Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

জমাট বাঁধা দু:খবোধ চুননু জামান তনুশ্রী!তুমি সুন্দরী তপতি সূর্যপত্নী ছায়া,জ্বালাও আগুন ঝিম ধরা চোখে অনিকের হৃদয়তন্ত্রে ভালোবাসার অধরে তোমাকে দেখে অবিনাশী যুবকের পিয়াসী স্বপ্ন জাগে ছুটে চলে উল্কার বেগে উর্বশীকে ছুঁবে বলে অনায়াসে। তুমি আজ হারিয়ে গেলে বড় অসময়ে স্মৃতি চিহ্ন রেখে মনের বিবর্ণ আকাশে উড়েনা আর সাত রঙের ফানুস অন্তরের হিমগলা বারি লয়ে বিমোহিত স্রোতস্বিনী ঢেউয়ে ফোঁটা ফোঁটা অশ্রু গুলো গড়িয়ে পড়ে বেদনার মহাসমুদ্রে। বিষণ্ণ এক জীবন,অপূর্ণতায় ভরা,শূন্য ঘরে ভরা স্মৃতি হতাশ্বাসের বিষবাষ্পে বিবর্ণ হচ্ছে মনের পত্র পুষ্পশাখা কালো অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে কোন এক সুদূর অজানায় তখন আমি খুঁজি নির্জনতা,ঘাস ফুল নদী-পাখি অরণ্য। ছন্দপতনে নিমজ্জিত সেই প্রেমিক,বিষাদ কাতরে বাষ্পাচ্ছন্ন…

আরো পড়ুন

সমরেশ মজুমদারের ১০০ টি বিখ্যাত উক্তি: ১ মন খুলে যদি ঘুমাতে পার তাহলে দেখবে তোমার কোনো কষ্ট নেই। ~সমরেশ মজুমদার (না আকাশ না পাতাল ) ২ আমরা মনে করি প্রেমের পরিণতি বিয়ে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিয়েতে প্রেম শেষ হয়ে যায়। তাছাড়া প্রেমিক হিসেবে কেউ অসাধারণ হতে পারে কিন্তু স্বামী হিসাবে অযোগ্য হওয়া বিচিত্র নয়। ~সমরেশ মজুমদার (আকাশে হেলান দিয়ে) ৩ শুনেছি, বিখ্যাত, অতিবিখ্যাত মানুষেরা নাকি সমালোচনা মেনে নিতে সবসময় পারেন না ।ত্রুটির উল্লেখ করলে ভাবেন আক্রান্ত হচ্ছেন। ~সমরেশ মজুমদার (এক জীবনে অনেক জীবন) ৪ শাদা ছিট কালো পায়রার ওড়াওড়ি জ্যোৎস্না গায়ে মেখে মায়াবী আলোয় অস্পষ্ট হয়ে হারিয়ে যায়। –সমরেশ মজুমদার…

আরো পড়ুন

দীর্ঘ দিন রোগভোগের পর সমরেশ মজুমদার প্রয়াত! ‘কালবেলা’র স্রষ্টা বিলীন কালপুরুষের জগতে: সোমবার বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রয়াত হলেন সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার। সন্ধ্যা পৌনে ৬টা নাগাদ তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৯৪২ সালে উত্তরবঙ্গের গয়েরকাটায় জন্ম উত্তরাধিকার, কালপুরুষ, কালবেলা-সহ একাধিক কালজয়ী উপন্যাসের লেখক সমরেশের। শৈশবও কেটেছে জলপাইগুড়ি জেলার ওই চা-বাগান এলাকাতেই। অসুস্থ ছিলেন বেশ কিছু দিন ধরেই। সোমবার বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রয়াত হলেন সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার। সন্ধ্যা পৌনে ৬টা নাগাদ তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। অনিমেষ-মাধবীলতার স্রষ্টার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। হাসপাতাল সূত্রের খবর, গত ২৫ এপ্রিল মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে ভর্তি করানো হয়েছিল সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারজয়ী সাহিত্যিককে।…

