Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

ছড়াওয়ালা-২ [ছাদির হুসাইন] হতাম যদি ছড়াওয়ালা কিংবা ছড়া পড়াওয়ালা ছড়ার হাটে মজার পাঠে থাকতো আমার মন, ছড়া নিয়ে চলত আমার সুখের এই জীবন। হতাম যদি ছড়ার গীতি কিংবা ছড়া গড়ার গীতি ছড়ার সাথে সবার পাতে ছড়িয়ে দিতাম ফুল, ধরিয়ে দিতাম মানবকূলে অসামাজিক ভুল। হতাম যদি ছড়ার পাখি! কিংবা ছড়া ধরার পাখি ছড়ার দ্বারা শহর পাড়া রাঙিয়ে দিতাম বেশ, ছড়া দিয়েই ভরে দিতাম সোনার বাংলাদেশ।

আরো পড়ুন

নিস্তব্ধতা গল্পঃ (জেরিন বিনতে জয়নাল) অনেক রাত হয়ে গেছে অফিসের অবশিষ্ট কাজগুলো গুছিয়ে রাখছিলেন জারিফ সাহেব, এ সময় তার ফোন বেজে ওঠে। টেবিল থেকে ফোন হাতে নিয়ে দেখলেন তার ছোট ভাই মঈন কল করেছেন। ব্যস্ত হাতে ফোনটা রিসিভ করে কানে রেখেই দ্রুত হাতে কাজ এগিয়ে নিচ্ছিলেন তিনি, ফোনের ওপাশ থেকে বাবার অসুস্থতার কথা শুনে তার হাত থেমে গেলো। ফোনের ওপাশ থেকে মঈন বলল, আমরা হাসপাতালের কাছাকাছি পৌঁছে গেছি তুমি তাড়াতাড়ি চলে আসো। ‘আচ্ছা, আমিও বের হচ্ছি’ বলেই জারিফ সাহেব অফিস থেকে বেড়িয়ে পড়লেন তার গাড়ি নিয়ে। আধঘন্টার মধ্যে তিনি হাসপাতালে পৌঁছে গেলেন, গাড়ি পার্কিং করে হাসপাতালের মেইন বিল্ডিংয়ের দিকে যেতে…

আরো পড়ুন

সাক্ষী [ঊর্মি ফারজানা] নীলাম্বরী, আমি অনেকবার জিজ্ঞেস করেছি তুমি কেমন আছো? … কোন উত্তর নেই। নীলাম্বরী বেশ অহংকারী ছিল ফিরে দেখেনি তখনও আমাকে অপলক তাকিয়ে দেখি বারবার তোমায়, ভালোবাসি বলেই বুঝি এমন অনুভুতি আমার। কি অপূর্ব তুমি! আহা! তোমায় নিয়ে অসম্ভব অনুভুতির আনাগোনা। নীলাম্বরীর বিশাল বুকে তোমার অবাধ বিচরণ। আমিও হারিয়েছি আমাকে, তোমাদের আলো আঁধারির মায়ায়। নিশাচর হয়ে জেগে থাকা প্রহর, আজ স্মৃতির মনি কোঠায় বসে আছে। সেদিন কেউ ছিলো না আমাদের সাথে, শুধু তুমি ছিলে ইন্দু। রাতের আকাশের ইন্দু তুমি আমাদের ভালোবাসার সাক্ষী। কেমন আছো নীলাম্বরী?

