তোমার সাথে সেলিনা আখতার। তোমার সাথে, আমার একটা সুদীর্ঘ জীবন চাই। জীবনের দুঃখ মাখা ক্ষণ আর সুখের সৌহার্দ্য মাখা পরিধিতে একমুঠো সুগন্ধি ফুলের মতন তোমাকে চাই। তোমার সাথে, সুবিস্তৃত একটা পথ চাই। অবারিত জ্যোৎস্নার প্লাবন অথবা গভীর অমানিশায় দুই হাত আঁকড়ে ধরে অনন্ত কাল তোমার সাথে হাঁটতে চাই। তোমার মুখের ভাষার মতো তোমার গায়ের গন্ধের মতো, তোমার সাথে থাকতে চাই। আভিজাত্য কিংবা দারিদ্রতায়, ক্লান্তি আর অবসাদে। মাটির মতো নিরহংকারে প্রেমের পূজারী, স্নেহের দিশারী আর মমতার অভিসারী হয়ে তোমার সাথে কাটাতে চাই পুরো একটা জীবন।
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
যাপিত জীবন —ফারজানা লুবনা কত শূণ্যতা আর অপূর্ণতা নিয়ে, আমাদের এই বেঁচে থাকা। এই যে এক একটা মানুষ দেখি, কত আনন্দ হাসি ঠাট্টায় মেতে আছে, কিন্তু কেউ জানে না এই হাসির আড়ালে, কত শত অপূর্ণতা নিয়ে এই পথ চলা এই বেঁচে থাকা। তবু জীবন থেমে নেই চলছে তার নিয়মেই, আছে শুধু বুকেরভেতর এক বুক হাহাকার আর হাহাকার! তার খবর কি কেউ রাখে কোন দিন? দিন শেষে যখন নিজের ঘরে ফেরে, তখন থাকে শুধু এক বুক শূণ্যতা, আর স্বপ্নের হাতছানি, যা তাকে আবার নতুন করে বাঁচতে শেখায়, শেখায় মায়াময় এক নতুন জীবনের, নতুন দিনের খোঁজ করতে। মানুষ যা পারে অন্য প্রাণী…
বাংলা কবিতায় ফররুখ আহমদের ভিন্ন চিন্তা: মোহাম্মদ খয়রুজ্জামান খসরু বাংলা কাব্যের শ্রেষ্ঠ মৌলিক কবিদের মধ্যে ফররুখ আহমদ অন্যতম। বিগত শতাব্দীর চল্লিশ দশকে তাঁর কাব্য প্রতিভার স্ফূরণ ঘটে। কবি হিসেবে তাঁর আবির্ভাবের সময়কালটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ প্রতিভা রবীন্দ্রনাথের (১৮৬১-১৯৪১) তখন জীবনাবসান ঘটেছে। বাংলার বিদ্রোহী কবি, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৩) তখন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে নীরব নিস্তব্ধ (১৯৪২)। রাজনৈতিকভাবে পরাধীনতার জিঞ্জির ছিন্ন করে স্বাধীনতা অর্জনের সংগ্রাম তখন তুঙ্গে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসানে দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাসে তখন লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বিপন্ন। জাতীয় জীবনের এ মহাক্রান্তিলগ্নে স্বাধীনতা, নবজাগরণ ও মানবতাবোধের উজ্জ্বল প্রতীক হিসেবে তখন বাংলা সাহিত্যে ফররুখ আহমদের বর্ণাঢ্য…
ভাল থেকো প্রিয় পুরুষ মাহমুদা সুলতানা ১০/১০/২১ ——————- বয়স্ক লোকের রিক্সায় ঠিক ভাল লাগে না। একটা অপরাধ বোধ কাজ করে। কাল একটা রিক্সা পেলাম কিশোর একটা ছেলে। একটা শার্ট আর জিন্স পরা পাটা একটু উঁচু নিচু করে গোটানো প্যাডেলটা ঠিক নাগাল পাচ্ছে না। একবার ডানদিক একবার বামদিকে হেলে পরছে। একটা কথা সরলো না আমার, কষ্ট হল খুব। ওর স্কুলে যাওয়ার কথা। তাহলে যে ওর পরিবার খেতে পাবে না। সুস্থতার সাথে বেঁচে থাকুক আমার ঐ ভাইটি। ছোট্ট খুপরি দোকানে বসে চা পান সিগারেট বিক্রি করে বৃদ্ধ বাবা। তার একটা সংসার আছে চালাতে হবে তো। বেঁচে থাকুক আমার প্রিয় পুরুষ টি। এক…
ধুলিধুসর সৈয়দা রুখসানা জামান শানু হ্যালো হ্যালো–শুনতে পারছিস, কান্না জড়ানো কন্ঠে কলার বলছে, আমি ভীষণ বিপদে আছি। কথা শেষ না হতেই ঢাকা শহরে যা হয় মোবাইল ছিনতাইকারীর কেউ একজন তাঁর দখলে নীলার মোবাইলটি নিয়ে দ্রুত আশ-পাশের গলির ভেতর ঢুকে পড়ে। নিরুপায়, নীলা নিরুপায়- তাঁর বন্ধু সুমনার কী হলো আর কোথায় বা সে, কী বলতে চেয়েছিল, নানা প্রশ্ন এ ছোট্ট মাথায় ভিড় জমতে থাকে তাঁর। সেদিনের কথা তাঁর খুব ভালো মনে আছে, দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার। নীলা ভারত ভিসা আফিসের খুব কাছা-কাছি ছিল। পায়ে হেঁটে হেঁটে যাচ্ছিল ভারত দূতাবাস কার্যালয়ে, ভিসার সীল লাগানো পাসর্পোট সংগ্রহ করতে। বিকেলে পাসপোর্টসহ ঢাকার বাসায় ফিরতে ফিরতে…
