Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

কাজী নজরুল (ফারজানা ইয়াসমিন) কাজী নজরুল তুমি কি শুধুই কবি? তবে তুমি কি শুধুই লেখক? আমার কাছে তুমি বিদ্রোহী কবি। আমার কাছে তুমি প্রেয়সীর হৃদয় হরণকারী। তোমার মতো আর কেউ নেই এ মনের আঙ্গিনায় বসতকারি। তোমার প্রেমিক মন লিখেছে কবিতা। তোমার কঠিন মন করেছে প্রতিবাদ। তোমার আলোকময় মন করেছে সৃষ্টিকর্তার কাছে ফরিয়াদ। তুমি তোমার লেখায় আছো বেঁচে, আজও হয়ে দীপ্তমূর্তি চিত্রে। তুমি রবে স্মরণে যুগ যুগ ধরে। বাঙালি আমি গর্বিত, তোমায় এ বঙ্গেতে পেয়ে।

আরো পড়ুন

লোভীদের নির্লজ্জ দাপট [মাহাবুবা লাকি] আরো কিছুদিন যেতেই হয়তো দেখবো সমাজ সংসারের কানায় কানায়, শুধু ছলোনা আর অভিনয়ের বিজ্ঞাপন। দেখবো লোভী বেহায়াদের অদম্য শক্তি এক একটি আলোকিত বিলবোর্ডের নিচে দাঁড়িয়ে সুযোগ সন্ধানীর মতো দাঁত কেলিয়ে নির্লজ্জের মতো মদ গিলছে নিত্যনতুন কাম আর ধান্ধার প্রয়াসে। ভালাভুলা ভাবখানা মুখে এনে যেন কিছুই বোঝে না ওই মুহুর্তে তার সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়া কোন কবি ও পথচারীর দিকে অবজ্ঞায় তাকিয়ে আর একঢোক মদ গিলবে অনায়াসে মিথ্যা আনন্দে, যেন সে পৃথিবীর সেরা সুখি মানুষ ভেবে। এসব সাহসিকতার কাজ দেখে কিছুক্ষণের মধ্যেই অলিতে গলিতে ছড়িয়ে পড়ে তার নাম ধাম। এসব দেখে পুরাতন লোভীদের ভাঙা চোয়াল, টাক…

আরো পড়ুন

কবি নজরুল কে নিবেদিত ছড়া মননে ও মর্মে (জগলুল হায়দার) নজরুল ছিল সংগ্রামে আর নজরুল ছিল যুদ্ধে নজরুল ছিল কলোনির রুল তুলতে শিকড় সুদ্ধে। নজরুল ছিল সাম্যে এবং নজরুল ছিল ধর্মে নজরুল আছে মননে এবং নজরুল রবে মর্মে। নজরুল ছিল ভারতে আবার পাকিস্তান ও বঙ্গে নজরুল ছিল আমাদের সাথে আমরাও তার সঙ্গে। ছবিঃ ফাইল।

আরো পড়ুন

গন্তব্যের অপেক্ষা (সুরমা খন্দকার) ছন্দরা বেদনার কংক্রিটে সুদক্ষ পাথর হয়েছে। টুকরো টুকরো কথারা বুকের ভিতর প্রাচীর গড়েছে। গহীনে বিধে থাকে অবসন্ন নিশ্চুপ স্পন্দন। পাঁজরের হাঁড় দিয়ে দীর্ঘশ্বাসের যে ঘর বিদ্যমান। ভাবতে ভাবতে দুর্বোধ্য পৃথিবী আঁকড়ে ধরে আমি লিখতে চাই আমার নাম। তীব্র নৈঃশব্দে আমি বলতে চাই আমি ভালো নেই। কোথায় সে ঠিকানা? একদিন পৃথিবীর পাড়ে আমার একগাদা স্বপ্ন টুকরো টুকরো পড়েছিল এখানে। উচ্ছ্বাস মুগ্ধতার কতোবার মৃত্যু হয়েছে। কখনো চায়ের আড্ডার মতন টং দোকানে বিক্রি হয়েছে আমার অনুভূতিরা। তবুও গন্তব্যের অপেক্ষা….

