একটি বিপ্লব ঘটাবো (আবরার স্মরণে) মাহমুদা চৌধুরী একটি বিপ্লব ঘটাবো প্রতিশ্রুতি মতে দেশে উন্নয়ন দেব আথ’সামাজিক জীবনে উন্নতির ঢল নামবে স্বাধীন দেশের মানুষের স্বপ্ন সফল হবে। দাবির খাতায় বিশ্ব যখন এগিয়ে চলছে তথ্য প্রযুক্তির পথে আমরা তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সবো’চ্চ শিক্ষাঙ্গনে বসে সমস্ত ভালত্বকে নিদ’য় ভাবে হরণ করছি ব্যথ’তার মাধুরি আঁকছি। রাজনীতির খোলসে তাণ্ডব নৃত্যের পদাঘাতে উড়ে যাচ্ছে ধমে’র’র নামে সততা,বিবেক আর মানবিকতা স্বদেশের ভূমির কথা স্বাধীনভাবে মুখফুটে বলতেই একদল মেধাবি অথচ নিষ্ঠুর বিবেকহীন সতীথ’ উপর আলার নিদে’শ পালনে আর এক সেরা মেধাবিকে আসামীর কাঠগড়ায় তুলে দিচ্ছি বন্ধ দরজায় রেগিং নিযা’তনে শরীরকে ক্ষত বিক্ষত করছি উজ্জ্বল জীবনবাতি চিরতরে নিভে দিচ্ছি প্রাণ…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
কাণ্ডজ্ঞান: কাণ্ড ও জ্ঞান (মাইন উদ্দিন আহমেদ) কাণ্ডজ্ঞান নিয়ে ভাবছিলাম। কাণ্ডজ্ঞান অর্থ কি? ছাত্রজীবনে কখনো কাণ্ডজ্ঞান শব্দের অর্থ কোন শিক্ষক কখনো ক্লাসে আলোচনা করেছেন বলে মনে পড়ছেনা। প্রাইমারীতে, হাইস্কুলে, কলেজে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে– কোথাও স্যারদের মুখে কাণ্ডজ্ঞান শব্দের অর্থ ছাত্রদেরকে জানাতে শুনিনি। তবে দুএকবার কোন কোন ছাত্রকে কান্ডজ্ঞানহীনতার পরিচয় দেয়ার জন্য তিরস্কার করতে শুনেছি। তাহলে বিষয়টা কি দাঁড়ালো? যাক, ওই আলোচনা অন্য সময় হবে, এখন আমরা কাণ্ডজ্ঞান সম্পর্কে জ্ঞান আহরণের চেষ্টা করবো। কাণ্ডজ্ঞান জিনিসটা কি, এবার সন্ধান করে দেখা যাক। ইন্টারনেট ঘেঁটে দেখলাম, “কাণ্ডজ্ঞান অর্থ ভালমন্দ জ্ঞান, প্রয়োজনীয় অপ্রয়োজনীয় জ্ঞান।” এবার আলাদা করে কাণ্ড এবং জ্ঞান এই দুই শব্দের অর্থ খুঁজে…
অপেক্ষা করো পূর্ণিমার। (ফাতিমা আফরোজ সোহেলী) ২০/১২/২১ চাঁদ দেখতে তুমি চাঁদের দিকেই তাকাও, জোছনায় ভিজতে অপেক্ষা করো পূর্ণিমার জোয়ারের জল দেখতে তাকাও ভাটা শেষের সময়ে নদীর বাঁকে। উত্তরের হাওয়ায় ভেজো শীতের বাসরে আর শুদ্ধ স্নানের জন্য দাঁড়াও বর্ষায়। সবার মতোই তুমি পেঁজা তুলোর মতো মেঘ দেখো আকাশে বাতাসে পাও প্রেমের স্বাদ। ওর সবই যেন তোমার, ভেবে নাও সান্তনায়। আর তোমাকে? পাও কোথায়? কোথায় তোমার নিজ আকাশ, ভাবনার আলো। কোথায় তরংগায়ীত অধীর, মননের অসীম প্রেম নদী কোথায়, কোথায় রাখো তারে? কোথায় আঁকো তারে, তুমি কোথায় দেখো তারে? তোমারে? পথের মতো তুমি পথে পথে পথ দেখো কেবল নিজেকে দেখতে আসোনা নিজের আয়নায়।…