Daughter: A story by: Taslima Hasan, (This story from the book ‘The Golden Leaves’ which was published in Canada). Soumika stepped out of her bed and went by the window. She stood by there for a long. Soumika didn’t bother to turn the light on. In the darkness all around no definite shape or size was visible. Light from the house next door fell on the leaves of the coconut tree. A mysterious light and shape played sonata out there. Soumika was not afraid of death. She realized her blood was slowly losing its vigor. Her heart became heavy at…
সময়ের দাবি এইচ বি রিতা (আমেরিকা প্রবাসী কবি) হারিয়ে যাওয়া পথের বাঁকে স্মৃতিরা ঠিকই দাঁড়িয়ে থাকে কেন থাকে! সে রহস্য উন্মোচন হয়নি আদৌ। জ্যৈষ্ঠের খরতাপে যে শিশুটি ডাংগুলি খেলে মায়ের বকুনিতে কেঁদে বুক ভাসাতো, সেও আজ সন্ধ্যার কপালে টিপ পড়িয়ে কারো হাত ধরে হাঁটে। বয়োবৃদ্ধির রোষানলে মানব সভ্যতার নবজাগরণে, বদলে যায় মার্কসবাদ মৌলবাদ-মনুবাদ বুক পকেটে ঠেসে হিংস্র যুবক ভুলে যায; ভর দুপুরে ঘর পালানো দুরন্ত কিশোরের গল্প। পুতুল খেলায় মত্ত যে কিশোরী বুঝতো না একদিন কল্পকথা সেও আজ বয়োসন্ধিতে দুর্বিনীত যৌবনের শুদ্ধিকরণে রজঃ নিঃসরণে পুর্ণাঙ্গ। এভাবেই বেড়ে উঠে চারাগাছ দর্শন শেষে ধর্ষণ জায়গা দখল করে নেয় মানুষের আগ্রহ টপোগ্রাফিক্যাল ম্যাপ…
আগামী সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ইনকরপোরেশন তাদের নাম পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে। মেটাভার্স কোম্পানি হিসেবে নিজেদের পুনর্গঠিত করতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে জায়ান্ট এই কোম্পানি। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন প্রযুক্তিবিষয়ক ব্লগ দ্য ভার্জ। প্রতিবছর ফেসবুকের কর্মীদের নিয়ে ‘কানেক্ট’ নামের একটি সম্মেলন হয়। ২৮ অক্টোবর বার্ষিক ওই সম্মেলন হওয়ার কথা। ভার্জের প্রতিবেদন অনুযায়ী আসন্ন সম্মেলনে ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ নাম পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে। তবে তার আগেই নতুন নাম জানা যেতে পারে। মেটাভার্স বলতে বোঝায় একটি ভার্চ্যুয়াল জগৎ। ইন্টারনেটের মাধ্যমেই মানুষ এ জগতের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন। এ জগৎ বাস্তবতার সঙ্গে ডিজিটাল…
মন গাড়ি সাবরিনা রুবিন গন্তব্যহীন পথে ছুটে চলে মন গাড়ি স্টেশনের পর স্টেশন কোথাও নেই ভালোবাসা, অবিরাম অবিশ্বাসের অনলে পুড়ে বুকের মধ্যে যে অনল জ্বলেছিলো তা থেকেই নিয়েছিলো শক্তি। স্বপ্নিল পৃথিবীটা আগেই হারিয়ে গেছে বুকের বিবর্ন ক্যানভাসে চাপা পড়ে হারিয়ে যাওয়া মুখ ভ্রমরের মতো গুন গুন করে কষ্টরা কি তার দুঃখ? জানেনা সে, জানে না কেউ। হয়তোবা কোন এক স্টেশনে হবে যাত্রা বিরতি মন গাড়ি ছুটে চলে অসীম শূন্যতায় বেলুনের মতো, ফানুসের মতো একদিন ফুরিয়ে যায় হারিয়ে যায় অসীমে.. মাটির টানে পতিত হয়। অপার্থিব শাস্তি, সাজা বা যাতনায় অন্ধকারে কেঁদে ফেরে মন অবিরাম ছুটে চলে গাড়ি।
মরার আগেই মরেছি! মুহাম্মদ কামাল হোসেন (কুড়ি) আপনজনের শ্রেষ্ঠ জন হারিয়ে সবার পর হয়েছি দিন না পেরুতে অর্থে মানে অদ্ভুত অচেনায় পড়েছি অবহেলার দৃশ্য ভবি খোটা জ্বলন্ত প্রমাণ আজ আমি তেড়ে আসে অতীত ভুল সর্বক্ষণ বেওয়ারিশ গালি কথার বিষে ভবিষ্যতের নোংরা ভবিষ্যৎ শুনে অল্পদিনেই সব সুখ হারিয়ে পাটখড়ি হয়েছি। প্রতিবেশি ভদ্র সমাজ জৌলুস আড়ম্বরি ঢঙে কষ্টের কেতনে কখনো কারো চোখ পড়েনি ভুলে শত চেষ্টা করেও ভদ্র হৃদয় ছুঁতে পারিনি মনে তাই অভিমান আর ঘৃণায় দুঃখকে মুক্তি দিয়ে মরার আগেই মরতে যাব এই চিন্তা আসে। হঠাৎ চোখে ভাসলো নিষিদ্ধ কাজলীর ছবি যে কী না সাহস দিত বাঁচতে হবে প্রিয় রবি সেই…