আরো পড়ুন

রৌদ্র প্রজাপতি আজ বৃষ্টি মুখর দিনে ছুয়ে দিতে চেয়েছিলাম তোমায় তুমি বললে না… আমি বিষ্ফোরিত চোখে তোমায় যতনা দেখেছি ভেতরে ডুবেছি ততটাই বেদনার জলে। আমি সন্ধ‍্যার সিঁদূর রঙের আবীরে তোমার প্রতিচ্ছবি আঁকতে চেয়েছি, তুমি বললে না… আমার চোখ বির্দীন অশ্রু যতটা না রক্তিম হয়েছে, তার চেয়েঅনেক বেশী প্রতিবাদে রক্ত কনিকারা ধমনীতে বেগবান হয়েছে। আমি প্রচ্ছন্ন আচ্ছন্ন আবেগে যতনা শুদ্ধ হতে চেয়েছিলাম তারচেয়ে ও বেশি ফেনিল সফেদ, পাপড়ি মেলেছিলে তুমি। আমি, আমি তোমার বিশুদ্ধতায় নতজানু হতে চাইনি নিজ শুভ্রতায় আলোক ছড়িয়ে রোদের সাথে পাল্লা দিয়ে প্রজাপতির ডানায় রোদের সব রং চুরি করে… আলপনা এঁকেছিলাম। বৈকালিক অপেক্ষা অপেক্ষার প্রহরে দেখা হলো তোমার…

আরো পড়ুন

কথার কথকতা : চা, তরল পানীয় ও আটা সমাচার (মাইন উদ্দিন আহমেদ) রোববার রাত এখন প্রায় তিনটা। আগামী সংখ্যার জন্য আমার নির্ধারিত কলাম কথার কথকতা-র লেখা এখনো পাঠানো হয়নি। আজ না দিলে লেখাটি এ সংখ্যা পত্রিকায় ধরানো সম্ভব নয়। জ্যাকসন হাইট গিয়েছিলাম একটা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে, আসতে হয়েছে দেরী আর আনুসঙ্গিক কাজকর্ম সেরে ফ্রী হলাম এইমাত্র। ক্লান্তি বোধ করছি কিন্তু লেখাটা শেষ করে ইমেইলে এক্ষুনি পাঠাতে হবে তাই একটু চা বানিয়ে কাপটা সামনে রেখেই ফোনটা হাতে নিয়ে টাইপ শুরু করলাম। বিষয় আগেই ভেবে রেখেছিলাম। আজকের লেখাটার শিরোনাম হতে পারে, ‘চা, তরল পানীয় ও আটা সমাচার’। প্রিয় পাঠক, কি ভাবছেন? জ্বী…

আরো পড়ুন

লেখা দিন। ১৫ জুনের মধ্যে (15-06-2022 তারিখের মধ্যে)। সুধী, কালের প্রতিবিম্ব (ম্যাগাজিন)-এর ঈদুল আযহা সংখ্যার কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। আপনার সেরা লেখাগুলো সমাজ পরিবর্তনে কবিতা গ্রুপে পোস্ট করুন। আমরাই আপনাকে খুঁজে নিবো। সেরা লেখাগুলো যাবে আমাদের ম্যাগাজিনে। অনলাইনেও প্রকাশের সুযোগ থাকছে। লেখা ইমেইল করতে পারেন: khair.hrm@gmail.com মোবাইল নাম্বারসহ পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা, লেখকের নাম, লেখার শিরোনাম ইত্যাদি উল্লেখ করতে হবে। সঠিক বানান ও মানসম্পন্ন লেখা, প্রকাশের অন্যতম শর্ত। শ্রদ্ধান্তে, সম্পাদক কালের প্রতিবিম্ব উত্তরা, ঢাকা। প্রতিবিম্ব প্রকাশ (সৃজনশীল লেখকের ঠিকানা) পুস্তক প্রকাশক ও বিপণন ০১৭১৫৩৬৩০৭৯

আরো পড়ুন

তুমি রবে নীরবে [তাহ্ মিনা নিশা] নির্জন দুপুরে বাড়ির সবাই যখন ভাতঘুমে প্রশান্তির আশ্রয়ে। আমি তখন শরৎ রচনা সমগ্র নিয়ে রিডিং টেবিলে। দুপুরের ঘুমটা কেন যেন আমার সহ্য হয় না। কোনোদিন যদি একটু গড়িয়ে নেয়ার ছলে চোখ লেগে যায় তো হলো— ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরটাকে মনে হয় দশ মণ ওজনের হয়ে গেছে। পেট ফেঁপে ঢোল হয়। চোখের নিচে ও উপরের পাতা ফোলা ফোলা ভাব। দেখে মনে হয় যেন একটু আগে কান্না করেছি। অথচ আমার পতিদেব শ্রী ‘সুমন্ত ব্যানার্জি’ এই ছুটির দিনের দুপুরের ঘুমের জন্য পুরো সপ্তাহ অপেক্ষা করে। এই নিয়ে বিয়ের প্রথম দিকে আমার বেশ অভিমান হতো। আমি না…

