কালজয়ী পুরুষ (মোঃ সাইদুল ইসলাম) কিছু মানুষ আছেন কালজয়ী; সকল মানুষের সেরা, কালোত্তীর্ণ মহাপুরুষ, ধরণীর চির স্মরণীয় তাঁরা। এ সকল মানব যুগে যুগে আসেন কদাচিৎ এ ধরায়, নিজেকে উৎসর্গ করেন মানুষের সেবায়। কেহ আসেন শান্তির বার্তা নিয়ে এ জগতের ‘পরে, কেহ রচেন গ্রন্থ, মহাগ্রন্থ, মানবের তরে। কেহ হন দানবীর, আবার কেহবা রণে মহাবীর কেহ করেন আবিস্কার সুন্দর নতুন পৃথিবীর। কেহ গড়েন রাষ্ট্র, কেহ আনেন রাষ্ট্রের স্বাধীনতা, কেহ দেন মুক্তি, ভেঙে দেন শৃংখল পরাধীনতা। কেহ আবার গেয়ে যান মহা সাম্যের গান, মানুষে মানুষে নেই ভেদাভেদ, সবাই সমান। কেহ ঘোষেন মহাসমাবেশে মুক্তির বাণী, ছুটে আসেন জনতা সেই ডাক শুনি। আমাদের গৌরব, আমাদের…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
জন্ম: ১৪ আগস্ট ১৯৪২ মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ আমজাদ হোসেন মৃত্যু বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা। অভিনেতা, লেখক এবং চলচ্চিত্র পরিচালক। ব্যতিক্রমধর্মী এই চলচ্চিত্র নির্মাতা তার কর্মজীবনে ১২টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন। একুশে পদক পেয়েছেন। সাবিনা ইয়াসমিনের (১৩টি) পর তিনি সর্বাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী। এছাড়া তিনি প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন এবং এক আয়োজনে পাঁচটি বিভাগে (গোলাপী এখন ট্রেনে চলচ্চিত্রের জন্য) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। পরবর্তীকালে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে এই দুটি কৃতিত্ব গড়েন গাজী রাকায়েত। এছাড়া সাহিত্য রচনার জন্য তিনি ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে দুইবার অগ্রণী শিশু সাহিত্য পুরস্কার…
দাদুর বাড়ি (এম.আর.মনজু) ১৪.১২.২১ আমার দাদুর বাড়ি ভরা ছিলো অনেক গাছে গোয়াল ভরা গরু ছিলো পুকুর ভরা মাছে। সেই গাছেতে কোকিল,দোয়েল নানান রকম পাখি কুহুকুহু, শীষের সুরে করতো ডাকা ডাকি। আম, কাঁঠাল, জাম, পেয়ারা আর ড্রাগন, মাল্টা,লিচু পেঁকে পেঁকে ঝুলে ছিলো লালচে হয়ে কিছু। গজারি, শাল, সেগুন গাছে বাড়ি ছিলো ভরা আমার চাচায় বিক্রি করায় দেশে হলো খরা। খরার পরে বন্যা এলো হয়নি ক্ষেতে ধান চাচার মতো ভুল করে কেউ আর এনো না বান।
