Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

কাল বৈশাখী ঝড় বিজন বেপারী আকাশ জুড়ে মেঘ করেছে ঈশান কোণে ঐ, ঘোড়ার বেগে ছুটবে যে ঝড় ক‌ইরে তোরা ক‌ই? বৈশাখ মাসের হঠাৎ এই ঝড় কাল বৈশাখী নাম, হঠাৎ এসে ধ্বংস করে গাছের ছোট আম। রাস্তা ঘাটের যতো ধুলা থাকবে সবার আগে, এক নিমিষেই পৌঁছে যে যায় সকল গৃহে জাগে। গুড়িম গুড়িম ডাক দিয়ে যায় আকাশ ভেঙ্গে আসে, আবালবৃদ্ধ আঙ্গুল দিয়ে কানতো বাঁধে পাশে। বিজন বেপারী ঝালকাঠি, বরিশাল।

আরো পড়ুন

পথের ঠিকানা তাসরীনা শিখা এখন আর ইচ্ছে হয় না পথের দিকে তাকাতে। ভয় লাগে বড্ড ভয়। পেছনের পথটা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে আর ছোট হয়ে যাচ্ছে সামনের পথটুকু। ছোট হতে হতে মিলিয়ে যাবে সামনের পথটুকু কোন এক অজানা ঠিকানাতে। তখন কি হবে আমার পথের ঠিকানা ? জানিনা। কেউতো সে ঠিকানা থেকে ফিরে এসে বলেনি কেমন পথের শেষের ঠিকানাটি। সে অজানা পথের ঠিকানার চিন্তা আমার দেহ মনে পরগাছার মতো শক্ত হয়ে জড়িয়ে আছে। তাকে যে কোন ভাবেই ছাড়াতে পারছি না আমার দেহ মন থেকে। আজকাল মনে হয় মৃত্যু সংখ্যা অনেক বেড়ে যাচ্ছে । প্রতিদিনিই শুনি কেউ না কেউ চলে গেছে পৃথিবী…

আরো পড়ুন

“তুমি কোন কাননের ফুল” শাহানা জেসমিন বাইরে এখন তীব্রতর কনকনে শীতের হাওয়া নেই। কুয়াশায় স্মৃতিগুলো শৈশবের নরম তুলতুলে গন্ধ নিয়ে আশ্চর্য বিপন্ন হৃদয়ের অন্ধকারে নক্ষত্রের মতোন তাকিয়ে থাকে একেবারে নিজের একান্তেই। পাতা ঝরা শব্দের সাথে নিঃশব্দের হাত ধরে নিরুদ্দেশ হয় ভোগবাদী জীবনের স্বপ্নেরা।জীবনের গল্পে সময়ের অমোঘ টানে জীবন ছুটে চলে অহরহ তাগিদে। শীতের শেষে বসন্ত আসে এক শারীরবৃত্তীয় নেশায়। তখন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে নিজের ভেতরে ভেতরে। সাইরেন বাজিয়ে যায় সেই সুখ নিজের ভেতর বাড়ি। দীঘল শীতল রাত শেষ হয় বসন্তের উষ্ণতায়।হাওয়ায় হাওয়ায় বৃক্ষ -বাকলে বাসন্তী অভিসারে ছড়িয়ে পড়ে সেই প্রিজম সুখ। আমি আর অর্নব পাশাপাশি বসে আছি ট্রেনে। খোলা জানালায়…

আরো পড়ুন

তিনি আসলেন জয় করলেন, আবার চলে গেলেন। সংগীত শিল্পী, কবি যুথিকা বড়ুয়া ভারতের কলকাতার বাটানগর (বাপের বাড়িতে) বেড়াতে এসে 18 April 2023 পরপারগত হন। সাথে তাঁর বড় মেয়ে ইন্দিরা বড়ুয়া ও ভ্রমণে এসেছিলেন। এক নজরে সংগীত শিল্পী, কবি ও গল্পকার যুথিকা বড়ুয়া’র পরিচিতি: কবি যুথিকা বড়ুয়া শীলঘাটা গ্রামের কৃতি সন্তান লেখক, গবেষক, ধর্ম দর্শন ও ইতিহাস বিষয়ে অত্যন্ত প্রাজ্ঞ, বিশ্ব বৌদ্ধ সৌভ্রাতৃত্ব সংঘ (WFB) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রাক্তন লাইব্রেরিয়ান ও সহসাধারণ সম্পাদক বর্তমান কানাডা প্রবাসী শ্রদ্ধেয় দাদা সোনা কান্তি বড়ুয়ার সহধর্মিণী। কবি ও গল্পকার যুথিকা বড়ুয়া’র জন্ম, শিক্ষা, দীক্ষা, বেড়ে ওঠা পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায়। দেশের বাড়ি বাংলাদেশের চট্টগ্রামের শ্রীপুর জৈষ্ঠপুরা গ্রামে। লেখিকা…

আরো পড়ুন

১) কমলা রঙের রোদ্দুর কমলা রঙের রোদ্দুরে দাঁড়িয়ে ভালোবাসার স্টেশন খুঁজছি। পুড়ছি না — তাবদাহে! তালপুকুরের ভাবের আনন্দে মাতাল হচ্ছি! কেননা — বাতাসের আঙিনায় মেঘ নেই! আমার ত্রি- মাত্রিক যোজনা অপ্রত্যয়ী —ভালোলাগার অভিক্ষেপণ — মর্ত্যলোকে অবগাহন করিনি শুধু সূর্যকে পুঁজি করে মনের আরাধ্য শুধু দর্শনভিলাষ — ধর্ষিত স্থির নয়না পাতাল রেলে চড়ে — দূরে গমন করছি! মনের পঞ্চঘরের —তালাটা খোলাই থাকে কখনো মর্দ আসে কখনো স্বর্গিয় ( পুরুষ) হুরের খুসবো ভেসে আসে — অল্প স্বল্প গল্পের ঝাঁপি খুলে —! কখনো সখনো আসে চাপানো দোষে দুষ্ট হয়ে! শাপভ্রষ্ট আমি— তাই মিঠে রোদেই থাকি — তরতাজা হৃষ্টপুষ্ট — কমলা রঙের রোদ্দুর —…