আরো পড়ুন

কালের প্রতিবিম্ব (ম্যাগাজিন/সাহিত্য পত্রিকা কেন সেরাদের কাতারে: ১. বাংলাদেশের মধ্যে সাহিত্য পত্রিকায় আমরা সেরাদের কাতারে ২. প্রচারণায় আমরা শীর্ষে ৩. নিজেদের বড় পরিসরে ওয়েবসাইট আছে.. যা দেশ-বিদেশে ব্যাপক জনপ্রিয় ৪. দেশি-বিদেশী লেখকদের এক বিরাট প্লাট ফর্ম। ৫. একমাত্র সাহিত্য পত্রিকা হিসেবে আমাদের প্রিন্ট ভার্সন ও অনলাইন ভার্সন দুইটাই সমান জনপ্রিয়। ৬. আছে সারা দেশে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কমিটি/প্রতিনিধি ৭. আছে জনপ্রিয় পেজ/ইউটিউব চ্যানেল। ৮. এতো বড় সাইজের ম্যাগাজিন ও এতো লেখকের লেখা একসাথে প্রকাশের এক দারুণ সুযোগ আমরাই দিয়ে থাকি। ৯. নবীন/প্রবীণ লেখকদের পেশাদার লেখক হিসেবে বিকশিত করার দায়িত্ব আমরাই পেশাদারিত্বের জায়গায় থেকে পালন করি। ১০. প্রতিবার একজন বরেণ্য…

আরো পড়ুন

আমি নদী [মুনা চৌধুরী] অবিরাম অন্তহীন পরাবর্ত বাস্তবতার হৃদী আমি ঝিনুক যোনিপথে গোলাপি আভা মুক্তো চকচক আমি ঢেউ যুগল স্তন জ্যোৎস্নায় পাতানো বউ আমি ভাষা আর সংস্কৃতি আমি অভিরুচি আর অনুভূতি আমি হাটখোলা আর আলোয়, অন্ধকার জানালা আমি কি কবি? সুদে আসলে নকলে আমি সবি দৃশ্যগুলো শব্দ হয়ে যায় ছন্দ বিন্যাসে গদ্য কখনো দুপুরে কিংবা পদ্যের পুকুরে নাহ্, আমি ছবি তাই একের পর এক আঁকা থাকি বাতিল ক্যানভাসে। সকাল ১০ টা বেজে ৮ মিনিট, ১৮/৫/২২ ধানমন্ডি ৭, গোধূলির বিপরীতে বলাকা দুই ৩ নং বদ্ধ কক্ষে শুয়ে-বসে সমস্ত মানবীর গোপন মিল খুঁজে পাই।

আরো পড়ুন

কার্পাসডাঙ্গায় নজরুল ।।এবিএম সোহেল রশিদ।। . রেলগাড়ির হুইসেল বাজিয়ে সপরিবারে তরুণ কবি বর্ণমালার প্রেমিক, ব্রিটিশ শাসকের চক্ষুশূল এঁকেছে প্রজ্ঞায়, আন্দোলনের রৈখিক চিত্র ছিঁড়বেন শৃঙ্খলের জিঞ্জির, রাজনীতির ঘোর টোপে নিয়েছিল পদক্ষেপ নির্ভুল, কার্পাশডাঙ্গায় নজরুল। . এখনো বিদ্রোহী পায়ের শব্দে, কেঁপে ওঠে দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় নরম মৃত্তিকা। গোরুর গাড়িতে ঝাকড়া চুলের তেজোদ্দীপ্ত সওয়ারী দেখেছিল তৃতীয়চোখে, দুখিনী মায়ের মলিন মুখ! মেরেছিল সজোরে কাব্যকথার নির্ভীক চাবুক। . ভৈরব নদের কুলকুল ধ্বনি উসকে দিত আগুন বিক্ষুব্ধ শব্দমালায় পাঠ হতো স্বাধীনতার চিত্রকল্প কবিতার ঢেউয়ে, দ্বিগুণ দ্রোহে, উদিত রক্তিম অর্কে উচ্চারিত হতো শেকল ভাঙার নিখাঁদ পঙক্তি রুখে দিত মেধার স্বতঃস্ফূর্ত স্ফুরণে ব্রিটিশের দম্ভোক্তি। . হর্ষপ্রিয় বিশ্বাসের আটচালা ঘরে…

