Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

সরল অংক সরল নয় মাহবুব শওকত সরল অংক সরল নয় চিহ্ন একটি ভিন্ন হলে ফলাফল কিন্তু ভুল হয়। ভাগ পূরণ যোগ বিয়োগ বুঝেশুনে করতে হয়, আগে পরে হয়ে গেলে উলটপালট হয়ে যায়। হিসেব করে চলরে ভাই হিসেব করে চল, সরল অংক সরল নয় যত সহজ বল।

আরো পড়ুন

সোনালী কাবিন – আল মাহমুদ ১ সোনার দিনার নেই, দেনমোহর চেয়ো না হরিনী যদি নাও, দিতে পারি কাবিনবিহীন হাত দু’টি, আত্মবিক্রয়ের স্বর্ণ কোনকালে সঞ্চয় করিনি আহত বিক্ষত করে চারদিকে চতুর ভ্রুকুটি; ভালোবাসা দাও যদি আমি দেব আমার চুম্ব্ন, ছলনা জানিনা বলে আর কোন ব্যবসা শিখিনি; দেহ দিলে দেহ পাবে, দেহের অধিক মূলধন আমার তো নেই সখি, যেই পণ্যে অলঙ্কার কিনি । বিবসন হও যদি দেখতে পাবে আমাকে সরল পৌরুষ আবৃত করে জলপাইর পাতাও থাকবে না; তুমি যদি খাও তবে আমাকেও দিও সেই ফল জ্ঞানে ও অজ্ঞানে দোঁহে পরস্পর হব চিরচেনা পরাজিত নই নারী, পরাজিত হয়না কবিরা; দারুণ আহত বটে আর্ত…

আরো পড়ুন

বৃষ্টির ফোঁটা নিলুফার জেসমীন রুমা অঝোরে বৃষ্টি নেই গুরুগম্ভীর শ্রাবণের আকাশে ভিতর-বাহির কেমন জানি হাসফাস লাগে! হাসি মুখে যতোই বলি ভাল আছি ভাল আছি চারিদিকে সোরগোল দূর্দিন এখনো কাটেনি। আনমনে চুপিসারে…. কাজল কালো চোখের কোণে বৃষ্টির ফোঁটা ভাসে মেঘলা মেয়ের কষ্ট বুকে! কেমন করে সে ভাল থাকে??

আরো পড়ুন

নীল নক্সাতে । ফয়জুর রহমান । স্যন্দিত দৃষ্টি যেখানে- শব্দরা প্রতিবন্ধি জ্ঞানে চোখের জলে লিখ কিংবা আঁকো থাকবে কোরা কাগজ মহাশূণ্য অভিযানে। জাগছে জীবন জ্ঞান সাগরে সাঁতার ধাওয়া কাগজ কলম যুদ্ধা’বিমান কাটছে ঘুড়ি। সাফাই গাহে অনাথাশ্রম ধন্যা মায়ের তোয়া। মগজ ধুলাই শেষ কথাটি জেনেছি উন্নাসিক দৃষ্টিভ্রমি সৃষ্ট জগত অঙ্কনেতে ফাঁকা। জীবন জনি চিরন্তনি আসবে যাবে ঔরসিক। উদাসী নিশ্বাস ইন্ধন কুঁড়ে নৈতিক বিজ্ঞানে নিযুত যোনিতে পৃথিবী ধ্বংসী পোকা। শত জনমের নীল নক্সাতে অঙ্কিত সজ্ঞানে। বেহেস্ত খোঁজিতে মাঠির নিচে খনির হিরক শ্রমিকের ঘামে ঝলসে সোনার ঘড়ি। যেখানে জীবন শোভা ধারণা ভবের ধারক। কবিতা বিজ্ঞান করে উপচয় জগৎধাত্রী মাতা কৃষ্ণগুহা নীল নক্সাতে ভাঙ্গা…

আরো পড়ুন

দজ্জাল শ্বাশুড়ী আফছানা খানম অথৈ আবীর এম এ পাশ করেছে এখনো বেকার। চাকরীর জন্য বিভিন্ন পদে এক্সাম দিচ্ছে।কিন্তু চাকরী হচ্ছে না।বর্তমানে চাকরী হতে ঘুষ লাগে,হ্যালো হ্যালো লাগে। আবীরের এসব নেই বিধায় এখনো তাকে বেকার জীবন-যাপন করতে হচ্ছে।এদিকে সংসারেও অভাব তাই সে টিউশনি করছে।কোন মতে দিনকাল যাপন করছে আবীর।একদিন আবীরের বাবাকে ঘটক হুজুত আলী বলল, ভাইজান আমি সেই কখন থেকে আপনাকে খুঁজছি। ক্যান হুজুত আলী? আপনার ছেলের জন্য ভালো একটা সমন্ধ নিয়ে এসেছি। কার মাইয়া? মিয়া বাড়ির নজরুল মাস্টারের মেয়ে। বি এ পাশ চেহারা চুরুত ও খুব ভালো। ওরা হলো বড় লোক।আমাগো মতো গরিবের লগে সমন্ধ করলে তাগো মান থাকব?তাছাড়া আবীর…