আরো পড়ুন

কেউ নেই আজ পাশে ৷। সুরমা খন্দকার।। এক রাস্তায় হাঁটছিলাম তুমি, আমি, আমরা, অনুজরা। শেষ লোকটা চলে যাবার পর আর কেউ নেই আমাদের দেখার। কাঁদছি, হাসছি, একই গ্রহে, সবই আছে তবু কী যেন নেই একা হাঁটছি একা…. লোকটি যাবার পর রাস্তা ভীষণ ফাঁকা। এক পারলৌকিক স্তব্ধতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছে অনাবৃত হতে, উপেক্ষা করতে, অনাদৃত করতে আমাদের একে অপরকে। আমরা নিস্তরঙ্গ নদীর মতো, পিছনের আকর্ষণ ভুলে আমরা ক্ষিপ্ত হই, অতীত ভালোবাসা আমাদের পায়ের কাছে দম খিছে পড়ে থাকে- অর্থহীন সমস্ত কথামালা আমরা গুছিয়ে রাখি দুরারোগ্য দুঃখ ভেবে। বিমূর্ত অনিয়ন্ত্রিত শব্দাবলী আমাদের অতি প্রাকৃত দূঃখে নিমজ্জিত আকাশ। মিথ্যের সাজানো সুচারুতায় আমাদের আত্মার…

আরো পড়ুন

আমারও অভিমান হয়। গল্প। [ফারজানা ইয়াসমিন] দুই দিন ধরে অসুস্থ। মা কল করে বলে, বাচ্চারা কেমন আছে? ঠিক মতো খাওয়াই কিনা? ওরা দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে। একদম খেয়াল রাখি না।কী করি সারাদিন? আরও দশজনের বাচ্চার উদাহরণ দিয়ে বসে।মাথা নষ্ট হয়ে যায়। সেদিন শরীর মন দুটোই চরম খারাপ ছিল। তাই বললাম, মা আমিও একটা মানুষ। কতদিন জিজ্ঞেস করো না আমার কথা? হাজার দোষ ধরো সবাই। একবার ভেবে দেখেছো আমিও ক্লান্ত হই?সব মানুষ এক হয় না।আমি হয়তো একটু বেশি অকেজো মানুষ। বলে ফোন রেখে দিলাম। মা ফোন দিল আবারও। আমি বন্ধ করে রাখলাম। এখন আদর, স্নেহ, মায়া, মমতার কাঙ্গাল হয়ে যাচ্ছি। এগুলো…

আরো পড়ুন

বন্ধনে মায়া এই ফুলটারে ভুল করে খোঁপায় পরিস না তুইতো জানিসরে মেয়ে ওটা শুকিয়ে যাবে কিম্বা মারিয়ে দিবি শুয়ে-বসে। বরং ওটা লুকিয়ে রাখ সযত্নে বইয়ের ভাঁজে মনের ভেতর মায়া নিয়ে। তুইতো জানিসরে মেয়ে প্রেমের ভাঁজে লুকিয়ে থাকে শিল্পীর কারুকাজ – ভালবাসা! সময়ের স্রোতে ভেসে যায় ভালবাসা আর প্রেমের অমোঘ টান। সংগোপনে মায়ার টানে ফিরে পায় তার স্থান। ছায়া আহ্বান কে যেন ডাকে শুভ উল্লাসে হৃদয় তারে বিরহের তানে বাজায় অহর্নিশি। ফিরার পথে ফিরায় না তারে বসত তার অন্তরের ঘরে । তার ঘরের আড়ালে মরে পিরিতে ভরা সুর মূর্ছনা! আলো-আঁধার ভুলতে ভুলতে ভুলেই গেছি তবু ভুলের মাঝেই বেঁচে আছি।…

আরো পড়ুন