হে নেতা এবিএম সোহেল রশিদ। রাতের পৃষ্ঠা উল্টালে ভোরের বিচ্ছুরণ একে একে ভিড় করে কতশত মৃত্যুশোক— আজ এই নিদানকালে এদের বড় প্রয়োজন মিছিলের আগে, তাদের সাথেই দেখা হোক। সমাগত জনতা বলুক- হে নেতা! তোমার আদর্শ থেকে বিচ্যুতি আমাদের ফেলেছে স্বৈরাচারের গ্যাড়াকলে— অথচ তোমার দেখানো পথে পৌঁছাতাম যদি গনতন্ত্রের উচ্চাসনে সম্পর্কহীনতার বরফ সহজেই যেত গলে। রাজপথ ডেকে বলে এসো আমার বুকে এখানে দাঁড়িয়েই রুখে দাও আগুন-চোখ — গুম হওয়া নেতা ফিরুক চেতনার উদ্যোগে বঞ্চনার স্রোতে স্বপ্নদ্রষ্টার সাথে হোক সংযোগ। অধিকারের দাবী দ্রোহ ছড়াক মৃত্তিকায় পদদলিত ফুটপাত হয়ে উঠুক মুক্তির মঞ্চ— পৌঁছে দিক গনতন্ত্র স্বৈরাচারীর ঠিকানায় নির্মিত হোক আবার উদার নীতির মালঞ্চ।
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
কাপুরুষ শামীমা ইসলাম (নরসিংদীর আঞ্চলিক ভাষায় কবিতা) কচু গাছে ফাঁস লইছে মনে অইল কষ্ট, বাঁচতে চাইলে পিরিত কইরনা জীবন অইব নষ্ট। আগে থেইক্কা ভালা অইও মনে জ্বালা নাই, প্রেম পিরিতি বিষম জ্বালা চিন্তা করো তাই। কাপুরুষ জন্ম নিয়া অই মইরা যাইতো চায়, এমুন মরা হেডম ছাড়া হেই বেডারাঐ পায়। বেডা নামে কলঙ্ক হেরা কচু গাছে ফাঁস, হিজলা মানু আরো ভালা তরার কফালে বাঁশ। ছেরিরা সব ব্যবসা করে ছিনি মিনি করে, কলঙ্কের মালা গলায় পিন্ধা লজ্জা শরম নাইরে! লোক সমাজে ইজ্জত নিয়া করছে তারা খেলা, সবল সমাজ ধ্বংস কইরা নিম্ন জীবন ভেলা। ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী যারা আল্লাহর ডর আছে, শিক্ষা দেও…
বাংলাদেশের ছেলে হাবিব ও বেলারুশের মেয়ে নাতালিয়ার সাংসারিক জীবনের নানা খুঁটিনাটির মজার সব ভিডিও নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। ভ্রমণ, শপিং, রান্না-বান্না, খেলাধুলার ভিডিও তারা আপলোড করেন ফেসবুক ও ইউটিউবে। জার্মানির বিখ্যাত ফুটবল ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ স্টেডিয়ামে কাজ করতে গিয়ে হাবিবের সাথে পরিচয় নাতালিয়ার। ২০১৭ সালের ৯ জুলাই তারা বিয়ে করেন। নাদিয়া নামে তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বর্তমানে তারা জার্মানির পূর্বাঞ্চলের সাক্সনি অঙ্গরাজ্যের কেমনিজ শহরে থাকেন। হাবিবের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানায়। পড়াশুনা করেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০১২ সালে জার্মানির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব মিউনিখে উচ্চশিক্ষার জন্য যান তিনি। বর্তমানে পড়াশোনা শেষে জার্মান একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালটিং ফার্মে ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্ট…
ব্যথার দহন মমতাজ মনী শেলী ১৬/০১/২০১৯ আমি যেমনই থাকি না কেন লোকের তাতে কি যায় আসে? আমাকে বলতেই হয় ভালো আছি,, ভালো কি সত্যিই তাই আছি? একেই কি বলে জীবনের চিত্র আঁকা? এতো মরণের সামিল হয়ে বেঁচে থাকা, কৌতুহলী দৃষ্টি যেন ছোবল মারে ক্রমান্বয়ে অসময়ের অসহায় নাজুক অসঙ্গতি বুঝিনা তাদের কেমন মতিগতি,, যার নেই কোন নিয়ম নীতি। প্রশ্নবাণে জর্জরিত যেন চাবুকের ঘা, লোভী শিকারির লোলুপ দৃষ্টি যত্রতত্র,, নিরাপত্তার অভাব বোধে করুন আঁকুতি,, কতটা ক্লান্তি এসে ভর করে বিরক্তিকর, অর্বাচীন তিক্ততা অসংলগ্নতার সমাহারে বিদ্ধ হই বারেবারে প্রতিবারে। লজ্জায় অপমানে ঘৃণিত ক্রোধান্বিত তিক্ত হৃদয়ের চৌকস ফলার তীর লালসার ক্ষুরধার দৃষ্টির আড়ালে নিজেকে…