আরো পড়ুন

মাগো রাবেয়া আহমেদ চামেলী মা তুমি হচ্ছো দীপ্ত আলো। তোমায় দেখলে মনটা হয়ে যায় ভালো তুমি আকাশে প্রজ্বলিত তারা, তোমাকে কি ভুলতে পারি মোরা! তুমি আছো মনের চিন্তায় চেতনায়, মনের ভালবাসায় ও গভীর মোহনায় সারাক্ষণ মনের চিন্তায় তোমাকেই ঘোরায়। তুমি তো প্রতিটা পদক্ষেপে, পথচলায় আমাদের মনের গভীরে ভালবাসায় এক পরম শান্তির ছোয়ায়, বেঁচে থেকো মনের অনাবিল আনন্দ ধারায়। তবুও তোমার উপস্থিতির অভাবে মনটা ভীষণ কাঁদায়। মনে হয় কাশফুলের সাদায় সাদায় একরাশ আনন্দের বিশাল ধারায় মাকে যেন বিষন্নতায় হারায়। মাগো মা তুমি কী সেই প্রজ্জ্বলিত তারায় মন টাকে মোরা ব্যথার সাগরে হারায়। সকল মায়ের প্রতি একরাশ ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায়, মন টা…

আরো পড়ুন

রবীন্দ্র দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি রহীম শাহ ঠিকানা আমার একটা নদী আছে বলব পরে নাম– হাজার ভালোবাসা নিয়ে বয় সে অবিরাম ভালোবাসার সঙ্গে যাচ্ছে গান-কবিতাগুলি আঁকতে ছবি আকাশ পাঠায় রামধনুকের তুলি। দুপাড়ে তার কাশের বাগান হাওয়া মেখে মেখে নেচে নেচে আমার নদীর ঢেউ তোলা রোজ দেখে হাজার পাখি উড়ে উড়ে গানও শোনায় রোজ একটি মেয়ে মাটি থেকে করে সুরের খোঁজ। একটা আছে সোনাঝুরি সেই নদীটার বাঁকে পাতার ফাঁকে কাঠবিড়ালি রোদের গুঁড়ো মাখে সেই নদীটার নাম শুনলেই মাথায় দেবে হাত তিনি আমার তিনি তোমার কবি রবীন্দ্রনাথ। আমার একটা আকাশ আছে বিশাল বড়ো বুক তার সে বুকে জায়গা নিতে পাখিরা উৎসুক উড়ছে পাখি ঘুরছে…

আরো পড়ুন

ভালোবাসার ঐতিহ্য-ইতিহাস শেখ মনিরুজ্জামান শাওন হে প্রিয়তম, হে আমার গোপন প্রেম। কতদিন দেখা হয় না তোমায়। কোন মরুদেশে করো বাস। কোন ফসলের বীজ ধারন করেছ তোমার উর্বর ভূমিতে। তা কিচ্ছু জানি না, জানতে চাইও না। শুধু জানি এই টুকু কেবল কতদিন রাখা হয় না বুনো হাঁসের মত তোমার ঠোটে ঠোঁট, হাতে হাত, বুকে বুক, পায়ে পা। কতদিন মাতাল হয়ে পাঁজাকোলা করে তুলে বাড়াই না রক্তের স্পন্দন। কতদিন পান করি না চুলের নির্যাস থেকে বানানো এলকোহল। কতদিন দেখা হয় না পদ্মদিঘির জলে মাঘীপূর্ণিমায় আবরণহীন জলপরীদের মত আমাদের ডুব সাঁতার। কতদিন দেখা হয় না। তোমার স্বচ্ছ বুক বেয়ে বেয়ে যায় রাতের শিশির…

আরো পড়ুন

মন্দদের দখলে মহিউদ্দীন মহিম জীবন পথচলায় যে চিন্তা চেতনা প্রধান্য দিয়ে মাঠে ময়দানে ছিলাম আজও আছি আজও সঠিক মনে করি কিন্তু যে তেজ উদ্দীপনা নিয়ে মাঠে ছিলাম মূলত এখন তা ভাটা পড়েছে এটা আমার আদর্শিকতার সমস্যা নয় এটা আমার সমস্যা প্রকৃতি প্রতিবেশ যেমন কল্যানময় মাঝেমাঝে নিষ্ঠুর নির্মমও হয় আজকের সময়ে প্রতিবেশে টিকে থাকা কষ্টকর যেথায় সংস্কৃতি চেতনা নিম্নগামী যেথায় সমাজ সংস্কৃতি অন্ধত্বের বেড়াজালে আবদ্ধ সেথায় গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চেতনা নাই যেথায় রাজনীতিবিদ রাজনীতির নিয়ন্ত্রক নয় যেথায় অর্থনীতি লুটেরাদের নিয়ন্ত্রণে যেথায় সমাজ সংস্কৃতি মন্দদের দখলে সেথায় কি ভালো কিছু আশা করা যায়?