রক্তে ভেজা স্বাধীনতা (রুনা লায়লা) রক্তে ভেজা স্বাধীনতা বুকে ধারণ করি কই লুকালো সোনার মানুষ খুঁজে খুঁজে মরি।। মায়ের বুকটা শূন্যে করে খুনের খেলা করেছে মা মাটি আর দশের জন্যে পণের সাথে লড়েছে।। তাদের কথা মনে হলে মনটা যায় যে ভরি। লাল সবুজের সমারোহে নিশান আজই উড়ে ছেলে হারা মা জননী দুঃখ তাতে মোড়ে।। নবপ্রাণে ঘুরে দাঁড়াও হাতে হাতটা ধরি। কোথায় তোমরা নব জোয়ান রাখো তাদের মান কাঁদে নয়ন ক্ষণে ক্ষণে এই যে মানুষ প্রাণ।। বীর বাঙালী জীবন দিয়ে গেছেন এ দেশ গড়ি।
খুকুমনির জন্মদিন (রেবিন চৌধুরী) আজকে খুকুর জন্মদিন পড়ালেখার ছুটি, উইশ করতে ব্যস্ত খুকুর স্কুলের সহপাঠী। অনেকগুলো গিফট পেয়েছে নয় যে একটি দু’টি, কেকের সাথে বাবা এনেছেন অনেকগুলো কেন্ডি। মা দিয়েছেন বড় গাড়ি চালাবে বাই রোডে, নানু,দাদু মানি দিয়েছেন জমিয়ে রাখছে মুঠে। মামার থেকে পেয়েছে সে হাইস্পিডের স্কুটার, খালামনি কিনে দিয়েছেন কিচেন প্লে-সেট রান্নার। সহপাঠী সবাই আনছে অনেকগুলো ফুল, খুশিতে তাই খুকুমনি নাচে দে-দোল দে-দোল। তা-ধিন তা-ধিন নাচছে সবাই গাইছে সা-রে-গা-মা খুশির বন্যায় ভাসছে খুকু পরে নতুন জামা। আজ সারাদিন হাসিখুশি নেই কোনো বকুনি, মুকুটমাথে সেজেছে যেন পরীর দেশের রাণী। আলোক বাতি জ্বেলে খুকু কাটতে গেল কেক, করতালির ঝড় বয়ে যায়…
বিজয় দিবস অমর হোক মুহা্ম্মাদ কিবরিয়া বাদল লক্ষ প্রাণের রক্তে ভেঁজা সাগর নদী তেপান্তর বছর বছর ডিসেম্বর জয় বিজয়ে যুগান্তর। বিজয় গাঁথার ডিসেম্বর দুঃখ কষ্ট’র এই বিজয় মন পড়ে রয় তিরিশ লাখে অঙ্গীকারে রয় হৃদয়। জয় বিজয়ের দোলাচলে লাল-সবুজের পতাকায় ঘুম পাড়িয়ে দুঃখ কষ্ট স্বপ্ন হৃদে আঁকা হয়। আবেগ উৎসব একাকার ডিসেম্বারের এই ক্ষণে ঋণের দায়ে পড়লো বাঁধা বিবেকের হাঁক বোধ-মনে। পরম্পরায় শক্ত হাতে থাকলে ধরা এক সাথে তবেই বিজয় জ্বালবে আলো রবির মতোই ভোর-প্রাতে। বিজয় দিবস অমর হোক বিবেক বোধের এই দাবী অনন্তকাল থাকুক বেঁচে ভবিতব্যের হোক ছবি। শাহীদ গাজী ন্যায়বাদী বিজয় দিবস অমর হোক হাত তুলে আয় করি…
বিজয় কেতন উড়ে (মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম) ১০.১২.২০২১খ্রীঃ হাটি হাটি পায়ে জোর কদমে আলোর পূর্ণিমা পঞ্চাশ পেরিয় স্বতন্ত্রে অপরূপা আজ নীলিমা ভরা মৌসুমে সহাস্যে ঋতুবতী সুন্দরী প্রিয়তমা , কাল হতে কালান্তর অপেক্ষার নির্মাল্যে যুগান্তর, দুপাটি সাজে হৃদয়ে ভাঁজে ভাঁজে দুঃখ মন্বন্তর, ফুল ফসলে ভরে গেছে নিরূপমার অন্তর। শক্ত সমর্থ খুঁটির উপর দাঁড়িয়ে আঁক মানচিত্র লিখতে পার আজ নিজস্ব ঠিকানায় ছিন্নপত্র, জননী ও জন্মভূমি তোমারই অধর চুমি হয়েছি পবিত্র, আশা,ভরসার বুকের জমিনে লিখা যে এক প্রেমপত্র। বিশ্ব আসনে সগৌরবে মাথা উচু করে লাল সবুজে, হাজার বছরের ইতিহাস ঐতিহ্যে পাণ্ডুলিপি কাগজে, লক্ষ প্রাণের প্রতিদানহীন প্রতিদানে পেলাম স্বাধীনতা ও জীবনের মানে, সুস্থির নিঃশ্বাস সুখের…
