Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

বিরামহীন এই যুদ্ধ বিরামহীনযুদ্ধ, শুধুই যুদ্ধ এপারে যুদ্ধ, ওপারে যুদ্ধ বিরামহীন এই যুদ্ধ । সারাদিনভর যুদ্ধ করে নিস্তব্ধরাতে ক্লান্ত যোদ্ধা স্বপ্নদেখে আসবে নতুনদিন – তখন শান্তির হাওয়া ক্লান্তযোদ্ধার দু’চোখে দেয় চুম আসে রাজ্যের যতো ঘুম.. । যুদ্ধ, শুধুই যুদ্ধ বিরামহীন এই যুদ্ধে ছুটছে পথে ক্ষুধার জ্বালায় লাগাম ছিড়ে সুখ যে পালায় হাহাকারে ভাঙ্গে বুক কোথাও কি নেই সুখ? ডাস্টবিনেতে কুকুর-বিড়ালে আর মানুষে চলে যুদ্ধ যুদ্ধ শেষে ক্লান্ত দেহে ইট- শুরকি বিছানো পালঙ্কতে স্বপ্নরা সব ভিড় জমিয়ে করে কত খেলা কাল হয়তো আধাপেটে নয়তোবা খাবো মাছ-মাংস ভাবতে ভাবতে ঘুমের রাজ্যে উড়াল দেয় স্বপ্নের বুনোহংস । যুদ্ধ, শুধুই যুদ্ধ এপারে যুদ্ধ, ওপারে…

আরো পড়ুন

রক্ত গোলাপ তোমাকে বলার ছিল অথচ বলা হয়নি থমকে দাঁড়িয়ে ছিল না বলা কথাগুলো। কেঁপেছিল ঠোঁট তবু্ও উচ্চারিত হয়নি তোমার নীল চোখের গভীরে খুঁজতে চেয়েছিলাম আমার সমস্ত সুখ। তোমাকে দেবার ছিল অথচ দেওয়া হয়নি নির্জন সুনীলে আমার ভালবাসা কেঁদে গেল আহত প্রাণের তপ্ত নিঃস্বাসে ঝড়ে গেল আমার ভালবাসার রক্ত গোলাপ। হরানো স্বরলিপি সেদিন ই হারিয়ে গেছে আমার কবিতার স্বরলিপি যেদিন তুমি চলে গেলে অন্ধকার করে আমার পৃথিবী। এভাবে চলে গেলে দেখাও তো দিলে না কোন ভুল ছিল কিনা তাও জানা হল না। হয়তো তুমি ভাল আছ থেকো ভাল সদায় তোমার কথা ভেবেই আমার একদিন হবে বিদায়।। ফুটন্ত রজনীগন্ধা…

আরো পড়ুন

সেদিন গোধূলি সন্ধ্যা ছিল উপন্যাস।  ১ম পর্ব। (মনি জামান) তাং-৮-১২-২২ আজ নিলয়ের মনটা খুব খারাপ মেবিনের কথা বার বার মনে পড়ছে, নিলয় ফোনটা হাতে নিয়ে মেবিনের নাম্বারে ফোন করলো অপর প্রান্ত থেকে জানিয়ে দেওয়া হল,দুঃখিত এই মূহুর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।নিলয় আবার ফোন করলো অপর প্রান্ত থেকে একই উত্তর দুঃখিত এই মুহুর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। বিষন্নতায় ছেয়ে গেলো নিলয়ের মন ফোনটা রেখে দিয়ে মনটা ভিষণ খারাপ লাগছে নিলয়ের,কয়দিন হলো মেবিনের সাথে কথা হয়নি,সেই ২০১৮ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবসে মেবিনের সাথে প্রথম দেখা ও পরিচয় হয়েছিলো নিলয়ের একটি কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠানে। সেই থেকে দুজনের পরিচয় আর এই পরিচয়ের…

