আবার আসিও তুমি, আসিবার ইচ্ছে যদি হয় আরিফ সুলতানা বিবর্ণ মেঘেরাও আজ জেনে গেছে তুমি আমি ছিলেম একদিন চিরচেনা। হঠাৎ কোথা থেকে তুমি খুঁজে নিলে কারে ততক্ষণে আমি হয়ে গেলেম, তোমার অচেনা…!! প্রাণ হাড়া এই শহরের ইতিকথাগুলো বিষণ্ণতায় আজি কেঁদে কেঁদে মরে। দুরাকাশের মেঘগুলো তাই বিরহ বেদনায় বৃষ্টি হয়ে ঝরে!! এই আবছায়া আঁধার বেলায় এ টুকো শুধু বলিবো তোমায়, আবার আসিও তুমি….. আমার এ ভগ্ন হৃদয়ে আসিবার ইচ্ছা যদি হয়!! ২৩/০৮/২০২২ ইং।
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
বন্ধু যুথিকা জ্যোতি বন্ধু মানে ইগো নয়, প্রতিযোগী নয়, বন্ধু মানে, স্বচ্ছ হৃদয়ের অকৃত্রিম ভালোবাসা। অভিমানে পাশে থেকে যে বুঝবে মনের ভাষা। বন্ধু মানে সেই ছবি, যা শুধু কল্পনায় ভাবা যায়, আর তার প্রতিচ্ছবি মনের ক্যানভাসে আঁকা যায়। বন্ধু মানে যে নিঃস্বার্থে নিস্প্রয়োজনে সব সময় পাশে থাকে, সেই হচ্ছে প্রকৃত আপনজন। বন্ধু মানে সেই ভালোবাসা, যা প্রতিদিন পেতে চায় যেখানে থাকবে না বিনিময়ে প্রাপ্তির প্রত্যাশা। বন্ধু মানে সুন্দর একটি মন, যেখানে থাকবে শুধু স্বচ্ছতা আর পবিত্রতা, থাকবে না সংকীর্ণতা, কার্পণ্যতা সারা জীবন। বন্ধু মানে শত দু:খ কষ্টের মাঝেও খুঁজে পাওয়া একটুখানি সুখ, যেখানে নেই রাগ দ্বেষ মোহ আর ভোগ। বন্ধু…
স্বরবৃত্তে বিশ্বকাপ নীপা খান দ্বীপ শিখা আজ জ্বলছে মাঠে খেলা জমছে দর্শক হাটে। খেলোয়াড়রা হয় পাগলাটে, ফলাফল সব লাগছে ধোঁয়াটে। বিশ্বকাপ কে নিবে তটে! তবে রটে যা হয় বটে। বিশ্বকাপ হয় ভোগাসের মত আবেগ নিয়ে ছেলেখেলা যত, পূঁজিবাদের উন্নতি তত। ________ নীপা খান, হবিগঞ্জ। ০৭.১২.২০২২
কবিতার প্রেম ফরিদা বেগম যখন আমার কষ্টে কষ্টে অতিবাহিত হয়েছে আমার জীবন, তখন এই দুঃসময়ে কবিতা লিখাই প্রেরণা দিয়েছে সারাক্ষণ। এক একটা বর্ণের ছোঁয়ায় দুঃখ কেটে সুখে হয়েছি পরিপূর্ণ, যখন একটু আশার বাণী সবার থেকে ছিল শূন্য। যখন ছন্দ মিলতো না কিন্তু তবু করতাম আঁকাবাঁকা, মনে হয় এক একটি কষ্ট দূর করে দিতো ছন্দের রেখা। এক একটি বর্ণকে বলতাম তুমি চাঁদ নও তবে আমার কাছে তুমি চাঁদের আলো, ছন্দকে বলতাম তুমি নদী নও, কিন্তু তুমি নদীর ঢেউ, সবশেষে কবিতাকে বলি এখন তুমি অচেনা নও কিন্তু সবচেয়ে চেনা সবচেয়ে প্রিয় ছন্দের ঢেউ। এখন জীবনে যতই কষ্টের ঢেউ আসুক তোমার ছন্দের তালে…
দানব – এটিএম ফারুক আহমেদ তারিখ: ০৫.১২.২২ইং দেও, দানব, দৈত্য, জ্বিন, পরি, ভূত পেতনীর কথা শুনেছি অনেক – বিশ্বাস করিনি কখনো। আর এ-ই অশরীরী ভীতি, ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। ভয়ে জড়সড় হয়ে ভরদুপুরে দরজা বন্ধ করে দিয়েছি, জানালা একটাও খোলা রাখিনি, যদি ওরা এসে ঢুকে পড়ে! জোরে শোঁ শোঁ বাতাস এলে, গাছগাছালি উল্টে বাতাস বইলে, ঘনকৃষ্ণ মেঘে আকাশ ভেঙে আঁধার নামলে, বিষম ঝড়ো হাওয়া, তুফান এলে এমনি করতাম। ভরদুপুর, গোধূলি বেলায়, মধ্যরাতে যদি গাছতলায়, বাঁশ তলায়, ঝোপের আড়ালে একলা দোকলা পেলে ওরা আছর করে, চেপে ধরে! যদি পানির তলদেশে চুবিয়ে ধরে, ঘাড় মটকিয়ে মেরে ফেলে! ঘরের ভেতর ঢুকে যদি আছাড়…
