আর কত (অগ্নিশিখা ঝুমঝুম ) আর কত নিচে নামতে চাইছো আরও কত নিচে নামবে ভূগর্ভ থেকে তুলবে আগুন তবেই কি তুমি থামবে?… লেলিহান শিখা জ্বলছে এখন দেখছি তোমার বক্ষে যন্ত্রনা তে ছিঁড়ে যায় শিরা অন্ধ হয়েছো চক্ষে… তবুও নামছো, নেমেই চলেছো নামার তো নেই শেষ নামতে নামতে হারিয়েছো সব আছে শুধু বিদ্বেষ… দিগন্তে আজ ওই দেখা যায় সূর্যের লাল আলো দিকচক্রের রবির কিরণে মনের প্রদীপ জ্বালো… জ্বলন্ত ওই আগুন ধরেছো করতল দ্যাখো জ্বলছে ধক ধক বুক, চোখে তে উল্কা ধীর দুটি পায় চলছে… এ চলার জানি শেষ নেই কোনো তাই তো বলছি থামতে বোঝো আজ তুমি শেষের কিনারে পারছোনা আর…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
আত্মজা। শিরীনা ইয়াসমিন। নবনীতা খুব সাধারণ জীবন যাপন করে। একটা বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করে। ওর পিসি বিধবা,বাবা – মা মারা গেছেন। সেই থেকে নবনীতা ওর বিধবা পিসিকে নিজের কাছে এনে রেখেছেন।একদিকে পিসির প্রতি দায়িত্ব অন্যদিকে ওর একলা জীবনের সঙ্গী। নবনীতার বিয়ে হয়েছিল,ওরা একই ইউনিভার্সিটিতে পড়ত।পছন্দ করেই ওরা বিয়ে করেছে।অসীম ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট, পরে ইউনিভার্সিটির টিচার হয়।বিয়ের পর নবনীতা অসীমকে ওর চরিত্রের ঠিক উল্টোভাবে আবিষ্কার করে।নবনীতা যে অসীমকে চিনতো তার সাথে অসীমের কোন মিল নেই। ছ’মাস না যেতেই নবনীতা হাপিয়ে ওঠে। ঠিক ছ’মাস নয় প্রথম রাতেই নবনীতা পুরোপুরি ভেঙে পরে অসীমের এক প্রশ্ন শুনে।তবুও চিন্তা করেছে বিয়ে যেহেতু হয়েছে ওকে শুধরে নেয়া…
অপেক্ষা যুথিকা জ্যোতি ___________ অপেক্ষা মানে শুধুই কি একটি শব্দ? না কি এমন একটা বিস্ময় যা মানুষকে আচমকা করে দেয় নিঃশব্দ! অপেক্ষা মানে শুধুই কি দিনের শেষে একখন্ড অবসর, না কি গোধূলীতে পাশাপাশি বসে অন্তরঙ্গ আলাপনের অঙ্গীকার। অপেক্ষা মানে শুধুই কি এক চিলতে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের মুহূর্ত, না কি গহীন বিশ্বস্ততায় হৃদয়-মন -প্রাণ উজার করে ঢেলে দেওয়ার বিনা শর্ত। অপেক্ষা মানে শুধুই কি এই তিনটি বর্ণ? না কি এমন এক অদৃশ্য আঘাত যা মানুষকে তিলে তিলে ভেঙে মুছড়ে করে দেয় চূর্ণ বিচূর্ণ! অপেক্ষা মানে শুধুই কি হতাশা নিরাশা আর উদ্বেগ? না কি জীবনের প্রথম ভালোলাগা আর ভালোবাসার আবেগ। অপেক্ষা মানে শুধুই কি…
বেয়াই মোঃ মফিজ উদ্দিন ভুঁই্য়া বুকের সাথে বুক লাগিয়ে মাথায় দেয় তেল, সামনে এসে বাঘা সাজে বুকে মারে সেল।। তাদেরকে বলে বহুরুপী ফেলে চোখের জল, মায়া কান্নায় পারদর্শী সামনে দেখায় বল।। মুখে হাসি মিষ্টি কথায় ঘুঘু দিয়ে ঘুঘু ধরে মরণ ফাঁদ পেতে রাখে তিলে তিলে মারে।। বাঘেরে দুধ সাপেরে দুধ উভয়কে রাখে খুশি, গেম খেলে ঠাণ্ডা মাথায় পরকে করে দোষী। ঠাণ্ডা মাথায় চলতে জানে রাগ করে না থোড়া-ই, ধনী-গরিব বুজে না সে পারলে বানায় বেয়াই।
নিঃসঙ্গ নিসর্গ সাঈদা চৌধুরী নিঃসঙ্গ নিসর্গ বিজন প্রান্তর চাঁদহীন রাত একলা আকাশ রহস্যময়তা একরাশ নির্মল নীলটুকুও ঢাকা পড়েছে; পত্রহীন বৃক্ষটি, বাহু মেলে ঠায় দাঁড়িয়ে আঁধারের বক্ষ জুড়ে আর্তনাদ সমর্পণ ! নিকষ কালো জলে নীরব বিষণ্ণ নদী,তবুও– দু একটি নিশিপদ্ম দলগুলো তার ক্ষয়ে ক্ষয়ে যায় তরঙ্গে তরঙ্গে। বক্ষের ঠিক মধ্য বরাবর মন্থন রোমন্থন শেষে চিড়ে চিড়ে যায় দুর্দান্ত বেগে সুদূরে পক্ষ সঞ্চালি। নিমীলিত আঁখি প্রবহমাণ মহাস্রোত নিত্য দিনের মতই; কালবেলার পথিকের পদচারণা শুনতে পাওয়া যায় মহাকালের অভিযাত্রী প্রার্থনা জানায় – দু’দণ্ড সময় শান্তি দাও আমায়। ————————- ২.৫.২০১৮
