Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

রুপন্তির রুপকথা [জলশ্রী বাণী ডিয়ায] রুপন্তি নামের বাহার সাজিয়ে শুভ্র মেঘের ফাঁকে ফাঁকে উঁকি দিয়ে যায় রোদের ঝলমল নিশ্চুপ সূর্যের বিলীন হয়ে এগিয়ে চলা এক আলো যেনো তার মুগ্ধতা নিয়ে রুপন্তির রুপকথার গান গেয়ে যায় দূর কোনো অজানায় যেখানে শূন্যতায় এলোমেলো ভাবনায় ভাসিয়ে নিয়ে যায় এ উদাসী মন। উদাসী হাওয়ায় উড়ে চলে এলোমেলো চুলের সুবাস ছড়িয়ে গোলাপের সুবাসিত বাতাসের ছন্দে হারিয়ে যাওয়া এ মন মিষ্টি হাসির ঝর্ণা ধারায় মিশে যায় গোধূলির আলোমাখা সন্ধ্যা লগণ আসে ঘরে শঙ্খ বাজিয়ে তুলশী তলায় ধূপগন্ধী আকাশপটের উপরে-সেইটুকুই জীবনের প্রতিটি মূহুর্তগুলো চাঁদের মিটমিট আলোর ছায়ে ঝরে পড়া শিউলীর মালা জড়িয়ে রুপন্তির রুপকথার গান গেয়ে যায়…

আরো পড়ুন

রাণী ক্লিওপেট্রা তার জীবন ও রাজ্য শাসন [তসলিমা হাসান] ফারাও রাজবংশের সর্বশেষ রাণী ক্লিওপেট্রা। তাকে ঘিরে ইতিহাসে বিতর্ক আর রহস্যের কোনো শেষ নেই। যেমন রহস্যময তার জীবন ও রাজ্য শাসন তেমনি রহস্যময় তার প্রেম। ক্লিওপেট্রার প্রেম নিয়ে পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক গল্প-অনেক কাহিনীর অবতারণা হয়েছে। এমনকি মহান সাহিত্যিক শেকসপিয়র পর্যন্ত তার নাটকে অমর করে রেখেছেন রানী ক্লিওপেট্রার প্রেমকাহিনীকে। তিনি লিখেছেন অ্যান্টনি-ক্লিওপেট্রা। অন্যদিকে জর্জ বানার্ড শ লিখেছেন সিজার-ক্লিওপেট্রা। এ ছাড়াও ক্লিওপেট্রার চরিত্র নিয়ে লিখেছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক ড্রাইডেন প্লুটার্ক, ড্যানিয়েল প্রমুখ। ফলে হাজার হাজার বছর পরও ক্লিওপেট্রার প্রেম নিয়ে আলোচনা চলছে আজও। লেখালেখিও থেমে নেই। তবে তার এই প্রেম কাহিনীর মধ্যে ছিল…

আরো পড়ুন

ফুল ও প্রেয়সী [তাজুল ইসলাম] ৩০/০৭/২০২১খ্রিঃ মনের ঘরে বাসা বেঁধেছে নিয়তির খেলা তাই ঘর থেকে বের হই না দু-বেলা। আবদ্ধ থেকে থেকে হই আধমরা বৃষ্টির দিনে ঘুরতে বের হই স্বয়ং বিকেল বেলা।। বৃষ্টির জল পা ধুইয়ে করে আলিঙ্গন ফুলেরা করে হাসাহাসি দেখে ঘোমটা মন। তাই দেখে মেঘ বৃষ্টি আর রোদের লুকোচুরি শীতল হাওয়া পরশ বুলিয়ে বলে আমি কেন বাদ থাকি।। দীঘির লনের বেডির ফুলগুলো ডেকে বলে বস না একটু, মনের কথা খুলে বল মোরে। পরশ বুলিয়ে মিতালি পেতে দেখ জল আর মোদের সনে আমরা তোমার দু-হাত পুরে দেব যা দেয়নি কেউ কোনো কালে।। কিছুদূর যেতে অন্য ফুলেরা ডেকে কয় একলা…

