কবিগুরুর গানের মতোই বাঙালির সব গ্লানি,জরা সব মুছে যাক নতুন বছরে। বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ আজ। শুধু বাংলাদেশের বাঙ্গালিরাই নন, বিশ্বের সব বাংলা ভাষাভাষীর মানুষের প্রাণের দিন আজ। ‘মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা’ তাপস নিশ্বাস বায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক যাক যাক। বাংলা বর্ষপঞ্জির প্রথম দিন পালিত হয় পহেলা বৈশাখ। রমনার বটমূলে শতকণ্ঠে এসো হে বৈশাখ, এসো এসো গানের মাধ্যমে বাংলাইর এই উৎসবের শুরু। সূর্য ওঠার সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলাভবন থেকে বের হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। যা পহেলা বৈশাখের উৎসবের অংশ হয়ে গিয়েছে এতদিনে। এরপর পান্তা ইলিশ খাওয়া আর মেলায় ঘোরা।…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
সায়াহ্নে একদিন জীবনের সারাংশ খুঁজে পাবো ততদিনে কত আনন্দ-বেদনার দুঃখ-কষ্ট, প্রেম-বিরহ বঞ্চনা-লাঞ্চনা, নস্টালজিক ভালবাসায় অভিজ্ঞ হবে জীবন! মানুষ-অমানুষের জীবনবোধ প্রকৃতির ভালবাসা, প্রতিশোধ ঝরাপাতার সমারোহে ঝড়ে পড়া জীবনের অসমাপ্ত গল্প কচিপাতার ঘ্রাণের মিশ্রণে সমৃদ্ধ ভালবাসার পূর্ণ রূপ দর্শনে ও বোধে পূর্নতা পাবে জীবন! পৃথিবীর ভালবাসা বা অপারগতায় জীবন করবে আত্মসমর্পণ। শুধু সারাংশ খুঁজে পাওয়ার বোধে সেদিন সায়াহ্নে অভিজ্ঞ হবে জীবন কিছুই করার থাকবে না তখন।। (তারিখঃ ১৪.০৭.২০২১) অমানুষ ওরা সুখে নাচে অসুখের বলয়ে কদর্যতা ক্রমশ গ্রাস সভ্যতার আলোয়ে। মেলছে ডানা হিংস্র পশুত্বে পাখিরা কাতর ত্রাসের রাজত্বে অলস চিহ্ন হিংসার গানে ঘুরছে অমোঘ নিয়তির টানে। ফিরবে কবে ভূতলে ওরা ভূমির…
পহেলা বৈশাখ [তসলিমা হাসান] এলো আবার বছর ঘুরে পহেলা বৈশাখ। নারীরা তাই সেজেছে নববর্ষের সাঁজ। নতুন পোশাকে নতুন সাঁজ, নতুন বছর শুরু আজ। বাঙালিরা বর্ষবরণ করে নানা আয়োজনে। জাতি ভেদ ভুলে গিয়ে করে এক মনে। পানতা ভাত আর ইলিশ মাছ খায় সকাল সাঁঝে। আনন্দে তারা নিত্য করে পহেলা বৈশাখে। গ্রামে গঞ্জে শহরে শহরে মেলা বসেছে, খুশিতে পুরো দেশ আনন্দে মেতেছে। শিমুল পলাশ কৃষ্ণ চুড়া বৈশাখে ফুটেছে। হাসনাহেনা গোলাপ দিয়ে নারীরা সেজেঁছে। নতুন নতুন পোশাক পরে আনন্দতে ঘোরে। হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সব বিভেদ ভুলে। এসেছে বৈশাখ জড়িয়েছে প্রাণ, বাঙালির মুখে আজ বৈশাখের গান। প্রকৃতি ও আজ নতুন রুপে সেঁজেছে, তাই তো আজ পহেলা…