আরো পড়ুন

‘মা-হারা দিবসে’ অজানা গল্পের ঝাপি, ‘মন্তব্য সাহিত্য প্রতিযোগিতা’য় জিতুন অভিনব পুরস্কার।  সালেম সুলেরী মা মতিনা সোলায়মান-এর প্রয়াণ ৬ জানুয়ারি ১৯৯৮। ঢাকা মেডিকেলে বিকেলে ক্যান্সারে মা-জননীর জীবনাবসান। মৃত্যু-সংবাদ পেলেও সঙ্গে সঙ্গে ছুটতে পারিনি। কারণ তখন নিউইয়র্কে’র ঠিকানা’র ‘লিড নিউজ’ লিখছি। হাতের কাজ শেষ করতে দেড় ঘন্টা, অতঃপর দৌড়-ঝাপ। ঢাকায় তখন হাড়-কাঁপানো প্রচন্ড শীত। সন্ধ্যায় শান্তিনগরে ‘প্রোপার্টি এস্টেটে’ প্রথম জানাজা হয়। সেটি আমার তৎকালীন অ্যাপার্টমেন্টের প্রাঙ্গন। ফুপাতো বোন কন্ঠশিল্পী ফেরদৌসী আপাসহ অনেক নিকটজন। তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি ফজলুল হক। প্রেসিডেন্টের সাবেক সচিব, এটিএন-টিভি’র উপদেষ্টা কবি সাইফুল বারী… । রাতে সড়কপথে পৈতৃকবাস ডোমারের পথে আমাদের অভিযাত্রা। বৃহত্তর রংপুরের নীলফামারীর ডোমার যাবে…

আরো পড়ুন

বাংলা সাহিত্যের তিন বন্ধ্যোপাধ্যায়: তসলিমা হাসান বাংলা সাহিত্যের তিন প্রধান বন্ধ্যোপাধ্যায় যথাক্রমে -‘বিভূতিভূষণ বন্ধ্যোপাধ্যায়'(১৮৯৪-১৯৫০), ‘তারাশংকর বন্ধ্যোপাধ্যায়'(১৮৯৮-১৯৭১) ও ‘মানিক বন্ধ্যোপাধ্যায়'(১৯০৮-১৯৫৬)। তাদের প্রত্যেকের লেখার আলাদা -আলাদা নিজস্ব বিষয় ভাবনা নিম্নে তুলে ধরা হলো। (১)- কল্লোল যুগের লেখক হয়েও পুঁজিবাদী সমাজকাঠামো, শ্রেণীদ্বন্দ, যৌনতা, কামনা, বাসনা,হতাশা, ক্লান্তি এসব ছাপিয়ে ‘বিভূতিভূষণের’ লেখায় উঠে এসেছে শাশ্বত প্রেম, প্রকৃতি, চিরন্তন বাংগালী নারীর দেবীমূতি, স্নেহপ্রেম ভালোবাসা লালায়িত আত্মা ও শিশু মনস্তত্ত্ব।  যেমন বলা যেতে পারে পথের পাঁচালী, আরণ্যক, ইছামতী উপন্যাস ও মেঘ-মল্লার, মৈরীফুল, অরন্ধনের নিমন্ত্রণ, জন্ম ও মৃত্যু সহ প্রভৃতি ছোট গল্পের কথা। (২)-‘তারাশংকর বন্ধ্যোপাধ্যায়ের’লেখা প্রকাশ পেয়েছ রাঢ় বঙ্গের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনপ্রবাহ, সমাজ, রীতি-নীতি, ঐতিহ্য, ধর্ম বিশ্বাস, টোটেম-ট্যাবু। …

আরো পড়ুন

এতিমের কান্না (মোহাম্মদ হেদায়েতুল ইসলাম) মুক্তিযুদ্ধে গেলো বাবা আমায় মায়ের পেটে রেখে, যুদ্ধে বাবা শহীদ হলেন যেতে পারেননি আমায় দেখে। জন্মের ক’মাস না যেতেই মা ও চিরবিদায় নিলো, দুঃখী নানা নানীর কাছেই আমার স্থান হলো। মায়ের দুধের কতইনা অভাব ছিলো ছোট বেলায়, বর্লিটা এনে দিত আমার ছোট খালায়। কিছুদিন পরে নানাজি গেলো দুনিয়া ছেড়ে, সম্বলহীন নানী এতিমখানায় দিল যেখানে উঠি আমি বেড়ে। খাবার দিত সেখানে আমায় দু’বেলা নামমাত্র, শিশু বয়সে কাজ করেও হয়েছি অবজ্ঞার পাত্র। ছাড়পোকার অসংখ্য কামড় খেয়েছি আমার ঐ শিশু গায়ে, মশারও অনেক কামড় খেয়েছি পায়ে। ভাতের মধ্যে পাইতাম অনেক পোকা খেতে গিয়ে ভাত, ডালের মধ্যে ডাল ছিলো…