আরো পড়ুন

০১) নৌকা চাঁদ সন্ধ্যাকাশে নতুন সাজে নৌকা চাঁদের বাহার, দেখে মনে হয় তনয়ার গলার মুক্তা মণিহার। সুপ্রভাতে ধনী গরিব নতুন জামা গায়ে, এক সারিতে ঈদের নামাজ মগ্ন আদায়ে। ঈদ উৎযাপনে ধনী গরিব নেই কোন ভেদাভেদ, ঘরে ঘরে সেমাই বিরিয়ানি পুলাও খুশআমদেদ। ছোট-বড় সবার মনে আনন্দের নেই শেষ, সালাম দিলে বকশিস মিলে গুনতে লাগে বেশ। ০২) মেঘে ঢাকা চাঁদ সুনীল আকাশ টা ঢেকেছে, মেঘে মেঘে আজ। তারার নেই কো আনাগোনা, চাঁদের নেই সাজ। মেঘেরা ভাসছে লুকিয়ে গেছে, উজ্জ্বল বৃত্তকার চাঁদ। বিষাদের নীলে করছে তাঁরা, বুকফাটা করুণ আর্তনাদ। অঝোরে কাঁদছে তারা সেতারা, শিল্পীর নেই কারুকাজ। বিজলীর গর্জন ধ্বনি শুনে, অন্তরালে বেদনার ভাঁজ।…

আরো পড়ুন

১) সুরমা আমায় ডাকছে কাছে প্রাণে প্রবল টান লেগেছে, সুরমা আমায় ডাকছে কাছে অতীত যেন বাঁধনহীন টানছে আমায় পিছে ধ্যানমুগ্ধ মূর্চ্ছনা, বিরামহীন খেলায় মত্ত হয়েছে। পাতার বিড়িতে সুখটান দিয়ে কেউ বা বাড়ি ফিরছে উটের পিঠে সিনে-বিজ্ঞাপন, বাদ্য বাজনা বাজছে। ডিঙির স্থান ইন্জিন নাও সগৌরবে নিয়েছে দখলে সুরমার বুক বিদীর্ণ করে ছোটো ছোটো ঢেউ তুলে। নদীর বিবশ বিলাপ, অসহায় শীর্ণ চোখ মেলে— “চেয়ে দেখো, আমায় কেমন গতিহীন করেছে এতটা দিন আসোনি, আমায় ভালোবাসনি। সেই একাত্তরে এসেছিলে, আমার বুকে লুকিয়েছিলে। আশ্রয় দিয়েছি আমি, ভালোবেসে যতন করেছি। সব সত্য ভুলে গেছো, সবাই যেমন করে ভুলেছে”— নৈঃশব্দের আধারে কথাগুলো বিমূর্ত হলো অবচেতন মনে অব্যক্ত…

আরো পড়ুন

১) নিসর্গপুর ধূসর সময়ের দেয়াল হাতরে আমি খুঁজি আমার শৈশব, আমি খুঁজি দুপুরের আকাশ,বিকেলের ছায়া,সন্ধ্যার মেঘ খুঁজি ভীষণ করে আমার বাবার পদচ্ছাপ মায়ের আঁচল খুঁজি পুরোনোকে আজকের অচিন শহরে সবকিছুর বহরে। দু’চোখের লোনা অশ্রুর অস্ফুট আর্তনাদের ক্রন্দন বিলাপ আমার অতন্দ্র বূভূক্ষ হৃদয়ের সমস্ত উঠোন জুড়ে ঝরে প্রবাহিত ধমনির রন্ধ্রে রন্ধ্রে ভালোবাসার সানাই বাজে অন্তরের দু’পাট ঠেলে স্মৃতিরা ঝড় তোলে দুঃখ-ক্রোধে বিষাদ গীতির নীরব রোদন কেউ দেখেনা কেউ বুঝে না। ভাবতে ভাবতে আমি হারিয়ে যাই নির্ঝরের প্রস্রবনে সেখানে আনমনে খুঁজি অতীত থেকে অতীতের রূপ কল্পনায় দেখি সুদূর পরাহত কোন এক প্রতিমার মুখ সুনীল আকাশে দোলে অচেনা নারীর শাড়ীর আঁচল। সেখানে শিকড়ের…

আরো পড়ুন