মূল্যবৃদ্ধি মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ দাম বেড়েছে ডিজেল তেলের দাম বেড়েছে ডিমের দাম বেড়েছে পটল আলুর দাম বেড়েছে ভিমের। দাম বেড়েছে জল ও পানির দাম বেড়েছে দুধের দাম বেড়েছে মশলাপাতির দাম বেড়েছে সুদের। দাম বেড়েছে মাছ-মাংসের দাম বেড়েছে ঝালের দাম বেড়েছে পিয়াজ রসুন দাম বেড়েছে ডালের। দাম বেড়েছে লবণ চিনির দাম বেড়েছে শাকের দাম বেড়েছে আম ও জামের দাম বেড়েছে আখের। দাম বেড়েছে বিদ্যুৎ – গ্যাস দাম বেড়েছে পানির দাম বেড়েছে সরিষার তেল দাম বেড়েছে ঘানির। দাম বেড়েছে সাদা ভাতের দাম বেড়েছে কলার দাম বেড়েছে হিসাব ছাড়া নাইরে কিছু বলার। দাম বেড়েছে চিংড়ি, ইলিশ দাম বেড়েছে বেগুন দাম বেড়েছে গাছ-গাছালির যায়…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
বেলা শেষে তসলিমা হাসান আমিও ছিলাম স্বপ্নকন্যা সোনালী অতীতের রঙিন দিনে রূপ যৌবনে ছিলাম আমি অনন্যা। চোখে কাজল, পায়ে নূপুর, কালো কেশ মেঘ বালিকা হয়ে ছুটতাম জীবন ছিল আমার বেশ। সানাইয়ের সুরে পালকি চড়ে এসেছিলাম বধূ সাজে কত কল্পনা, কত সাধনা, ছিল আমার মনের মাঝে। ছিলাম কন্যা, হলাম বধূ হলাম আমি মা জননী দিন বদলের পালা শেষে কেটে গেল কত দিন,কত রজনী। জীবন নদীর মোহনাতে আমি এক সারথি শেষ বিকেলে পৌঁছে গেছে আমার জীবন চলার গতি। বেলা শেষে আমি এখন কোন পথের যাত্রী? এই ভেবে ব্যাকুল আমি কাটে না দিন রাত্রি। লেখক: তসলিমা হাসান কানাডা,২১-০৮-২০২২
নিউইয়র্ক বইমেলার খণ্ডচিত্র বাংলা সাইনবোর্ড আর খানাখাদ্যের বিপুল সম্ভারে কালিজিরা জিলিপির মুচমুচে উপস্থিতি লুৎফর রহমান রিটন নিউইয়র্ক বইমেলায় গেলে একসঙ্গে অনেক বন্ধুর দেখা মেলে। এক ঢিলে বহু পাখিকে মুঠোবন্দী করা যায়। পুরনো বন্ধুর সঙ্গে রিইউনিয়নের সুযোগ হয়। এবং বন্ধু তালিকায় যুক্ত হয় অনেকগুলো নতুন নাম, নতুন মুখ। এবারের ৩১ তম বইমেলায় গিয়েও ঠিক তেমনটাই হলো। বহু বছর পর দেখা হলো অনুজপ্রতিম অর্থনীতিবিদ বিরূপাক্ষ পালের সঙ্গে। বাংলাদেশে খ্যাতিমান বিতার্কিক বিরূপাক্ষ ছিলো বিতার্কিকদের নেতা। ডিবেট ফেডারেশনের কর্মকর্তা। দেখা হলো মৌসুমী দাশ পুরকায়স্তর সঙ্গে। কৈশোরে মৌসুমী ছিলেন খেলাঘরের সদস্য আর আমি কচি-কাঁচার মেলার। তিরিশ-চল্লিশ বছর পর আমাদের দেখা। বইমেলায় মৌসুমী এসেইছিলেন আমার সঙ্গে…