ফেরারি স্পর্শ (অধরা আলো) চারদিক ঘুটঘুটে আঁধার মেঘ কালো আকাশ আলোর বিচরণ কোথাও নেই, হিমেল বাতাস করিডোরে দাঁড়িয়ে, ফেরারি স্পর্শ স্মৃতির পাতায়! ডায়েরির ভাজ খুলতেই সেই চিরচেনা মুখ ভয়ে আতংকিত কুঁকড়ে যাওয়া শরীরের প্রতিটি মুহূর্ত! নর পিচাশের হিংস্র থাবা আচঁড়ে কাটা দেহ ক্ষত বিক্ষত। বিকট অট্ট হাসির শব্দ আজও কর্ণে বাজে বিড়ঙ্গনার আপোষহীন চোখে যন্ত্রণার ছাপ আজ ও আঁখি পাতে অশ্রুতে হয় টলমল। ফেরারি স্পর্শ বারংবার ফিরে আসে স্মৃতির স্মরণে কামানের গুলিবিদ্ধ মুক্তি সৈনিকের লাশের সারি। মায়ের কাছে সন্তানের আত্ননাদের করুণ চিঠি, শত শহিদের রক্তে ভেজা মৃত্তিকা লাল সবুজের পতাকা। নতুন প্রজন্মের কাছে সৌনালি দিন বিজয় বারতা পঞ্চাশ বছর আজ…
খালেদ খান অভিনেতা ও আবৃত্তি শিল্পী প্রয়াণ দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধা। পুরোনাম: খালেদ মাহমুদ খান যুবরাজ জন্ম: ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৮ মৃত্যু: ২০ ডিসেম্বর ২০১৩ বাংলাদেশের একজন অন্যতম জনপ্রিয় আবৃত্তি শিল্পী ও অভিনেতা । ১৯৭৮ সালে নাগরিক নাট্যদলের ‘দেওয়ান গাজীর কিসসা’ নাটকে কাজ করার মাধ্যমে তার অভিনয় জীবনের শুরু। তিনি ৩০টিরও বেশি নাটকে অভিনয়ের পাশাপাশি নির্দেশনা দিয়েছেন ১০টি নাটকে। তিনি টিভি পর্দায় কাজ করেছেন ‘সিঁড়িঘর’, ‘এই সব দিনরাত্রি’, ‘তুমি কোন কাননের ফুল’, ‘রূপনগর’, ‘মফস্বল সংবাদ’, ‘ওথেলো এবং ওথেলো’, ‘দমন’, ‘লোহার চুড়ি’র মতো জনপ্রিয় নাটকে। ‘রূপনগর’ নাটকের হেলাল চরিত্রের জন্য তিনি খ্যাত। চরিত্রের জনপ্রিয় একটি সংলাপ “ছি ছি ছি তুমি এত খারাপ” জনপ্রিয়…
রক্তের স্বার্থকতা। (ইতি মিথিলা) যে বিজয় এসেছে রক্তের দামে, দুর্নীতির অপবিত্র কালি আর পাপাচারের দুর্গন্ধ বালি তার গায়ে কি সাজে? যে মানচিত্র ঘেরা ত্যাগের ফ্রেমে, তার মাঝে ধর্ষকের থাবায় নারী চিৎকার; দোষীদের বেঁচে যাওয়ার অহংকার, প্রাণে কেমন বাজে? যে ভাষা প্রাণের বিনিময়ে, সে ভাষায় পরনিন্দা, মিথ্যা; অপরের নামে কুৎসা, শুনতে কেমন লাগে? যে পতাকা ভাইয়ের রক্তে রাঙানো, ত্যাগের মহিমায় মাখা, তার গায়ে অসৎ আঁচড় পড়লে বিদ্রোহী মন আবার জাগে! এত প্রাণের মূল্যে পাওয়া প্রাণের বাংলাদেশ, যদি হতো পাপ মুক্ত দেখতে লাগতো বেশ। পবিত্র এ মাটির বুক থেকে সব অন্যায় মুছে যাক, এত ত্যাগ আর এত রক্ত স্বার্থকতা পাক।
কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গেছে , কিন্তু আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গেছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিৎ উপরে আছে , সেইজন্যই তাড়া। আমি ছিলাম বর, সুতরাং বিবাহসম্বন্ধে আমার মত যাচাই করা অনাবশ্যক ছিল। আমার কাজ আমি করিয়াছি , এফ.এ. পাস করিয়া বৃত্তি পাইয়াছি। তাই প্রজাপতির দুই পক্ষ, কন্যাপক্ষ ও বরপক্ষ, ঘন ঘন বিচলিত হইয়া উঠিল। আমাদের দেশে যে মানুষ একবার বিবাহ করিয়াছে বিবাহ সম্বন্ধে…
মা (নীলা নিকি) অনেকদিন দেখি না মা-কে মনে হয় এইতো সেদিন মাস, বছর, যুগ পেরিয়ে মনের খাঁচার যন্ত্রণাকে যেমনি পাখি পুষে রাখে চোখের তারায় আকাশ থাকে সেথায় এসে মা যে ডাকে ভালবাসার রাত দিন। কবে যে চলে গেছে ছায়ার মতো পিছে পিছে স্মৃতিগুলো সব মিছে মা আমার হারিয়ে গেছে! নিখোঁজ, নীরব, নিথর হয়ে শোরগোলের লোকালয়ে হিমের পরশ বুলিয়ে দিয়ে দূরে কোথাও যায় মিলিয়ে। মা কি সুদূরের হাতছানি? সুরের মূর্ছনায় শিহরিত বাণী! মা এখন ক্লান্তি আমার স্বপ্ন চিরে তন্দ্রা আনে মনের তাপে আগুন তাতে জ্বালায় শুধু দাউ দাউ ঘাতে পড়াতো যদি দেখতো সবে এমন অনল আছে তবে ভবে ছিন্ন তারে মায়ের…
নাতনির জন্মদিনে নিবেদিত ছড়া। জন্মদিন শুভজন্মদিন এই দিন সেই দিন, বছর ঘুরে এলো আবার সোফিয়ার শুভ জন্মদিন। তোরই মুখে তোরই চোখে কত যে স্বপ্ন আঁকি, তুই যে আমার হৃদয়ে পোষা ছোট্ট ময়না পাখি। হৃদয় জুড়ে গর্বে ভরা তুই যে সোনামুখ, তোরে বুকে টানি যখন পাই যে স্বর্গসুখ। এলি যখন ফুটলো তখন ফুল যে আমার বাগে, কত যত্ন করি তোরে আদরে সোহাগে। তুই যে আমার ভালোবাসার আশায় প্রদ্বীপ হয়ে, শান্তির আলো জ্বেলে দিলি আমার এই হৃদয়ে। খোদার কাছে যাই যেচে তোরই দীর্ঘায়ু, প্রশস্ত হোক তোর জন্য সৃষ্টির আলো বায়ু। ✑ কলমে- তসলিমা হাসান কানাডা, ০৩-১২-২০২১
আমি তোমার রাই বিনোদিনী শামীমা নাইস ১৮/ ১২/ ২ ০ ২ ১ তুমি ছায়ার মতো পাশে থাকো কখনো ছন্দ, কখনো কবিতা হয়ে তোমার প্রিয় ফুল হাস্নাহেনার মতো কখনো দূরন্ত ঝর্ণা, নদীর মতো, সাগরের মতো আমাকে কাছে ডাকো; আমি মায়া হরিণীর তৃষ্ণা নিয়ে অপলক দৃষ্টিতে তোমাকে দেখি হৃদয়ে আমার উথাল পাথাল প্রেমময় ছন্দ কাঁপন ! তুমি কৃষ্ণের মতো বাঁশিতে প্রেমের সুর তোলো আমি রাই বিনোদিনী ছুটে যাই তোমার আহবানে ভুলে যাই জগৎ সংসার, পুরোনো অতীত, সব; বুঝে যাই শুধু তুমিই বর্তমান I তোমার ভালোবাসার সোনালি রোদে, আলো ছায়ায় সারাদিন হাসাহাসি, মুঠো মুঠো আদর মাখামাখি কপালে কলংকের দাগ মেখে তোমার হাতে হাত…