সোনার বাংলা হারুনুর রশীদ উনিশ শ’ বায়ান্ন লড়ি ভাষার জন্য। সত্তরের নির্বাচন পশ্চিমের নির্বাসন। একাত্তরের বিষয় বাংলাদেশের বিজয়। সাতই মার্চের ভাষণ মানি না আর শাসন। এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম । ডিসেম্বরের ষোলো চূড়ান্ত জয় হলো। হানাদাররা পাজি; বীর বাঙালি গাজী। দেশের সেবা করবো; সোনার বাংলা গড়বো।
নীল প্রজাপতির আলী আকবর বাবুল আমি ভাঙ্গনে মুষড়ে পড়ি দুঃসহ কান্নায় নীরব- বক্ষ- ফাঁটা ক্রন্দনের সঙ্গী, বেলা শেষে পেছনে আমায় ফেলে পালালে নির্জনতার একান্ত আঁধার রাতে নীলাভ আলো জ্বেলে ধরনীর বুকে রুপালী শিখায় সঙ্গী করে আমি পড়ে রইলাম মরীচিকার গন্তব্য দুপুরের। ছায়াহীন মনের ক্যানভাসে উত্তপ্ত অনলে তুমি চলে গেলে অন্যরকম এক শহরে আমি পড়ে রইলাম গোধূলি বেলার ধূসর নগরে। তবে আমাকে রাখলে অনেক দুরে, শূন্য সীমাহীন চিরচেনাহীন নিথর ঘরে। সুনীল আকাশের নীল প্রজাপতির ডানার হংস হয়ে আমি চলেছি ডানাবিহীন এক অজানা জীবনে। তবু আমি দেখি সবুজ প্রকৃতির প্রেম, জীবনে জেগে আছি, নির্জীব এক ঝরা প্রেমের আশ্রয়ে। জীবনের মাঝপথে আসতে না…
আত্মার মেলবন্ধন তুমি আমার আত্মার চেয়েও নিকটতম আত্মীয় আমার শ্বাস-প্রশ্বাস, শিরা-ধমনীতে নিত্য পদচারণা তোমার মহাসমারোহে আমার আত্মার পূর্ণতা লাভের জন্য ছুটছ, সকল পার্থিবতাকে তুচ্ছ করে। তুমি না থাকলে আমার আত্মার আলো রশ্মিময়তা পায় না তুমি না এলে অন্তহীন নি:সঙ্গতা তৃষ্ণার্ত পথিকের মত আমাকে পান করে ফেলে তুমি না থাকলে অনুভূতির নাগালের বাইরে ভয়ংকর আত্মাগুলো আমাকে তাড়া করে ফেরে। তোমার আমার আত্মীয়তাকে কেউ চিরতরে বিলুপ্ত করতে পারবে না, তোমার আমার নশ্বর মায়ার বন্ধনকে কেউ মৃত্যদন্ড দিতে পারবে না। তোমার আমার না বলা কথাগুলোকে কেউ পত্রিকায় ছাপাতে পারবে না, পারবে না কোন আর্কাইভে সংরক্ষণ করতে! তোমার আমার পবিত্র আত্মার স্বর্গীয় আবেগময়তা পৃথিবীর…
এশিয়ার দলের জয় হোক। মোঃ আবদুল গনি ভূঁইয়া এশিয়ার দল কোরিয়া, হারিকেন দিবে ধরাইয়া। জিতলে একাই নাচবো, মোর নাচন ঘরের সবে; নির্ঘুম নয়নে দেখবো। কানফাটা ঐ আওয়াজে, ভাসবে না আর বাতাসে। চিৎকার চেঁচামেচি করে, রসদ ফুরিয়ে ফিরবে ঘরে; কয়দিন একা পড়ে রবে। ব্রাজিলের হলে পরাজয়, এই বিশ্বকাপের পতাকা; উড়বে না আর ঘরে ঘরে। এশিয়ার দলের জয় হোক, ফুটবলে পরিবর্তন আসুক। _________________ মোঃ আবদুল গনি ভূঁইয়া দক্ষিণ বনশ্রী, ঢাকা। ০৫/১২/২০২২
উল্টো পথের যাত্রী -জ্যাকলিন কাব্য আমি কখনোই সুখী মানুষের কাতারে হাঁটিনি। সুখী হওয়ার প্রবণতা নেই বলেই হয়তো – নীল শিফনের শাড়ি আর হাতে এক ডজন রেশমি চুড়ি পরে কখনো প্রিয়জনকে বলা হয়নি – ভালবাসি। আমি প্রেমিকা হয়ে উঠতে পারিনি বলেই হয়তো – প্রিয় মানুষটার জন্য সাজতে আমার ভালো লাগে না। গালে হালকা গোলাপি রুজ লাগিয়ে ব্রণের দাগ ঢাকতে কিংবা লিপ গ্লস পলিশ করে ঠোঁট চকচকে করতে আমার ইচ্ছে করে না। একটা খোলা রিক্সায় পাশাপাশি বসে প্রেমিকের বুকে আমার এলোমেলো চুল উড়ে বেড়াবে এই ইচ্ছে আমার হয় না বলেই হয়তো বনলতা হয়ে উঠতে পারিনি। আমি সৌন্দর্যপ্রেমী নই বলেই হয়তো একটা সুন্দর…
