নতুন বছর। (তসলিমা হাসান) সুখ দুঃখ নিয়ে বছর আসে বছর চলে যায় স্বপ্ন গুলো পড়ে থাকে নতুন বছরের আাশায় কেউ হাসে কেউ কাঁদে কর্মের নিপুণ ধারায় নতুন বছর নতুন সূর্য উঠবে স্বপ্ন নিলিমায় পূরানো সব স্মৃতি গ্লানি ভুলে যাই আমরা নতুন একটি বছর কে বরন করে নেবো মোড়া নতুন সূর্য নতুন দিন ভালোবাসার প্রত্যায় নতুন ভরের আকাশ টাকে সাজাবো মায়ার মমতায় নতুন বছর কে স্বগত জানাই পুরানো দিনকে করে বিদায় শত দুর স্বপ্ন ধুয়ে মুছে যাক নতুন বছরের স্রোতের ধারায় রাত পোহালেই শুরু হবে নতুন দিনের অধ্যায়ন ভালোবাসায় ভরে থাক সারা পৃথিবীর মানুষের হদয় স্পর্দন আজ মধ্যে রাতেই হবে একুশের…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
বইদাদু হুমায়ূন কবীর ঢালী ফজরের নামাজ শেষ করে মুসল্লিগণ মসজিদ থেকে যার যার ঘরে ফিরছেন। সূর্য বাহাদুর এখনো চোখ মেলে তাকাননি। চোখ মেলে তাকাননি গুলশান মাহমুদও। তিনি ঘুমোচ্ছেন। ঠিক সে সময় বাইরে থেকে চাম্বুল কাঠের কাঁচা দরজায় ঠকঠক। একবার। দুইবার। তিনবার…। ঠকঠক শব্দে গুলশান মাহমুদের ঘুম ভেঙে গেল। চোখ মেলে শিয়রের পাশ থেকে মোবাইল হাতে নিলেন। বাটন টিপে মোবাইলে সময় দেখলেন। ভোর পৌনে ছয়টা। এই ভোরে আবার কে এলো! গুলশান মাহমুদ মনে মনে বিস্ময় প্রকাশ করলেন। রাতে ঘুমোতে ঘুমোতে দুইটা বেজে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের অভ্যাস। গ্রামে এসেও সে অভ্যাস বদলাতে পারেননি। যদিও স্ত্রী লাবনীর দৃষ্টিতে দেরিতে ঘুমোতে যাওয়ার একটা বাজে অভ্যাস…
তোমাতে জীবন মরণ (মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম) রচনাঃ ২৪.১২.২০২১ খ্রীঃ লিখি বেনামী চিঠি প্রতিনিয়ত আকাশের ঠিকানায়, জানি পাবেনা কেউ পড়বে না অনুরাগের রঙছটায়! বেখেয়ালে ভোগা ভীষণ প্রাপক হীনতার অসুখটায়। শুধু বেভুলে এলোচুলে কোকিলা কৃষ্ণচুূড়ার শাখায়, রঙ হারায়,রূপ হারায় ধরা অদ্ভুত এক মোহ মায়ায়! ধূসর পাণ্ডুলিপির আয়োজন মিছে আশার ভেলায়, তবুও সুখের ফোবিয়ায় অনুভবে অণুক্ষণ ভাবনায়। বিশুদ্ধ জোছনায় ভিজি রোজ কেউ রাখেনা খোঁজ তাই বলে ভেবনা তোমাতে ঋদ্ধ আমার প্রেম অবুঝ! তোমাতে লিখি পদ্য ও গদ্য সবটাতেই তুমি অনবদ্য তুমি বীনে তারার হাটে জীবন পাঠে আমি অবরুদ্ধ, তোমায় পড়ি তোমায় গড়ি তোমাতে ভাঙ্গাগড়ার যুদ্ধ, গহন মনে অতি যতনে প্রতিদিন হবো আমি পরিশুদ্ধ।…
