেমিক ছিলে সূর্যের তুলতুলে আলোর স্পর্শ ছিল চন্দ্রমল্লিকার সাথে পলাশের গুণগুণ ছিল… ছিল সব তছনছ করা কালবোশেখী নিজেকে ভেঙেচুরে তোমাতে মিশে যাওয়া। কোন এক ভোরবেলা শিউলি কুড়াতে যেয়ে প্রেম কুড়িয়েছি কুড়ানো প্রেম তোমার বুকপকেটে রেখে বললে, এর নাম ভালোবাসা। কোন প্রশ্ন কোন সংশয় কোন ভয় নয়… অবলীলায় মেনে নিলাম তোমার ভালোবাসা নিজেকে উজাড় করলাম প্রবল বিশ্বাসে। সময় গড়িয়ে এখন অস্তাচলের পথে… আজ শুধু সূর্যাস্ত দেখি সন্ধ্যেয় ঘরে ফেরা বৈষ্ণব…

আরো পড়ুন

জন্মদিন উঁকি দেয়ার আটদিন পরেই মুত্যুমাখা দিন # চিরস্থির ছবি হয়ে গেলেন জীবনশিল্পী সৈয়দ লুৎফুল হক; সালেম সুলেরী করোনার মুত্যু সিরিজে লেখা নাম সৈয়দ লুৎফুল হক। বাংলাদেশের খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী, লেখক, পরোপকারি। ২৭ জানুয়ারি ২০২১-এ চিরবিদায় নিলেন ৭২ বছরে। জন্ম ১৯৪৬-এর ১৮ জানুয়ারি, ঈশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহে। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন-এর জন্মমাটিতে। প্রিয়দিন-জন্মদিন পালনের আটদিন পরই তিরোধান। শেষ দিকে নিউকোমিয়া ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। স্ত্রীও পূর্ববর্তী বর্ষে চিরবিদায় জানিয়েছিলেন। রেখে গেলেন টগবগে দুটি পুত্রসন্তান। থাকলো অসংখ্য চিত্র, জলরঙিন ছবি, প্রচ্ছদ, অর্ধডজন বই। সৈয়দ লুৎফুল হকের সঙ্গে সম্পর্ক ১৯৮১-এর উপান্ত থেকে। যোগসূত্র প্রবাসপ্রতিম সাহিত্য সম্পাদক কবি আহসান হাবিব। দৈনিক বাংলা’র সাহিত্যপাতা দেখতেন। কিশোরসাহিত্য ‘সাত ভাই চম্পা’…

আরো পড়ুন

বিনিদ্র এ রজনী জলশ্রী বাণী ডিয়ায বিনিদ্র এ রজনী কেটে গেলো আমার অকারণে প্রহরের মধ্যভাগে এসেও অহেতুক চিহ্ন মনের মাঝে খুঁজে নিই নিজের কাছেই সব কিছু প্রশ্নের প্রহসনের বেড়াজালে বন্দী হয়ে শুনি ভোরের প্রতিধ্বণি ডাকছে নিরর্থক বাঁকা চাঁদের মতো কোনো এক কথা হচ্ছে দ্বিখণ্ডিত। এ বিনিদ্র এ রজনী এলো সেই সাথে এলো নিশ্চুপ প্রহর গাড়ির তীব্র গতিতে ছুটে চলা যেনো আগাম সতর্কসংকেত জানানোর চেষ্টা করে যায় দূর কোনো যানজটের দুর্ভোগ, পোহাতে হবে তোমাকে গোলাপের কাঁটায় হয়ে ক্ষত-বিক্ষত দোলন-চাঁপার চাপা নিশ্বাসের বঞ্চনা মিলায় মৌন উপভোগ। চপল চরণ ফেলে কখন যে হেঁটে যায় স্মৃতির দুয়ারে নিষ্ঠুরতার সবচেয়ে প্রিয় নিষ্ঠুরতম শব্দ পতনের মতো…

আরো পড়ুন

হৃদয় দিয়ে বাঁধি ফারহানা আহাসান আমার আঁকড়ে থাকার আঁধারগুলো থাক না জমা চাঁদের আলোয়। হাত বাড়ালেই ছুঁই না তোকে হৃদয় দিয়ে বাঁধি। আলোর পরে অন্ধকার নামে আপন ঘরে সবাই ফেরে তুই কী ফিরবি আমার মাঝে? স্বপ্ন বুনি সাঁজে। আহত চাতক আকুল আবেদনে স্বপ্ন ভাঙ্গে বেড়াজালে, হাত বাড়ালেই ছুঁই না তোকে হৃদয় দিয়ে বাঁধি।

আরো পড়ুন