জন্মদিনের শুভেচ্ছা কবি পরিচিতি: মোহাম্মদ শাহানুর ইসলাম। জন্ম: ২৭ ডিসেম্বর। গাইবান্ধা জেলায়। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক এবং উত্তরা ইউনিভার্সিটি থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। কর্মজীবন: বর্তমানে তিনি একটি বেসরকারি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে নিয়োজিত আছেন। লেখালেখি: স্কুল জীবন থেকেই তিনি লেখালেখি করে আসছেন। উচ্চমাধ্যমিকে পড়ার সময় দৈনিক ‘প্রথম আলো’ পত্রিকায় ‘বারবার ফিরে পাই’ শিরোনামে একটি কবিতা প্রকাশিত হয়। এরপর থেকেই তিনি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও লিটল ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখালেখি করে যাচ্ছেন। তিনি ‘সাহিত্য স্পন্দন’ নামক একটি মাসিক পত্রিকার সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং বেশ কয়েকটি সাহিত্য সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
অবৈধ আকাশ সামশুল আরেফিন ব্যার্থ আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে আকাশ। আকাশ এক ভিষণ রকমের সীমাহীন, তারপরেও আকাশের কাছে আজকের আকাশ খুবই ক্ষুদ্র, খুবই সিমীত। আকাশ এক প্রচন্ড রকমের উদার, তারপরেও আকাশের কাছে আজকের আকাশের মন হীনতায় আর দৈন্যতায় পরিপূর্ণ। আকাশ আজ খুবই বিষন্ন। আকাশ আজ মেঘে ঢাকা কারন মেঘকে সরিয়ে দেবার ক্ষমতা আকাশের নেই। তাই আকাশের কাছে আজকের আকাশ চরম ভাবে ব্যার্থ যেমন ব্যার্থ সে নিজে। আজ সারারাত আকাশের দিকে চেয়ে রবে আকাশ। আজ সারারাত ঘন কালো আকাশের সাথে বাসর যাপন করবে আকাশ। বাসরযাপনের পরে একজন মানুষের জীবনে যেমনি নতুন জীবনের সুর্য উঠে, ঠিক তেমনি আগামীকাল সকাল থেকে তার নতুন…
শান্তি (সাইদুল ইসলাম) শান্তি নগরে শান্তি নাই। সবাই বলে শান্তি চাই, একটু শান্তির জন্য এত ছোটাছুটি ভাই। দে-শ ছেড়ে বিদেশে যা-ই একটু শান্তি চাই, সারা দিন পরিশ্রম করে অর্থ জামাই। অর্থ দিয়ে বিবি বাচ্চার জন্য শান্তি কামাই, একটু শান্তির জন্য এত দেই শ্রম, তবুও শান্তি চাই দুঃখ যেন ভাই জম। বাড়ি গাড়ি অট্রালিকা সবই তো ভাই বিলাসিতা, ওপারে যে যাব রে ভাই দেখেছি কি, খুলে শান্তির খাতাটি। যদি ও পারে যায় বিফলে সারাটা জীবন টি, কি করে পাব ভাই অন্ধকার কবরে আমি শান্তি?
অবুঝ পাখি রহিমা আক্তার লিলি ০৭-১২-২০২১ চোখ মেলে যে পাই না তোমায় মন বাড়িয়ে রাখি, দীঘল ভুরু কৃষ্ণ কালো ওরে অবুঝ পাখি। আসতে কাটো যেতে কাটো যেন শাঁখের করাত, তোমার দেয়া দুঃখগুলো সবই আমার বরাত। ঘরে আগুন বাইরে আগুন অন্তর জ্বলে দ্বিগুণ, তোমার মনের অন্ধ ঘরে আমার সুখের ফাগুন। তোমার চোখে প্রেমের অনল শুভংকরের ফাঁকি, মিছে মায়ার ফাঁদ পেতেছো দুঃখ কোথায় রাখি! তোমার চোখে মরণ আমার অধীর হয়ে থাকি, ভেতর বাহির সবই দিলাম নাই কিছু আর বাকি। তোমার মনের সপ্তসিন্ধু অবাক চেয়ে রই! বুকের ভেতর আগলে রেখো কেউ যদি গো হই।
কেউ কেউ ধরাকে সরা জ্ঞান করে, আর আমি ধরাকে ছড়া জ্ঞান করি। আমার পৃথিবীটা ছড়াময়। আমার সামনে পেছনে ডানে বাঁয়ে সর্বত্র ছড়ানো ছিটানো ছড়া আর ছড়া। আমি জেগে থাকি ছড়া নিয়ে। ছড়াও জেগে থাকে আমার সঙ্গে। আমি ঘুমুতে যাই ছড়া নিয়ে। ছড়াও ঘুমোয় আমার সঙ্গে। ছড়ার সঙ্গে আমার সম্পর্কটা অদ্ভুত। আমরা কেউ কাউকে ছেড়ে যাই না। মাঝে মধ্যে খুনসুটি কিংবা অভিমান যে হয় না তাতো নয়। হয়। আমি কিছুদিন রাগ করে অভিমান করে কথা বলা বন্ধ করে দিই ছড়ার সঙ্গে। ছড়াও আমার সঙ্গে রাগ করে, অভিমান করে। ছড়াও মাঝে মধ্যে আমার সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেয়। তখন আমাদের শুরু…