গানের বাগান (দিলারা হাফিজ) টরন্টোর মিউজিক গার্ডেন,স্বনামেই একখানা কবিতার জাদু পায়ের তলায় তার নাচুসা ঘাসভূমি— দু’চোখের সবুজ উৎসবে ডেকে নেয় পাশে, আহলাদিত নরম বাতাসে উড়ে আসে প্যাট লোথারের কবিতা… প্রাচীন উইলো উদ্বাহু নৃত্যে তাকায় আকাশে নতমুখী অশ্রুজল তার ছুঁয়ে দেয় কপোল সময়ের মরমী সুরে জাগে উদ্বেল—উচ্ছ্বল অকাল প্রয়াত, ব্যথিত এই নারী কবির অসামান্য এক অভিজ্ঞতালোক পরম যত্নে ছড়িয়ে দেয় দুঃখের আতস, উজ্জ্বল জলের লেইক অন্টারিও অজান্তেই ঘূর্ণি তোলে দুরন্ত বাতাসে—- কবিতায় হেসে হেসে খুন,অগ্নিজ্যোৎস্না… অদেখা অন্তর্জ্বালা নিয়ে তুষার পতনের এই দেশ ছুঁয়ে থাকে তার ‘মিল্ক স্টোন’ যার প্রতিটি অক্ষর থেকে ঝরে পড়ে নিশির ডাক, সশব্দে ভেঙে পড়ে পরাবাস্তবের চিলেকোঠা ঘর…
মেহেরজান (কাজী রাশেদ) মেহেরজান, একটা সামান্য নাম, সামান্য একজন নারী, বয়স মাত্র পনেরো কি ষোল। গ্রামের সুদর্শন ছেলের মহব্বতে পাড়ি দিয়েছিলো অন্ধকার, অজানা, অচেনা পথ, তবু মনে ভিতরে ছিলো ভালোবাসা আর বিশ্বাস। বোকা মেয়ে মেহেরজান, অসীম তার বিশ্বাস, সারারাত ভালোবাসার ওম নিতে নিতে পৌছে যায় কোন এক অচেনা শহরে। অচেনা শহর, অচেনা মানুষ, ভরসা শুধু একটাই, বিশ্বাসও একটাই, ভালোবাসার মানুষ মহব্বত খাঁ। দিনের আলো ফুরোতে না ফুরোতেই ভালোবাসার মহব্বত হয়ে যায় অচেনা, ভালো মানুষী আর ভালোবাসার মুখোশ যায় খসে। পাকা শিকারীর মতো মহব্বত নগদ টাকায় বিক্রি করে বিশ্বাস, বিক্রী করে তার ভালোবাসা। মেহেরজানের ঠাই এখন অন্ধকারে, নতুন নতুন ভালোবাসা আসে,…
ওই তো মহাপথ মীনা সাহা পূর্ব নির্ধারিত তরঙ্গ রেখায় প্রতিদিন ফিরে যাওয়া স্তব্ধ দেওয়াল চারদিক ঘিরে মৃতেরাও কথা বলে নক্ষত্র শহর ছুঁয়ে ইউসুফ-জুলেখা ঢুকে পড়ে দর্পণে ভেসে ওঠে প্রতিবিম্ব আত্মাবিষ্কার – স্বপ্নবিভোর রঙিন আতশবাজি জীবন্ত মানুষের দেশে ফুল-ফল – কচি পাতা আর শিশিরের মৃদু স্পর্শ ভেঙে ওঠা সূর্য নিমেষে বদলে যায় শ্বাপদের উন্মত্ত কোলাহলে দুঃসহ-যন্ত্রণার নিদারুণ অভিঘাত পৃথিবীর বুক জুড়ে অশ্লেষা নক্ষত্র হেঁকে যায় কাল-সর্প যোগে প্রাসাদ জুড়ে শূন্যতার অন্ধকার সভ্যতার ঘুম নীরবতা পালন করে জেগে থাকা যন্ত্রণা রাত প্রহর গণনায় রক্ত – মাংসের শরীর ক্ষয়ে ক্ষয়ে ভয়ার্ত মৃত সন্ধ্যায় অনিবার্য আত্মজিজ্ঞাসা ঘিরে নক্ষত্র শহর ছুঁয়ে একালের ইউসুফ-জুলেখা নতুন কাব্য…