তেলা মাথায় তেল (সাহানা চৌধুরী) এই জগতে সব কিছু সহজে আসে না আজ কাল, যতই তুমি যোগ্য হও না কেন, থাকুক তোমার ভুরি ভুরি যোগ্যতার ছাড়পত্র, কাজের বেলা ঠনঠনাবে দিতে না পারলে যোগ্য জায়গায় তেল। এই জীবনে দেখলাম সব হালচাল যোগ্যতায় কতজন পায় তার যোগ্যতার স্থান, চাকরি করতে তেল লাগে, গান গাইতে তেল লাগে অভিনয় করবে তেল লাগবে, ভালো কবি হবে তেল লাগবে, তেলে তেলে এই পৃথিবীটা হয়ে গেছে বেসামাল । এই পৃথিবীতে সব শক্তি এক জায়গায় এসে হয়েছে জমা, সে হোল তেল মারার চৌকষ খেলা যে যতো মারবে তেল, সে ততো উঠবে উপরে, তাইতো সমাজে যোগ্য মানুষের হয়েছে আজ…
একটি বিজয় (স.ম. শামসুল আলম) একটি বিজয় আকাঙ্খা আর হাজারো স্বপ্নে লালিত এখনো হচ্ছে পালিত ষোলই ডিসেম্বরে। একটি বিজয় বাঙালির অন্তরে। একটি বিজয় ছিনিয়ে আনতে তিরিশ লক্ষ প্রাণের আত্মদান- ভূলুণ্ঠিত হয়েছে কত না সম্ভ্রম-সম্মান। পুড়ে গেছে মাটি ঘরবাড়ি, পশু, পাখি, গাছপালা দালান-কোঠা ও কলকারখানা সবকিছু পুড়ে ছাই- একটি বিজয় ভালোবাসা দিয়ে বুকে বেঁধে রাখি তাই। একটি বিজয় কত দামি ধন হিসেব মিলাতে ব্যর্থ সকলে, জানি কত গৌরব, কত আনন্দ, কত সুখ, কত হাসি-উচ্ছ্বাস অথচ তবুও গোপনে চোখের পানি। একটি বিজয় বিজয়ের গাথা মাথা উঁচু করে রাখা- একটি বিজয় লাল-সবুজের মিলনে গঠিত প্রাণের পতাকা- বাংলাদেশের মাঠ-নদী-বন মুক্ত পাখির পাখা।
ভ্রমণ: লাস ভেগাস-গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন-ক্যালিফোর্নিয়া: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়। জ্যাকসন হাইটসের একটি রেষ্টুরেন্টে আড্ডায় কয়েকজন বাঙালি আমেরিকান। নিউইয়র্ক প্রবাসী ব্যাবসায়ী এবং সাংবাদিক। আড্ডায় নানা বিষয় নিয়ে কথা হয় । নিউইয়র্ক বাংলা বই মেলা ২৮ অক্টোবর শুরু হবে। পাঁচ দিন ব্যাপি বই মেলা চলবে। মুক্তধারা আয়োজিত নিউইয়র্ক বই মেলায় আসছেন ঢাকা থেকে অনেকেই। জাফর আহমেদ রাশেদ তাদের একজন। রাশেদ ভাই আমাদের বন্ধু। এবারে বই মেলা শেষ হলে আমরা তাকে নিয়ে ভ্রমণে বের হবো। এবারের ভ্রমণ হবে আমেরিকার পশ্চিম উপকূলীয় তিন রাজ্যজুড়ে। সাত জনের একটি দল ঠিক হলো। একটি ভ্রমণ পরিকল্পনা হলো। সুশৃঙ্খল চার দিনের ভ্রমণ। বই মেলা শেষ হয় ০১ নভেম্বর।…