আরো পড়ুন

একটা তুমি তসলিমা হাসান প্রচন্ড মনখারাপে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে স্বান্ত্বনা দেবার মতো একজন ভালোবাসার মানুষ খুব দরকার সবার ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাওয়া ভীষণ কষ্টের মুহূর্তেগুলোতে কাছে টেনে নিয়ে চোখের জল মুছিয়ে দেবার জন্য যত্নবান কাউকে দরকার হয় নিজের অব্যক্ত কথা, লুকোনো ব্যাথা, মনের গভীরে লুকিয়ে রাখা হাজারো গল্প নির্দ্বিধায় বলতে পারার মতো বিশ্বস্ত একজন দরকার শিশির ভেজা সকালে, বৃষ্টিস্নাত দুপুরে, পড়ন্ত বিকেলে, পূর্ণিমার রাতে পাশাপাশি হাঁটার জন্য বন্ধুর মতো একজনের সঙ্গ দরকার নিজের সমস্ত ভালোবাসাটুকু, পরম যত্নটুকু, মূল্যবান বিশ্বাসটুকু দেয়ার মতো একজন একান্ত সৎ মানুষের দরকার সুখে-দুঃখে, অসুখে কিংবা মনখারাপে ছায়ার মতো পাশে থাকার মতো…

আরো পড়ুন

বৃষ্টি হবে কবে হাবিবুর রহমান মাষ্টার (অবঃ) মধ্য গগনে রবি বেলা দ্বিপ্রহর পথঘাটে নেই কেহ নারী কি’বা নর। প্রখর রোদের রশ্মি, ঝিকঝিক মাঠ তটিণীর তটে তরী মাঝি শূন্য ঘাট। ফার্মের মালিকের চলছে আহাজারি প্রচন্ড তাপদাহে মোরগ যাচ্ছে মরি। পুকুর জলে করছে নাওয়া ক্ষণিক শান্তি লাভে অপেক্ষমান সবাই আজি বৃষ্টি হবে কবে!

আরো পড়ুন

অমোঘ নিয়তি শীরীন আক্তার নির্বাক,নিস্তব্ধ, নিঝুম নির্ঘুম রাতে দূরে কোন অজানায়, একটি কুকুর অবিরাম করুণ সুরে কেঁদে চলেছে বেদনায়। আমি লাশকাটা ঘরে রক্তের গন্ধের মধ্যে পড়ে আছি অসংখ্য লাশের মাঝে যেন এক পাখা হীন মাছি। সারাদিন কলুর বলদের মতো অমানুষিক খাটুনি খেটে চলৎশক্তিহীন হয়ে অসহায় দৃষ্টিতে শূন্যে তাকিয়ে রাত যায় কেটে। নেই কোনো কিছু বলার অধিকার শুধুই সেবা দিয়ে যেতে হয় থেকে নির্বিকার। অনবরত অন্যায়, অত্যাচার সয়ে সয়ে হয়ে গেছি সত্তাহীন অস্তিত্ব, আমার থাকতে নেই কোনো প্রকার ব্যক্তিত্ব। শুধুই করে যেতে হবে নিশিদিন দায়িত্ব পালন, অসুখ বিসুখ হলেও সহানুভূতির বদলে মিলে নির্যাতন। অসুস্থতা সেটাও মহা অপরাধ কাজ করতেই হবে, যদি…

আরো পড়ুন

‘ধ্রুবতারা হয়ে র‌ও’ হাফিজুল হক (ড: জাফরুল্লাহ চৌধুরী’কে নিবেদিত কবিতা) কাকে বলবো, কে বুঝবে দুঃখের কথা? অমানিশা কেটে হবে উজ্জ্বল ভোর? ওখানে কে দাঁড়াবে বুকে নিয়ে জোর? কার কায়া হবে সত্যের হাতিয়ার, দ্ব্যর্থহীন কন্ঠ অশেষ আধার প্রেরণার? নাহ্, বড় খেয়ালী, অভিমানী তুমি! কেন বোঝোনি? বলো তো, যারা বিগত, তাদের যা অসমাপ্ত, আর যারা আছে, তাদের স্বপ্নের ফলন- তোমার যে ছিলো বড় দরকার! নাহ্, তুমি চলেই গেলে অভিমানে এমন, আমাদের স্বপ্ন হলো শ্মশান ছারখার! কে আছে? প্রস্তুত কি আছে কেউ- কিচ্ছু তোয়াক্কা না করে হবে আগুয়ান, হৃদয়ে তোমার ছবি ন‌ওজোয়ান, জাগাবে এক নতুন সকাল? নাকি অবিরত এক অসহ্য অধ্যায়: ভেদ-বিভেদে আমাদের…

আরো পড়ুন

গাইছি জয়ো গান নূরুল ইসলাম নূরচান তোমরা আমার ভাই তোমরাই আমার প্রাণ তোমাদের গুণ নিয়েই গাইছি জয়ো গান। কৃষক ফলান শস্য ফসল বাঁচায় মোদের প্রাণ তাই একতারা, দোতারায় শুনি রকমারি গান। কামার, কুমার, জেলে বাংলার প্রাণ কিষান তাই তোমাদের নিয়ে করে শিল্পীরা গান।

আরো পড়ুন