আরো পড়ুন

আশাবাদ [সেলিনা আখতার] ক্ষয়িষ্ণু পৃথিবীতে মানুষ নামের জীবেরা শুধু মাছ ভাত আর মাংস ই খায় না কেউ কেউ ঘৃণা ও কন্ঠ পর্যন্ত গিলে থাকে। সমাজ-সংসারের পরিত্যক্ত সহানুভূতি নিয়ে এরা টিকে থাকার চেষ্টা করে । বেঁচে থাকার তাগিদ এদের জীবনকে মূল্যহীন করলেও মৃত্যুহীন করতে পারে না । তাই গায়ে থাকা অনাদর আর অসম্মানের চাদর অনায়াসে খুলে এরা শক্তি খুঁজে ফেরে । সান্ত্বনা খুঁজে -‘এই পৃথিবীতে শেষ হবে সমস্ত পাশবিকতার । ক্ষয় হবে সাজানো প্রাসাদ , ফুলের বাগান আর মায়াবী সম্পর্কগুলো। আলো বাতাসহীন স্যাতস্যাতে গর্তের মাঝে সুকঠিন বাস্তবতায় মিশে যাবে অধিনস্তের প্রতি কঠোর শাসকের শরীরটিও।’ নির্ভেজাল দুঃখ পিড়িত মানুষগুলো রোদহীন বিকেলের নির্মল…

আরো পড়ুন

কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন বাংলা একাডেমির নতুন সভাপতি; শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন। বাংলা একাডেমির নতুন সভাপতি নিয়োগ পেয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন। তিন বছরের জন্য এই নিয়োগ দিয়ে বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ‘বাংলা একাডেমি আইন, ২০১৩’ এর ধারা-৬(১) এবং ৬(৩) অনুযায়ী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে সেলিনা হোসেন এই নিয়োগ পেয়েছেন।

আরো পড়ুন

অসীমের মাঝে অনন্ত তুমি [মোহাম্মদ্ আবদুল কাইয়ুম] ০৪.০১.২০২২ খ্রীঃ হে আসমান জমিনের মালিক আলোর জ্যোতি, বিশাল জলরাশির একচ্ছত্র অধিপতি হাশর মিজান দিনের অধিশ্বর, তুমি ছাড়া সবই নশ্বর। বিচার দিবসের রাজা ধিরাজ, হে ওহেদুল কাহার হে মহারাজ, সবই তোমার নুরের তাজ্জালির বাহার, হে জগৎপতি রহমানুর রাহিম দয়াল প্রভু আমার, করুণা চাই দয়া মাগি হে দয়ার সাগর তোমার । তোমা ছাড়া নাই গতি সৃষ্টি সবার মোদের পুণ্যে দাও মতি হে করুণার অাধার! ভুলিনি ভুলবনা ভুলতে পারব না, নিঃশ্বাসে,বিশ্বাসে আছো মিশে হে সাধের সাধনা, পুরাও মনের যত কামনা,বাসনা, ওগো দয়াময় প্রভু তুলনাহীনা দুর করে দাও মনের যত যাতনা, এক নিমিষে বিদায় কর যত…

আরো পড়ুন

পাপ [কামরুন্নাহার বর্ষা] কর্মের ফলন দৃঢ় করে পাওয়া জীবন্ত না হয় মৃত, সৃষ্টির সেরা মানব স্রষ্টার কৃতজ্ঞ আর অকৃতজ্ঞ। হিত যার পূর্ণের পাল্লা কদর্য তারও মহল, হেয় জ্ঞান জব্দ করে অহংকার আর পতনকে দখল। অন্ধ মোহে পুড়বে দহন হও অন্ধকারের বাসি, চক্ষু চাহিয়া দেখো পাপ বিশ্বে উঠিয়াছে মাতি। কামরুন্নাহার বর্ষা নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা নাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ ছাত্রী অনার্স তৃতীয় বর্ষ (হিসাব বিজ্ঞান)

