শোক সংবাদ কবি ও কথাসাহিত্যিক ফরিদা মজিদ ২৮-০৯-২০২১ ভোরে মারা গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন থেকে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। উল্লেখ্য যে, ফরিদা মজিদ কবি গোলাম মোস্তফার নাতনি ছিলেন। আমরা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছে।
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
Books review of ‘Dirghoshasher shathe bosobash’ a books of poems by Abul Khair and translated in french by Marjeta Shatro Rrapaj (Albanian poet) La poésie est ce qui peut remuer les ruelles de l’esprit. Tout comme on veut lire de la poésie pour se débarrasser de la dépression, il faut aussi lire de la poésie pour s’enrichir. Le poète et chroniqueur ‘Abul Khair’ est un visage bien connu dans l’arène littéraire. J’ai été fasciné de lire son livre de poèmes « Vivre avec un soupir ». Sa poésie semble pointer du doigt la réalité. Il y a 60 poèmes dans…
ধারাবাহিক গল্প: বৌদি পর্ব এক: আজ তপুর মন ভাল নেই মায়ের কথা মনে পড়ছে,ঘুম থেকে জেগেই মায়ের জন্য চিৎকার দিয়ে কাঁদছে। রহিম সাহেবরও ঘুম ভেঙ্গে গেলো ছেলের কান্না শুনে জেগে উঠলেন,উঠেই ছেলেকে বুকে জড়িয়ে নিলেন। রহিম সাহেবের চোখেও জল নিরবে কাঁদছে সে ছেলেকে শান্তনা দেবার ভাষা জানা নেই রহিম সাহেবের,তবুও ছেলেকে বলছে,বাবা কাঁদেনা লক্ষী সোনা ঐ দেখ হাতি ঐ দেখো ঘোড়া,শো কেচের ভিতর রাখা খেলনা হাতিটি এনে ছেলের হাতে দিল,রহিম সাহেবের চোখ দুটি ছল ছল করছে মনে মনে স্ত্রীর কথা ভাবছে। কেন আফরোজা তুমি আমাকে কঠিন এক পরীক্ষায় ফেলে এভাবে চলে গেলে, রহিম সাহেবের স্ত্রীর নাম আফরোজা, ছয় মাস আগে…
খেলা ঘর বুঝতে পারিনি রঙধনু রঙিন পাখা মেলে সাত রঙ ছড়িয়ে দেয় ক্ষণিকের তরে— সপ্তমন্ডল, গ্রহ, নক্ষত্র দেখে পৃথিবীর বুকে আলোর রশ্মি ছড়ে, আকাশ, পবন নিয়ন্ত্রণ করে— চাঁদ, সূর্যের আলো ধার করে চেয়ে নেই তবু অহংকারী চাঁদ। পৃথিবীর মিষ্টি শিতল আলোটুকু চাঁদই দেয় আর সূর্য সেতো কেবল প্রখর আলোয় পুড়িয়ে দিতে চাই। আমি নাকি পাগল ছিলাম মাথার ব্যামো ছিলো তাই সে করুনা করে আমাই নতুন জীবন দিয়েছে শুধুই অনুগ্রহ —- কেথাও ভালোবাসা নেই, আমার হয়ে কেউ আসে না। আমি একাই বসত করি, একাই খেলাঘর সাজায় আমার, জানো?আমার এ খেলাঘরও সে ভেঙে দিতে চাই। তাঁকে চিনেছি তাঁর হৃদয় আকাশটা অন্যকারো দখলে…
বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক ও বাঙালি জাতিসত্তার কবি’ হিসেবে পরিচিত মুহম্মদ নূরুল হুদা, একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি। তিনি ১৯৪৯ সালে ৩০ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম হাজী মোহাম্মদ সেকান্দর সওদাগর, মাতা আঞ্জুমান আরা বেগম। তিনি ১৯৫৯ সালে পূর্ব পোকখালী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে মেধা-বৃত্তি লাভ করেন। ১৯৫৯ সালে ঈদগাঁও হাইস্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হন। ১৯৬৫ সালে ঈদগাঁও হাইস্কুল থেকে এসএসসি (মাধ্যমিক) পরীক্ষায় (কলা বিভাগে) কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন তিনি। তিনি ১৯৬৭ সালে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ১৯৭০ সালে…