আরো পড়ুন

ভরা ঝর্নার জল জেবুন্নেছা সুইটি সোনাঝরা এক বিকেলে’র রোদ্দুরে… হলুদ রাঙ্গা বাগান বিলাসের ঝোঁপে, সবুজ শ্যামল বাগানের কোন ঘেঁষে, চায়ের কাপে ঠোঁট রাখতে গিয়ে, বিলীন হয়ে ছিলাম তোমার রহস্যে ভরা মিষ্টি হাসির ওই চোখের মায়া বনে। হৃদয়ের যত জমানো কথা উজাড় করে তামাশার ছলে বলেছিলাম- যাদুকর, একটা নির্ঘুম প্রহর কাটাতে চাই তোমার সঙ্গে। অগোছালো জীবনের না পাওয়া জমানো দুঃখ-কষ্ট ভালোবাসা তোমাকে ভাগ দিতে চাই। তোমার ঐ নেশাতুর চোখ দুটোর চাহনি, মিষ্টি ঠোঁটে বিলীন হতে চাই। প্রতিটা লোমকুপে তোমার আদর সোহাগ পেতে চাই। আমার জীবনের না পাওয়ার হিসেব মিলাবো আজ। দেবেতো সেই কাঙ্খিত স্বর্গ? চায়ের পেয়ালায় চুমুক দিতে দিতে তুমি গভীর…

আরো পড়ুন

ফেলে আসা দিন যয়া খান জীবনের শেষ জোছনায় কপোলে কিঞ্চিত কুন্চন ধূসর বর্ণের একগাছি এলোমেলো কুন্তল। পরিপাটি স্মৃতিতে তোরঙ্গের কপাট খুলে মধ্যে রাতের জোছনায় স্মৃতির রথে চড়ে ফিরে যাই সেই শৈশবের যাপিত দিন রাত্রিতে। নির্মিত নিয়মের শিকল ভেঙ্গে ভৈরবের তীর ছুঁয়ে কাশবনে ছুটোছুটি দুবেনীর চপলা হরিণীর। বাঁধ ভাঙা বানে ভেসে যাওয়া প্রানোচ্ছোল রোদেলা দুপুরে। হিজল বনের হাতছানি ফুলপাখিদের মেলায় মুখরিত চড়ুইভাতি। নীল ঘুড়ি আর প্রজাপতির পিছে ছোটাছুটি। রুপকথার গল্পে গল্পে আর স্বপ্নের জগতে ভেসে যাওয়া, মুহূর্তে নিঃশ্বেষ রাত্রি । কি সহজ সরল নিঃস্বার্থ সেই হরিনশাবক আর চড়ুইপোষার বালক বেলা। দক্ষিণা সমীকরণে ভবঘুরে সেই কতশত সুখস্মৃতি ভেসে বেড়ায় আবেগি দৃষ্টি্র আঙিনায়।…

আরো পড়ুন

আবার পাই যেন সাক্ষাৎ ম,আ,কুদ্দুস পদ্মা বাহঃ সুন্দর বোধের অন্তর কষ্ট পায় কেন মন সুখ কী বা ধন। মন উড়তে উড়তে যায় গন্তব্যের সীমান্তে না পেয়ে ফিরে আসে অশ্রু জল বৃষ্টি হয়ে। অবশেষ অনুভূতির কষ্ট ক্লান্ত ঈগলের নীড় ভ্রষ্ট ভাঙে স্মৃতি মিথ‍্যের ঘর কী সুন্দর ক‍ৌতুক, মিথ‍্যে সান্ত্বনা মন চায় ঘাটে ফেলতে নোঙ্গর ক্ষণিক বিশ্রামের পেলে বন্দর যেতে পথে শেষ কথাটি বলা আবার পাই যেন সাক্ষাৎ তোমার দেখা!

আরো পড়ুন

কম কম জগলুল হায়দার মুক্তাগাছার মণ্ডা যেমন ঢাকার যেমন টমটম টাঙ্গাইলে তেমনি মিলে টেস্টি যতো চমচম। মিললে পড়েই বেশি খাবা? না খোকা, খাও কম কম। ঢাকার যেমন তেজগাঁ পোর্ট কলকাতার অই দমদম সিলেট বেশি বৃষটি মেলা এক্কেবারে ঝম ঝম। মিললে পড়েই ভিজবা বেশি? না খোকা, ভিজ কম কম। বেশি খাইলে ডায়াবেটিস বেশি ভিজলে সর্দি বকবে তখন আব্বু আম্মু ভাইয়া এবং ছোড়দি।

আরো পড়ুন

কোথায় তুমি জেবুন্নেছা জোৎস্না (আমেরিকা) কোথায় তুমি, ও-হে বিধাতা? গেড়েছ কি আসন ভজনের স্তুতি’তে? মসজিদ-মন্দিরের জপ, ধূঁপ-ধুনে- ঝুলিয়ে পা, এঁটেছ কি বসে মধ্য বিত্তের গলাতে? খুঁজছি তোমায় অখন্ডিত পৃথিবীর খন্ডিত বিভাজনের দ্বারে— বিশ্বাসের বিন্যাসে, আপোষহীন ঈশ্বরাচিত্র গ্রিনিচ রেখার আলোকিত তারে। অবিনশ্বর, সুললিত স্তবকের বিশেষণে- শুনছ কি তুমি কাশ্মীরি শিশুর কান্না? দুঃখী দ্রাঘিমার ক্ষুধার আর্তনাদে সোমালিয়া- সিরিয়া’য় মানবতার অবমাননা! নষ্ট পৌরুষের অহংকারী প্রপ্রাতে আজ তুমিও কি সমঝোতায় দ্বিধান্বিত? অভিবাদিত সমকামীতা উলঙ্গ প্রজাতন্ত্রে, পূঁজি বাজারে রমরমা পুরোহিতের চক্রান্ত! ইতিহাসের নথিপত্র বলে কথা – মানচিত্রে বারুদের গন্ধ; রক্তে বিশ্বাসঘাতকতা। গো-মুত্র-মাংসের দ্বন্ধ হিন্দু -মুসলমানে- আমার তো এখানে নয়তো থাকার কথা— কোথায় তুমি, ও-হে বিধাতা!

আরো পড়ুন