আসছে… অমর একুশে বইমেলা-২০২৩ শাহ নাজমুল হুদা’র একক কাব্যগ্রন্থ: সুখের আজ কঠিন অসুখ বইয়ের নাম: সুখের আজ কঠিন অসুখ বইয়ের ধরন : কাব্যগ্রন্থ লেখক: শাহ নাজমুল হুদা প্রকাশকাল: একুশে বইমেলা-২০২৩ প্রকাশনী: প্রতিবিম্ব প্রকাশ। প্রচ্ছদ: আল নোমান আইএসবিএন: 978-984-০০০-০-০০ প্রতিবিম্ব প্রকাশ (সৃজনশীল লেখকের ঠিকানা) অফিস: বাড়ি:০১ (চতুর্থ তলা), সড়ক: ১৪/বি, সেক্টর: ০৪, উত্তরা, ঢাকা ফোন: ০১৭১৫৩৬৩০৭৯ ইমেইল: khair.hrm@gmail.com ওয়েব: https://protibimboprokash.com/ পেজ: https://www.facebook.com/protibimboprokash
দেশের বরেণ্য স্থপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (১ জানুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুববরণ করেন। তার মৃতুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান। মোবাশ্বের হোসেন বাংলাদেশের স্থপতি ইনস্টিটিউটের সভাপতি ও পরিবেশকর্মী ছিলেন। স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্যে স্নাতক সম্পন্ন করেন। বর্তমানে কমনওয়েলথ অ্যাসোসিয়েশন অফ আর্কিটেক্টস এবং বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। নাগরিক আন্দোলনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সোচ্চার ছিলেন স্থপতি হিসেবে মোবাশ্বের হোসেনের নির্মাণকাজের মধ্যে আরডিআরএস সেন্টার-উত্তরা/রংপুর, প্রশিকা ভবন, গ্রামীণ…
কষ্ট তসলিমা হাসান যেদিন মিথ্যে বলে আমাকে ছুঁড়ে ফেলা হয়েছিল, সেদিন আমি কিছুই বলিনি। হ্যাঁ, কিছুই বলিনি। ঝাপসা চোখে নীরবে ছেড়ে এসেছিলাম চেনা গলি। চেনা গলির শেষ প্রান্তে কেউ আমাকে বিদায় জানাতে আসেনি। বাঁধ ভাঙা কান্নার ঢেউগুলোকে বাঁধা দিতে কেউ আসেনি। আমি কিছুই বলিনি। এখনও মাঝে মাঝেই ঘুরে আসি পুরনো সেই চেনা গলি। পুরনো পথ, পুরনো শপথ পুরনো কথা, পুরনো স্মৃতি কখনোবা অজান্তেই এক চিলতে হাসি ফুটে উঠে ঠোঁটে কখনো বেহায়া চোখ মানে না বারণ, ভাসিয়ে দেয় কাজল। ভাবি, সত্যিই কি সবটা মিথ্যে ছিল? নাকি পুরোটাই ছিল কেবল অভিনয়? দ্বিধান্বিত আমি যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে ভাবি, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয়, তবে…
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অন্বয় প্রকাশের পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে অন্বয় প্রকাশের লেখকদের মধ্য থেকে সম্মানিত দশ লেখককে পুরস্কারের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। তাঁরা হলেন, কবিতায় মুহম্মদ নূরুল হুদা, প্রবন্ধ-গবেষণায় মোহীত উল আলম ও জিয়াউল হক, গল্প-উপন্যাসে ইসহাক খান, গ্রন্থ সম্পাদনায় অপু উকিল, মুক্তগদ্যে আকবর হায়দার কিরন, ছড়া-কবিতায় দর্পণ কবীর ও সালেহীন সাজু, লেখকের প্রথম বই শাখায় আইনুল হক ও অনুবাদে অজিত পাত্র (ভারত)। আগামী ২১ জানুয়ারি ২০২৩, শনিবার বিকাল ৪ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউট অডিটরিয়ামে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে লেখকদের পুরস্কার প্রদান করা হবে।
কবিসংসদ শিশুসাহিত্য উৎসব ২০২২ অনুষ্ঠিত। কবিসংসদ বাংলাদেশ আয়োজন করে গত ০৮ জানুয়ারি ২০২৩। ঢাকায়, শিশুকল্যাণ পরিষদ ভবনে, শিশু সাহিত্যিক রফিকুল হক দাদু ভাইয়ের ৮৭ তম জন্মদিন উপলক্ষে কবি সংসদ শিশু সাহিত্য উৎসব। দীর্ঘ ২৪ বছরের মাথায় এসে কবি সংসদ বাংলাদেশ নিয়মিত এই আয়োজন করবে। কনকনে শীতের মধ্যেও প্রধান অতিথি ছিলেন কবিসংসদ বাংলাদেশের উপদেষ্টা কবি ও শিশুসাহিত্যিক আসলাম সানী। প্রধান আলোচক ছিলেন সাদাকালো পত্রিকার সম্পাদক কবি ও সম্পাদক সালেম সুলেরী। কবি সংসদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি কবি ও শিশুসাহিত্যিক রাজু আলীম কবিসংসদ শিশুসাহিত্য উৎসব উদ্বোধন করেন। উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব কবি ও ছড়াকার তৌহিদুল ইসলাম কনক স্বাগত বক্তব্য রাখেন। কবিসংসদ শিশুসাহিত্য উৎসবের…