বৈচিত্র্যময় শরৎ আইরিন সুলতানা লিপি শরৎ রাণির যৌবন খানি টলমলে ঘাসের ডগায়, পেঁজা পেঁজা সাদা ফুলে ভোমর আলিঙ্গনে মাতায়। শরৎ হাওয়ায় প্রেম যে বাড়ায় দিকে দিকে প্রজাপতি, সন্ধ্যে নামে আকাশ ঘামে জোনাকিরা জ্বালায় বাতি। পুব আকাশে সূর্যি জাগে রাঙা ঠোঁটে হেসে, পথের আলে নদীর কুলে কাশফুল দোলে কেশে। শরৎ ছোঁয়ায় হাওয়ায় জানায় শিউলী বকুলের সুহন্ধ, ঝিঝির ডাকে পাতার ফাকে পালা-নৃত্য গানের ছন্দ। উঠোন ভোরে শিউলি ঝরে ক্ষেতের কচি ধানের পাতায়, সাদা আকাশ ঝিরি বাতাস ধানের ক্ষেতে ঢেউ নাচে। আকাশ যখন গোমরা তখন লাগে হায় চরম গরম, গাঁয়ের বঁধুয়ার উড়ায় ঘোমটা বাওলা বাতাসের নাই শরম। শরৎ কালে হাওর বিলে শাপ্লা-পদ্মের যৌবন…
আমি শুধু আমার জন্য কোহিনূর আক্তার আমার ভালো থাকাটা প্রেমময় নয় । তাই ভালো থাকা থেকে দূরে চলে যাই ছোট্ট কোনো ঝিলের পাড়ে , থম থমে পুকুরটার ঢেউ খুঁজতে! হয়তো আমি আমার জন্য নয় । সবার জন্য আমি, আমার জন্য আমি একা, শুধু একা । হয়তো এই বেঁচে থাকার নামই ,খোলা আকাশ নয় প্রাণ খুলে অক্সিজেন নেবার মতো স্বাভাবিক বেঁচে থাকা নয় । আমি শুধু আমার জন্য। ২৯/৯/২১
তুমি আমার নও ফাতিমা আফরোজ সোহেলী এই যে তুমি শূন্যে ছেড়ে দু’ হাত হাঁটছ একা। একা একা…। বেশ অনেক, অনেকটা দূর। হাটার পথে কতো পথেই মিশছে তোমার পথ। কতো পথিক কতো টানে টানছে তোমায়; গল্প কতো বাড়ছে তোমার। বিশ্বটাকে পাচ্ছ তুমি তোমার ক্রোড়েই ত! সে তুমি; আমার বলেই ত! কি করে হয় প্রমাণ তুমি আমার নও!? তুমি আমার বলেই; তোমার বুকের উদার বনে শত শত চোখ শত মুখ, শত মন। এইযে হাজার মনে যেতে স্বাধীন তুমি। শত প্রেমের প্রাচীর ভেঙ্গে কৃষ্ণ তুমি। সে আমি; রাধে বলেই ত!? কি করে হয় প্রমাণ তুমি আমার নও!? এইযে তোমার নামের পাশে এইযে তোমার…
কচি খন্দকার একজন বাংলাদেশী ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা, নাট্য পরিচালক ও টিভি নাটকের প্রযোজক। বর্তমানে তিনি তার অভিনয়ের পাশাপাশি সেরা একজন নাটক নির্মাতা হিসেবে বাংলার নাট্য পাড়ায় জায়গা করে নিয়েছেন। ১৯৬৪ সালের ২৯শে সেপ্টেম্বর কচি খন্দকার জন্ম গ্রহণ করেন কুষ্টিয়া জেলায়। তার বাবার নাম খন্দকার খায়রুল আনাম ও মায়ের নাম খন্দকার আনোয়ারা বেগম মায়া। তিনি সাত ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয়। তার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ও পেশাদারী ফুটবল খেলোয়াড় ছিলেন। ফুটবল খেলায় তিনি গোলরক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। বাবার মত কচি খন্দকারও ভালো ফুটবল খেলতে পারেন। কচি স্কুল জীবনে পড়াকালীন সময় থেকে বিভিন্ন ধরনের অভিনয়ের সাথে জড়িত ছিলেন। বিশেষ করে তিনি যখন নবম শ্রেণিতে…
কৃষ্ণকালিয়া সালমা ডলি ২৮.০৯.২০২১ সারারাত বৃষ্টিতে ভিজে অপেক্ষা করি চলন্ত জাহাজের কার্ণিশে দাঁড়িয়ে। খুঁজি কেবল তোমার সান্নিধ্য নির্বোধ ভঙ্গিতে। চোখ জুড়ে অকুল পাথার কখনো উষ্ণ মরুভূমি। সোমত্ত রাধার অন্তর জুড়ে অশান্ত ঢেউ, সেই ঢেউ পাড়ি দেই অসভ্য যন্ত্রনায়। অবশেষে আধখানা চাঁদ যখন আলো আধাঁরের খেলায় মত্ত নির্জন আকাশে, প্রনয়ের চোখ খুঁজে পায় কৃষ্ণকালিয়া। লুটে নেয় রাধিকার যাবতীয় সঞ্চয় আহ্লাদে, বন্যতায়, দৈন্যতায়, যন্ত্রণায়, অনুরাগ-বিরাগ ও অবারিত মমতায়। তোলপাড় করে ঝাঁঝাল স্বভাব। ভালোবাসার মুহুমুর্হু অভিসার। প্রচন্ড ঢেউয়ের ধাক্কায় খিল খুলে যায় বৃষ্টির সকল অগ্নিবলয় ভিজে হয় শীতল । জলপাই রংয়ের ভূমিতে খেলা করে প্রজাপতি আর ঘাসফড়িং। শীতার্ত দিনে বসন্ত বিরাজমান দোয়েল কোয়েল…
