এসো হে’ প্রিয় (শরীফা খাতুন) তুমি কি জানো না প্রিয়…? যত রঙেই হও না তুমি প্রস্ফুটিত…! আমি যে তোমারই প্রেমে নিমজ্জিত…! তোমার একটুখানি প্রেম ; শান্তির পরশ বুলিয়ে আমার গা’য়…! শত সহস্র ঝড়ো হাওয়া ম্লান হয়ে যায়…! তোমার একটুখানি প্রেমের ছোঁয়ায়…! আকাশের কালো মেঘগুলো কেটে যায়…! আমার ভালবাসার আকাশে; সাত রঙে রঞ্জিত তুমি আমার সেই রঙধনু…! জীবনে মরনে ভুলবো না; ভুলতে পারি না তোমাকে কখনো…! তুমি আমার সপ্তম আকাশে উড্ডীয়মান বাহন…! সাত সমুদ্র পাড়ি দিবো ভালবেসে; তোমার পবিত্রময় চরণ…! তোমার চরণ দুটোকে করেছি আমার মাথার তাজ…! তোমার বক্ষ হচ্ছে আমার ভালবাসার ফুলশয্যার স্বর্গীয় সাজ…! তোমার পবিত্রময় প্রেমের স্পন্দনে…! জাগ্রত হৃদয়…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
চিত্রনায়িকা অন্তরা’র অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত। চিত্রনায়িকা অন্তরা’র অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি ২০১৪ সালের ৮ জানুয়ারি, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়ে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। অকাল প্রয়াত এই অভিনেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা । তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। অন্তরা (পারভীন আক্তার লাকী) শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে এসেছিলেন। শিশুশিল্পী হিসেবে তাঁর নাম ছিল ‘বেবী লাকী’।শৈশব থেকেই খুব ভালো অভিনয় করতেন। শিশুশিল্পী হিসেবে অন্তরা অভিনয় করেন, ‘রঙিন নবাব সিরাজউদ্দৌলা’, ‘অবুঝ হৃদয়’, ‘স্বামীর আদেশ’, ‘বোনের মতো বোন’, প্রভৃতি ছবিতে। অন্তরা নায়িকা হিসেবে প্রথম অভিনয় করেন, তোজাম্মেল হক বকুল পরিচালিত, ১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পাগল মন’ চলচ্চিত্রে। অন্তরা অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবি, ‘বালিকা হলো বধূ’, ‘দোলন চাঁপা’, ‘শয়তান মানুষ’, ‘সুখের আশায়’,…
রেমিট্যান্সযোদ্ধা (শাহজাহান আবদালী) যাদের কারণে শান্তিতে আছি দিব্যি করছি ফূর্তি অজ-পাড়াগাঁয়ে পাকা বাড়ি দেখি বেড়েছেও ভাবমূর্তি। পথে পথে কত রঙচঙা ছবি বিলবোর্ড, আলো ঝলমল যত দেখি ততো মন ভরে যায় চোখ সুখে করে টলমল। স্বদেশের এই উন্নয়নের পেছনে যাদের অবদান তারা বিদেশের অভিবাসী যতো সংখ্যায় তারা কোটি প্রাণ। গায়ের রক্ত পানি করে তারা খেটে যায় দিবারাত্রি আমাদের সুখে তারা হয়ে যায় ঘোর আঁধারের যাত্রি। ধূসর আঁধার কষ্টজীবন কত যে করুণ কাহিনী ছুটি নিয়ে তারা দেশে ফিরে এলে আটকায় অপবাহিনী। বিমান পথেই দেশে এসে নেমে পড়ে টাউটের পাল্লায় অপবাহিনীরা লুটেপুটে নেয় দেখে ভাবে, হায় আল্লায়। যাদের পাঠানো রেমিট্যান্সই এদেশ আলোয় হাসছে…