বিদায় ২০২১ (রাজিনা চৌধুরী) তুমি চলে গেলে এতো তাড়াতাড়ি। বুঝতে পারি নাই বললে ভুল হবে। কারণ এসেছিলে ভয়াবহতা নিয়ে। আতংকিত ছিলো তনু মন। গুনেছি প্রহর, ভালো কিছুর আশায়। দিনের শেষে রাত, রাতের শেষে দিন কখন যে শেষ হলো বছর। শুধু মৃত্যুর হিল্লোল ছিল চারিদিক। কত ব্যথাক্রান্ত মন ছিলো ২০২১ সাল। কেড়ে নিয়েছো অনেক স্বজন, পিতৃ-মাতৃহারা হয়েছে অনেকই। বাবার কাঁধে তুলে দিয়েছো সন্তানের শবদেহ। অনেক কষ্ট বুকে ধারন করে তোমাকে বিদায় জানাই। যারা চলে গেছে তারা শুধু স্মৃতির মাঝেই বেঁচে থাকবে। অতীত কিংবা কষ্টের বছর মনে ধারন করে মানব জাতির মাঝে থাকবে আমরণ। তুমিতো আর কোনদিন ফিরবে না আমাদের মাঝে। অন্য…
সাংসারিক জীবনের খুঁটিনাটির মজার সব ভিডিও করে ইতোমধ্যে নেট দুনিয়ায় আলোচিত হাবিব-নাতালিয়া দম্পতি। তারা নিয়মিত ভ্রমণ, শপিং, রান্না-বান্না, খেলাধুলার ভিডিও আপলোড করেন ফেসবুক ও ইউটিউবে। সম্প্রতি বাংলাদেশে এসেছেন নাতালিয়া-হাবিব দম্পতি। সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) প্রথমবারের মতো নাতালিয়া স্বামী হাবিবুর রহমানের সঙ্গে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসেছেন। গ্রামের মেঠোপথ ধরে হাঁটছেন আর ভাঙা বাংলায় সবার সঙ্গে কথা বলছেন নাতালিয়া। গ্রাম সম্পর্কে অসাধারণ অনুভূতি প্রকাশ করে নাতালিয়া বলেন, ঢাকা শহরে অনেক গাড়ি, অনেক বাড়ি। গাড়ির শব্দে ঠিকমতো ঘুমানো যায় না। গ্রামটা অনেক সুন্দর। এখানে একটা ভালো ঘুম হবে। বাংলাদেশকে ও গ্রামকে ভালোবাসি। তিনি আরও বলেন, আমাকে পরিবারের সবাই প্রিন্সেসের মতো ট্রিট করছে।…
শুভ নববর্ষ-২০২২ সবাইকে ইংরেজি নতুন বছরের শুভেচ্ছা। লেখা হোক আজ ও আগামীর শুভেচ্ছান্তে, আবুল খায়ের প্রতিষ্ঠাতা/সভাপতি সমাজ পরিবর্তনে কবিতা গ্রুপ। সম্পাদক ও প্রকাশক কালের প্রতিবিম্ব (ম্যাগাজিন)। স্বত্বাধিকারী: প্রতিবিম্ব প্রকাশ। উত্তরা, ঢাকা। ০১৭১৫৩৬৩০৭৯
গত ৩০ ডিসেম্বর ছিল বাস্তববাদী কবি কলামিস্ট আবুল খায়ের-এর জন্মদিন। প্রতিবারের মতো জন্ম দিনটি উপভোগ করতে পারেননি কবি। ভক্ত ও পাঠকদের মাঝে সময় কাটানোর ইচ্ছে থাকলেও পেশাগত কারণে দিনটি অফিসিয়াল কাজেই অতিবাহিত করেছেন বলে কবি জানান। সারা দিন পেশাগত কাজে কাটলেও ভক্তদের শুভেচ্ছা জানানোর জবাব দিতে চেষ্টা করেছেন যারপর নাই। অনেকেই বই, কেক অফ নানা রকম উপহার পাঠিয়েছেন বাসায়। সবাইকে নিরন্তর ভালোবাসা জানিয়েছেন বাস্তববাদী কবি আবুল খায়ের। সারা দিন পেশাগত কাজে কাটলেও ভক্তদের শুভেচ্ছা জানানোর জবাব দিতে চেষ্টা করেছেন। দেশ-বিদেশে তাঁর রয়েছে অগণিত ভক্ত ও পাঠক। অনেকেই বই, কেক, এবং নানা রকম উপহার পাঠিয়েছেন বাসায়। সবাইকে নিরন্তর ভালোবাসা জানিয়েছেন বাস্তববাদী…