আরো পড়ুন

অনেক বৃষ্টি ঝরে তুমি এলে যেন একমুঠো রোদ্দুর আমার দুচোখ ভরে তুমি এলে।। কত বেদনার বিষন্ন মেঘে ভেসে ভেসে এলে তুমি অবশেষে তাই বাতায়নে ময়ুরেরও ঝিলিমিলি ঝিলিমিলি আজ সারাদিন ধরে,আমার দুচোখ ভরে তুমি এলে।। আমি যেন এই আলোর খেয়ায় আনমনে ভেসে যাই কোন স্বপ্নেরও দেশে যাই। কত শিউলি আনন্দ যায় ডেকে ডেকে দূর বনভূমি থেকে। তুমি এলে যেন এক মুঠো চঞ্চল চঞ্চল খুশি এলো অন্তরে আমার দুচোখ ভরে তুমি এলে।। (কথা:আবু হেনা মোস্তফা কামাল, শিল্পী: রুনা লায়লা) আমার খুব পছন্দের একটি গান

আরো পড়ুন

মেরিলিন আহমেদ, বাংলাদেশি তরুণী দেশে বসে বিদেশের ৪টি কোম্পানি সামলান: দেশে বসেই বিদেশের চার প্রতিষ্ঠান সামলাচ্ছেন তিনি। আয়ের অঙ্ক শুনলে যে কারও চোখ কপালে উঠে যাবে।  অনলাইনের একটি মার্কেটপ্লেস থেকেই তাঁর মাসে গড়ে দুই লাখ টাকা আয় হয়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অনলাইন মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্কে শীর্ষ আয়ের তালিকায় জ্বলজ্বল করছে তাঁর নাম। তিনি বাংলাদেশি তরুণী মেরিলিন আহমেদ। ফ্রিল্যান্সিংয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের অনেকখানি এগিয়ে যাওয়ার বার্তা বহন করছেন মেরিলিন। দেশে বসেই বিদেশের চারটি প্রতিষ্ঠানের জন্য কর্মী নিয়োগ দেওয়া, মানবসম্পদ বিভাগ দেখাসহ প্রতিষ্ঠানের গুরুদায়িত্ব পালন করছেন মেরিলিন আহমেদ। ফ্রান্সের একটি কোম্পানি তাঁকে সে দেশে চলে যেতে বললেও তিনি দেশেই গড়ে তুলতে চাইছেন মানবসম্পদ নিয়ে কাজ করে…

আরো পড়ুন

দাদুভাই, কালের প্রতিবিম্ব (ম্যাগাজিন) এবং ‘সমাজ সমাজ পরিবর্তনে কবিতা গ্রুপে’র সম্মানিত উপদেষ্টা: জন্মদিনের শুভেচ্ছা। এক নজরে দাদু ভাই : রফিকুল হকের জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৩৭। পিতা মরহুম ইয়াছিন উদ্দিন আহম্মদ, মাতা মরহুমা রহিমা খাতুন। পৈত্রিক নিবাস রংপুর শহরের কামালকাচনায়। আদি নিবাস ভরতের পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার শহরে। ব্যক্তিগত জীবনে স্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা হামিদা হকের মৃত্যুর পর তিনি আবার বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে ছোট ছেলে জ্যোতি হক শিক্ষার্থী অবস্থায় এক দুর্ঘটনায় নিহত হন। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনায় উজ্জীবিত এ কলমসৈনিক স্বাধীকার আন্দোলন ও স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতিটি ধাপে সক্রিয় ও তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। সর্বকালের…

আরো পড়ুন

কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শতবর্ষ (মোস্তফা তোফায়েল হোসেন) ২৫ মে ২০২১ এগারোই জৈষ্ঠ্য চৌদ্দ শ আটাইশ সাল। কাজী নজরুল ইসলাম ‘বিদ্রোহী’ রচনা করেন ১৯২১-এ, যে-বছরে টি, এস, এলিয়ট রচনা করেন তাঁর কবিতা, ‘The Waste Land’। ১৯২১ সালেই প্রকাশিত, অপর শ্রেষ্ঠ কবিতাটির নাম ‘The Second Coming’, আইরিশ কবি ডব্লিউ, বি, ইয়েটস্ রচিত, যে কবিতায় পূর্বাচলে এক ‘আচানক, উদ্ভট জৈবিক শক্তি’র উদয় সম্পর্কে পূর্বাভাস উচ্চারিত হয়েছিল। এবার এদের শতবর্ষ। ‘বিদ্রোহী’ রচনার আগে কাজী নজরুল ইসলাম সমধর্মী গতিময়তার যে-কবিতাটি রচনা করেছিলেন, সেটি ‘আগমনী’। ‘আগমনী’র ছন্দ ও উচ্চারণভঙ্গিটিই প্রচণ্ড গতিশীলতার, ঝোড়ো চঞ্চল বেগে এগিয়ে চলার। কাজী সব্যসাচীর আবৃত্তিতে প্রতীতি আসে যে, থরথর করে…

আরো পড়ুন