স্বজনরা আজো ভালবাসতে বেঁচে আছেন। [ইশতিয়াক রুপু] উত্তরের সুরমা আগের মতই পশ্চিমে ভাটির টানে বহে যায়।বরাবরের ন্যায় প্রতিদিন ভোরে জেগে উঠে শহর।একটি দুটো রিক্সা ও সি এন জি রাস্তায় নামে।এখন আবার রিক্সা দুজাতের।পায়ে চলা কোনটা আবার মোটরে চলে।ধীরে চলা রিক্সা আজো ধীরে চলে।মোটর রিক্সার গতি প্রায় বিমানের ন্যায়( চালকরা তাই ভাবে) চালকের হাতের মুঠোর বার বার মোচড়ে গতি যত বাড়ে পাশাপাশি যাত্রীর তত বাড়ে হৃদস্পন্দন।বেশির ভাগ চালক কম বয়সী কিশোর।রিক্সায় চড়ার পূর্বেই নানা শর্ত।এদিকে যাবো না।সদর রাস্তায় উঠলে পুলিশ আটকাবে,ভাড়া বেশি দিতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি।কখনো চলে লুকোচরি। অতএব নগদ নোটে সমঝোতা।রাস্তা জুড়ে হেলে দুলে চলে তিন চাকার অটো ।সর্ব্বোচ আদালতের…
বৈশাখ এলো [ফরিদা বেগম] 14/04/2021. বৈশাখ এলো নানা রঙে নানা ঢঙে বছর শুরু কালবৈশাখী ঝড়ের নাচন পুরাতন সব জরাজীর্ণ আবর্জনা ধুয়ে গেল নতুন দিনের ঝলকানিতে শান্তি এলো। বৈশাখ এলো নানা রঙের নানা ঢঙে বৈশাখের রুদ্র ঝড়ে, আকাশ ভাঙ্গে প্রলয় ঝড়ে আমের বনে, আমের বলে ঘ্রাণ ছুটেছে খোকা-খুকুর আম কুড়ানোর ধুম লেগেছে। বৈশাখ এলো নানা রঙে নানা ঢঙে হাটের মাঝে, মেলা বসল নানা সাজে মাটির হাড়ি কাঠের পুতুল হরেক রকম ঝুন ঝুনানি হাতপাখা নকশি কাঁথা খেলনা বাঁশির গুনগুনানি। বৈশাখ এলো নানা রঙের নানা ঢঙে ভোরের আলোর নতুন দিনের উঁকি ঝুঁকি পুরনো সব জরাজীর্ণ হালখাতার হিসাব নিকাশ লেনা দেনা মিটে ছড়িয়ে পড়ল…
মুক্তির আহ্বান [এনামুল হক টগর] ১১/০৪/২০২২ তোমার করুণা ও দয়ায় আমার বাগানে ফুল ফোঁটে ফল ধরে প্রেমমালা। অলিক চেতনার আলোতে গুণ গুণ ভ্রমর সুমিষ্ট মধু খোঁজে ভালোবাসায় ব্যাকুল। তোমার প্রজ্ঞার অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতায় আমি প্রজ্ঞাতর হই সর্বদাই জ্ঞানে আকুল! তোমার মহৎ চৈতন্যের গভীরে কখনো অশুভ ঘাতক লুকিয়ে থাকে গরল! কখনো অবিচার ব্যভিচার জেগে ওঠে নিত্য কলাকৌশলে বেহাল। সামনে শাশ্বত জীবন, নতুন মুক্তির ঠিকানায় পৌঁছাতে হবে বহুমুখী কর্মকৌশল জ্ঞানে সরল। দেশ সমাজ ও পৃথিবী যেন দানবের বিষাদে অতৃপ্ত যাতনায় দাঁড়িয়ে আছে বিফল, সময়ের সাথে বাতাসও যেন কঠিন গরম হয়ে ওঠে বিপ্লবী চেতনায় কর্মপ্রচেষ্টা উতলা। অলস পরাজিত মানুষগুলো হাত পেতে দাঁড়িয়ে আছে অন্ধকারে…
