তোমার জন্য যত আয়োজন পি, এন, এম, জীবউন নেছা (পারভীন নাহার) মহিলা কলেজের শিক্ষক তাই মেয়েদের কে পড়াই, তাদের যতো অধিকার আছে তা তাদের কে জানাই। সামাজিক সমস্যা যখন পড়াই অন্যান্য সমস্যার সাথে বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও মাদকাসক্তি কে তুলে ধরি ভাই। অধিক জনসংখ্যা, বেকারত্ব ও অটিজম আরো আছে অপুষ্টি ও জলবায়ুর পরিবর্তন। নারী শিক্ষার কি প্রয়োজন? নারীর ক্ষমতায়নই বা কি? এটার আবার কি প্রয়োজন! নারীর জন্য রাষ্ট্রের আছে কতো আয়োজন সবই জানা অতীব প্রয়োজন। আমাদের আছে নারী নীতি চাকরি ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি নারীর অনুকূলে আছে অনেক আইন সর্ব সাধারণ তা কি জানেন? ১৯৬১সালের মুসলিম পারিবারিক আইন নির্ধারণ করে দিলো উত্তরাধিকার,…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
কি জানি কি হয় সাবিনা সিদ্দিকী শিবা কি হতে কি হবে আজ, বুঝতেছিনা কিছু। একটা বল নিয়ে ছুটবে, বাইশ জন পিছু। কেউ দৌঁড়াবে হালকা মুডে, কেউ ক্ষিপ্ত পায়ে। বলটা যেন ছুটে গিয়ে, লাগে নেটের গায়ে। পরান ধুকপুক করতে থাকবে, প্রতি দলের ভক্তের। নিজের দলের গোল হলে, নাচন দেখবো রক্তের। জিতে গিয়ে কেউ লাফায়, কারও চোখে জল। কোন কোন দল জিতে, হারে কার কার দল। হারুক জিতুত,যা করুক, হাসি মুখেই মানবো। এটা কেবল খেলার হারজিত, এটাই সবাই জানবো। দল যার যার আনন্দ সবার, নয় ভেদাভেদ তবে। ঝগড়াঝাটি করে জয়, কে পেয়েছে কবে? কি জানি কি হয়, লাগছে ভীষণ ভয়। আজ জানি…
একাকিত্ব সৈয়দা রোখসানা বেগম কেমন লাগে একা ? কেউ একজন জিজ্ঞেস করলো , উদাসীনতাকে সামলে নিয়ে কিছুক্ষন চুপ থেকে বললাম, একাই তো ছিলাম ! সেই কবে থেকে একা ! কারও সাথে অনুভূতির লেনদেন নেই, শরীর, মনের ভালো লাগা না লাগার বালাই নেই, সেটা কি একা থাকা নয় ! যখন নির্ভরতা পাবার আশায় হাত বাড়িয়েছি, ঠেলে দিয়েছো একাকী স্বনির্ভর হতে। সেই থেকে একাকীত্বকেই ভালোবেসেছি। নিজেকে ভালোবাসতে শিখেছি। তখন এইটুকু ভালোবাসা পাবার আশায় আশেপাশে সব জলাঞ্জলী দিয়েছিলাম, আজ ফিরে পাচ্ছি একটু একটু করে যা হারিয়েছিলাম। তাই ভালো আছি একাকীত্বকে ভালোবেসে। সৈয়দা রোখসানা বেগম কানাডা: December 4/2022
উত্তাল সাগরে উপলব্ধি (শিরীনা ইয়াসমিন) তপ্ত বালিতে পুড়ে শীতল হয়েছি রাত দুপুরে। চাঁদের আলোয় ভেসেছি তখন,তুই সঙ্গেই এলি এতো করে মানা করেছি শুনলি না! অফিস ট্যাুর। তবু এলি রইলি ছায়ার মতো, এবার যাবো জাহাজে সাঁতার জানিস তো? ডুবলে তো ডুববি আমাকে নিয়েই।ভেসে চলেছি সাগরে হঠাৎ বললি চল বসি কার্পেটে।ঢেউ ভেঙে ভেঙে এগিয়ে চলেছি। ওমনি বায়না ধরলি কোলে মাথা রেখে সাগর দেখলে কেমন লাগে দেখিতো!আহা করছিস কী? কেন এমন করছিস?বন্ধু বন্ধুর কোলে মাথা রাখতে পারে না?পরবে না কেন? তা বলে জনতার ভীড়ে?তুই আমি তো জানি আমরা বন্ধু।কে চিনে তোকে আমাকে বল? এই তো ঝামেলা তোকে নিয়ে, পৃথিবীর যতো আবদার আমার কাছে।নিশ্চয়ই…
এই হোক উল্লাস । সুরমা খন্দকার । ভালো থাকার কারণ শুধু তোমার তরে তুমি হও। চমকে দিলে ঝড়ের কবল স্রোতের তোড়ে টিকতে হবে, একটু ভালো থাকতে হবে, এক জীবনে বাঁচতে হবে, এমন করে ব্রত নাও। যাতনার রাত শেষে ক্লান্ত ভোর উঁকি দিয়ে জানান দিক তপ্ত মরুর — কেউ না বলুক ভালো থাকো দূরত্ব আর ভালো থাকা বাড়তেই থাক অবিরত। আস্বাদন হোক জীবনের সব স্বাদ নিজেকে হোক শুরু ভালোবাসা। হোক প্রাণোল্লাস সবটুকু নিজের নয় কারো তরে বিবাদ। চাই না কোমল হাতের ছোঁয়া চাই না মিছে আশ। নিজের তরে নিজেই বাঁচো এই হোক উল্লাস।