মুজিব কড়চা (ঢালী মোহাম্মদ দেলোয়ার) একটি ছেলে জন্মনিল অজগায়ে টুঙ্গিপাড়ায় আপন করে নিতে তাকে এ ধরণী দু’হাত বাড়ায় , বজ্রকন্ঠের প্রতিবাদে দেশপ্রেমীর নজর কাড়ায় ন্যায় নীতিতে সেই ছেলেটিই সব্বাইকে ছাড়ায়। জেল জুলুম অত্যাচার রুখে দিয়ে ঘুরে দাড়ায় হায়েনাদের শাসন শোষণ বীরদর্পে পা’য়ে মাড়ায়, ষড়যন্ত্র মিথ্যা মামলায় জেল খাটে শত ধারায় সাতই মার্চে ভাষণে আইয়ুব শাহীর টনক নাড়ায়। আটক করে পশ্চিমারা পাকিস্তানের জেলে ভরায় অকূতভয় বীর বাঙ্গালী রক্তচক্ষু নাহি ডরায়, তারই ডাকে সাড়া দিয়ে দেশবাসী রুখে দাড়ায় হটিয়ে দিল মছুয়াদের তর্জনীর ঐ এক ইশারায়। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত তের শত নদী গড়ায় আঁধার কেটে সূর্য উঠে স্বাধীনতার আলো ছড়ায়, পচাত্তরে পনের…
মৌনতায় ঘিরে আছে উদাস করা একরাশ অব্যক্ত কথা মালা । নীরব ভাষায় আকূল প্রাণের গভীরে উচ্ছ্বাসিত অনলে জ্বলে যায় দোলনচাঁপার মধুরতা, তবুও সুবাসিত সুবাসে লুকিয়ে থাকাএক অব্যক্ত বেদনা শোভা পায় অতৃপ্ত ঠোঁটের কোণে নানা হাসির ছলে । তৃষিত হৃদয়ে আঁকা মুখচ্ছবি গোলাপের কাঁটায় ক্ষত বিক্ষত হয়ে ফিরে আসে অবেলায়…….কিছু না বলা কথা, কিছু না লেখা কবিতা বলছে আমায় মনে মনে….. তোমার সেই উদাস করা গানের সুর আমায় নিয়ে যায় সেই মেঘের দেশে । হঠাৎ কোনো দমকা হাওয়া এসে আমাকে নাড়িয়ে দিলো। বললো অলীক স্বপ্নে রাঙানো শুভ্র শিশিরকণা জড়িয়ে নিলো পায়। মনে হলো, মনে হলো হঠাৎ যেনো কোনো বৃষ্টি এসে ভিজিয়ে…
জানালায় (মোঃ হাবীবুর রহমান) ০৯ জানুয়ারি / ২০২২ এ-ই জানালা কপাট খোলা বাইরে থেকে রৌদ্র আসে, মৃদু-মন্দ বাতাস আসে; মেঘ দেখা যায়… যায় যে ভেসে দূর আকাশে। পাশেই বাগান সুবাস আসে, কীটপতঙ্গ পোকামাকড়, মশা মাছি সে-ও আসে। ও-ই সুদূরে… ডাস্টবিনের ঐ ভাগাড় থেকে, গন্ধ আসে মাঝে মাঝে, দমকা হাওয়া যখন আসে। বস্তিবাসী ঝগড়া করে, ক্ষুধার জ্বালায় যে শিশুটি কান্না করে; সেই আওয়াজ ও আসে ভেসে। চৈত্র-দিনে লু-হাওয়া আর পৌষ সকালে কুয়াশা আসে, বাদল দিনে বৃষ্টির ছাঁট, কমবেশি তো আসেই বটে। পাশের বাড়ির বন্ধ ফটক গাড়ির হর্ণে যায় খুলে, পোষাকধারী গেট-দারোয়ান বাকি দিন তার ঝিমিয়ে কাটে! দৃষ্টিহীন এক অন্ধ লোকে পথের…
ছবি- ছিটমহল কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ ও পরিচালনা-এইচ আর হাবিব প্রযোজনা-কমন্ হোম এটাচার। পরিবেশনায়-জাজ মাল্টিমিডিয়া। রিলিজ ডেট-১৪ ই জানুয়ারি অভিনয়ে-জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া, মৌসুমি হামিদ, আরমান পারভেজ মুরাদ, মীরাক্কেলের সজল, ডন হক, এবিএম সোহেল রশিদ, উজ্জ্বল কবির হিমু, অঞ্জলি সাথী ও শিমুল খান প্রমূখ। শুটিং স্পষ্ট-মাড়েয়া ছিটমহল পঞ্চগড়। ছিটমহল চিত্রায়ণে ছিটমহলের বাস্তবতা তুলে ধরতে ছিটমহলেই শুটিং করতেই হবে। পরিচালকের এমন গোয়ার্তমির কারণে তীব্র শীতে দলবেঁধে পুরো ইউনিট ছুটলো মাড়েয়া ছিটমহল পঞ্চগড়। এক দেশের ভেতর অন্যদেশ। উল্লেখযোগ্য সাহায্য-সহযোগিতা নেই। এ হলো সংগ্রামী জীবন। যেন সূর্য বিহীন বৃক্ষের বেড়ে উঠা। ভাবতেই কেমন লাগে। মানুষ থেমে থাকে না। সভ্যতার পথ ধরেই এগোয়। ছটমহলের নানাবিধ সংকট…