তেড়ে কেটে তাক্ এম.আর.মনজু ২৭.০৯.২১. তেড়ে কেটে তাক্ তেড়ে কেটে তাক্ দিহান বাজায় তবলা তবলার বোলে নাচে হেলে দোলে কাজের ছেলে কবলা। তবলারই সুরে গান গায় জোরে দিহান সোনা আমাদের সোরগোল শুনে ঘুম ভেঙে যায় ওরে পাশের বাড়ির সামাদের। তেড়ে কেটে তাক্ তেড়ে কেটে তাক্ তেড়ে কেটে তাক্ তাক্ তাক্ দুষ্টোমীটা রেখে রে কবলা চুপটি করে রে তুই থাক্।
নিঃসঙ্গের সাথী ফিরোজ আহমেদ সুজা ২৭/৯/২১ আজ হতে বছর দশ পরে তুমি পাবে না তাকে খুঁজে বলবে না কেউ একজন ছিল এখানে থাকতো এই পাড়াতেই হেঁটে যেতো এই পথে নিশুতি রাতে গান গেয়ে, শহর থেকে কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে পুরনো দিনের গান পুরনো দিনের সুরে সুরে, কখনো পল্লী গীতি ও কি গাড়িয়াল ভাই কতই রবো আমি পন্থের দিকে……. কোনদিন ভাটিয়ালি ভাটির গাঙ্গের নাইয়ারে কোথায় যাও তুমি উজান গাঙে বাইয়া রে….. কখনো হাওয়া মে উড়তা যায়ে মেরে লাল দোপাট্টা মলমল কা হোজি হো….. আবার শুনেছি নজরুল গীতি যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পার নাই। কেন মনে রাখ তারে……. কোনদিন আধুনিক…
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করি : হুমায়ূন কবীর ঢালী ২০১৬ সালের এই দিনে ৮২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন দেশবরেণ্য এ লেখক। সৈয়দ শামসুল হকের জন্ম ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর কুড়িগ্রামে। হোমিও চিকিৎসক সৈয়দ সিদ্দিক হোসেন ও মা নুরজাহানের ৫ সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। রবীন্দ্র-পরবর্তী বাংলা সাহিত্যে সব্যসাচী লেখক হিসেবে পরিচিত সৈয়দ শামসুল হক । তিনি কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটকসহ শিল্প-সাহিত্যের সকল অঙ্গনে দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে গেছেন । তিনি বাঙালি মধ্যবিত্ত সমাজের আবেগ-অনুভূতি, বিকার সবই নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তাঁর সাহিত্যকর্মে । সৈয়দ শামসুল হক প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম ‘উদয়াস্ত’। প্রকাশিত হয় ১৯৫১ সালে ‘জগত্যা’ নামক পত্রিকায়…
নার্গিস আরা খানম (সৈয়দা খাতুন) বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী (নজরুল তাকে নাম দেন নার্গিস, ফার্সি ভাষায় যার অর্থ গুল্ম)। কবি তাঁর ছায়ানট,পূবের হাওয়া, চক্রবাক কাব্য গ্রন্থের অনেক কবিতা নার্গিসকে কেন্দ্র করে রচনা করেন। ছায়ানটের মোট ৫০ টি কবিতার মধ্যে “বেদনা অভিমান, অবেলায়, হার মানা হার অনাদৃতা, হারামণি, মানস বধু, বিদায় বেলায়, পাপড়ি খেলা “ও “বিধূর পথিক ” সহ মোট নয়টি কবিতা নার্গিসকে কেন্দ্র করে লেখেন। নার্গিস বর্তমান কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার দৌলতপুর গ্রামের খাঁ বাড়ির আসমাতুন্নেসার মেয়ে। তাঁর পিতার নাম মুনশী আবদুল খালেক। নার্গিসের মামা আলী আকবর খান নজরুলের সাথে কলকাতায় পাশাপাশি থাকতেন। তিনি নজরুলকে তার বাড়ি…
জেনে রাখা ভালো
অথ চোরাবালি কথা শাশ্বতী চ্যাটার্জী পসরা বাতিল হ’ল এলানো পুঁটুলি বাঁধি ফের আসলে নিলাম ছিল আমি ভাবি মেলার হুজুগ অবিরাম নাচঘরে বেড়ে গেছে নূপুরের ঘের ন্যাড়া পায়ে ক্ষয়ে যায় নোনাটে বালির কাঁচা বুক অশোধিত অভিধান দোভাষীও এলো গেল ঢের অমতে যা জরিমানা ভিটেমাটি বিকোবার প্রায় এসব পুরোনো রোগ কমজোরি আঁজলার জের আঙুল আলগা হ’লে বারোমেসে বানভাসি ঠায় এখন আপাত কিছু উপশমে লিখে রাখি স্তোক নিড়ানো ক্ষেতের দিকে উড়ে যাই সন্ধানী চিল আয়ুরজে জন্মের পরাকাষ্ঠাটি লেখা হোক খুঁটৈ খাওয়া ছন্দেতে বাজী রাখা যত গরমিল।