প্রতিশ্রুতি [রুবী শামসুন নাহার] দেখ একদিন হয়তো সব মন খারাপের কারণ জেনে যাবো, কি করে জমে থাকা জলাধার বাস্প হয়ে যায়- জানব কতটা প্রেমের পাঠ জানলে, হারানোর ভয় তাড়া করে না। কোন গুণ থাকলে সহজেই কল্পনায় হাঁটা যায়, কতটা জ্ঞানমার্গ থাকলে হিমালয়ের মত উঁচু ঈশ্বরকে ছোঁওয়া যায়- আমার সামনে যে দাঁড়িয়ে যে মানব ,তাকে ছুঁতে গেলেই আমি “কাঙাল হরিনাথ,” হয়ে যাই- একথা ঠিক বন্ধু আমার মনের কোন সাকিন নাই – নেই সমুদ্রভূমে বা বালিয়াড়িতে কোন ঘর। দল বেঁধে কোনদিন সমুদ্রে যাইনি- সমুদ্রে নাইতে নেমে দু ‘ পায়ে পানি আটকে রেখে মাঝ সমুদ্রের গর্জনে সাড়া দেইনি। পাইন বা ওকবনে ছুটে যাইনি।…
মদিনার পথে [ম. আ. কুদ্দুস পদ্মা] তাং ১২/০২/২২ইং তোমার দয়ার কাঙাল আমি অসিলা নবী (দঃ) মদিনার পথে সেই তালাশে মন টা যায়-রে উড়ি।। তোমার দয়ার ভীকারী দয়াল তোমার দয়ার ভিকারী রহমতের মালিক তুমি মুশকিল কুশারি মুশকিল কুশারি।। তোমার দয়া ছাড়া কী বা পুজি আমার বন্দেগী দয়া কর রহম কর ক্ষমা কর (ওহে)মালিক এলাহী।। বসে কান্দি ধ্যানে জ্ঞানে দিবা নিশি পাক নাপাকে তরাও মওলা ঘোর নিদানে তব গুনের দয়াতে। তুমি বিনে শুন্য সবি নাই কেহ আমার আমি তুমি ময় সৃষ্টি মাঝে আর তো কিছু না দেখি।
সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রবাদ বাক্যের অনুবাদ: ১. অভাবে স্বভাব নষ্ট- Necessity knows no law. ২. অতি চালাকের গলায় দড়ি- Too much cunning overreaches itself. ৩. অতি লোভে তাঁতি নষ্ট- To kill the goose that lays golden eggs./ All covet, all lost. ৪. অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ- Too much courtesy, full of craft. ৫. অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট- Too many cooks spoil the broth. ৬. অসময়ের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু/বিপদেই বন্ধুর পরিচয় — A friend in need is a friend indeed. ৭. অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী- A little learning is a dangerous thing. ৮. অপচয়ে অভাব ঘটে-Waste not, want not. ৯. অন্ধকারে ঢিল মারা-Beat…
তারার কাব্য (যৌথ কাব্যগ্রন্থ)। প্রিয় সুধী, তারার কাব্য (যৌথ কাব্যগ্রন্থ), আবুল খায়ের সম্পাদিত। দেশ-বিদেশের বরেণ্য লেখকদের লেখা নিয়ে আসছে ‘তারার কাব্য’। যারা এখনো লেখা দেননি, দ্রুত লেখা দিতে পারেন __________________ ১) কবিতা: ২/৩/৫ টি ২) জীবনী: ৫-৭ লাইনের ৩) ছবি: ভালো মানের ১টি ছবি _________________/ নির্ভুল বানান/ভালো মানের লেখা চাই আর কোনো শর্ত নেই….. প্রচ্ছদ: প্রীতিলতা চক্রবর্তী ___________ বিস্তারিত জানতে : প্রতিবিম্ব প্রকাশ (সৃজনশীল লেখকের ঠিকানা) উত্তরা, ঢাকা। ০১৭১৫৩৬৩০৭৯ লেখা পাঠাবেন : Email: khair.hrm@gmail.com