অমর একুশে বইমেলা-২০২২ ভালোবাসার স্পন্দন (কাব্যগ্রন্থ) কবি অধরা আলো কবি পরিচিতি: ১৯৮২ সালের ১৪ই এপ্রিল শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা থানার অন্তর্গত দক্ষিণ সিড্যা গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। পিতার: আলম চাঁন ব্যাপারী মাতার নামঃ- ফিরোজা বেগম বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে, তিন ভাই বোনের মধ্যে তিনিই বড়। স্কুল জীবন থেকে লেখার হাতেখড়ি। স্কুলের ম্যাগাজিন গুলোতে কবিতা গল্প ছাপানো হত। কবি কবিতা, গল্প পড়তে,গান শুনতে ভালোবাসেন। তিনি বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। লিখতেও ভালোবাসেন, এবং যতদিন বেঁচে থাকবেন লেখালেখি করেই বেঁচে থাকতে চান। লেখালেখির পাশাপাশি তিনি এক সময় শিক্ষিকা ছিলেন, বিভিন্ন বুটিকস হাউজের সাথে ও কাজ করেছেন। স্বামী সুমন ডালী (ব্যাবসায়ী), এক ছেলে আরাফাত মাহমুদ…
রক্তকরবী নাটক: রঞ্জনের মৃত্যু ও প্রাসঙ্গিকতা।: রক্তকরবী নাটকে মূলত নন্দিনী ও রাজার মধ্যে এক ধরণের দেওয়া-নেওয়ার পালা দেখতে পাওয়া যায়। রাজা নিষ্ঠুরতাকেই তার আভিজাত্য বলে মনে করে। এটিই তার চরিত্রের ব্যক্তিত্ব। সে কেবল নিতেই চায়। এই চাওয়াটার ক্ষেত্রে রাজা কোন আপোষ করতে নারাজ। অন্য দিকে নন্দিনী শুধু দিতে চায়। সে যেন দেবার জন্যেই জন্মেছে। এই দেবার ক্ষেত্রে তার কোন বাছ-বিচার নেই। নন্দিনীর দেবার সম্পদ— তার ভালোবাসা। এ ভালোবাসা আহেল-ভালোবাসা। চন্দ্র যেমন জ্যোৎস্না বিলায়—- তার এই বিলানোচ্ছুও আহেল। নন্দিনীর ভালোবাসা— কিশোর থেকে অধ্যাপক এমন কি বিশু সকলেই পেয়েছে। এই ভালোবাসার পরশে সকলের মধ্যেই এসেছে পরিবর্তন। সেই পরিবর্তনের দিকটি হল— মনোক্রমবিবর্তন। যেমন…
বিজয় মানে দায়িত্ব (আইরিন সুলতানা লিপি) বিজয় মানে এই নয় শুধু পতপত উড়বে পতাকা, এই বিজয়ের পিছে রয়েছে কোটি স্বপ্নের আহুতা। বিজয় নিশান কিভাবে এলো? তোমরা জানো না সেই কথা, দেশজনতার ছাতিতে বুলেট পেতে দিয়েছে মাথা। একাত্তরের সেই রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর জোড়ালো ভাষন, পূর্ব বাংলাকে আয়ুব খান করেছিল ইচ্ছে মতো শোষণ। বাংলার শিশু বৃদ্ধ দামাল সকল শ্রেনীর জনগণ, মানেনি শোষণ আয়ুবের কথন প্রতিবাদে ফেটে পড়েছে জনমন। দুধের শিশুকে টেনে ফেলে দিয়ে পিষে মেরেছে বুটে, বাবার সামনে মেয়েকে ধর্ষণ ছিড়ে খুবলে খুটে। একাত্তরের সেই হানাদার বাহিনী নোংরা হাসির উল্লাস, উলঙ্গ নারীর যৌবন নিয়ে খেলা হাসিতে ফেটে পড়েছে পিচাশ। বলো কেউ কি…