আরো পড়ুন

মন্দ প্রেমিকা [আরেফা রাববী মিলি] ইচ্ছে হলে চলেই যাবি, জানি তা জানি, তবু মিথ্যে করে না হয়- হাত বাড়িয়ে দিস। তোর কাছে যে ইচ্ছে- গুলো আছে জমা, আর একটি বার- ছুঁয়ে দেখতে দিস। একটু না হয় শান্ত জলে- ভিজিয়ে দিবি তুই? অবাধ্য সেই মৌন- জলের ঘুর্নি বাটে। ভালোবাসে যেমনি- করে রোজ বিকেলে, প্রেমিক ছেলে সেই- আঙুল ছুঁয়ে হাঁটে। চোর-পুলিশ খেলা- খেলতে পারিস তুই, জানি বলবি তখন- এটাই আমার দোষ। লাটাই সুতো টান- পরলে হঠাৎ করেই- পারবি কি বলতে? আগের মতই বলিস! “তুইও কিন্তু মন্দ প্রেমিকা নোস”।

আরো পড়ুন

ভানুমতীর খেল [রহিমা আক্তার লিলি] ০১-০২-২০২২ আমিতো ভাই সারাজীবন চুপটি করে রই। যাচ্ছে যাক না বেখেয়ালে নিয়মনীতি খালেবিলে, কানের পাশে আগুন লাগে কোনো কথা না কই। চোখে কালো পট্টি বাঁধা অন্ধ আমি নই। নিয়মনীতির আতুর ঘরে ঘুণপোকারা নড়েচড়ে, অনিয়মের দুষ্টচক্রে পাপের বোঝা বই। তেলাপোকায় আতর মাখে পিপড়ে মাখে ঘি। চোখ থাকিতে অন্ধকানা কোনো কিছু বলতে মানা, যাচ্ছে সবই রসাতলে আমার তাতে কি! দুর্নীতিরই তবলা বাজায় যেন তুফান মেইল। দিন চলে যায় গোলেমালে গরীব মরে যাঁতাকলে, রুই কাতলা গভীর জলে চুনোপুঁটির জেল। তেলের মাথায় ঢালো তেল ন্যাড়া মাথায় বেল। আমি যে এক বোবাকালা আমার আবার কিসের জ্বালা! চক্ষু বুজে জাবর কাটি…

আরো পড়ুন

অন্তর্ধানের ৫০ বছর : উদ্ধার নাটকীয়তায় চলচ্চিত্রকার   জহির রায়হানের জীবনে ‘বেহুলা-সুচন্দা বনাম মনসা-সুমিতা’র অভিশাপ! # কবিতার আরশিতে অন্তর্ধানে’র কলঙ্ক… সালেম সুলেরী ১৯৮৬ সালে আমার সাক্ষাৎকার নিলো দু’জন প্রতিশ্রতিশীল তরুণ। অথচ আমি নিজেই তখন এক তরুণ লেখক-সাংবাদিক। সাপ্তাহিক পরিবর্তন-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক। যাঁরা সাক্ষাৎকার নিলো তাঁদের এড়াতে পারিনি। কারণ তাঁদের বাবা কিংবদন্তী ব্যক্তিত্ব জহির রায়হান। তাঁদের মা খ্যাতিমান চিত্রনায়িকা সুমিতা দেবী। আর তাঁরা দু’জন হলো– অনল রায়হান, বিপুল রায়হান। ‘মিডিয়ায় তারুণ্যের শক্তি’ বিষয়ক প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করছিলো। তাঁরা দু’জন তখন একটি মুূ্দ্রণ-মিডিয়ায় জড়িত। জানালো– মিনার মাহমুদ ও আমার সাক্ষাৎকার নিচ্ছে। মিনার তখন সাপ্তাহিক বিচিন্তা’র সম্পাদক-প্রকাশক। তসলিমা নাসরিনের তৃতীয় স্বামী তখনও হয়নি। আর…

আরো পড়ুন