তেঁতুলিয়া ঘুরে এসে লিখেছেন ভ্রমণ কাহিনি।, রোকসানা পারভীন রুশী। দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া একটি ধানের শিষের উপর একটি শিশিরবিন্দু। কবি গুরুর সেই বিখ্যাত কবিতার মতো অনেকেই আমরা টাকা পয়সা খরচ করে দূরে পাহাড়-পর্বতমালা, সিন্ধু দেখতে যাই অথচ নিজের বাড়ির পাশেই কত সুন্দর-সুন্দর জায়গা সেটাই দুচোখ ভরে দেখা হয় না – এই ভাবনার পরিপ্রেক্ষিতে আমার বোন ভাগনীরা প্লান করলো এবার বাড়ির পাশেই আরশিনগর দেখতে যাবে মানে লালমনিরহাটের পাশেই পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া, বাংলাবান্ধা দেখতে যাবে। আমার পুত্রের ক্লাস সেভেনের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করে ওর বাবা কে বলে প্লান পাশ করে ৯ই ডিসেম্বর চলে গেলাম ঢাকার…
মা–বাবা হচ্ছেন তিশা–ফারুকী হঠাৎ করেই একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, হাস্যজ্জল তিসার সাথে গুণী নির্মাতা মোস্তফা সারোয়ার ফারুকীর উচ্ছল ছবির সাথে আরো একটি খবর চাও র হয়েছে মুহুর্তেই ‘মা হতে চলেছেন অভিনেত্রী তিসা’। এ বিষয়ে ফারুকী তার ফেসবুক পেইছে একটি লেখাও দিয়েছেন। লেখাটি হবহু তুলে ধরা হলো। “যখন তোমার জন্ম হয় তখন একই সাথে আসলে জন্ম হয় আমাদেরও আমি যখন কবিতা লিখি তখন কবিতাও কি কিছুটা লিখে না আমায়? “ সন্তানের চোখে নিজের জন্ম হতে দেখা, একজন মা হিসেবে, একজন বাবা হিসেবে, এক অনির্বচনীয় অনুভুতিই হবে নিশ্চয়ই। বেশ কিছুদিন ধরে তিশাকে এবং আমাকে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে-…
সাহিত্য স্পন্দনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষকী: গত ২৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় গুলশান ২-এর নর্থ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো মাসিক সাহিত্য স্পন্দনের প্রতিষ্ঠাবার্ষকী। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন শুদ্ধতার কবি, একুশে পদকপ্রাপ্ত, বাংলা একাডেমি পদকপ্রাপ্ত ও বাংলা কবিতার জীবন্ত কিংবদন্তি অসীম সাহা, প্রধান আলোচক ছিলেন কবি প্রাকৃতজ শামীম রুমি টিটন, বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি ও সাংবাদিক ডঃ সৈয়দ রনো এবং বিশিষ্ট কথাশিল্পী নুর কামরুন নাহার। সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট শিল্পপতি জনাব শহীদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন রেড টাইমস-এর সাংবাদিক সৌমিত্র দেব এবং বিটিভির জনপ্রিয় উপস্থাপক শিরীন শিলা। উপস্থিত ছিলেন নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, কবি ও কলামিস্ট আবুল খায়ের (সম্পাদক: কালের প্রতিবিম্ব), গুলশান ও বনানীর…
হঠাৎ দেখা (সুলগ্না মিত্র) “আগুন জ্বলে? হ্যাঁ আগুন জ্বলে, তাঁর তৃতীয় নয়নে এখনও আগুন জ্বলে” কার কথা বলছি ??? বলছি এক সাধারণীর কথা। যিনি বেনীমাধবের প্রেমে পড়েছিলেন। হ্যাঁ ঠিক চিনেছেন, মালতী বালা বালিকা বিদ্যালয়ের সেই মেয়েটি। তারপর আমরা সবাই জানি তাঁর গল্প। কবির কলমে গাথা প্রেম হারানোর ব্যাথা আর জীবন সংগ্রামের এক গাঁথা। তারপর হঠাৎই একদিন তাঁর সাথে দেখা হয়ে গেলো, আমাদের পাড়ার পুজো প্যান্ডেলে। অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখলাম, না না, সে আগের মেয়েটা আর নেই। পরণে দামী শাড়ি, চুল ছোট ছোট করে কাটা, চোখে চশমা। বেশ সুন্দর দেখাচ্ছিল তাঁকে। তবে কি! তবে কি শেষে, নষ্ট মেয়েই হলো সে ……
বাংলাদেশ রেজাউল করিম রোমেল সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা আমার বাংলাদেশ, আমাদের এই বাংলাদেশে রূপের নেইকো শেষ। ধনী গরিব জেলে চাষি সবার বাংলাদেশ, গর্বে আমার বুক ভরে যায় এটাই আমার দেশ। রক্ত দিয়ে জয় করেছি সোনার বাংলাদেশ, এগিয়ে যাচ্ছে দেশটি আমার দেখতে লাগে বেশ।
