রূপকথা [রহীম শাহ] এইখানে এক মাঠ ছিল আর মাঠের পাশে গাছ ছিল তারই পাশে বিলের জলে নানান রকম মাছ ছিল। সকাল হলেই রোদের ডানা ছড়িয়ে দিয়ে করত কী ইচ্ছেমতন নাচত আহা, যেন আলোর নর্তকী! ফড়িং এবং ঘাসফড়িঙের বাচ্চা এবং কাচ্চারা চাইত না তো রোদের ডানা হোক কখনও কাছ ছাড়া। রোদের সঙ্গে তাদের ছিল নিত্যদিনের মিতালি উঠত বেজে আকাশ-মাটির ঐকতানের গীতালি। দুপুর হলেই রোদের ডানা মাঠে যেত গড়িয়ে তপ্ত হাওয়া এদিক সেদিক পড়ত কেবল ছড়িয়ে। গাছের ডালে পাতার ছায়ায় থেমে যেত পাখির গান নিথর দুপুর চুপটি করে রোদের আলোয় করত স্নান। নিকেল করা বিকেল যখন নামত মাঠে-প্রান্তরে ঘরে ঘরে দুষ্টুরা সব…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
নিঝুম দ্বীপের বাড়তি আকর্ষণ ৮শ মিটার কাঠের সেতু: উপরে নীল আকাশ, নিচে স্বচ্ছ জলরাশি। এর মাঝেই দাঁড়িয়ে আছে ৮০০ মিটারের বিশাল কাঠের সেতু। মেঘনার নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখতে নোয়াখালীর হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপের পর্যটকদের বাড়তি আকর্ষণ এখন দীর্ঘাকার এই সেতু। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার পর্যটক নিঝুম দ্বীপের নামার বাজার সমুদ্র সৈকতে কাঠের সেতু দিয়ে ভেতরে গিয়ে ছবি-ভিডিও তুলছেন। যা ছড়িয়ে দিচ্ছেন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সম্প্রতি ওই স্থান ঘুরে দেখা যায়, কাঠের পাটাতন দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ৮০০ মিটারের বিশাল কাঠের সেতু। সেতুর মাঝে মাঝে রয়েছে ছাউনি। ভ্রমণপিপাসুরা ছাউনিতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছেন। সেতু থেকে যেদিকে চোখ যায়…
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে মোট ভোটার ৪২৮ জন। কিন্তু ভোট দিয়েছেন ৩৬৫ জন। এ হিসেবে মোট ভোট পড়েছে ৮৫ দশমিক ২৮ শতাংশ। এবারের নির্বাচনে শাকিব খান, আরিফিন শুভ, অনন্ত জলিল, পপি, মাহিয়া মাহি, পরীমণি, নুসরাত ফারিয়া ও বর্ষার মতো শীর্ষ তারকারা ভোট দেননি। তাদের কাউকে শুক্রবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) আসতে দেখা যায়নি। জানা গেছে, এরমধ্যে শাকিব খান দেশের বাইরে। এছাড়া বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে বাকিরা আসতে পারেননি। ভোটগ্রহণ শেষে সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার পীরজাদা শহীদুল হারুন। এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে অভিনেতা মিশা সওদাগর এবং সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়ক জায়েদ খান…
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইলিয়াস কাঞ্চন, নিপুণ আক্তারসহ আরও যারা প্রার্থী আছেন, তাদের জয়ী বলে ঘোষণা দিয়ে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। এটা পুরোপরি গুজব। কারণ শুক্রবার রাত ৮টা পর্যন্ত ভোট গণনাই শেষ হয়নি। জানা গেছে রাত গভীর হতে পারে ফল পেতে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে মোট ভোটার ৪২৮ জন। কিন্তু ভোট দিয়েছেন ৩৬৫ জন। এ হিসেবে মোট ভোট পড়েছে ৮৫ দশমিক ২৮ শতাংশ। ম্যানুয়ালি ভোট গণনা করা হচ্ছে। ফলে ফল পেতে দেরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। ভোটগ্রহণ শেষে সংবাদমাধ্যমকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পীরজাদা শহীদুল হারুন জানান, ভোট সুষ্ঠু হয়েছে। এখন ভোট গণনা চলছে। ফলাফল জানতে শুক্রবার মধ্যরাত…
অভিনয়শিল্পী সংঘের নির্বাচনে বিজয়ী যারা: অভিনয় শিল্পী সংঘের নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আহসান হাবীব নাসিম, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন রওনক হাসান। প্রধান নির্বাচন কমিশনার খায়রুল আলম সবুজ এই ফল ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, মোট ৭৫২ জন ভোটারের মধ্যে ৬৪২জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে ৫৮টি ভোট বাতিল হয়েছে। নির্বাচনের পরিবেশ আনন্দদায়ক ছিল। কেউ নিয়ম ভাঙার চেষ্টা করেনি বলেও জানান নির্বাচন কমিশনার। এর আগে শিল্পকলা একাডেমিতে শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এবারের নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ৭৪৮ জন। ২১টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪৮ জন। সভাপতি পদে গেল দুই মেয়াদের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব নাসিম পেয়েছেন ৪৯৬ ভোট।…
চলচিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এবারও নির্বাচনে লড়বেন বর্তমান সমিতির সভাপতি খল অভিনেতা মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান। প্রথমবারের মতো এবার এই নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়বেন একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন তার প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়িকা নিপুণ। এই প্যানেলে যুক্ত হয়েছেন চিত্রনায়ক সাইমন, ইমন, রিয়াজ ও ফেরদৌস। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন অভিনেত্রী নাসরিন। কাঞ্চন-নিপুণ কিংবা মিশা- জায়েদের কোনো প্যানেলের অধীনে তিনি থাকছেন না। এ দুই প্যানেলের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। বুধবার (১২ জানুয়ারি) দুই প্যানেলের প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। তাতে বিভিন্ন প্রজন্মের…
আমাদের সম্পর্কগুলো [তসলিমা হাসান] একটা মানুষের সাথে আরেকটা মানুষের পরস্পর বিশ্বাস, আর ভালোবাসার বন্ধনে যে সম্পর্কটা তৈরি হয়, তার ভিত্তি টা হওয়া উচিত শক্ত খুঁটির মত। যেন তা হাজারো ঝড় বৃষ্টিতেও,নুয়ে পড়বে না,বা ভেঙ্গে যাবে না। তার জন্য থাকতে হবে প্রগাঢ় বিশ্বাস আর ভালোবাসা। থাকতে হবে একজন আরেকজনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, থাকতে হবে সম্মান। যে সম্পর্গুলোর মাঝে এইসব বিদ্যমান, সেই সম্পর্কে কোনদিন ভাঙ্গন ধরে না। কিন্তুু একটা সম্পর্কের মাঝে কোন একজনের মধ্যে যদি ইগো কাজ করে, তাহলে সেই সম্পর্কের খুঁটি নড়ে যায়। কেননা একটা সম্পর্কের মধ্যে সবকিছু থাকতে পারে, রাগ,দুঃখ,অভিমান সব…. এই সমস্ত কিছু মিলিয়েই দুটি মানুষের মধ্যে, একটা সম্পর্কের ভীত…
এক মুঠো প্রেম। [তসলিমা হাসান] আত্মহননের প্রবল ইচ্ছা জাগা মুহূর্তে, দেখি প্রেম নামক সোনার হরিণ আমার দুয়ারে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলাম অবাক বিস্ময়ে – তুমি এলে কোত্থেকে? বলল সে মৃদু হেসে – “ছায়া সঙ্গী হয়ে ছিলাম তোমার পাশে দাঁড়িয়ে “। দুঃখের জোয়ারে ভেসে গেছি, দেখিনি তোমাকে। আজ কেন ঠেকাতে এলে মৃত্যুকে? বলল সে গভীর আবেগে – ” ইচ্ছা মৃত্যুতে কী পাবে? কলুষ পৃথিবীটাকে দূরে রেখে, বিশ্বাস ভালোবাসা নিয়ে বুকে, এসো বেঁচে থাকি দু’জনে এক সাথে। হয়তো হৃদয়ের টানে, এক সাথেই মরবো দু’জনে”। তারপর দেখি- হেমন্তের এক পশলা বৃষ্টি ঝরে পড়ল আমার শরীরে, নিমেষে বুকের মধ্যে লাফিয়ে ওঠে, কোস্টারিকার বিলুপ্ত সেই সোনালি…
আঁধার ছায়া-কীর্ত্তন [মনিরুজ্জামান প্রমউখ] রাতে’র মিশ্রণে, দিনে’র অবশেষে- মধু’র রমণে রমণীয় হয়ে ওঠে বেলা। কী আছে, সন্ধ্যে’র ঘনত্বে- এতো বিনাহারি ? ক্রন্দন রেখে যায়, তবু-কেনো মনাহারি ? সৌন্দর্যে’র রংবাহারে কতো- ফকির মিশে যায়- অনন্ত গাঙোরে! কী বৈষয়িক প্রতিভা- ছড়িয়ে রয়েছে, এ অন্ধ ফলোয়ারে! মানুষ মানবীয় বোধ, নখ, চুমু মেখে দেয়, কেনো- ছায়া’র বিপরীতে ? ভালোবাসা’র ঘর পুড়ে, সময়ে’র নৈতিক অবক্ষয়ে, ফলে যায়- বিবিধ মহামারী ! কিন্তু- এই নিয়ে পৃথিবী’র মায়া তবু- কঙ্কন বিলিয়ে দেয়- অনাগত প্রেম সুবেহে’র!! মনিরুজ্জামান প্রমউখ । হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর, বাংলাদেশ ।
শিক্ষা: বৈদিক যুগ থেকে বৌদ্ধ যুগ . বৈদিক শিক্ষা প্রণালী ছিল গুরুমুখী। গুরুর বাড়িতে গিয়ে ছাত্ররা শিক্ষাগ্রহণ করত, গুরুর বাড়িতে কাজকর্ম করত এবং গুরুর বাড়িতেই থাকত। ছাত্রদের সকল ভরণপোষণের দায়িত্ব বহন করতেন গুরুদেব নিজেই। বালক বয়সে গুরুগৃহে আসার পর ছাত্ররা আচার্যের কাছে সন্তানের মতই বড় হত। সে যুগে পশুপালন বিশেষত গো-পালন ছিল জীবীকার মুখ্য অবলম্বন। দানের গরুতে অনেক আচার্যের গোয়াল ভরা থাকত। ছাত্ররা আচার্যদেবের সেই গরুবাছুর চড়াত। ব্রাহ্মণ, পন্ডিত, মুনি, ঋষি, আচার্য অর্থাৎ গুরুরা মুখ্যত ভিক্ষাজীবী ছিলেন। গুরুর সঙ্গে ছাত্ররাও গেরস্তদের ঘরে গিয়ে ভিক্ষা করতেন। ছাত্রদের এই জীবনটার ব্রহ্মচর্য জীবন। ব্রাহ্মণ গুরুদের গেরস্তরা দয়া করে দান করতেন না; শ্রদ্ধার সাথে…