অভাবের নেপথ্যে জাকিয়া সুলতানা ফর্দ হাতে সকালবেলা আমার রাজকন্যা চোখে তার ছলছল পানি যেন বাঁধ না মানা কান্না। শুধালাম কি হয়েছে তোর? বল অভাগারে দেখি কোন দুঃখ কাঁদায় আমার ছোট্ট সোনা মা’টারে। ফুপিয়ে ফুপিয়ে বলল; বাবা মা শুধু বলে এটা নাই ওটা নাই দ্রব্যমূল্যের দাম নাকি বেড়েছে সব আমি কেন করি খাই খাই। বেত মেরেছে বাহুতে আমার চড় মেরছে গালে তারপর মা নিজেই কেদেঁছে আমার সমান তালে। কোলে নিয়ে তাকে হাত বুলিয়ে মাথায় বুকে যেন আমার চাপা পাথর ভেঙে পড়ছি ব্যথায়। হাতে নিয়ে ফর্দ তার দেখি লিখেছে তাতে মুরগি, ডিম, পোলাওর চাল, গুড়োদুধ আর চিনি স্নেহাতুর কন্ঠে ফরিয়াদ; বাবা এখনি…
আমি কবি নই মনিরা ইসলাম আমি কবি নই বর্ণমালার সঙ্গে অতটা সখ্যতা গড়ে ওঠেনি আমার এখনো বর্ণে বর্ণে মিলন ঘটিয়ে একটা সম্মোহনী শব্দ বুনতে পারিনি আমি যে শব্দমালা তোমার আমার মনের কথা বলে! তবুও তুমি আমাকে কবি বল ভীষণ আড়ষ্ট হয়ে পড়ি তোমার কথায় থমকে যাই, লজ্জায় মাথা নত হয়ে আসে। মিথ্যে বলবো না কিছুটা সুখানুভূতি হয় বটে কিন্তু ভীষণ ভয় হয়, তুমি কবি বললে। ভয় হয় কবিতার প্রেমে পরে তুমি আমাকেই ভুলে না যাও! কবি সে-তো অনেক কিছুর সমাহার আমার যে অত গুণ নেই আমি শুধু তোমাকেই চিনি আমার বর্ণমালার প্রতিটি ভাঁজে!! এতোটা স্বার্থপর হলে কি কবি হওয়া যায়?…
অচল পয়সা এস এম শহীদুল্লাহ সরকার (মেলান্দহ জামালপুর) অবৈধ পথে হারাম রুজি, নিত্য করে যারা, গুরুর সন্ম্মান নষ্ট করতে, দ্বীধা করেনা তারা। রাতারাতি হয় বড়লোক, আকাশে দেয় লাফ, আগুল ফুলে হয় কলাগাছ, বাবাকে দেখায় ভাব। শিক্ষা দীক্ষা না থাকিলেও, টাকায় করে বাহাদুরি, লম্ফঝম্প তারা মেরে উড়ায়,, ট্রেনের ছাদে ঘুড়ি। নিজেকে ভাবে বড় গুনিজন, করে চেয়ার দখল, কাজ কর্মগুন নয়তো খাঁটি, সবখানে ভাব নকল। হইলে টাকায় পকেট ভারি, চলে তারা ঝাকানাকা, পশ্রাব পায়খানায় যায় মটরে, মারগুতে লাগায় চাকা। অচল পয়সা কভু হইলে দামি, যেমন মুল্য বেড়ে যায়, অসাধুজন তব হইলে সাধু, যা হবার তাই হয় ।
তুমিও কেঁদেছিলে মুহাম্মদ শামসুল হক বাবু কবিতা লিখেছি আমি আঘাত পেয়েছে সে কেউ তোমরা বলতে পারো তিনি আমার কে? ঐ “বুকের ভিতর ব্যথা” নামক আমার কবিতা তুমি যেন জাফর ইকবালের ভালোবাসার ববিতা। তোমার চেয়েও বেশি ভালোবাসি বললে আমায় মহব্বতপুরে হাসি ফুটেছে আমাদের ক্ষমায়। সে যে আমার প্রাণের স্পন্দন আমার দেহের শির কেঁদেছে সে কেঁদেছি আমি নিশ্চুপ ছিল নীড়। কষ্ট পেয়েছে সেই কবিতায় আমিও পেয়েছি কষ্ট মজবুত হয়েছে বিশ্বাস আজি ভালোবাসা হয়নি নষ্ট। বলেছিল সে তুমি তো কবি লেখতে পারো সবই আমি না হয় বলতে পারি না- দুঃখ পাই যতই। কষ্ট দিয়ে কষ্ট পেয়েছি দেখাতে যদি পারতাম হাত পা বাঁধা না…