আরো পড়ুন

স্মৃতি ওড়ে হৃদয় পোড়ে [ড. নজরুল ইসলাম খান] গিফটের স্মৃতিগুলো এখনও নতুন, অন্তরে খচখচ করে- কত যে গিফট তুমি দিয়েছ আমায় তার হিসেব আমি রাখিনি বলা যায় বেহিসেবি আমি। গিফট পেতে যেমন ভালো লাগে তেমনি কাউকে দিতেও হৃদয় জুড়ায় আমার। আমি নীরবে চেয়ে চেয়ে দেখেছি তোমার চোখের পাতায় তুমি দিতেই পছন্দ কর বেশ! অনেকবার তোমাকে দেওয়ার চেষ্টা করেছি তোমার না নেয়ার অজুহাত আমি প্রত্যক্ষ করেছি যুক্তি খন্ডন করেও তোমার হাতে আমার স্মৃতি তুলে দিতে পারিনি। তুমি যখন কোন গিফট তুলে দাও আমার হাতে, আমার ভীষণ লজ্জাও লাগে। গভীর রাতে যখন তোমাকে মনে পড়ে তখন তোমার গিফটগুলো আমার চোখের তারায় তুলে…

আরো পড়ুন

বাবা আমার বাবা বাবা কতদিন…. কতদিন… দেখিনি তোমায়…. এই গানটি দূরে কোথাও বাজছিল, হঠাৎ করেই কানে এসে আটকে গেল গানটি। সুরের আবেশে আচ্ছন্ন হয়ে স্মৃতিতে হাতরে বেড়াতে শুরু করলাম। কিছু স্মৃতি গাঢ় আবার কিছু স্মৃতি ঝাপসা হয়ে ভাসতে শুরু করলো। ১৮ ফেভ্রুয়ারী, ১৯৭৭ সাল। রাত সাড়ে নয়টা। আমাদের জীবনে নেমে আসলো আর্ত চিৎকারে ভরা অন্ধকারাচ্ছন্ন, দুর্যোগময় মূহুর্ত। হ্যাঁ আমার বাবার শেষ নিঃশ্বাসের মুহূর্ত, আমাদেরকে এতিম করে চলে গেলেন এ পৃথিবী ছেড়ে। আমার কাছে আমার বাবার সর্বশেষ স্মৃতি তারঁ মৃত্যু ও মৃত্যু পরবর্তি কার্যক্রম। আমি তখন মাত্র পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রী। সুস্থ বাবার স্মৃতি খুব হালকা ঝাপসা হয়েই মনে পড়ে কিন্তু বাবার…

আরো পড়ুন

আকুল চাওয়া (মুন্নি নূরুল হুদা) ও মাঝি আমায় ওপাড়ে নিয়ে যাবে? যেখানে মেঠোপথে শিশির ভেজা ঘাস, কোমল পরশ বুলায়, এ পাড়েতে তপ্ত পিচে নগ্ন পা যে দগ্ধ হয়। যেখানে গাছের ছায়ায় দুলিয়ে হাওয়া মন ভুলায়, এখানে তো ইট পাথরের বদ্ধ হাওয়ায় দম হারায়। দাঁড়াও না একটু মাঝি, আমায় নিয়ে যাও ঐ শ্যামল গাঁয়ে, যেখানে চাঁদনী রাতে জ্যোৎস্না বিলায়, এখানে তো আলোর ঝলকানিতে চাঁদ হারায়। যেখানে টিনের চালে সুর-লহরি তুলে বৃষ্টির ছন্দ মন মাতায়, এখানে তো যন্ত্রের ঝংকারে তাল, লয়, আর সুর পালায়। মাঝি নিয়ে যাও আমায় সেইখানে যেখানে ছোট্ট নীড়ে খুনসুটি আর সুখের বাসর, এখানে তো ভালোবাসার রং ফানুস আর…

আরো পড়ুন