আধুনিক মহাকালে মাহফুজুর রহমান আখন্দ হাটে মাঠে ঘাটে মুনাফেকি চলে দিবারাত্রির ভাঁজে চলনে বলনে কথায় পোশাকে সাচ্চা মুমিন সাজে ঈমানের বাতি মুখে ধরে রাখে হৃদয়ে গহীন কালো মাকাল ফলের মাতামাতি চলে গাছ-গাছালির ডালে লালসার তাপে পুড়ছে হৃদয় সুরেলা গানের তালে মন পুড়ে ছাই দেহ পোড়ে তবু বন্দী মায়াবী জালে আলো-আঁধারীতে শয়তানি খেল মরীচিকা মাখা পথে ভেদাভেদ কভু জানা হলোনাকো সাদা কালো আর লালে দমকল দিয়ে দাবানলে জ্বলা আগুন নেভানো যায় ঈমানের মাঠে যে আগুন জ্বলে সেটাকে নেভানো দায় বুকে বুকে আজ জাগাও ঈমান সাহসের করো চাষ আনবো ধরাতে মানবিক চোখ সত্যের বসবাস লাল সবুজের সোনার স্বদেশে জেগে ওঠো তিতুমীর শান্তির…
সম্পর্ক সম্পর্ক পুরনো করতে চাও কেনো চায়ে চিনি কম বেশি তরকারিতে নুনের সীমায়, চলো প্রথমে ফিরে যাই তেল মরিচ মসল্লা হলুদের হিসেবে পেতে চেওনা অহেতুক বেরসিক একঘেঁষে জীবন, আশার বাসায় হয় না পূরন কালের কালে অতৃপ্ত যৌবন। অতপরঃ ফিরার তীব্র ইচ্ছা মাঝে মাঝে ঘুরাফেরা স্বপ্ন আঁকা বাক্যলাপে হাসা আহা! কি চায় অন্তর? মনের মাঝে মন আছে তাই কবিতায় আকাআঁকি। জানি ভালোবাসার অভাবে করে লোকে খুনখারাবী। কবিরা স্বপ্ন বিলাসী করে না ওরা মন্দ কাজ বাকীরা সব মায়াহীন ছায়ার কায়া যেমন এভারেস্ট এর ধারে নেই সবুজ কোন ছায়া। ওই যে বনলতা দেখো কতো আদরে রাখে জড়ায়ে সবুজের মাঝে প্রকৃতি, অথচ মানুষ ইটের…
একা ফারজান লুবনা মানুষ মূলতো একা। অবশেষে নিজের কাছেও একা। দিন শেষে খোলা আকাশের সাথে আলাপন! দূরে ঐ চাঁদটাকে বড় বেশি আপন মনে হয় ! রাতের গভীরে নিশ্বাসের শব্দেরা খেলা করে। চাঁদের আলোয় নিজেকে এক অন্যরকম ভাবে খুঁজে পাওয়া! কার্তিকের হাওয়ার বয়ে চলাও, যেনো খুব প্রিয় কোন সুর মনে হয়! শরীর ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়, আর কানে কানে বলে যায়, তুমি এক ঐশ্বরিক ক্ষমতার মতো! সৌন্দর্য হৃদয়ের দার খুলে হাত বাড়িয়ে দেখো! চারি দিকে কতো আলোর হাতছানি! দূরে বাঁশ পাতারা শনশন শব্দ তুলেছে। সেই সাথে জোনাকির আলো মিটিমিটি জ্বলছে। নিরবতার ভাষা আমায় অনেক অনুভূতি অনুভব করতে শিখিয়ে দেয়। এ যেনো নিজেকে…
রংপুরে রোকেয়া দিবস উপলক্ষ্যে বেগম রোকেয়া নারী সংগঠনের পদক পেলেন ৩জন। রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি সভাকক্ষে রোকেয়া দিবস, শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা, পদক প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক, প্রবন্ধ-নিবন্ধ লেখক ও উদ্যোক্তা হিসেবে ৩জন নারীকে পদক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীরমুক্তিযোদ্ধা পেয়ারি বেগম, প্রফেসর আতাহার আলী খান, প্রফেসর ড. আরেফিনা বেগম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, বেগম রোকেয়া নারী সংগঠনের উপদেষ্টা সদস্য কবি ও প্রকাশক সাকিল মাসুদ। সভাপতিত্ব করেন নারী সংগঠনের সভাপতি লেখক, সংগঠক ও বাংলাদেশ বেতারের সাবেক আঞ্চলিক পরিচালক মনোয়ারা বেগম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক সাহিদা মিলকী। অনুষ্ঠানে বেগম রোকেয়া নারী সংগঠন,…
জ্ঞানী আলমগীর হোসেন আরিফ সকল শিক্ষিত মানুষ জ্ঞানী নয়, তবে জ্ঞানী হতে শিক্ষার দরকার হয়। জ্ঞানী হতে জানতে হয়,বুঝতে হয়,শিখতে হয় বিজ্ঞদের সাহচর্য পেতে হয়, অধ্যাবসায় করতে হয়। অনেক কথা বলে সারমর্ম সামান্য হওয়াটা জ্ঞানী নয়, প্রসঙ্গ ঠিক রেখে অল্প কথায় সমাধান করাটা জ্ঞানীর পরিচয়। সকল জ্ঞানীও কিন্তু মানুষ নয়, জন্তুর মতো আচরণে পাওয়া যায় তাদের অমানুষের পরিচয়। সেই জ্ঞানীরুপী জন্তুগুলো তোমার আমারই আপনজন, হয়তো বিচারক নয়তো সেবক অথবা নেতা রাজনৈতিক। এই জন্তু হতে বাঁচতে হলে, আমাদেরও জ্ঞানী হতে হবে, জ্ঞানী হবার আগে কিন্তু মানুষ আমাদের হতে হবে।