বিধাতার খেলা নুসরাত জাহান শারমিন রাতের নিস্তব্ধ প্রহর আমার কেড়ে নেয় ঘুম, মানুষে-মানুষে ভেদাভেদ, ব্যথা জাগায় অসীম। কেউবা ঘুমায় সোনার পালঙ্কে, কেউবা রাস্তার ধারে, কেউ ফেলে দিচ্ছে আহার, কেউ ভুকছে অনাহারে। কারো আছে অট্টালিকা নেইকো থাকার কেহই, কোথাও বা হাজার লোকের মাথার ছাদটুকুই নেই। এ কেমন নিদারুণ ভেদাভেদ করছো তুমি বিধি – আমিতো জানি তোমার কাছে সমান সকল শ্রেণি। পিতা- মাতাহীন কত সন্তান ঘুরছে পথে বাজারে – সন্তানের জন্য কত বাবা- মা কাঁদছে তোমার দুয়ারে! এ কেমন বিচিত্র খেলা খেলছো আমার প্রভু? সকলের মনে শান্তি দেও দুঃখ দিওনা কভু!
অনিমেষ শাহনাজ পারভীন আমি তাকিয়ে দেখি কালো মেঘ তবুও বারবার খুঁজি জোছনার আলো, আছি তো বেশ ভালো! তবুও ভূগোল ম্যাপ দেখি অজস্র নাই আমার কোন যন্ত্র মন্ত্র। বেহায়াপনা মন সামলাতে সারাক্ষণ এতো অস্থির তোলপাড় যখন তখন তবুও আশায় আশ্রয় খুঁজতে থাকি সর্বক্ষণ। অতৃপ্ত রসনার কথা হবেনা কারও কাছে শেষ, নির্লজ্জা আত্মার অভিপ্রায় ও ক্ষণিকের জন্য দেখি অনিমেষ। তবুও আছি তো বেশ ভালো! দেখি অন্ধরাতে ঝাপসা চোখের কোনে এক রত্তি আলো,, তাই দেখতে পাই না কোন কালো। আমি বড্ডই বেশি দেখি ঐ নীল আকাশ বারবার ছুঁয়ে দেয় নিরবে আমায় ঐ বাতাস। কিন্তু,,,, নিরব আওয়াজ দেহ খানি করে জরাজীর্ণ বুঝতে পারি শব্দটা…
আমার এলোমেলো ভাবনা যয়া খান মুষলধারায় বৃষ্টি চারিদিকে নিকষ কালো অন্ধকার। চলছি আমি একা আমার গন্তব্য পথে। ভিষনভাবে অনুভব করছি তোমার অনুপস্থিতি। যদি থাকতে পাশে কেটে যেতো সময়গুলো গানের সুরে , কবিতার চরণে অথবা বৃষ্টির শব্দতরঙ্গে । এখনও অনেক টা পথ বাকি… কি করছো তুমি ? যদিও তোমার প্রতিদিনের রোজনামচা আমার মুখস্থ। আমার মত তুমিও কি ভাবছো ? প্রতিটি বৃষ্টি কণার পতিত শব্দের তালে তালে তোমার কন্ঠস্বর ভেসে আসছে আমার কানে, স্মৃতিগুলো রঙের ছোঁয়ায় ভেসে উঠছে আমার দৃষ্টির ক্যানভাসে। নিকষ কাল অন্ধকার পড়ছে বারবার তোমায় মনে। বড্ড ইচ্ছে হচ্ছে তোমার হাতে হাত রেখে অবিরাম পথ চলতে, চোখে চোখ রেখে মনের…
